📘 নারী স্বাধীনতা, পর্দা ও বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা > 📄 আমরা আমাদের সন্তানদেরকে জাহান্নামের গর্তে ঠেলে দিচ্ছি

📄 আমরা আমাদের সন্তানদেরকে জাহান্নামের গর্তে ঠেলে দিচ্ছি


এসব কিছু বাড়ীর বড়দের অবহেলা এবং উদাসীনতার ফল যে, তাদের অন্তর থেকে অনুভূতি শেষ হয়ে গেছে। বলার কেউ নেই, বাধা দেয়ার কেউ নেই, সন্তান জাহান্নামের দিকে দৌড়ে যাচ্ছে কেউ তার হাত ধরে বাধা দিচ্ছেনা। কোন পিতার অন্তরে এই খেয়াল আসেনা, আমরা আমাদের সন্তানকে জাহান্নামের গর্তে ঠেলে দিচ্ছি। রাত-দিন সব কিছু চোখের সামনে হচ্ছে। যদি কেউ তাদেরকে বুঝানোর চেষ্টা করে তাহলে তারা বলে, আরে ভাই! এরা তো যুবক মানুষ করতে দাও, তাদের কাজে বাধা সৃষ্টি করো না। এভাবে সন্তানদের সম্মুখে হাতিয়ার সমর্পণ করার ফলে অবস্থা এই পর্যন্ত পৌঁছেছে।

📘 নারী স্বাধীনতা, পর্দা ও বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা > 📄 পানি এখনও মাথার উপর দিয়ে বয়ে যায়নি

📄 পানি এখনও মাথার উপর দিয়ে বয়ে যায়নি


এখনও সময় চলে যায়নি। এখনও যদি বাড়ীর কর্তা এবং অভিভাবক দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ হয় যে, এ সমস্ত কাজ হতে দেবনা। আমাদের বাড়ীতে নারী-পুরুষের সম্মিলিত অনুষ্ঠান হতে দেব না। আমাদের বাড়ীতে মহিলাদের পর্দাহীন অবস্থায় কোন অনুষ্ঠান হতে দেব না, ভিডিও ফিল্ম হতে দেবনা। যদি বাড়ীর কর্তা এ রকম সংকল্প বদ্ধ হয় তাহলে এখনও এই বন্যার মুখে বাঁধ দেওয়া সম্ভব। এমন হয়নি যে, এই বন্যা ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। অতএব ঐ সময়কে ভয় কর যখন কোন হিতাকাঙ্ক্ষী ব্যক্তি এই অবস্থা পরিবর্তন করার চেষ্টা করবে কিন্তু সম্ভব হবে না। কমপক্ষে ঐ সমস্ত পরিবার যারা নিজেদেরকে দ্বীনদার বলে থাকে, যারা দ্বীন ইসলামের নাম উচ্চারণকারী এবং বুযুর্গদের সঙ্গে সম্পর্কস্থাপনকারী। তারা তো কমপক্ষে এরূপ দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করবে যে, আমরা এ রকম সম্মিলিত জামায়েত হতে দেব না।

📘 নারী স্বাধীনতা, পর্দা ও বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা > 📄 এ রকম অনুষ্ঠান বয়কট কর

📄 এ রকম অনুষ্ঠান বয়কট কর


আমাদের বুযুর্গরা বয়কটের নীতি শিক্ষা দেননি। কিন্তু স্মরণ রাখুন এমন এক সময় এসে যায় যখন এই সিদ্ধান্ত নিতে হয় যে, হয় আমাদের কথা শুন না হয় এরকম অনুষ্ঠানে আমি অংশগ্রহণ করব না। যদি বিয়ের অনুষ্ঠানে এ রকম সম্মিলিত জমায়েত হয় আর আপনি যদি এই দাওয়াতে না যান তাহলে অভিযোগের সম্মুখীন হবেন, আপনি কেন এই মিশ্রিত অনুষ্ঠানে যাননি? একটু তো চিন্তা করুন, তাদের অভিযোগের খেয়ালতো আপনার আছে কিন্তু আপনার অভিযোগের পরওয়া তাদের নেই। আপনি পর্দানশীন মহিলা, তারা আপনাকে দাওয়াত করেছে, তা হলে তারা আপনার পর্দার ব্যবস্থা কেন করেননি? যখন তারা আপনার এতটুকু খেয়াল করল না তখন তাদেরকে খেয়াল করা আপনার উপর ওয়াজিব নয়। তাদেরকে পরিষ্কারভাবে বলে দিন আমরা এ রকম অনুষ্ঠানে শরীক হব না। যতক্ষণ পর্যন্ত কিছু মহিলা দৃঢ়তার সঙ্গে এ রকম সিদ্ধান্ত না নেবে, বিশ্বাস করুন ততক্ষণ পর্যন্ত এই বন্যা বন্ধ হবে না। কতদিন পর্যন্ত হাতিয়ার সমর্পণ করতে থাকবেন? আর কতদিন পর্যন্ত এই সয়লাব ছড়াতে সাহায্য করবেন?

📘 নারী স্বাধীনতা, পর্দা ও বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা > 📄 কতদিন পর্যন্ত দুনিয়াদারদের খেয়াল করবেন?

📄 কতদিন পর্যন্ত দুনিয়াদারদের খেয়াল করবেন?


আমাদের বুযুর্গ, হযরত মাওলানা মোহাম্মদ ইদ্রিস সাহেব কান্ধালবী (রহ.)-কে (আল্লাহ তায়ালা তাঁকে জান্নাতে উচ্চ মর্যাদা দান করুন, আমীন!) এই জামানায় আল্লাহ তায়ালা জান্নাতী বুযুর্গ পয়দা করেছিলেন। তাঁর বাড়ীর মেহমান খানায় মেঝের উপর বসার ব্যবস্থা ছিল। বাড়ীর মহিলাদের অন্তরে এই খেয়াল হল, এখন যুগ বদলে গেছে মেঝের উপর বসার যুগ নেই। এ জন্য তারা ইদ্রিস সাহেবকে বলল, মেঝের উপর বসার ব্যবস্থা বাদ দিয়ে সোফার ব্যবস্থা করুন। হযরত বললেন, আমার সোফার কোন শখ নেই, তাছাড়া সোফায় বসে আমি আরামও পাইনে, আমিতো মেঝের উপর বসে আরাম পাই। আমি মেঝের উপর বসেই কাজ করব। মহিলারা বলল, আপনিতো মেঝেই বসে আরাম পান কিন্তু ঐ সমস্ত দুনিয়াদারদের প্রতি একটু লক্ষ করুন যারা আপনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসে। এ কথার পরে হযরত কি আশ্চর্য উত্তর দিলেন, বললেন বেগম! দুনিয়াদারদের প্রতি তো আমি লক্ষ করব কিন্তু তুমি এটা বল যে, তারা আমার প্রতি কি খেয়াল করেছে? আমার প্রতি লক্ষ করে কি কেউ তাদের জীবন যাত্রার মধ্যে অথবা কোন কাজে পরিবর্তন এনেছে? যখন তারা আমার প্রতি খেয়াল করেনি তাহলে আমি কেন তাদের প্রতি খেয়াল করব?

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00