📘 নামাজে মন ফেরানো 📄 নামাজরত অবস্থায় খুশু

📄 নামাজরত অবস্থায় খুশু


■ চোখদুটোকে সিজদার জায়গায় নির্দিষ্ট করে রাখা। নামাজে দাঁড়ানো অবস্থায় চোখকে এখানে-সেখানে যেতে না দেয়া。
■ নামাজে সোজা হয়ে দাঁড়ানো। রুকুতে এবং সিজদায় যথাযথ সময় দেয়া উচিত। রুকুতে গিয়ে পর্যাপ্ত সময় পর্যন্ত থামা, এরপর সোজা হয়ে দাঁড়ানো, পরে ধীরেসুস্থে সিজদার দিকে যাওয়া। মুরগির ঠোকর মেরে খাবার খাওয়ার মতো জলদি করে রুকু-সিজদা করে নামাজ পড়া একেবারেই উচিত নয়。
■ নামাজে যে জিনিসগুলো বলা হচ্ছে সেগুলো আসলেই মনোেযাগ দিয়ে বোঝার চেষ্টা করা। অনেক সময় আমরা শুধু রোবটের মতো কথাগুলো আওড়ে যাই এবং নিজের কথা নিজে শুনে দেখার চেষ্টা করি না。
■ নামাজে পঠিত তিলাওয়াত-তাসবীহ-রুকুর দুআ-সিজদার দুআয় বৈচিত্র্য আনুন। বৈচিত্র্য মনকে ধরে রাখে। একই সূরা বা তাসবীহ পাঠে একঘেয়েমি চলে আসে। মানুষ যান্ত্রিকভাবে এগুলো পড়ে। মুখে তিলাওয়াত-তাসবীহ চলে, আর ঐদিকে মন পড়ে থাকে আড্ডায়-দোকানে-অফিসে। এজন্য নতুন নতুন সূরা পড়ুন। কয়েকটি মাসনুন দুআ শিখুন। বার বার একই সূরা না পড়ে ভিন্ন ভিন্ন ও নতুন সূরা পাঠ করুন。
■ নামাজে খুশু-খুযু ধরে রাখার জন্য মনকে ১৪৫০ বছর পূর্বে নিয়ে যান মসজিদে নববীতে। ভাবুন, নবীজির ইমামতিতে আবু বকর, উমর বা সাহাবীদের পাশে একসাথে নামাজ পড়ছেন। দেখবেন বিক্ষিপ্ত মনটা অনেকটাই শান্ত হয়ে গেছে। এই ভাবনাটা আমার খুব কাজে দেয়。

ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية