📄 আত তাওহীদ ও সিফাত
মু'তাযিলাগণ আল্লাহ তায়ালার একত্ববাদ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে অত্যধিক কঠোর ছিলেন। এজন্যই তারা আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করতেন না এবং এমন বিষয়ে কিছু বিশ্বাস করতেন না যাতে আল্লাহ তায়ালার সাথে শরীক হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এজন্যই তারা আল্লাহ তায়ালার গুণাবলিকে চিরন্তন মনে করতেন না। তারা আল্লাহ তায়ালার একত্ববাদের এবং চিরন্তন অস্তিত্বে বিশ্বাসী ছিলেন। তারা মনে করতেন চিরন্তন সত্তার সাথে তার গুণাবলি সমূহকে মিলানো সম্ভব নয়। তাতে আল্লাহ তায়ালার ভিন্ন ভিন্ন অস্তিত্বের সম্ভাবনা তৈরি হবে যা একত্ববাদের বিরোধী। আল্লাহ তায়ালার সাথে তার গুণাবলিগুলোকে মেনে নেয়া হলে আরো অসংখ্যক চিরন্তন সত্তার অস্তিত্বকে মেনে নেওয়া হবে।
মু'তাযিলাগণ মনে করেন, আল্লাহ তায়ালা চিরন্তন এবং তার সত্তার বাইরে অন্য কোন গুণাবলির অস্তিত্ব নেই। যেমন আল্লাহ তায়ালা দয়ালু, ক্ষমাশীল, রিযিকদাতা, শাস্তিদাতা, মৃত্যু দানকারী ইত্যাদি আল্লাহ তায়ালার ৯৯টি গুণবাচক নাম রয়েছে। এ গুণবাচক নামগুলোকে চিরন্তন ধরা হলে, অসংখ্যক চিরন্তন সত্তার অস্তিত্ব লাভ করবে। যা আল্লাহ তায়ালার একত্ববাদের সাথে সাংঘর্ষিক। সুতরাং আল্লাহ তায়ালার সত্তার বাইরে চিরন্তন কোন গুণাবলির অস্তিত্ব নেই। মু'তাযিলাদের বিশ্বাস হলো আল্লাহ তায়ালার গুণাবলিগুলো চিরন্তন বিশ্বাস করলে তার চিরন্তন সত্তাও পরিবর্তনশীল মেনে নিতে হয়। চিরন্তন আল্লাহ তায়ালার জন্য পরিবর্তনশীলতা অসম্ভব। আল্লামা যামাখশারী কাশশাফ গ্রন্থে বিভিন্ন স্থানে আয়াতের ব্যাখ্যায় বিষয়টিকে প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন।
আত তাওহীদ ওয়াস সিফাত এর বিষয়ে আল্লামা যামাখশারী কর্তৃক উত্থাপিত দলিলের জবাব এবং আহলি সুন্নাত ওয়াল জামা'য়াত এর দলিল :
আহলি সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের মতে, আল্লাহ তায়ালা অবিনশ্বর সত্তা এবং তার গুণাবলিও অবিনশ্বর। এসব গুণাবলি আল্লাহ তায়ালার সত্তার সাথে অভিন্ন নয় বরং চিরন্তন। এসব চিরন্তন গুণাবলি আল্লাহ তায়ালার তাওহীদকে ক্ষুণ্ণ করে না। এক্ষেত্রে মু'তাযিলাদের বক্তব্য সঠিক নয়। আল্লাহ তায়ালার সিফাতগুলো শাশ্বত এবং চিরন্তন। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালার যে সকল গুণাবলি উল্লেখ করা হয়েছে যথা : চেহারা, চোখ, হাত, পায়ের গোছা, আগমন এবং আরশে সমাসীন হওয়া এবং হাদীসে যে সমস্ত গুণাবলি রাসূল (সা:) উল্লেখ করেছেন এবং যা সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত যেমন নাযিল হওয়া এবং হাসি দেয়া ইত্যাদি বিষয়সমূহের ব্যাপারে আলিমগণ কিতাব এবং সুন্নাহ অনুযায়ী সে গুণাবলীর ওপর কোন রকম ব্যাখ্যা, সাদৃশ্য বা তুলনা করা এবং কোন প্রকার বাড়াবাড়ি ব্যতীত বিশ্বাস স্থাপন করেন। এ সমস্ত গুণাবলী আল্লাহ তায়ালার মর্যাদা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত। সৃষ্টির কারো সাথে এর কোন তুলনা নেই।
টিকাঃ
১ (পেজ ১৪২). আল কুরআন, সূরা ১১২ ইখলাস, আয়াত, ১-৪।
১ (পেজ ১৪৩). আল কুরআন, সূরা ২ আল বাকারা, আয়াত, ৩৮।
২. আল্লামা যামাখশারী, আল কাশশাফ, প্রাগুক্ত, ১ম খণ্ড, পৃ. ১২৯।
১ (পেজ ১৪৪). আল কুরআন, সূরা ২ আল বাকারা, আয়াত, ২৫৫।
২. আল্লামা যামাখশারী, আল কাশশাফ, প্রাগুক্ত, ১ম খণ্ড, পৃ. ৩০১।
১ (পেজ ১৪৫). আল কুরআন, সূরা ২০ ত্বহা, আয়াত, ৫।
১ (পেজ ১৪৬). আল্লামা যামাখশারী, আল কাশশাফ, প্রাগুক্ত, ৩য় খণ্ড, পৃ. ৫২।
২. আল কুরআন, সূরা আল কাসাস, আয়াত, ৮৮।
১ (পেজ ১৪৭). আল্লামা যামাখশারী, আল কাশশাফ, প্রাগুক্ত, ৩য় খণ্ড, পৃ. ৪৩৭।
২. আল কুরআন, সূরা আর রহমান, আয়াত, ২৬-২৭।
৩. আল্লামা যামাখশারী, আল কাশশাফ, প্রাগুক্ত, ৪র্থ খণ্ড, পৃ. ৪৪৬।
১ (পেজ ১৪৮). আল কুরআন, সূরা ৪৮ আল ফাতহ, আয়াত, ১০।
২. আল্লামা যামাখশারী, আল কাশশাফ, প্রাগুক্ত, ৪র্থ খণ্ড, পৃ. ৩৩৫।
১ (পেজ ১৪৯). আল কুরআন, সূরা ৩৯ যুমার, আয়াত, ৬৭।
২. আল্লামা যামাখশারী, আল কাশশাফ, প্রাগুক্ত, ৪র্থ খণ্ড, পৃ. ১৪২।
৩. আল কুরআন, সূরা ২১ আল আম্বিয়া, আয়াত, ৪।
১ (পেজ ১৫০). আল্লামা যামাখশারী, আল কাশশাফ, প্রাগুক্ত, ৩য় খণ্ড, পৃ. ১০৩।
২. আল কুরআন, সূরা আল আরাফ, আয়াত, ১৮০।
১ (পেজ ১৫১). আল্লামা যামাখশারী, আল কাশশাফ, প্রাগুক্ত, ২য় খণ্ড, পৃ. ১৮০।
১ (পেজ ১৫২). আল কুরআন, সূরা ১১২ ইখলাস, আয়াত, ১-৩।
২. আল কুরআন, সূরা ২ আল বাকারা, আয়াত, ১১৫।
১ (পেজ ১৫৩). আল কুরআন, সূরা ৫৫ আর রহমান, আয়াত, ২৭।
২. আল কুরআন, সূরা ৪৮ আল কাসাস, আয়াত, ৮৮।
৩. আল কুরআন, সূরা ২৬ ফাতাহ, আয়াত, ১০।
১ (পেজ ১৫৪). আল কুরআন, সূরা ৫৭ আল হাদীদ, আয়াত, ২৯।
২. আল কুরআন, সূরা ৩ আল ইমরান, আয়াত, ২৬।
৩. আল কুরআন, সূরা ২৩ আল মুমিনূন, আয়াত, ৮৮।
৪. আল কুরআন, সূরা ২৩ ইয়া-সীন, আয়াত, ৮৩।
১ (পেজ ১৫৫). আল কুরআন, সূরা ৬৭ মুলক, আয়াত, ১।
২. আল কুরআন, সূরা ৫ মায়েদা, আয়াত, ৬৪।
৩. আল কুরআন, সূরা ৩৮ সোয়াদ, আয়াত, ৭৫।
১ (পেজ ১৫৬). আল কুরআন, সূরা ৬৮ আল কলম, আয়াত, ৪২।
২. আল কুরআন, সূরা ২০ ত্বহা, আয়াত, ৩৯।
৩. আল কুরআন, সূরা ১১ হুদ, আয়াত, ৩৭।
১ (পেজ ১৫৭). আল কুরআন, সূরা আল ২৩ মুমিনুন, আয়াত, ২৭।
২. আল কুরআন, সূরা ৫২ আত তুর, আয়াত, ৪৮।
৩. আল কুরআন, সূরা ৫৪ আল কামার, আয়াত, ১৩-১৪।
৪. মুহাম্মদ ইবনে ইসমাঈল আল বোখারী, সহীহ আল বোখারী, কিতাবুত তাফসীর, বাবু সূরা ক্বাফ, হাদীস নং, ২৭৬৫।
১ (পেজ ১৫৮). আল কুরআন, সূরা ৭ আল আরাফ, আয়াত, ৫৪।
২. আল কুরআন, সূরা ১০ ইউনুস, আয়াত, ৩।
১ (পেজ ১৫৯). আল কুরআন, সূরা ১৩ আর রাদ, আয়াত, ২।
২. আল কুরআন, সূরা ২০ আত ত্বহা, আয়াত, ৫।
৩. আল কুরআন, সূরা ২৫ আল ফুরকান, আয়াত, ৫৯।
৪. আল কুরআন, সূরা ৫৭ আল হাদীদ, আয়াত, ৪।
১ (পেজ ১৬০). ড. মুহাম্মদ তাকিউদ্দীন আল হিলালী ও ড. মুহাম্মদ মহসীন খান, দ্যা নোবেল কুরআন, (আল মদীনা আল মুনাওয়ারাহ, ১৩৩৫ হি.) পৃ. ৮১।
১ (পেজ ১৬১). মুহাম্মদ ইবনে ইসমাঈল আল বোখারী, সহীহ আল বোখারী, কিতাবুত তাওহীদ, বাবু লামা খালাকতু বিয়াদাইয়্যাহ, হাদীস নং, ৭৭১৪।
২. আল কুরআন, সূরা আল আরাফ, আয়াত, ২০০।
১ (পেজ ১৬২). আল কুরআন, সূরা ২ আল বাকারা, আয়াত, ২২৭।
২. আল কুরআন, সূরা ৫৮ মুজাদালাহ, আয়াত, ১।
৩. আল কুরআন, সূরা ৩ আল ইমরান, আয়াত, ১৮১।
৪. আল কুরআন, সূরা ২০ আত ত্বহা, আয়াত, ৪৬।
৫. আল কুরআন, সূরা ৮০ আয যুখরুফ, আয়াত, ৮০।
১ (পেজ ১৬৩). আল কুরআন, সূরা ২৪৪ আল বাকারা, আয়াত, ২৪৪।
২. আল কুরআন, সূরা ৩৫ আল ইমরান, আয়াত, ৩৫।
৩. মুহাম্মদ ইবনে ইসমাঈল আল বোখারী, সহীহ আল বোখারী, কিতাবুত তাওহীদ, বাব قول الله تعالى: (وكان الله سميعا بصيرا), হাদীস নং, ৭৩৮৫।
📄 বান্দা তার কর্মের স্রষ্টা
মু'তাযিলাদের মতে বান্দা তার কর্মের স্রষ্টা। তাঁর কর্মের জন্য সে নিজেই দায়ী আল্লাহ তায়ালা দায়ী নন। মু'তাযিলাগণ মনে করেন মানুষ তাঁর স্বাধীন ইচ্ছার দ্বারা পরিচালিত। মু'তাযিলাদের যুক্তি হল মানুষকে তাঁর কর্মের স্বাধীনতা দেওয়া না হলে তাঁর ওপর আদেশ এবং নিষেধ আরোপ করা অর্থহীন এবং তাঁকে শাস্তি এবং পুরস্কার দেওয়া যুক্তি যুক্ত নয়। মানুষকে স্বাধীনতা না দিয়ে তাঁকে শাস্তি দেওয়া হলে এটা জুলুমের নামান্তর। আল্লাহ তায়ালা বান্দার ওপর জুলুম করেন না। তারা পবিত্র কুরআনের কিছু আয়াতকে বিশ্লেষণ করে প্রমাণ করতে চেয়েছেন যে, মানুষের ইচ্ছা স্বাধীনতা রয়েছে।
আল্লামা যামাখশারী বিষয়টি প্রমাণ করার জন্য তাফসীর কাশশাফে বিভিন্ন স্থানে আয়াতের ব্যাখ্যায় তা উল্লেখ করেছেন।
খلق افعال العباد:
আহলি সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের মতে বান্দা তার কর্মের স্রষ্টা নন। আল্লাহ তায়ালাই সকল কর্মের স্রষ্টা। বান্দা এর কাসিব বা উপার্জনকারী মাত্র। বান্দা যখন কোন কাজের ইচ্ছা পোষণ করে আল্লাহ তায়ালা তখন তাঁকে ঐ কাজের ক্ষমতা প্রদান করেন। আল্লাহ তায়ালা সকল কাজের স্রষ্টা এবং সকল ক্ষমতার উৎস। আল্লাহ তায়ালাই একমাত্র সৃষ্টিকর্তা। সৃষ্টির ক্ষেত্রে তাঁর অন্য কোন শরীক নেই। আল্লাহ তায়ালা সুষ্পষ্টভাবে বলেন যে, তিনি মানুষকে সৃষ্টি করেছেন এবং তাঁদের আমলগুলোকেও সৃষ্টি করেছেন। আয়াতের দ্বারা বোঝা যাচ্ছে যে, আল্লাহ তায়ালাই কল্যাণ ও অকল্যাণের স্রষ্টা। একমাত্র আল্লাহ তায়ালাই সকল কিছুর সৃষ্টিকর্তা।
টিকাঃ
১ (পেজ ১৬৪). আল কুরআন, সূরা ১৩ আল রাদ, আয়াত, ১১।
১ (পেজ ১৬৫). আল কুরআন, সূরা ৭ আল আ'রাফ, আয়াত, ২৮।
২. আল কুরআন, সূরা ৪২ আশ শুরা, আয়াত, ৩০।
৩. আল কুরআন, সূরা ৫৩ আন নাজম, আয়াত, ৩৮-৩৯।
১ (পেজ ১৬৬). আল কুরআন, সূরা ২ বাকারা, আয়াত, ৭।
১ (পেজ ১৬৭). আল্লামা যামাখশারী, আল কাশশাফ, প্রাগুক্ত, ১ম খণ্ড, পৃ.৫০।
২. আল কুরআন, সূরা ২ বাকারা, আয়াত-১৫।
৩. আল্লামা যামাখশারী, আল কাশশাফ, প্রাগুক্ত, ১ম খণ্ড, পৃ.৬৮।
১ (পেজ ১৬৮). আল কুরআন, সূরা আলে ইমরান, আয়াত-১৪।
২. আল্লামা যামাখশারী, আল কাশশাফ, প্রাগুক্ত, ১ম খণ্ড, পৃ.৩৪২।
৩. আল কুরআন, সূরা ৪ নিসা, আয়াত-৮৩।
১ (পেজ ১৬৯). আল্লামা যামাখশারী, আল কাশশাফ, প্রাগুক্ত, ১ম খণ্ড, পৃ.৫৪২।
২. আল কুরআন, সূরা ৪ নিসা, আয়াত-৮৮।
১ (পেজ ১৭০). আল্লামা যামাখশারী, আল কাশশাফ, প্রাগুক্ত, ১ম খণ্ড, পৃ.৫৪৬।
২. আল কুরআন, সূরা ৪ নিসা, আয়াত-১৫৫।
১ (পেজ ১৭১). আল্লামা যামাখশারী, আল কাশশাফ, প্রাগুক্ত, ১ম খণ্ড, পৃ. ৫৮৫-৫৮৬।
২. আল কুরআন, সূরা ৬ আল আনআম, আয়াত-৮০।
১ (পেজ ১৭২). আল্লামা যামাখশারী, আল কাশশাফ, প্রাগুক্ত, ২য় খণ্ড, পৃ.৪২।
২. আল কুরআন, সূরা ৯ আরাফ, আয়াত, ২৮।
১ (পেজ ১৭৩). আল্লামা যামাখশারী, আল কাশশাফ, প্রাগুক্ত, ২য় খণ্ড, পৃ. ৯৯।
২. আল কুরআন, সূরা ৭ আরাফ, আয়াত-৮৯।
৩. আল্লামা যামাখশারী, আল কাশশাফ, প্রাগুক্ত, ২য় খণ্ড, পৃ. ১৩০।
১ (পেজ ১৭৪). আল কুরআন, সূরা ৮ আনফাল, আয়াত-১৭।
১ (পেজ ১৭৫). আল্লামা যামাখশারী, আল কাশশাফ, প্রাগুক্ত, ২য় খণ্ড, পৃ. ২০৭।
২. আল কুরআন, সূরা ৮ আনফাল, আয়াত-২৩।
১ (পেজ ১৭৬). আল্লামা যামাখশারী, আল কাশশাফ, প্রাগুক্ত, ২য় খণ্ড, পৃ. ২০৯-২১০।
২. আল কুরআন, সূরা ১৬ নাহল, আয়াত-১৭।
১ (পেজ ১৭৭). আল্লামা যামাখশারী, আল কাশশাফ, প্রাগুক্ত, ২য় খণ্ড, পৃ. ৫৯৯।
২. আল কুরআন, সূরা ১৮ কাহাফ, আয়াত, ২৩-২৪।
১ (পেজ ১৭৮). আল্লামা যামাখশারী, আল কাশশাফ, প্রাগুক্ত, ২য় খণ্ড, পৃ. ৭১৪।
২. আল কুরআন, সূরা১৮ কাহাফ, আয়াত-২৮।
৩. আল্লামা যামাখশারী, আল কাশশাফ, প্রাগুক্ত, ২য় খণ্ড, পৃ. ৭১৮।
১ (পেজ ১৭৯). আল কুরআন, সূরা ২৫ ফোরকান, আয়াত, ১৭-১৮।
১ (পেজ ১৮০). আল্লামা যামাখশারী, আল কাশশাফ, প্রাগুক্ত, ৩য় খণ্ড, পৃ. ২৭০।
২. আল কুরআন, সূরা যুখররুফ, আয়াত-২০।
৩. আল্লামা যামাখশারী, আল কাশশাফ, প্রাগুক্ত, ৪র্থ খণ্ড, পৃ. ২৪৪
১ (পেজ ১৮১). আল কুরআন, সূরা ২৩ যুখরুফ, আয়াত-৩৩।
২. আল্লামা যামাখশারী, আল কাশশাফ, প্রাগুক্ত, ৪র্থ খণ্ড, পৃ. ২৫০।
১ (পেজ ১৮২). আল কুরআন, সূরা হাদীদ, আয়াত-২৭।
২. আল্লামা যামাখশারী, আল কাশশাফ, প্রাগুক্ত, ৪র্থ খণ্ড, পৃ. ৪৮১।
৩. আল কুরআন, সূরা ৫৯ হাশর, আয়াত-১৯।
১ (পেজ ১৮৩). আল্লামা যামাখশারী, আল কাশশাফ, প্রাগুক্ত, ৪র্থ খণ্ড, পৃ. ৫০৮।
২. আল কুরআন, সূরা ৬৩তাগাবুন, আয়াত-২।
৩. আল্লামা যামাখশারী, আল কাশশাফ, প্রাগুক্ত, ৪র্থ খণ্ড, পৃ. ৫৪৬।
১ (পেজ ১৮৪). আল কুরআন, সূরা ৬৭মুলক, আয়াত-১৩-১৪।
২. আল্লামা যামাখশারী, আল কাশশাফ, প্রাগুক্ত, ৪র্থ খণ্ড, পৃ. ৫৮০।
৩. আল কুরআন, সূরা ৭২ জ্বিন, আয়াত, ১০।
১ (পেজ ১৮৫). আল্লামা যামাখশারী, আল কাশশাফ, প্রাগুক্ত, ৪র্থ খণ্ড, পৃ. ৬২৭।
২. আল কুরআন, সূরা ৮০ আবাছা, আয়াত, ২৪-২৬।
৩. আল্লামা যামাখশারী, আল কাশশাফ, প্রাগুক্ত, ৪র্থ খণ্ড, পৃ. ৭০৪।
৪. আল কুরআন, সূরা ৮৫ বুরূজ, আয়াত, ১৬।
১ (পেজ ১৮৬). আল্লামা যামাখশারী, আল কাশশাফ, প্রাগুক্ত, ৪র্থ খণ্ড, পৃ. ৭৩৩।
২. আল কুরআন, সূরা ৯১ শামছ, আয়াত-৮-১০।
৩. আল্লামা যামাখশারী, আল কাশশাফ, প্রাগুক্ত, ৪র্থ খণ্ড, পৃ. ৭৬০।
১ (পেজ ১৮৭). আল কুরআন, সূরা ৩৯ আল যুমার, আয়াত-৬২।
২. আল কুরআন, সূরা ৩৫ ফাতির, আয়াত-৩।
১ (পেজ ১৮৮). আল কুরআন, সূরা ৩০ রুম, আয়াত-৪০।
২. আল কুরআন, সূরা ৭ আরাফ, আয়াত-১৯১।
৩. আল কুরআন, সূরা ২৫ ফুরকান, আয়াত-৩।
১ (পেজ ১৮৯). আল কুরআন, সূরা ৩৯ আয যুমার, আয়াত-৬২।
২. আল কুরআন, সূরা ১৬ নাহল, আয়াত-৩৫-৩৬।
১ (পেজ ১৯০). আল কুরআন, সূরা ৬ আনআম, আয়াত-১০২।
২. আল কুরআন, সূরা ৬ আনআম, আয়াত-১১০
১ (পেজ ১৯১). আল কুরআন, সূরা ১৩ আর রাদ, আয়াত-১৬।
২. আল কুরআন, সূরা ২ আল বাকারা, আয়াত, ২৯।
৩. আল কুরআন, সূরা ৩১ লোকমান, আয়াত, ১১।
১ (পেজ ১৯২). আল কুরআন, সূরা ৩৭ আস সফফাত, আয়াত, ৯৬।
২. আল কুরআন, সূরা ৫৬ আল ওয়াকিয়া, আয়াত, ৫৭-৫৯।
৩. আল কুরআন, সূরা ১৬ আন নাহল, আয়াত-১৭।
৩ (পেজ ১৯৩). হাফেজ ইমাদুদ্দীন আবীল ফীদাহ ইসমাঈল ইবনে কাছীর, তাফসীরুল কুরআনীল আযীম, (বৈরুত : মাকতাবাতু দারুসসালাম, ১৪১৩ হি./১৪৯২ খ্রি.) ১ম খণ্ড, পৃ. ৪৯।
৪. আল কুরআন, সূরা ৮৩ আল মুতাফ্ফিফিন, আয়াত-১৪।
১ (পেজ ১৯৪). আল কুরআন, সূরা ৪ আন নিসা, আয়াত-১৫৫।
২. আল কুরআন, সূরা ৪৩ যুখরুফ, আয়াত-৭৬।
১ (পেজ ১৯৫). আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে আবু বকর আল আনসারী আল আনদুলুসী আল কুরতবী, আল জামি' লি আহকাম আল কুরআন, (বৈরুত: দারইহইয়া আল তুরাছ আল আরবী, তা: বি:), ১ম খণ্ড, পৃ. ১৮৭।
২. মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজ, সহীহ মুসলিম, প্রাগুক্ত, ১ম খণ্ড, কিতাবুল ঈমান, বাবু রাফ'উল আমানাতি, হাদীস নং, ২৭৬।
📄 শাফা‘য়াত
মু'তাযিলাদের মতে, কবীরা গুনাহকারী পাপীদের জন্য কিয়ামতের দিন কোন শাফা'য়াতের ব্যবস্থা থাকবে না। কেননা আল্লাহ তায়ালা মানুষকে সৎকাজের আদেশ দিয়েছেন এবং এর জন্য পুরস্কার নির্ধারণ করেছেন এবং অন্যায় কাজের থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। পাপীর জন্য সুপারিশের ব্যবস্থা থাকলে এটা তাঁকে পুরস্কৃত করার নামান্তর। আল্লামা যামাখশারী তাঁর কাশশাফ গ্রন্থের বিভিন্ন স্থানে আয়াতের ব্যাখ্যা করতে গিয়ে শাফায়াতকে অস্বীকার করেছেন। তিনি আয়াতের ব্যাখ্যায় শাফায়াত সাব্যস্ত হবে না মর্মে দলিল পেশ করেছেন।
আহলি সুন্নাত ওয়াল জামায়াত এর মতে কিয়ামতের দিন শাফায়াত সাব্যস্ত হবে। কুরআন ও হাদীসের দলিল দ্বারা তারা শাফায়াত সাব্যস্ত হওয়ার বিষয়টি প্রমাণ করেছেন। আহলি সুন্নাত ওয়াল জামায়াতগণ আল্লাহ তায়ালার রহমতের জন্য আশাবাদী। তারা মনে করেন নবীগণ, সিদ্দীকগণ, শহীদগণ এবং ছালেহীনগণ কিয়ামতের দিন সুপারিশ করার অধিকার পাবেন। একত্ববাদী পাপী মু'মিনদের সুপারিশের মাধ্যমে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেওয়া হবে।
টিকাঃ
১ (পেজ ১৯৬). আল কুরআন, সূরা ২ বাকারা, আয়াত-৪৮।
১ (পেজ ১৯৭). আল্লামা যামাখশারী, প্রাগুক্ত, ১ম খণ্ড, পৃ. ১৩৬।
২. আল কুরআন, সূরা ২ বাকারা, আয়াত- ২৫৪।
৩. আল্লামা যামাখশারী, ১ম খণ্ড, পৃ. ২৯৯।
১ (পেজ ১৯৮). আল কুরআন, সূরা ৩ আলে ইমরান, আয়াত- ২৪।
২. আল্লামা যামাখশারী, আল কাশশাফ, প্রাগুক্ত, ১/৩৪১।
১ (পেজ ১৯৯). আল কুরআন, সূরা ৪ নিসা, আয়াত- ১১৯।
২. আল্লামা যামাখশারী, আল কাশশাফ, প্রাগুক্ত, ১ম খণ্ড, পৃ. ৫৬৬।
৩. আল কুরআন, সূরা ১৭ বনী ইসরাঈল, আয়াত- ৬৪।
১ (পেজ ২০০). আল্লামা যামাখশারী, আল কাশশাফ, ২য় খণ্ড, পৃ. ৬৭৮।
২. আল কুরআন, সূরা ২৯ আল আনকাবুত, আয়াত, ১২।
১ (পেজ ২০১). আল্লামা যামাখশারী, আল কাশশাফ, প্রাগুক্ত, ৩য় খণ্ড, পৃ. ৪৪৪।
২. আল কুরআন, সূরা ৬ আন'আম, আয়াত-৫১।
১ (পেজ ২০২). আল্লামা যামাখশারী, আল কাশশাফ, প্রাগুক্ত, ২য় খণ্ড, পৃ. ২৬।
২. আল কুরআন, সূরা নাবা, আয়াত, ৩৮।
১ (পেজ ২০৩). আল্লামা যামাখশারী, আল কাশশাফ, প্রাগুক্ত, ৪র্থ খণ্ড, পৃ. ৬৯১।
১ (পেজ ২০৪). আল কুরআন. সূরা ৭০ আল মায়া'রিজ, আয়াত, ১-৪।
১ (পেজ ২০৫). আল কুরআন, সূরা ২৩ মু'মিনুন, আয়াত, ১০১।
২. আল কুরআন. সূরা ৫২ তুর, আয়াত, ২৫।
৩. আল কুরআন, সূরা ৮১ তাকবীর, আয়াত, ৭-১০।
৪. আল কুরআন, সূরা ২১ আম্বিয়া, আয়াত,৪৭।
১ (পেজ ২০৬). আল কুরআন, সূরা ৫৬ ওয়াকিয়াহ. আয়াত, ৭-১০।
২. আল কুরআন, সূরা ৫৭ হাদীদ, আয়াত, ১২।
৩. আল কুরআন, সূরা ৫৭ হাদীদ, আয়াত, ১৩।
১ (পেজ ২০৭). আল কুরআন, সূরা ১৭ বনী ইসরাঈল, আয়াত, ১৩-১৪।
২. আল কুরআন, সূরা ৬৯ হাক্কাহ, আয়াত, ১৯-২০।
৩. আল কুরআন, সূরা ৩৭ সাফ্ফাত, আয়াত, ২৪।
৪. আল কুরআন, সূরা ৬৯ হাক্কাহ, আয়াত, ২৫-২৬।
১ (পেজ ২০৮). আল কুরআন, সূরা ৬৯ হাক্কাহ, আয়াত, ৩০-৩২।
২. আল কুরআন, সূরা ৬ আনআম, আয়াত, ৫১।
১ (পেজ ২০৯). আল কুরআন, সূরা ১০ ইউনুস, আয়াত-৩।
২. আল কুরআন, সূরা ৩২ সাজাদাহ, আয়াত-৪।
৩. আল কুরআন, সূরা ১০ ইউনুস, আয়াত-১৮।
১ (পেজ ২১০). আল কুরআন, সূরা ২ বাকারা, আয়াত, ১২৩।
২. আল কুরআন, সূরা ২ বাকারা, আয়াত, ২৫৪।
১ (পেজ ২১১). আল কুরআন, সূরা ৪ নিসা, আয়াত, ৮৫।
২. আল কুরআন, সূরা ১৯ মরিয়ম, আয়াত, ৮৭।
১ (পেজ ২১২). আল কুরআন, সূরা ৪ নিসা, আয়াত, ৬৯-৭০।
২. আল কুরআন, সূরা ২০ তাহা, আয়াত, ১০৯।
৩. আল কুরআন, সূরা, আল ৫ মায়েদা, আয়াত, ১১৯।
১ (পেজ ২১৩). আল কুরআন, সূরা ৯ আত তাওবা, আয়াত, ১০০।
২. আল কুরআন, সূরা ৫৮ আল মুজাদালাহ, আয়াত, ২২।
৩. আল কুরআন, সূরা ৯৮ আল বাইয়্যেনা, আয়াত, ৮।
১ (পেজ ২১৪). আল কুরআন, সূরা ৩৪ সাবা, আয়াত, ২৩।
২. আল কুরআন, সূরা ৩৯ যুমার, আয়াত-৪৪।
১ (পেজ ২১৫). আল কুরআন, সূরা ৪৩ যুখরুফ, আয়াত-৮৬।
১ (পেজ ২১৬). আল কুরআন, সূরা ৩৬ ইয়াসিন, আয়াত, ২৩।
২. আল কুরআন, সূরা ৫৩ নাজম, আয়াত, ২৬।
১ (পেজ ২১৭). আল কুরআন, সূরা ৬ আনআম, আয়াত-৭০।
২. আল কুরআন, সূরা ৭০ মায়ারিজ, আয়াত- ১১-১৪।
১ (পেজ ২১৭-১৮). মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজ, সহীহ মুসলিম, (অনু. মাওলানা আফলাতুন কায়সার, ঢাকা : বাংলাদেশ ইসলামিক সেন্টার, ১৯৯২ খ্রি.) ১ম খণ্ড, কিতাবুল ঈমান, বাবু ইসবাতু শাফায়াত, হাদীস নং, ৩৬৪।
১ (পেজ ২১৮). মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজ, সহীহ মুসলিম, প্রাগুক্ত, ১ম খণ্ড, কিতাবুল ঈমান, বাবু ইসবাতু শাফায়াত, হাদীস নং, ৩৬৬।
১ (পেজ ২১৮-১৯). মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজ, সহীহ মুসলিম, প্রাগুক্ত, ১ম খণ্ড, কিতাবুল ঈমান, বাবু ইসবাতু শাফায়াত, হাদীস নং, ৩৬৮।
১ (পেজ ২১৯). মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজ, সহীহ মুসলিম, প্রাগুক্ত, ১ম খণ্ড, কিতাবুল ঈমান, বাবু ইসবাতু শাফায়াত, হাদীস নং, ৩৬৯।
১ (পেজ ২১৯-২০). মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজ, সহীহ মুসলিম, প্রাগুক্ত, ১ম খণ্ড, কিতাবুল ঈমান, বাবু ইসবাতু শাফায়াত, হাদীস নং, ৩৭১।
১ (পেজ ২২০-২১). মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজ, সহীহ মুসলিম, প্রাগুক্ত, ১ম খণ্ড, কিতাবুল ঈমান, বাবু ইসবাতু শাফায়াত, হাদীস নং, ৩৭২।
১ (পেজ ২২১-২২). মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজ, সহীহ মুসলিম, প্রাগুক্ত, ১ম খণ্ড, কিতাবুল ঈমান, বাবু ইসবাতু শাফায়াত, হাদীস নং, ৩৭৩।
১ (পেজ ২২২-২৩). মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজ, সহীহ মুসলিম, প্রাগুক্ত, ১ম খণ্ড, কিতাবুল ঈমান, বাবু ইসবাতু শাফায়াত, হাদীস নং, ৩৭৬।
১ (পেজ ২২৩-২৫). মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজ, সহীহ মুসলিম, প্রাগুক্ত, ১ম খণ্ড, কিতাবুল ঈমান, বাবু ইসবাতু শাফায়াত, হাদীস নং, ৩৮০।
২ (পেজ ২২৫). মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজ, সহীহ মুসলিম, প্রাগুক্ত, ১ম খণ্ড, কিতাবুল ঈমান, বাবু ইসবাতু শাফায়াত, হাদীস নং, ৩৮৫।
১ (পেজ ২২৫-২৮). মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজ, সহীহ মুসলিম, প্রাগুক্ত, ১ম খণ্ড, কিতাবুল ঈমান, বাবু ইসবাতুশ শাফায়াত, হাদীস নং, ৩৮৬।
১ (পেজ ২২৯-৩০). মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজ, সহীহ মুসলিম, প্রাগুক্ত, ১ম খণ্ড, কিতাবুল ঈমান, বাবু ইসবাতুশ শাফায়াত, হাদীস নং, ৩৮৯।
২ (পেজ ২৩০). মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজ, সহীহ মুসলিম, প্রাগুক্ত, ১ম খণ্ড, কিতাবুল ঈমান, বাবু ইসবাতু শাফায়াত, হাদীস নং, ৩৯০।
১ (পেজ ২৩১). মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজ, সহীহ মুসলিম, প্রাগুক্ত, ১ম খণ্ড, কিতাবুল ঈমান, বাবু ইসবাতু শাফায়াত, হাদীস নং, ৩৯৪।
২ (পেজ ২৩১). মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজ, সহীহ মুসলিম, প্রাগুক্ত, ১ম খণ্ড, কিতাবুল ঈমান, বাবু ইসবাতুশ শাফায়াত, হাদীস নং, ৩৯৭।
৩ (পেজ ২৩১). মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজ, সহীহ মুসলিম, প্রাগুক্ত, ১ম খণ্ড, কিতাবুল ঈমান, বাবু ইসবাতুশ শাফায়াত, হাদীস নং, ৩৯৮।
১ (পেজ ২৩২). মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজ, সহীহ মুসলিম, প্রাগুক্ত, ১ম খণ্ড, কিতাবুল ঈমান, বাবু ইসবাতুশ শাফায়াত, হাদীস নং, ৩৯৯।
২ (পেজ ২৩২). মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজ, সহীহ মুসলিম, প্রাগুক্ত, ১ম খণ্ড, কিতাবুল ঈমান, বাবু ইসবাতুশ শাফায়াত, হাদীস নং, ৪০৬।
১ (পেজ ২৩৩). মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজ, সহীহ মুসলিম, প্রাগুক্ত, ১ম খণ্ড, কিতাবুল ঈমান, বাবু ইসবাতুশ শাফায়াত, হাদীস নং, ৪০৮।
২ (পেজ ২৩৩). মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজ, সহীহ মুসলিম, প্রাগুক্ত, ১ম খণ্ড, কিতাবুল ঈমান, বাবু ইসবাতুশ শাফায়াত, হাদীস নং, ৪১৭।
১ (পেজ ২৩৪). মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজ, সহীহ মুসলিম, প্রাগুক্ত, ১ম খণ্ড, কিতাবুল ঈমান, বাবু ইসবাতুশ শাফায়াত, হাদীস নং, ৪২০।
২ (পেজ ২৩৪). মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজ, সহীহ মুসলিম (করাচী : নূর মুহাম্মাদ আছহহুল মাতবি'য়, ১৩৭৫হি./১৯৫৬ খ্রী.), ১ম খণ্ড, কিতাবুল ঈমান, বাবু ইসবাতুশ শাফায়াত, পৃ. ১১২।
📄 হারাম রিযিক নয়
মুতাযিলাদের মতে হারাম রিযিক নয়। তাঁদের মতে হালাল-ই একমাত্র রিযিক। তাঁদের যুক্তি হলো হারাম রিযিক হলে, বান্দা যা হারাম রিযিক উপার্জন করবে তা আল্লাহ তায়ালার সাথে সম্পর্কিত হয়ে পড়ে। হারামকে রিযিক ধরা হলে আল্লাহ তায়ালা যে রিযিকদাতা তা অসম্মান করা হয়। আল্লামা যামাখশারী কাশশাফ গ্রন্থে বিভিন্ন স্থানে আয়াতের ব্যাখ্যায় বিষয়টি উল্লেখ করেছেন।
আহলি সুন্নাত ওয়াল জামায়াত এর মতে হালাল এবং হারাম উভয় রিযিকের অন্তর্ভুক্ত। রিযিক হলো বান্দা যার দ্বারা উপকৃত হয় এবং বান্দা যাহা কিছুর মালিকানা অর্জন করে। হারামকে রিযিক থেকে বাদ দেয়া হলে একথা মেনে নিতে হয় যে, আল্লাহ তায়ালা হারাম ভক্ষণকারীর রিযিকদাতা নন। অথচ আল্লাহ তায়ালা সকল সৃষ্টির রিযিকদাতা। আল্লাহ ছাড়া কোন রিযিকদাতা নেই এবং সৃষ্টিকর্তা নেই। আল্লাহ তায়ালা হালাল রিযিক রোজগার করতে বলেছেন এবং হারাম থেকে বিরত থাকতে বলেছেন।
টিকাঃ
১ (পেজ ২৩৫). আল কুরআন, সূরা ২ বাকারা, আয়াত-৩।
২. আল কুরআন, সূরা ১৬ আন নাহল, আয়াত-১১৪।
৩. আল কুরআন, সূরা ২ বাকারা, আয়াত-১৭২।
১ (পেজ ২৩৬). আল কুরআন, সূরা ২ বাকারা, আয়াত-২।
২. আল্লামা যামাখশারী, আল কাশশাফ, প্রাগুক্ত, ১ম খণ্ড, পৃ. ৪০।
১ (পেজ ২৩৭). আল কুরআন, সূরা ১০ ইউনুস, আয়াত- ৩১।
২. আল্লামা যামাখশারী, আল কাশশাফ, প্রাগুক্ত, ২য় খণ্ড, পৃ. ৩৪৫।
৩. আল কুরআন, সূরা ১১ হুদ, আয়াত-৬।
১ (পেজ ২৩৮). আল্লামা যামাখশারী, আল কাশশাফ, প্রাগুক্ত, ২য় খণ্ড, পৃ. ৩৭৯।
২. আল কুরআন, সূরা ১১ হুদ, আয়াত-৮৬।
১ (পেজ ২৩৯). আল্লামা যামাখশারী, আল কাশশাফ, প্রাগুক্ত, ২য় খণ্ড, পৃ. ৪১৯।
২. আল কুরআন, সূরা ১৩ রা'দ, আয়াত- ২২।
৩. আল্লামা যামাখশারী, আল কাশশাফ, প্রাগুক্ত, ২য় খণ্ড, পৃ. ৫২৬।
১ (পেজ ২৪০). আল কুরআন, সূরা ২০ তাহা, আয়াত- ১৩১।
২. আল্লামা যামাখশারী, আল কাশশাফ, প্রাগুক্ত, ৩য় খণ্ড, পৃ. ৯৮।
১ (পেজ ২৪১). আল কুরআন, সূরা ৩৫ ফাতির, আয়াত-৩।
১ (পেজ ২৪২). আল কুরআন, সূরা ১১ হুদ, আয়াত-৬।
২. আল কুরআন, সূরা ৬৩ মুনাফিকুন, আয়াত-১০।
১ (পেজ ২৪৩). আল কুরআন, সূরা ২ বাকারা, আয়াত-১২৬।
২. আল কুরআন, সূরা ৩০ রুম, আয়াত-৪০
১ (পেজ ২৪৪). আল কুরআন, সূরা ৩৬ ইয়াসীন, আয়াত-৪৭।
২. আল কুরআন, সূরা ৪২ শুরা, আয়াত-৩৮।
৩. আল কুরআন, সূরা ৬ আন'আম, আয়াত-১৪০।
১ (পেজ ২৪৫). আল কুরআন, সূরা ২২ হজ্ব, আয়াত-৩৪।
২. আল কুরআন, সূরা ২৯ আল আনকাবূত, আয়াত-৬০।
১ (পেজ ২৪৫-৪৬). আল কুরআন, সূরা ২ বাকারা, আয়াত-১২৬
২ (পেজ ২৪৬). আল কুরআন, সূরা ২ বাকারা, আয়াত-২৫।
১ (পেজ ২৪৭). আল কুরআন, সূরা ১০ ইউনুস, আয়াত-৫৯।
২. আল কুরআন, সূরা ১৬ নাহল, আয়াত-৭১।
১ (পেজ ২৪৮). আল কুরআন, সূরা ২৯ আনকাবুত, আয়াত-১৭।
২. আল কুরআন, সূরা ৩৪ সাবা, আয়াত-১৫।
৩. আল কুরআন, সূরা ৪২ শুরা, আয়াত-২৭।
১ (পেজ ২৪৯). আল কুরআন, সূরা ৪৫ আল জাসিয়াহ, আয়াত-৫।
২. আল কুরআন, সূরা ২ বাকারা, আয়াত-২২।
১ (পেজ ২৫০). আল কুরআন, সূরা ১৪ ইব্রাহীম, আয়াত-৩২।
২. আল কুরআন, সূরা ৫১ যারিয়াত, আয়াত-২২।
৩. আল কুরআন, সূরা ৬৭ মুলক, আয়াত-২১।
১ (পেজ ২৫১). আল কুরআন, সূরা ২ বাকারা, আয়াত-২৩৩।
২. আল কুরআন, সূরা ৫১ যারিয়াত, আয়াত-৫৮।
১ (পেজ ২৫২). আল কুরআন, সূরা ২ বাকারা, আয়াত, ১৭৩-১৭৪।
১ (পেজ ২৫৩). মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজ, সহীহ মুসলিম, প্রাগুক্ত, কিতাবুল ক্বদর, বাবু কায়ফিয়াতি খলকিল আদামি ফী বাতানি উম্মিহি, হাদীস নং, ২০৩৬।