📘 নারী স্বাধীনতা, পর্দা ও বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা > 📄 দ্বীনের উপর ডাকাতি করা হচ্ছে আর তারপরও নীরবতা

📄 দ্বীনের উপর ডাকাতি করা হচ্ছে আর তারপরও নীরবতা


বিয়ে-শাদীতে অনেক বিষয়ে ঝগড়া-বিবাদ হয়। এ ধরনের কথার উপর অসন্তুষ্টি প্রকাশ করা হয় যে, আমাদের অমুক কথা শোনা হয়নি, অমুক বিষয়ে আমাদের প্রতি খেয়াল করা হয়নি। এসব বিষয়ে ঝগড়া-বিবাদ হয়, এবং পরস্পরের মধ্যে তিক্ততা সৃষ্টি হয়। আপনি যদি পর্দানশীন মহিলা হন তাহলে অন্য কোন বিষয়ের উপর অসন্তুষ্টি প্রকাশ করবেন না, আপনাকে বেশী আদর আপ্যায়ন করা হয়নি এ বিষয়ে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করবেন না। কিন্তু যখন আপনার দ্বীনের উপর ডাকাতি করা হয় তখন সেখানে নীরব থাকা জায়েজ হবে না। দাঁড়িয়ে জনাকীর্ণ অনুষ্ঠানে বলে দিন এটা আমাদের জন্য অসহ্য। যতক্ষণ পর্যন্ত কিছু নারী-পুরুষ এ বিষয়ের উপর দৃঢ় সংকল্প বদ্ধ না হবে, মনে রাখবেন ততক্ষণ পর্যন্ত লজ্জার হেফাজত হবে না এবং এই বন্যা চলতেই থাকবে।

📘 নারী স্বাধীনতা, পর্দা ও বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা > 📄 আজাবের জন্য প্রস্তুত হয়ে যান

📄 আজাবের জন্য প্রস্তুত হয়ে যান


মোটকথা কম পক্ষে আমরা যারা দ্বীনের নাম উচ্চারণ করি, যতক্ষণ পর্যন্ত এই বিষয়ের উপর সংকল্প বদ্ধ না হব ততক্ষণ পর্যন্ত এই বন্যা থামবেনা। আল্লাহর ওয়াস্তে সংকল্প বদ্ধ হউন তা না হলে আজাবের জন্য তৈরী থাকুন। কারও যদি এই আজাব সহ্য করার সাহস থাকে তাহলে সে আজাবের জন্য প্রস্তুত হয়ে যাক না হয় সংকল্প বদ্ধ হউক।

📘 নারী স্বাধীনতা, পর্দা ও বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা > 📄 নিজের পরিবেশ নিজেই তৈরী করুন

📄 নিজের পরিবেশ নিজেই তৈরী করুন


আমার পিতা হযরত মাওলানা মুফতী মুহাম্মদ শফী (রহ) বড় কাজের কথা বলতেন, সেটা স্মরণ রাখার যোগ্য। তিনি বলতেন, আপনারা এ কথা বলে থাকেন যে, পরিবেশ খারাপ, সমাজ খারাপ, আরে ভাই আপনার পরিবেশ আপনি তৈরী করুন। আপনার সম্পর্ক এরকম লোকদের সঙ্গে হওয়া উচিত যারা দ্বীনের ব্যাপারে আপনার সঙ্গে একমত হবে। যারা দ্বীনের ব্যাপারে আপনার সঙ্গে একমত না তাদের পথ আলাদা এবং আপনার পথ আলাদা। অতএব নিজের এমন একটা বন্ধু মহল গড়ে তুলুন যারা পরস্পরের সঙ্গে দ্বীনের ব্যাপারে সহযোগিতা করার জন্য তৈরী থাকে। এবং এমন লোকদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করুন যারা আপনার পথে বাধা সৃষ্টি করে।

📘 নারী স্বাধীনতা, পর্দা ও বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা > 📄 স্বাধীনভাবে মেলামেশার পরিণাম

📄 স্বাধীনভাবে মেলামেশার পরিণাম


মোটকথা নারীর ঘর থেকে বের হওয়ার কারণে একটা ধ্বংস তো এই হয়েছে যে, পারিবারিক সিস্টেম ধ্বংস হয়ে গেছে। আরেকটি এই যে, আল্লাহ তায়ালা পুরুষের অন্তরে নারীর প্রতি আকর্ষণ রেখেছেন এবং নারীর অন্তরে পুরুষের প্রতি আকর্ষণ রেখেছেন। এটা সৃষ্টিগত ব্যাপার। আপনি যতই এটাকে গোপন করুন কিন্তু এটা বাস্তব, একে মিথ্যা বলা সম্ভব না। যখন উভয়ের মাঝে অবাধ মেলামেশা হবে এবং স্বাধীনভাবে চলাফেরা হবে তখন ঐ আকর্ষণ যা মানুষের মাঝে সৃষ্টিগতভাবে বিদ্যমান তা কোন এক সময় উত্তেজনা সৃষ্টি করে গোনাহর প্রতি উৎসাহিত করবে এবং নিশ্চিত গোনাহর প্রতি অগ্রসর হবে। আপনি এই সমাজে বসবাস করে স্বচক্ষে দেখছেন, এখানে নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশার ফলে কি হচ্ছে। পাশ্চাত্যে বর্তমানে কোন পুরুষ অথবা নারী যদি অবৈধ পন্থায় যৌন চাহিদা পূরণ করতে চায় তার জন্য দরজা খোলা, কোন আইনগত বাধা তার নেই, কোন সামাজিক বাধা তার নেই। তা সত্ত্বেও এই দেশে জোরপূর্বক ধর্ষণের ঘটনা সমস্ত পৃথিবী থেকে বেশী হচ্ছে। গতকালের পত্রিকায়ই আমি পড়লাম, এই দেশে প্রতি ৪৬ সেকেন্ডে একটা জোরপূর্বক ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে। এখন বলুন যে দেশে অবৈধ পন্থায় সন্তুষ্টি চিত্তে যৌন চাহিদা পূরণ করার পথ খোলা তা সত্ত্বেও জোরপূর্বক ধর্ষণের ঘটনা এত অধিক পরিমাণে হওয়ার কারণ কী?

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00