📘 মুসলিমজাতি বিশ্বকে কী দিয়েছে > 📄 মন্ত্রনালয় ব্যবস্থাপনায় মুসলিমদের বুদ্ধিবৃত্তিক অবদান

📄 মন্ত্রনালয় ব্যবস্থাপনায় মুসলিমদের বুদ্ধিবৃত্তিক অবদান


আব্বাসীয় শাসনামলের প্রথম দিন থেকেই মন্ত্রণালয় ব্যবস্থার সূচনা হয়। আর তাই ইসলামি আইনবিদদের রচিত ওযারাত বা মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত অনেক রচনা ও গ্রন্থ আমাদের চোখে পড়ে, যেগুলোতে ফিকহি মূলনীতি অথবা এমন সাধারণ কিছু নিয়মপদ্ধতি উল্লেখ করা হয়েছে যেগুলো প্রত্যেক উযিরের মধ্যে থাকা উচিত। এ তালিকায় যারা অগ্রজের ভূমিকা পালন করেছেন তাদের অন্যতম হলেন ইবনুল মুকাফফা। তিনি বলেন, উযির বা সহযোগী ছাড়া একজন সুলতান কখনো নিজের কাজগুলো ভালোভাবে পরিচালনা করতে পারবেন না। আর উযিরদের নিয়ন্ত্রণ করতে হবে কেবল সম্প্রীতি ও উপদেশের মাধ্যমেই। (১৬৬)

অপরদিকে ইবনে আবু রবি(১৬৭) তার বিখ্যাত সুলুকুল মালিক ফি তাদবিরিল মামালিক গ্রন্থে লেখেন, জেনে রাখুন একজন খলিফা বা শাসকের জন্য এমন উযিরের প্রয়োজন, যে খলিফার কাজগুলোর বিন্যাস করে দেবে। রাষ্ট্রীয় গোলযোগ ও বিশৃঙ্খলার মুহূর্তে তাকে সহযোগিতা করবে। সঠিক সিদ্ধান্ত ও মতামত তার সামনে উপস্থাপন করবে। আপনি কি আমাদের বিশ্বনবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবনচরিত পড়েননি?! মহান আল্লাহ তাকে সুস্পষ্ট সব নিদর্শন দিয়ে পাঠান। অলৌকিক সব গুণ দিয়ে তাকে সমৃদ্ধ করেন। ইসলামের এই সুমহান জীবনব্যবব্যবস্থাকে সকল ধর্মের ওপর বিজয়ী করার প্রতিশ্রুতি দেন। এরপর তাকে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা প্রদান করেন। সত্য পথের সন্ধান দেন। এত কিছুর পরও তিনি আলি ইবনে আবি তালিব রা.-কে তার উযির বলে সম্বোধন করেন। আলি রা.-কে উদ্দেশ্য করে বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,

«أَنْتَ مِنِّي بِمَنْزِلَةِ هَارُوْنَ مِنْ مُوْسَى»

মুসার জন্য হারুন যেমন, আমার জন্য তুমিও তেমন। (১৬৮), (১৬৯)

অন্যের সহযোগিতা বা সুপরামর্শ গ্রহণ যদি তুচ্ছ কোনো বিষয় হতো, তাহলে বিশ্বনবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং মুসা আ.-এর মতো উন্নত মানবীয় গুণে সমৃদ্ধ ব্যক্তিবর্গ উযির বা সহযোগী গ্রহণ থেকে নির্মুখাপেক্ষী থাকতেন। সুতরাং বোঝা গেল, উযির হলেন রাষ্ট্র পরিচালনায় খলিফার প্রধান সহযোগী। রাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্যগুলো সুরক্ষার প্রধান নীতিনির্ধারক। কাজে ও বক্তব্যের মাধ্যমে সকল-কিছুর ব্যবস্থাপক। (১৭০)

অপরদিকে ইসলামি রাজনৈতিক ব্যবস্থায় যারা কলম ধরেছেন তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন মাওয়ারদি। তিনি তার অনবদ্য আল-আহকামুস সুলতানিয়্যা গ্রন্থে মন্ত্রণালয়ব্যবস্থার বিস্তারিত আলোকপাত করেন। স্বতন্ত্র অধ্যায়ে এ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেন। সেখানে ওযারত বা মন্ত্রণালয়কে তিনি দুভাগে বিভক্ত করেন। এক. ওয়াযারাতু তাফবিয (وزارة تفويض) । দুই. ওয়াযারাতু তানফিয (وزارة تنفيذ)। ওয়াযারাতু তাফবিয হলো মন্ত্রীদেরকে নিজ চিন্তা ও গবেষণার আলোকে নানা রাষ্ট্রীয় অধ্যাদেশ জারি করা এবং বিভিন্ন সরকারি কর্মসূচি বাস্তবায়ন করার অবাধ ক্ষমতা প্রদান। (১৭১) কোনো সন্দেহ নেই এ ধরনের ক্ষমতা প্রদান খিলাফত ও ইসলামি রাজনৈতিক অঙ্গনের দারুণ কুশলতার পরিচয় বহন করে। অর্থাৎ ছোট-বড় সব বিষয়ের সমাধানের জন্য একই বিভাগের শরণাপন্ন হয়ে মানুষ যেন ভোগান্তিতে না পড়ে, সে লক্ষ্যে বিভিন্ন সেক্টর ও দপ্তরভিত্তিক বিন্যাসে মন্ত্রণালয়কে সাজানো হয়। এরকম অবাধ স্বাধীন মন্ত্রিত্ব যারা লাভ করেছেন, তাদের মধ্যে জাফর ইবনে ইয়াহইয়া আল-বারমাকি অন্যতম। আব্বাসি খলিফা হারুনুর রশিদের শাসনামলে তাকে সুলতান উপাধি দেওয়া হয়। কারণ খলিফার মতো রাষ্ট্রের সকল-কিছুতে স্বাধীনভাবে হস্তক্ষেপ করার এবং সকল আদেশ-নিষেধ জারি করার একচ্ছত্র অধিকার তারও ছিল। (১৭২) এ তালিকায় আরও যাদের নাম এসে যায়, তাদের মধ্যে বাগদাদে ইসলামি সভ্যতা বিনির্মাণের অগ্রনায়ক নিজামুল মুলক এবং স্পেনের ইসলামি কৃষ্টিতে অবদান রাখা মনসুর ইবনে আবু আমির অন্যতম। এ দুজন সম্পর্কে একটু আগে আমরা জেনে এসেছি।

সে তুলনায় ওয়াযারাতু তানফিয কিছুটা কম মর্যাদার। কারণ এটি কেবল খলিফার আদেশ মান্য করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। সে ক্ষেত্রে খলিফার নির্দেশ যথাযথ পালন করা এবং সে অনুযায়ী কর্মসূচি সাজানোর দায়িত্ব পেতেন এরকম উযিরগণ। (১৭৩) ইসলামি সভ্যতায় বেশিরভাগ উযিরের দায়িত্বই ছিল এ প্রকৃতির। সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সামরিক ইস্যুতে খলিফার আদেশ যথাযথভাবে পালন করার জন্য তাদেরকে নিয়োগ দেওয়া হতো।

সিরাজুল মুলুক গ্রন্থে উযির ও তাদের বৈশিষ্ট্য নিয়ে স্বতন্ত্র একটি অধ্যায় রচনা করেন তারতুশি। একজন উযিরের কাছ থেকে খলিফা কী আশা করেন উক্ত গ্রন্থে তিনি তা স্পষ্ট করেন। তিনি বলেন, একজন উযিরের প্রধান দুটি দায়িত্ব হলো: এক. অজানা বিষয়গুলো তিনি খলিফাকে জানাবেন। দুই. খলিফা আগে থেকে যা জানতেন উযির তা আরও স্পষ্ট ও জোরালো করবেন। (১৭৪) তা ছাড়া মন্ত্রণালয়ের পদে নিন্দিত কোনো ব্যক্তিকে বসানো থেকে সতর্ক করেন তারতুশি। তার গ্রন্থে তিনি বলেন, নিন্দিত বা বিতর্কিত কেউ উন্নত পদে নিয়োগ পেলে তার সহযোগী কমে যাবে। তার ভালো কাজগুলো সন্দেহের চোখে দেখা হবে। তিনিও নন্দিত ব্যক্তিদের হালকা চোখে দেখবেন। গুণধর ব্যক্তিদের ওপর তিনি অহংবোধ করবেন। এরপর এ বক্তব্যের পক্ষে প্রমাণ পেশ করতে গিয়ে তিনি সুলাইমান ইবনে আবদুল মালিক এবং উমর ইবনে আবদুল আযিযের মাঝে সংঘটিত একটি ঘটনা টেনে আনেন, সুলাইমান ইবনে আবদুল মালিক যখন হাজ্জাজ ইবনে ইউসুফের ব্যক্তিগত পত্রলেখক ইয়াযিদ ইবনে আবু মুসলিমকে নিজের পত্রলেখক হিসেবে নিয়োগ দিতে চাইলেন, তখন উমর ইবনে আবদুল আযিয তাকে বলেন, হে আমিরুল মুমিনিন, আল্লাহর দোহাই দিচ্ছি, এই লোকটিকে আপনার পত্রলেখক হিসেবে নিয়োগ করে হাজ্জাজের আলোচনা আবার জাগিয়ে তুলবেন না। উত্তরে তিনি বলেন, হে আবু হাফস, আমি তার বিরুদ্ধে এক দিনার বা এক দিরহাম পরিমাণও দুর্নীতির অভিযোগ পাইনি। তা শুনে উমর বললেন, দিরহাম-দিনারের আলোচনা যখন উঠল, তাহলে আপনাকে আমি দিরহাম-দিনার ব্যবহারে তার চেয়েও সৎ একজনের কথা বলব কি? সুলাইমান জিজ্ঞেস করলেন, তিনি কে? উত্তরে উমর বললেন, ইবলিস! জীবনেও সে কোনো দিনার বা দিরহাম স্পর্শ করেননি, কিন্তু সে ঠিকই পুরো মানবজাতিকে ধ্বংস করে ছেড়েছে। (১৭৫)

আরেক বিখ্যাত ইতিহাসবেত্তা শাইযারি (মৃ. ৫৮৯ হি.) আল-মানহাজুল মাসলুক ফি সিয়াসাতিল মুলুক গ্রন্থে মাওয়ারদির মতোই মন্ত্রণালয়ের দাপ্তরিক ও বিভাগীয় বিন্যাসের বিবরণ উল্লেখ করেছেন। এ ছাড়াও একজন উযিরের মধ্যে দশটি অপরিহার্য গুণ থাকার কথা বলেছেন শাইযারি। সেগুলো হলো যথাক্রমে : যথেষ্ট জ্ঞান, পরিণত বয়স, সততা, সত্যবাদিতা, অল্পেতুষ্টি, শান্তি ও সমঝোতা প্রতিষ্ঠায় পারদর্শিতা, উপদেশ গ্রহণের মানসিকতা, প্রখর মেধা ও স্মৃতিশক্তি, স্বেচ্ছাচারহীনতা এবং সকল-কিছু নিজেই মীমাংসা করতে পারার মতো যোগ্যতা। (১৭৬)

অন্যদিকে মুহাম্মাদ ইবনে আলি আল-কালয়ি (মৃ. ৬৩০ হি.) রচনা করেন বিখ্যাত তাহযিবুর রিয়াসাতি ওয়া তারতিবুস সিয়াসা গ্রন্থ। বিশাল কলেবরের এ বইয়ে পূর্ববর্তী শাসকদের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার আলোকে সুষ্ঠু ও সুনিপুণভাবে রাজ্য পরিচালনার জন্য খলিফা, গভর্নর ও শাসকদের জন্য উপকারী সব ঘটনা ও অভিজ্ঞতার বিবরণ দেন। গ্রন্থটি তিনি প্রধান দুটি ভাগে বিভক্ত করেন। প্রথম ভাগে তিনি প্রজ্ঞাবানদের নির্বাচিত বাণী ও ভাষাপণ্ডিতদের দুর্লভ সংলাপের বিবরণ দিয়ে সেগুলোকে বিচিত্র উপমা ও বিভিন্ন বর্ণনার মাধ্যমে সাজিয়ে তোলেন। দ্বিতীয় ভাগে তিনি খলিফা, উযির, গভর্নর, সরকারি কর্মকর্তা, কর্মচারী ও কার্যনির্বাহীদের জন্য শিক্ষণীয় বিভিন্ন ঘটনা তুলে ধরেন। এসব ঘটনা থেকে তাদের মানমর্যাদা, সদাচরণ, সচ্চরিত্র ও মনুষ্যত্বের গুণাবলির প্রমাণ পাওয়া যায়। (১৭৭) মন্ত্রণালয়ের আলোচনা করতে গিয়ে প্রজ্ঞাবান ও বিদগ্ধ ব্যক্তিদের দেওয়া নানা উপমা ও প্রজ্ঞার কথা উল্লেখ করেন। তা ছাড়া ওযারত ও উযিরদের নিয়ে লেখা বিভিন্ন কবিতাও তিনি সেখানে বর্ণনা করেন।

অপরদিকে আবদুর রহমান ইবনে খালদুন (মৃ. ৮০৮ হি.) তার বিখ্যাত আল-মুকাদ্দিমায় বিশ্বনবীর যুগ থেকে শুরু করে তার যুগ পর্যন্ত ইসলামি সভ্যতায় মন্ত্রণালয় ব্যবস্থাপনার অভূতপূর্ব উন্নতির ঐতিহাসিক বিবরণ দেন। ঐতিহাসিক বর্ণনার আলোকে কোনো রাষ্ট্রের বা আমলের মন্ত্রণালয়ের অগ্রগতি ও অবনতির বিস্তারিত বিশ্লেষণধর্মী আলোচনা তুলে ধরেন। এ বইয়ের মাধ্যমে ইসলামি রাজনৈতিক বিষয়ে ইবনে খালদুনের গভীর জ্ঞান ও অসামান্য পাণ্ডিত্যের পরিচয় পাওয়া যায়। বনি উমাইয়ার শাসনামলে মন্ত্রিত্বের গুরুত্বের কথা আলোচনা করতে গিয়ে তিনি বলেন, সে যুগে পুরো বনি উমাইয়া সাম্রাজ্যে সবচেয়ে মূল্যবান ও উন্নত পদ ছিল মন্ত্রিত্ব। সরকারি সকল বিষয় দেখাশোনা ও পরিচালনা এবং নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা-বিষয়ক সকল ইস্যুতে একমাত্র উযিরগণই হস্তক্ষেপ করতেন। তা ছাড়া সামরিক ইস্যু এবং নাগরিকদের ভাতা প্রদান, এ জাতীয় বিষয়গুলো তারাই পরিচালনা করতেন। (১৭৮) এতে কোনো সন্দেহ নেই তার রচিত রাজনৈতিক মতাদর্শ এবং তার প্রদর্শিত ইসলামি রাষ্ট্রসমূহের সাংস্কৃতিক রূপকেই পরবর্তীকালে সমাজবিজ্ঞান নামে অভিহিত করা হয়েছে।

অপরদিকে শামসুদ্দিন ইবনুল আযরাক আল-গারনাতি (মৃ. ৮৯৬ হি.) তার রাজনৈতিক ও সামাজিক দর্শনের বিবরণ দিতে গিয়ে ইবনে খালদুনের দেখানো পথেই অগ্রসর হয়েছেন। তার লেখা বাদায়িউস সিলকি ফি তাবায়িয়িল মুলকি গ্রন্থে ‘যেসব কর্মসূচির আলোকে গড়ে একজন রাষ্ট্রনায়কের সকল দায়িত্ব’ শীর্ষক একটি অধ্যায় রচনা করে উযির নিয়োগের কাজকে শাসকের প্রথম দায়িত্ব বলে উল্লেখ করেন। সেজন্য যৌক্তিক ও শরয়ি সকল প্রমাণ উপস্থাপন করে তার এই দাবিকে জোরালো করে তোলেন। তার এ গ্রন্থের বিন্যাস অনেকটা দর্শন ও তর্কশাস্ত্রীয় বইয়ের মতো। (১৭৯)

এ সংক্ষিপ্ত আলোচনায় আশা করি পাঠক মন্ত্রণালয় ব্যবস্থাপনায় মুসলিমদের বুদ্ধিবৃত্তিক অবদানের মহত্ত্ব সম্পর্কে অবগত হয়েছেন। তা ছাড়া এটাও জেনে রাখা দরকার, ইউরোপীয় কোনো জাতি এবং ইসলামপূর্ব কোনো জনগোষ্ঠী মন্ত্রণালয় ব্যবস্থাপনায় কোনো অবদান রেখেছে বলে আদৌ প্রমাণিত নয়।

টিকাঃ
১৬৬. ইবনুল মুকাফফা, আল-আদাবুস সগির, পৃ. ৩২।
১৬৭. পুরো নাম আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আবু রবি (২১৮-২৭২ হি./৮৩৩-৮৮৫ খ্রি.)। তিনি ছিলেন সাহিত্যিক এবং আব্বাসীয় খলিফা মুতাসিমের অন্যতম উযির। তার অনেকগুলো গ্রন্থের মধ্যে সুলুকুল মালিক ফি তাদবিরিল মামালিক অন্যতম। দেখুন, যিরিকলি, আল-আ'লাম, খ. ১, পৃ. ২০৫।
১৬৮. অন্য একটি বাক্যেও হাদিসটি বর্ণিত : ألا ترضى أن تكون مني بمنزلة هارون من موسى : দেখুন, বুখারি, কিতাবুল মাগাযি, বাব: গাযওয়াতু তাবুক ওয়া হিয়া গাযওয়াতুল উসরাতি, হাদিস নং ৪১৫৪। মুসলিম, কিতাবু ফাযায়িলিস সাহাবা, বাব: মিন ফাযায়িলি আলি ইবনে আবি তালিব, হাদিস নং ২৪০৪।
১৬৯. ইবনে আবু রবির উচিত ছিল আবু বকর, উমর ও উসমানের ওযারত (মন্ত্রিত্ব) নিয়ে আলোচনা করা। এরপর আলি ইবনে আবু তালিবের কথা উল্লেখ করা। কারণ এ ক্ষেত্রে তার অবস্থান তাদের পরে।
১৭০. ইবনে আবু রবি, সুলুকুল মালিকি ফি তাদবিরিল মামালিক গ্রন্থে যাফের কাসেমি রচিত নিযামুল হুকমি ফিশ শারিআতি ওয়াত-তারিখিল ইসলামি গ্রন্থের উদ্ধৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। দেখুন, খ. ১, পৃ. ৪২২-৪২৩।
১৭১. মাওয়ারদি, আল-আহকামুস সুলতানিয়্যা, পৃ. ২৪-২৫।
১৭২. ইবনে খালদুন, আল-ইবারু ওয়া দিওয়ানুল মুবতাদায়ি ওয়াল-খাবারি, খ. ১, পৃ. ২৩৮।
১৭৩. প্রাগুক্ত, ২৬। মুনির আল-আজলানি, আবকারিয়্যাতুল ইসলামি ফি উসুলিল হুকমি, পৃ. ২২৩।
১৭৪. তারতুশি, সিরাজুল মুলুক, পৃ. ৫৬।
১৭৫. প্রাগুক্ত, পৃ. ৫৭।
১৭৬. দেখুন, শাইযারি, আল-মানহাজুল মাসলুক ফি সিয়াসাতিল মুলুক, পৃ. ২০৭-২১০।
১৭৭. কালয়ি, তাহযিবুর রিয়াসাতি, পৃ. ৬০।
১৭৮. ইবনে খালদুন, আল-মুকাদ্দিমা, পৃ. ২৩৮।
১৭৯. ইবনুল আযরাক, বাদায়িউস যিলকি ফি তাবায়িয়িল মুলকি, পৃ. ২৪

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00