📘 নারী স্বাধীনতা, পর্দা ও বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা > 📄 আজ সমস্ত নিকৃষ্ট কাজ নারীর কাঁধে

📄 আজ সমস্ত নিকৃষ্ট কাজ নারীর কাঁধে


নারীকে স্বাধীনতার লোভ দেখিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা ও রাজনীতির প্রাসাদ খোলা হচ্ছে। কিন্তু একটু পর্যালোচনা করে দেখুন, এতদিনে স্বয়ং পশ্চিমা দেশে কতজন মহিলা রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী অথবা মন্ত্রী হয়েছে? কতজন মহিলাকে বিচারক বানানো হয়েছে? কতজন মহিলাকে অন্যান্য উঁচু পদ দেয়া হয়েছে? গণনামতে এ রকম মহিলার সংখ্যা বড়জোর লাখে কয়েকজন হবে। এই হাতে গুনা কয়েকজন মহিলাকে পদ দেয়ার নাম করে অবশিষ্ট লাখো মহিলাকে যে নির্মমভাবে রাস্তা-ঘাটে এবং বাজারে টেনে হেঁচড়ে নামানো হয়েছে এটাই হল নারী স্বাধীনতার প্রতারণার মর্মান্তিক ছলনা। আর ইউরোপ-আমেরিকায় গিয়ে দেখুন দুনিয়ার সমস্ত নিম্ন শ্রেণীর কাজ নারীর কাঁধে। হোটেল রেস্তোরায় খুব কম পুরুষ বেয়ারা দেখতে পাবেন। এ সমস্ত কাজ মহিলারাই আঞ্জাম দিচ্ছে। হোটেলে পর্যটকদের রুম পরিষ্কার করা, তাদের বিছানার চাদর পরিবর্তন করা এবং কক্ষ পরিচর্যার সেবা সবই নারীর কাঁধে। দোকানে মাল বিক্রয়ের জন্য পুরুষ কদাচিৎ দেখতে পাবেন। এ কাজও নারীদের দ্বারা করানো হচ্ছে। অফিসের অভ্যর্থনা কক্ষে সাধারণত মহিলারাই নিযুক্ত। এবং হোটেল বয় থেকে কেরানী পর্যন্ত বেশীর ভাগ কাজই এই দুর্বল শ্রেণীর কাঁধে, যাকে ঘরের বন্দীশালা থেকে স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে।

📘 নারী স্বাধীনতা, পর্দা ও বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা > 📄 নতুন সভ্যতার বিস্ময়কর দর্শন

📄 নতুন সভ্যতার বিস্ময়কর দর্শন


প্রচারণার জোরে এই বিস্ময়কর দর্শন মস্তিষ্কে প্রবিষ্ট করানো হয়েছে যে, নারী যদি নিজ বাড়ীতে নিজের স্বামী, পিতা-মাতা, ভাই-বোন এবং সন্তানের জন্য গৃহস্থলীর কাজ করে তাহলে এটা বন্দীশালা এবং অপমান। কিন্তু যদি ঐ মহিলাই পর পুরুষের জন্য রান্না করে, তাদের রুম পরিষ্কার করে, হোটেল এবং প্লেনে তাদের আপ্যায়ন করে, দোকানে হাসি-রস দিয়ে ক্রেতাকে আকৃষ্ট করে এবং অফিসে অফিসারের মনমুগ্ধকর পাত্রে পরিণত হয় তাহলে এটা স্বাধীনতা ও সম্মান। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাইহি রাজি'উন। তাছাড়া এ প্রতারণামূলক অত্যাচারের সীমা এই যে, মহিলারা জীবিকা উপার্জনের জন্য আট আট ঘণ্টার এই কঠোর এবং অপমানসূচক ডিউটি পালন করা সত্ত্বেও বাড়ীর কাজ-কর্ম থেকে এখনও মুক্তি পায়নি। বাড়ীর সমস্ত কাজ-কর্ম এখনও পূর্বের মত নারীর কাঁধে রয়েছে। ইউরোপ-আমেরিকার অধিকাংশ মহিলাদেরকেই অফিসের ডিউটি সেরে বাড়ীর রান্না-বান্না, পাত্র ধোয়া, এবং বাড়ীর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ এখনও করতে হয়।

📘 নারী স্বাধীনতা, পর্দা ও বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা > 📄 অর্ধেক জনসংখ্যা কি কর্মহীন অঙ্গ ?

📄 অর্ধেক জনসংখ্যা কি কর্মহীন অঙ্গ ?


নারীদেরকে ঘর থেকে বের করার জন্য আজকাল একটা সস্তা যুক্তি পেশ করা হয় যে, জাতীয় উন্নতি ও অগ্রগতির এই জামানায় আমরা আমাদের অর্ধেক জনসংখ্যাকে কর্মহীন অঙ্গ বানিয়ে রাখতে পারিনা। এ কথা এত জোর গলায় বলা হয় যে, মনে হয় যেন দেশের সমস্ত পুরুষের কর্মসংস্থানের পূর্ণ লক্ষ মাত্রা অর্জিত হয়ে গেছে। এখন আর কোন পুরুষ বেকার নেই। অথচ এ কথা এমন এক দেশে বলা হচ্ছে যেখানে উচ্চ যোগ্যতাসম্পন্ন পুরুষ বেকার ঘুরে বেড়াচ্ছে। কোন চাপরাশি অথবা ড্রাইভারীর পদ শূন্য হলে তার জন্য শত শত গ্রাজুয়েট দরখাস্ত নিয়ে হাজির হয়। আর কোন কেরানীর পদ খালী হলে তার জন্য শত শত মাষ্টার ডিগ্রীধারী পর্যন্ত দরখাস্ত জমা দেয়। আগে অর্ধেক পুরুষ জনসংখ্যাকে জাতীয় উন্নতি ও অগ্রগতির কাজে নিয়োজিত করুন তারপর অবশিষ্ট অর্ধেক জনসংখ্যা সম্পর্কে চিন্তা করুন যে, তারা কর্মহীন অঙ্গ কি না?

📘 নারী স্বাধীনতা, পর্দা ও বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা > 📄 আমাদের পারিবারিক বন্ধন ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে

📄 আমাদের পারিবারিক বন্ধন ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে


আল্লাহ তা'য়ালা নারীদেরকে বাড়ীর দায়িত্বশীল ও ব্যবস্থাপক বানিয়েছেন যাতে তারা পারিবারিক বন্ধন মজবুত রাখতে পারে।
কিন্তু যখন তারা ঘর থেকে বের হয়ে আসল তখন ফলাফল এই হল যে, পিতাও বাইরে মাও বাইরে, বাচ্চারা স্কুলে আর বাড়িতে তালা ঝুলে গেল, যার কারণে আজ পারিবারিক বন্ধন ধ্বংসের পথে। নারীদেরকে এজন্য সৃষ্টি করা হয়েছে যে, তারা ঘরে থাকবে, বাড়ীর কাজ-কর্ম করবে এবং সন্তান লালন-পালন করবে। মায়ের কোল সন্তানের সর্বপ্রথম শিক্ষাস্থল। যেখান থেকে আচার-ব্যবহার শেখে, চাল-চলন শেখে। জীবন গঠনের সঠিক নিয়ম-কানুন শিক্ষা করে।
কিন্তু আজ পশ্চিমা সমাজে সন্তানেরা পিতামাতার স্নেহ থেকে বঞ্চিত, তাদের পারিবারিক বন্ধন ধ্বংস হয়ে গেছে। যখন স্ত্রী এক জায়গায় চাকরী করে আর স্বামী অন্য স্থানে চাকরী করে এবং সারাদিন তাদের মধ্যে কোন যোগাযোগ থাকেনা আর সবখানে স্বাধীন পরিবেশ বিরাজ করে তখন অধিকাংশ সময় স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক দুর্বল হয়ে যায় এবং তাদের সম্পর্কে টানা পোড়েন সৃষ্টি হয়। আর এই অবস্থায় অন্যের সাথে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে ওঠে যার কারণে কখনো কখনো উভয়ের মাঝে তালাক হয়ে যায়।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00