📄 কুরআন ও হাদীছে কুদসীর মধ্যে পার্থক্য
ক্রঃ নং | কুরআন | হাদীছে কুদসী
--- | --- | ---
১ | কুরআনের শব্দ ও অর্থ উভয়টিই মহান আল্লাহ্র পক্ষ থেকে অবতীর্ণ। | হাদীছে কুদসীর অর্থ মহান আল্লাহ্, কিন্তু শব্দ রাসূল (ছাঃ)-এর মুখনিঃসৃত।
২ | সম্পূর্ণ কুরআন মুতাওয়াতির। রাসূল (ছাঃ)-এর পক্ষ থেকে সন্দেহাতীতভাবে প্রতি যুগে হাযার হাযার মানুষ তা রিওয়ায়েত করেছেন। | হাদীছে কুদসী মুতাওয়াতির নয়; বরং হাদীছে কুদসী ছহীহ, যঈফ ও জাল সবই হতে পারে।
৩ | কুরআন তিলাওয়াত করলে প্রতি হরফে দশটি করে নেকী হয়। | হাদীছে কুদসী পাঠের নির্ধারিত কোন নেকী নেই।
৪ | কুরআন তিলাওয়াত একটি ইবাদত, যা ব্যতীত ছালাত বিশুদ্ধ হয় না। | হাদীছে কুদসী পাঠ করা এই রকম কোন ইবাদত নয়।
৫ | আল-কুরআনের কোন আয়াতই ভাবার্থের দৃষ্টিকোণ থেকে বর্ণিত হয়নি; বরং এর ভাবার্থ নকল করাকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। | সুন্নাহ্ ক্ষেত্রে ভাবার্থ নকল করার অনুমতি দেয়া হয়েছে।
৬ | পবিত্র কুরআনের বিভিন্ন সূরা ও আয়াত রয়েছে। | হাদীছে কুদসীর কোন আয়াত ও সূরা নেই।
৭ | পবিত্র কুরআনের ভাষা মু'জিযা। এটি ক্বিয়ামত পর্যন্ত দুনিয়াবাসীর জন্য চ্যালেঞ্জ। | হাদীছে কুদসীর ভাষা মু'জিযা নয়।
📄 হাদীছ ও হাদীছে কুদসীর মধ্যে পার্থক্য
ক্রঃ নং | হাদীছে কুদসী | হাদীছ
--- | --- | ---
১ | হাদীছে কুদসীকে রাসূল (ছাঃ) মহান আল্লাহ্ দিকে নিসবাত করে বর্ণনা করেন। | হাদীছকে মহান আল্লাহ্ দিকে নিসবাত করে বলেন না।
২ | হাদীছে কুদসী সর্বদা ক্বওলী হয়। হাদীছে কুদসী হচ্ছে রাসূল (ছাঃ)-এর ভাষার আবরণে মহান আল্লাহ্ কথা। | হাদীছে ক্বওলী, ফে'লী ও তাক্বরীরী হয়। তথা রাসূল (ছাঃ)-এর কথা যেমন হাদীছ, তেমনি তার দৈনন্দিন কাজ ও সম্মতিও হাদীছ।
৩ | হাদীছে কুদসী সাধারণত ভয়, আশা, মহান আল্লাহ্র সাথে বান্দার কথা ইত্যাদি বিভিন্ন গায়েবী বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট হয়। হুকুম- আহকামের ব্যাপারে হাদীছে কুদসী নেই বললেই চলে। | ইসলামের হুকুম-আহকাম তথা বিধি-বিধান হিসাবে হাদীছের বর্ণনা বেশী।