📘 নারী স্বাধীনতা, পর্দা ও বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা > 📄 অর্থ- সম্পদ নিজে কোন উপকারী বস্তু নয়

📄 অর্থ- সম্পদ নিজে কোন উপকারী বস্তু নয়


এই পারিবারিক সিস্টেম ধ্বংস হওয়ার মূল কারণ হল আমরা নারীদের সৃষ্টি করার উদ্দেশ্য জানি না। আল্লাহ তায়ালা নারীদের এ জন্য সৃষ্টি করেছেন যে, তারা বাড়ীর শৃঙ্খলা এবং পারিবারিক সিস্টেম মজবুত রাখবে। বর্তমান কালের অর্থনীতির সমস্ত প্রচেষ্টার মূল কথা হল অর্থ-সম্পদ বৃদ্ধি পাওয়া। কিন্তু আপনি বলুন, অর্থ-সম্পদ কি নিজে কোন উপকার করতে পারে? যদি আপনার ক্ষুধা লাগে এবং আপনার কাছে অর্থ থাকে তাহলে আপনি কি অর্থ খেয়ে ক্ষুধা নিবারণ করতে পারবেন? সুতরাং বুঝা গেল অর্থ নিজে কোন উপকারী জিনিস নয় যতক্ষণ পর্যন্ত উহা দ্বারা প্রয়োজনীয় জিনিস প্রস্তুত করে মানুষ শান্তি অর্জন না করে।

📘 নারী স্বাধীনতা, পর্দা ও বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা > 📄 বর্তমান যুগের লাভজনক ব্যবসা

📄 বর্তমান যুগের লাভজনক ব্যবসা


কিছুদিন পূর্বে এক ম্যাগাজিনে একটি জরিপ প্রকাশিত হয়েছে। এই জরিপের উদ্দেশ্য ছিল বর্তমান কালে পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশী লাভজনক ব্যবসা কোন্টা তা খুঁজে বের করা। ঐ জরিপের রিপোর্টে লিখেছে, বর্তমানে সমগ্র পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশী লাভজনক ব্যবসা হল "মডেল গার্ল”-এর ব্যবসা। কেননা একজন মডেল গার্ল পণ্য সামগ্রীর বিজ্ঞাপণে নিজের উলঙ্গ ফটো দেয়ার জন্য মাত্র এক দিনে ২৫ মিলিয়ন ডলার নিয়ে থাকে। ঐ একদিনে তার ইচ্ছামত যতটা ফটো যেভাবে যে পোজে তুলতে চায় তুলে নেয় এবং এর দ্বারা সে তার পণ্য সামগ্রী বাজারজাত করে। আজ নারী বিক্রিত পণ্যে পরিণত হয়েছে। পুঁজিপতিরা তাকে যেভাবে ইচ্ছা ব্যবহার করে। এর কারণ হল নারী ঘর থেকে বের হয়ে নিজের মান-মর্যাদা হারিয়ে ফেলেছে আর তার এই ফল পেয়েছে।

📘 নারী স্বাধীনতা, পর্দা ও বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা > 📄 এক ইহুদীর দৃষ্টান্তমূলক ঘটনা

📄 এক ইহুদীর দৃষ্টান্তমূলক ঘটনা


জনৈক বুযুর্গ একটি ঘটনা লিখেছেন, অতীতকালে এক ইহুদী অনেক বড় সম্পদশালী এবং পুঁজিপতি ছিল। ঐ সময় লোকেরা সম্পদ মাটির নিচে পুঁতে রাখত। ঐ ইহুদী কোষাগারে স্বর্ণ-রৌপ্যের স্তূপ জমা করে রেখেছিল যেমন কারূন সম্পর্কে কুরআনে বর্ণিত আছে, সে অনেক বড় ধন-ভাণ্ডার জমা করেছিল। একবার ঐ ইহুদী গোপনে তার কোষাগার দেখতে গেল। ভিতরে যাওয়ার সময় তার নিযুক্ত প্রহরীকেও বলল না। এটা দেখার জন্য যে, প্রহরী আত্মসাৎ করছে কি না। ঐ কোষাগারের দরজার সিস্টেম এ রকম ছিল, তা ভিতর থেকে বন্ধ হত কিন্তু খোলা যেত না শুধু বাইর থেকেই খোলা যেত। কোষাগারে প্রবেশ করার সময় মালিক ভুলক্রমে ভিতর থেকে দরজা বন্ধ করে দিল এখন আর খোলার কোন উপায় থাকল না। এদিকে প্রহরী দেখল, কোষাগার বন্ধ, তার এটা কল্পনাও ছিল না যে, কোষাগারের মালিক ভিতরে। মালিক ভিতরে গিয়ে কোষাগার পরীক্ষা করতে লাগল। যখন কোষাগার দেখে-শুনে অনুসন্ধান শেষে ফিরে আসার ইচ্ছা করল তখন দেখল, বের হওয়ার কোন উপায় নেই। সে কোষাগারে বন্দী হয়ে গেল। তার ক্ষুধা লাগছে এবং ধন-ভাণ্ডার বিদ্যমান কিন্তু ক্ষুধা নিবারণ করতে পারছেনা। পিপাসা লাগছে, ধন-ভাণ্ডার বিদ্যমান কিন্তু পিপাসা মিটাতে পারছেনা। রাত্রে ঘুম আসছে এবং ধন-ভাণ্ডার বিদ্যমান কিন্তু বিছানা পাচ্ছে না। শেষ পর্যন্ত যে কয়দিন পানাহার ছাড়া জীবিত থাকা সম্ভব সে কয়দিন জীবিত ছিল। অতঃপর ঐ কোষাগারেই তার মৃত্যু হল। তাহলে বুঝা গেল অর্থ-সম্পদ নিজে মানুষকে কোন উপকার করতে পারে না যতক্ষণ পর্যন্ত ব্যবস্থাপনা সঠিক না হবে এবং পন্থা সঠিক না হবে।

📘 নারী স্বাধীনতা, পর্দা ও বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা > 📄 যদিও গণনায় সম্পদ বৃদ্ধি পাবে

📄 যদিও গণনায় সম্পদ বৃদ্ধি পাবে


বর্তমান কালের পৃথিবী একথা বলে যে, যদি নারীকে ঘর থেকে বের করা হয় তাহলে আমাদের শ্রমিকের সরবরাহ বাড়বে ফলে উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং সম্পদ বেশী হবে। এটা ঠিক, গণনায় সম্পদ বেশী হবে। কিন্তু যখন আমাদের পারিবারিক বন্ধন ধ্বংস হয়ে যাওয়ার ফলে আমাদের জাতীয় উন্নতির পথ বন্ধ হয়ে যায় তখন এটা কত বড় ক্ষতি ভেবে দেখেছেন কি! অতএব সম্পদ বেশী হয়ে লাভ কী?

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00