📘 নারী স্বাধীনতা, পর্দা ও বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা > 📄 সৃষ্টির উদ্দেশ্য সৃষ্টিকর্তার নিকট জিজ্ঞাসা করুন

📄 সৃষ্টির উদ্দেশ্য সৃষ্টিকর্তার নিকট জিজ্ঞাসা করুন


বর্তমান পশ্চিমা ধ্যান-ধারণার আগ্রাসনে সবখানে এই প্রচারণা চালানো হয় যে, ইসলাম মেয়েদেরকে পর্দায় রেখে গলা টিপে ধরেছে, তাদেরকে চার দেওয়ালের মধ্যে বন্দী করে ফেলেছে। আসল কথা হল-মেয়ে লোকের সৃষ্টির মূল উদ্দেশ্য জানা নেই। এটা স্পষ্ট যে, যদি এ কথার উপর বিশ্বাস থাকে যে এই পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ তায়ালা, মানুষের সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ তায়ালা, নারী-পুরুষের সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ তায়ালা তবে সৃষ্টির মূল উদ্দেশ্য আল্লাহর কাছেই জানতে হবে। আর আল্লাহ না করুন যদি এ কথার উপর বিশ্বাস না থাকে তাহলে এ বিষয়ে কথা বলে লাভ হবে না। কিন্তু যদি আল্লাহর উপর বিশ্বাস থাকে এবং এটা স্বীকার করে আল্লাহই এই বিশ্বজগৎকে সৃষ্টি করেছেন এবং নারী-পুরুষকে তিনিই সৃষ্টি করেছেন তাহলে সৃষ্টির উদ্দেশ্য তাঁর কাছেই জিজ্ঞাসা করা উচিত যে, তিনি কেন নারী ও পুরুষ সৃষ্টি করেছেন এবং তাদের সৃষ্টির মূল উদ্দেশ্য কী?

📘 নারী স্বাধীনতা, পর্দা ও বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা > 📄 পুরুষ ও নারী দুটি ভিন্ন জাতি

📄 পুরুষ ও নারী দুটি ভিন্ন জাতি


বর্তমানে এই শ্লোগান খুব জোরে-শোরে দেয়া হয় যে, নারীদেরকেও পুরুষের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করা উচিত। পশ্চিমা চিন্তা-চেতনা সমগ্র পৃথিবীতে এই প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে।
কিন্তু এ দিকে লক্ষ্য করা হয়নি যে, যদি নারী-পুরুষ উভয়কে একই ধরনের কাজের জন্য সৃষ্টি করা হয়ে থাকে, তাহলে তাদেরকে শারীরিকভাবে ভিন্ন ভিন্ন রূপে সৃষ্টি করার কী প্রয়োজন ছিল? পুরুষের শারীরিক নিয়ম এক রকম, আর নারীদের শারীরিক নিয়ম আরেক রকম, পুরুষের স্বভাব এক রকম, আর নারীদের স্বভাব ভিন্ন রকম, পুরুষের যোগ্যতা এক রকম, আর নারীদের যোগ্যতা ভিন্ন রকম।
আল্লাহ তায়ালা উভয় জাতিকে এমনভাবে সৃষ্টি করেছেন যে, উভয়ের সৃষ্টিগত কাঠামো এবং উহার রীতি-নীতিতে মৌলিক পার্থক্য বিদ্যমান। অতএব এ কথা বলা যে, নারী ও পুরুষের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই, এটা স্বয়ং সৃষ্টির বিরুদ্ধে বিদ্রোহ এবং বাস্তবতাকে অস্বীকার করার শামিল। কারণ এটাতো চোখে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে যে, নারী-পুরুষের কাঠামোতে পার্থক্য আছে। নতুন ফ্যাশন নারী-পুরুষের এই সৃষ্টি গত পার্থক্য মুছে দেয়ার জন্য অনেক চেষ্টা করছে। সুতরাং নারীরা পুরুষের পোশাক পরিধান করা শুরু করেছে এবং পুরুষেরা মেয়েলোকের পোশাক পরতে আরম্ভ করেছে। নারীরা পুরুষের মত চুল রাখতে শুরু করেছে আর পুরুষেরা নারীর মত চুল রাখতে শুরু করেছে। কিন্তু একথা এখনও অস্বীকার করা সম্ভব নয়, নারী ও পুরুষ উভয়ের শারীরিক নিয়ম-নীতি ভিন্ন ভিন্ন, উভয়ে ভিন্ন জাতি, উভয়ের জীবনের চাল-চলন ভিন্ন এবং উভয়ের যোগ্যতাও ভিন্ন।

📘 নারী স্বাধীনতা, পর্দা ও বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা > 📄 আল্লাহ তায়ালার নিকট জিজ্ঞাসা করার মাধ্যম পয়গম্বরগণ

📄 আল্লাহ তায়ালার নিকট জিজ্ঞাসা করার মাধ্যম পয়গম্বরগণ


কিন্তু এ কথা কার নিকটে জিজ্ঞাসা করা হবে, পুরুষকে এবং নারীকে কেন সৃষ্টি করা হয়েছে? স্পষ্টতই এর উত্তর এটাই হবে যে, যে সত্তা সৃষ্টি করেছেন তার কাছেই জিজ্ঞাসা করা হবে, তিনি নারী ও পুরুষকে কোন্ উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করেছেন। আর তাঁর কাছে জিজ্ঞাসা করার মাধ্যম হলেন পয়গম্বরগণ এবং এই সূত্র ধরে শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ মুস্তাফা (স) হবেন জিজ্ঞাসা করার মাধ্যম।

📘 নারী স্বাধীনতা, পর্দা ও বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা > 📄 মানুষের জীবনে দুটি বিভাগ

📄 মানুষের জীবনে দুটি বিভাগ


আল কুরআনুল কারীম এবং রাসূল (স)-এর শিক্ষা থেকে বিন্দু মাত্র সন্দেহ ব্যতীত এ কথা প্রমাণিত হয় যে, প্রকৃতপক্ষে মানুষের জীবন দুটি ভিন্ন বিভাগে বিভক্ত। এক, বাড়ীর ভিতরের বিভাগ। দুই, বাড়ীর বাইরের বিভাগ। এই উভয় বিভাগ এমন যে, উভয় বিভাগ ব্যতীত ভারসাম্যপূর্ণ এবং পরিমিত জীবনযাপন করা যায় না। বাড়ীর ব্যবস্থাপনাও জরুরী আবার বাড়ীর বাইরের ব্যবস্থাপনাও জরুরী। যখন উভয় বিভাগ এক সাথে নিজ নিজ স্থানে ঠিক ঠিকভাবে চলবে তখন মানবজীবন পরিমিত হবে। আর যদি এর মধ্যে যে কোন একটি অচল হয়ে যায় অথবা অসম্পূর্ণ থেকে যায় তাহলে মানবজীবনের ভারসাম্য নষ্ট হবে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00