📘 নারী স্বাধীনতা, পর্দা ও বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা > 📄 আজ মাথার চুলের অবস্থা

📄 আজ মাথার চুলের অবস্থা


আজ এ রকম মনে হয় রাসূলুল্লাহ (স)-এর দৃষ্টি যেন বর্তমান কালের অবস্থা দেখতে পাচ্ছিল। হুজুর (স) বলেছেন, কেয়ামতের নিকটবর্তী সময়ে এমন মহিলা হবে যাদের মাথার চুল দুর্বল উটের কুঁজের মত হবে। রাসূলুল্লাহ (স)-এর সময় উটের কুঁজের মত চুল রাখার কথা কল্পনাও করা যেত না। বর্তমানে দেখুন, মহিলারা উটের কূজের মত চুল রাখছে।

📘 নারী স্বাধীনতা, পর্দা ও বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা > 📄 পোশাকের মধ্যেও উলঙ্গপনা

📄 পোশাকের মধ্যেও উলঙ্গপনা


রাসূলুল্লাহ (স) আরও বলেছেন, ঐ সমস্ত মহিলা বাহ্যিক দৃষ্টিতে পোশাক পরিহিতা হবে কিন্তু তা এমন হবে যা দ্বারা পোষাকের উদ্দেশ্য অর্জিত হয়না। এ জন্য যে, ঐ পোশাক এত পাতলা যে, শরীরের সমস্ত উচু নীচু অংশ প্রকাশিত হয়ে যায়। আর এসব কিছু লজ্জা শেষ হয়ে যাওয়ার ফল। ইতিপূর্বে কল্পনাও করা যেতনা, তারা এমন পোশাক পরবে। কারণ তাদের অন্তরে লজ্জা ছিল এবং তাদের স্বভাব এমন ছিল, তারা এ রকম পোশাক পরা পছন্দ করত না। কিন্তু আজ বুক খোলা, গলা খোলা, বাহু খোলা- এ কেমন পোশাক? পোশাক তো শরীর ঢাকার জন্য ছিল যা নারীকে তার প্রকৃত সৃষ্টির প্রতি ধাবিত করার জন্য ছিল। এখন ঐ পোশাক শরীর ঢাকার পরিবর্তে শরীরকে আরও বেশী প্রকাশিত করার কাজ আঞ্জাম দিচ্ছে।

📘 নারী স্বাধীনতা, পর্দা ও বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা > 📄 নারী-পুরুষের সম্মিলিত অনুষ্ঠানের বেহায়াপনা

📄 নারী-পুরুষের সম্মিলিত অনুষ্ঠানের বেহায়াপনা


বিয়ে-শাদীর অনুষ্ঠানে বেহায়াপনার যে দৃশ্য ঐ সকল পরিবারেও দৃষ্টি গোচর হচ্ছে যারা নিজেদেরকে দ্বীনদার বলে থাকে। যে সমস্ত পরিবারের পুরুষরা মসজিদে প্রথম কাতারে নামাজ পড়ে তাদের পরিবারের বিয়ে-শাদীর অনুষ্ঠানে গিয়ে দেখুন কি হচ্ছে। এক সময় এমন ছিল যখন এটা কল্পনাও করা যেত না যে, বিয়ের অনুষ্ঠানে পুরুষ ও মহিলার মিশ্রিত জমায়েت হবে। কিন্তু এখন তো নারী পুরুষের সম্মিলিত দাওয়াতের বন্যা বয়ে যাচ্ছে। মহিলারা সেজে-গুজে, পরিপাটি হয়ে শোভা বর্ধন করে সুসজ্জিত হয়ে সম্মিলিত দাওয়াতে আসে। না পর্দার কোন চিন্তা আছে, না লজ্জা শরমের কোন খেয়াল আছে।

📘 নারী স্বাধীনতা, পর্দা ও বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা > 📄 এই অশান্তি কেন হবে না ?

📄 এই অশান্তি কেন হবে না ?


আবার ঐ সমস্ত অনুষ্ঠানের ভিডিও ফিল্ম তৈরী হচ্ছে। যে ব্যক্তি ঐ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারেনি, ঐ সব দৃশ্যের আনন্দ উপভোগ করতে পারিনি, যাতে করে সে ঐ দৃশ্য থেকে আনন্দ উপভোগ করতে পারে। এত সব কিছু হচ্ছে তার পরেও আমরা দ্বীনদার, নামাজী, পরহেজগার। এত কিছু হওয়া সত্ত্বেও আমাদের কানে পানি যাচ্ছেনা, কপালে ভাঁজ পড়ছেনা, এবং উহা বন্ধ করার কোন খেয়াল অন্তরে জাগ্রত হচ্ছে না। বলুন! তারপরও কি সমাজে বিশৃঙ্খলা ঘটবেনা। অশান্তি-অস্থিরতা সৃষ্টি হবে না? আজ আমাদের প্রত্যেকের জান-মাল, ইজ্জত-সম্মান বিপদের সম্মুখীন। এসব কেন হবে না?
এটাতো আল্লাহ তায়ালার অশেষ অনুগ্রহ এবং হুজুর (স)-এর বরকত যে, আমাদের উপর এখনও এরকম আযাব নাজিল হচ্ছেনা যাতে সবাই ধ্বংস হয়ে যায়। তা না হলে আমাদের আমলতো এ রকম যে, আযাব দিয়ে আমাদেরকে ধ্বংস করে দেয়া হত।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00