📘 মুসলিম স্পেনের রাজনৈতিক ইতিহাস 📄 ফ্রান্স অভিযান

📄 ফ্রান্স অভিযান


হিশাম অভ্যন্তরীণ শান্তি স্থাপনের পর মুসলমানদের জন্য স্থায়ী অশান্তির কারণ দেশের উত্তরে বসবাসকারী খ্রীস্টান নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে প্রবৃত্ত হন । ফ্রাঙ্করা সব সময় আক্রমণকে উৎসাহিত করিত । ১৭৬ হিঃ/৭৯২ খ্রীস্টাব্দে হিশাম ফ্রাঙ্কের দক্ষিণ প্রদেশসমূহে অভিযান চালাইবার জন্য আবু ওসমানের নেতৃত্বে সেনাদল প্রেরণ করেন । এই প্রদেশ সমূহের গভর্নর ছিল মুসলমানদের জাতশত্রু । দুই দলে বিভক্ত হইয়া সেনাদল অগ্রসর হয় । একদলের নেতৃত্ব প্রদান করেন আবদুল মালিক বিন আবদুল ওয়াহিদ । তিনি ৭৯২ খ্রীস্টাব্দে ছেরডাগ্নে দখল করেন । এবং নারবোনের সন্নিকটে ফ্রাঙ্কদের পরাজিত করেন । সেপ্টিমানিয়ায় বসবাসকারী মুসলমানদের রাজধানী নারবোনের পতনের ৩২ বৎসর পর মুসলমানরা পুনরায় ইহা দখল করেন । পর্বত শ্রেণীময় নয়নাভিরাম বিখ্যাত রাজধানী জিরোনাও মুসলমানরা অধিকার করিয়া নেন । মুসলমানদের প্রতিহত করিবার মত শক্তিশালী সেনাবাহিনী ছিল না খ্রীস্টানদের । এক দিকে জার্মানীতে যুদ্ধে লিপ্ত ছিল চার্লেমাগ্নে অপরদিকে তাহার পুত্র লুইস আকিটেনের রাজা ইটালীতে ছিলেন যুদ্ধে ব্যস্ত । তুলসের ডিউক উইলিয়ামের নেতৃত্বাধীনে কৃষকরা মুসলমানদের অগ্রাভিযানে বাধা প্রদান করে । অরবিনা নদীর তীরে ভিলেডায়িগ্নে নামক জায়গায় যুদ্ধ হয় । এই যুদ্ধে তুলুসের ডিউক পরাজিত হন এবং সেপ্টিমানিয়াসহ বহু শহর মুসলমানদের অধিকারে আসে । আবদুল করিম বিন আবদুল ওয়াহিদের নেতৃত্বে চল্লিশ হাজার সৈন্যের অপর দল আস্তুরিয়া ও গ্যালেসিয়া আক্রমণ করে । আস্তুরিয়ার রাজা প্রথম বারমুডো ও তাহার ভাইপো দ্বিতীয় আলফন্সো মুসলমানদের বিরুদ্ধে আস্তুরিয়া ও গ্যালেসিয়ার সেনা বাহিনী পরিচালনা করেন । একাধিক যুদ্ধ হয় এবং যুদ্ধে বহুসংখ্যক খ্রীস্টান মৃত্যুবরণ করে । প্রথম বারমুডো ইউসুফ বিন বখতের নিকট এবং আলফন্সো আবদুল করিমের নিকট পরাজিত হয় । মুসলমানদের যুদ্ধ জয়ের সংবাদ যখন কর্ডোভায় পৌঁছে তখন রাজধানীর জনগণ আনন্দে উল্লসিত হইয়া উঠে । মুসলমানদের ফিরিবার পথে খ্রীস্টানরা তাহাদের আক্রমণ করে । এই আক্রমণে মুসলমানদের পরাজয় হয় এবং কতিপয় মুসলিম সেনাপতি নিহত হন । মুসলমানদিগকে পশ্চাদপসারণ করিতে হয় । ফলে দেশের উত্তরাংশে একটি খ্রীস্টান রাষ্ট্র জন্মলাভ করে । এই রাষ্ট্রটি স্পেনে মুসলিম শাসন আমলে বরাবর অশান্তি ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করিয়াছে । উত্তরাংশে প্রতিষ্ঠিত এই রাষ্ট্রটির বিস্তারিত আলোচনা পরে করা হইবে ।

📘 মুসলিম স্পেনের রাজনৈতিক ইতিহাস 📄 স্পেনে মালিকী মতবাদের প্রচলন

📄 স্পেনে মালিকী মতবাদের প্রচলন


হিশাম ছিলেন ধর্মভীরু । তাহার পিতার ন্যায় তিনিও ফুকাহাদের (ধর্মগুরু) দ্বারা প্রভাবান্বিত হইয়াছিলেন । বাল্যকাল হইতে হিশামের মধ্যে এক প্রকার মানবিক দুর্বলতা পরিলক্ষিত হয় । তাহার সম্বন্ধে ভবিষ্যদ্বাণী ছিল যে, তাহার শাসনকালের স্থায়ীত্ব হবে আট বৎসর । এই ভবিষ্যদ্বাণী সত্য প্রমাণিত হয় । আমীর এই ভবিষ্যদ্বাণীর দ্বারা বিরাট ভাবে প্রভাবিত হইয়াছিলেন । সাম্রাজ্যকে সম্প্রসারিত ও সুসংহত করিবার পরিবর্তে তিনি তাহার কর্মপ্রেরণা ও কর্মক্ষমতাকে মৃত্যু পরবর্তী জীবনের নিরাপত্তায় নিয়োগ করেন । ইহকালের পরিবর্তে পরকালের মঙ্গলে তিনি গুরুত্ব প্রদান করেন । উমাইয়া শাসকদের মধ্যে তাহাকে দ্বিতীয় ওমর ইবনে আবদুল আজিজের সঙ্গে তুলনা করা যায় । তিনি ছিলেন চার মুজাহাবের প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম ইমাম মালিক ইবনে আনাসের ভক্ত ও শিষ্য । ইমাম মালিকের জন্ম হয় ৭১৫ খ্রীষ্টাব্দে মদীনায় । আলীর শিক্ষার দাবীদার মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহর প্রতি সমর্থনের দরুন আব্বাসীয় খলিফা জাফর আল মনসুর তাহাকে ঘৃণা ও অবজ্ঞা করিতেন । হিশাম তাহাকে স্পেনে আগমন ও বসতি স্থাপনের অনুরোধ জ্ঞাপন করেন । আব্বাসী অত্যাচার সত্ত্বেও ইমাম এই প্রস্তাবে রাজী হইলেন না । মদীনাতে ইমাম মালিকের সহচর্যে যাইয়া ধর্মতত্ত্বে গভীর জ্ঞান লাভ করার পর ইমামের মতবাদকে স্পেনে প্রচার করিবার জন্য হিশাম ছাত্রদিগকে উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত করিতেন । স্পেনে ইমামের শিষ্যদের মধ্যে ইয়াহিয়া বিন ইয়াহিয়া ও ইসা বিন দিনারের নাম উল্লেখযোগ্য । বিশেষ করিয়া ইমাম মালিক নিজে ইয়াহিয়া বিন ইয়াহিয়াকে "স্পেনের জ্ঞানী লোক" বলিয়া অভিহিত করেন । ইমাম তাঁহার স্পেনের শিষ্যদের মাধ্যমে হিশামের ধর্মানুরাগ ও সৎ চরিত্রের খবর অবগত হইয়া ঘোষণা করেন যে একমাত্র হিশামই সিংহাসনের উপযুক্ত । হিশাম তাহার সাম্রাজ্যে মালিকী মতবাদ প্রচারে আত্মনিয়োগ করেন । রাষ্ট্রীয় কার্যে মালিকী মতবাদ অনুসরণ করা হইত । ইহার পূর্বে এখানে আল আওজায়ী সুন্নী মুজাহাবের মতবাদ প্রচলিত ছিল । ইমাম মালিক বিন আনাস কর্তৃক প্রচারিত মতবাদ আওজায়ী প্রচারিত মতবাদ হইতে কিছুটা উন্নত ও ভিন্নতর ছিল । হিশাম বিচারক ও গুরুত্বপূর্ণ সরকারী পদে অগ্রাধিকার প্রদান করিতেন ইমাম মালিকের শিষ্যদের । আবু আবদুল্লাহ জাইয়াদ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে জাইয়াদ আল-লাখমী, শাবাতুন নামে অধিক পরিচিত (মৃঃ ২০৪ হিঃ/৮১৯ খ্রীঃ) এবং বার্বার ফিকাহবিদ ইয়াহিয়া বিন ইয়াহিয়া আল লাইসী মদীনা হইতে প্রত্যাবর্তন করিয়া ইমাম মালিকের মতবাদকে তাহাদের লেখনী ও বক্তৃতার মাধ্যমে প্রচার করেন । মুসলিম আইনের গুরুত্বপূর্ণ ও নির্ভরযোগ্য সর্বপ্রথম গ্রন্থ 'কিতাব আল মুয়াত্তা' প্রণয়ন করেন ইমাম মালিক । এই গ্রন্থের অনুলিপি স্পেনে প্রচারিত হয় ব্যাপকভাবে । মালিকী মতবাদে বিশ্বাসী ধর্ম বেত্তাগণ শুধু উচ্চ রাজপদেই আসীন ছিলেন না, তাহারা আমীরের সামান্যতম ইসলামী আদর্শ বিরোধী ব্যবহারের দরুন ভৎসনা করিতেন । ফলে আমীরকে ক্ষমা প্রার্থনা করিতে হইত । হিশাম ফিকাহ শাস্ত্রবিদদের প্রতি অগাথ বিশ্বাস স্থাপন করিতেন । তাহাদের আচরণ হইতে ইহা পরিষ্কারভাবে অনুধাবন করা যায় যে তাহাদের উদ্দেশ্য ছিল ধর্মের ছদ্মবেশে রাজনীতি করা । আমীর যদিও খ্রীস্টানদের প্রতি অসহিষ্ণু ছিলেন না কিন্তু প্রথম হিশামের উপর ধর্মবেত্তাদের প্রভাবের দরুন খ্রীস্টানদিগকে তিনি দূরে রাখিতেন । স্বাভাবিক সহনশীলতা প্রদর্শন করলে হয়তো খ্রীস্টানরা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করত—যেমন হইয়াছিল পূর্ববর্তী শাসকদের আমলে ।

📘 মুসলিম স্পেনের রাজনৈতিক ইতিহাস 📄 চরিত্র ও কৃতিত্ব

📄 চরিত্র ও কৃতিত্ব


প্রথম আবদুর রহমান স্পেনে উমাইয়া সাম্রাজ্যের ভিত্তি স্থাপন করেন । কিন্তু ইহাকে সুপ্রতিষ্ঠিত করিবার দায়িত্ব অর্পিত হয় তাহার উত্তরাধিকারদের ওপর । হিশামের শাসনকাল যদিও বিরাট কোন সামরিক অভিযান অথবা গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক উন্নতি সাধনের জন্য উল্লেখযোগ্য ছিল না, তথাপিও তিনি এই নতুন প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্রকে বিপদের হাত হইতে রক্ষা করিতে সমর্থ হন । তিনি প্রথম বারমুডো ও দ্বিতীয় আলফন্সোর নেতৃত্বে আস্তুরিয়াদের প্রচণ্ড আক্রমণকে প্রতিরোধ ও প্রতিহত করেন । তিনি দক্ষিণ ফ্রান্সে অভিযান প্রেরণ করেন এবং তাঁহাকে গতিচ্যুত করার জন্য সচেষ্ট বিদ্রোহী নেতাদের প্রচেষ্টাকে তিনি বার বার ব্যর্থ করিয়া দেন । বিদ্রোহীরা সংখ্যায় ছিল অধিক । ফলে তাহাকে এই সমস্ত বিদ্রোহীদের দমন করিবার কাজে অধিকাংশ সময় ব্যস্ত থাকিতে হয় । তিনি তাহার তিন পুত্র উমায়াদ আল মালিক, মুয়াবিয়া এবং হাকামের সহযোগিতায় এই সমস্ত বিদ্রোহীদের দমন করিতে সমর্থ হন । আবদুল মালিক এবং আবদুল করিম নামে আবদুল ওয়াহিদ মুগিছের দুই প্রৌ-পুত্র এই বিদ্রোহ দমনে তাহাকে সাহায্য করেন । তিনি তাহার শাসনের শেষ দিকে যে শান্তিপূর্ণ স্বল্প সময় পান তাহা রাষ্ট্রের প্রশাসন যন্ত্র এবং সামাজিক জীবনের উন্নয়ন ও কল্যাণ সাধনে নিয়োজিত করেন । তিনি তাহার পিতার উজির ও প্রশাসনিক কর্মচারীদের নিজ নিজ পদে বহাল রাখেন কিন্তু দেশের প্রশাসনিক কাঠামোতে অপ্রয়োজনীয় আইন পরিবর্তন করেন । মাক্কারী বলেন, "দুর্নীতি পরায়ণ ও অসৎ কর্মচারীদের তিনি বরখাস্ত করেন এবং কখনও তাহাদিগকে পুনর্নিয়োগ করেন নাই ।" ৪ তিনি বেআইনী কর আদায় নিষিদ্ধ করেন এবং যাকাত ও ছাদকা আদায়ের আদেশ দেন । সুশিক্ষিত ব্যক্তিদের তিনি বিচারক নিযুক্ত করেন । কর্ডোভার প্রধান বিচারপতি মুসাব বিন ইমরান তাহার বিচার বুদ্ধি ও বিচক্ষণতা এবং হিশামের সেক্রেটারী মুহাম্মদ বিন বশির আল মাদিরী তাহার ধর্মপরায়ণতা, অভিজ্ঞতা ও রাষ্ট্র পরিচালনায় গভীর জ্ঞানের জন্য সুপরিচিত ছিলেন । হিশামের অনুসৃত নীতির ফলে দেশের ব্যবসা বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে উন্নতি সাধিত হয় । আমীর রাজপথ নির্মাণ এবং গোয়াদালকুইভির নদীর উপর ব্রীজ নির্মাণ করেন । তিনি একটি সুন্দর ঝর্ণা প্রস্তুত করেন যাহা রাজধানীর শ্রীবৃদ্ধি করে । হিশাম নতুন নতুন প্রাসাদ নির্মাণ ও পুরাতন সরকারী অট্টালিকাসমূহের মেরামতে বিশেষভাবে দৃষ্টি নিবদ্ধ করেন । কর্ডোভার জামে মসজিদ নির্মাণের কার্য সমাপ্ত করেন—যাহা তাহার পিতা নির্মাণ করিতে আরম্ভ করিয়াছিলেন । ইহা দৈর্ঘ্যে ছিল ৬০০ ফুট এবং প্রস্থে ছিল ২৫০ ফুট । ইহা তৈয়ার করিতে ব্যয় হইয়াছিল এক লক্ষ ৬০ হাজার দিনার । এই মসজিদ তৈয়ারীর এগার শত বৎসর পরেও ইহার সৌন্দর্য ও আকর্ষণ এতটুকুও ক্ষুণ্ণ হয় নাই । ইহা ব্যতীত তিনি আরও অনেক মসজিদ নির্মাণ করেন । ৫ দামেস্কের ওমর বিন আবদুল আজিজের ন্যায় তিনিও তাহার সাম্রাজ্যের বিভিন্ন অংশে গুপ্তচর প্রেরণ করিয়া তাহার প্রজাদের অবস্থা এবং সরকারী কর্মচারী ও গভর্নরদের যোগ্যতা সম্বন্ধে নির্ভরযোগ্য খবর সংগ্রহ করিতেন এবং নিশ্চিত হইতেন । জনসাধারণের অবস্থা অবগত হইবার জন্য তিনি নিজে রাত্রিতে ছদ্ম বেশে কর্ডোভার রাজপথে ভ্রমণে বাহির হইতেন । আমীরের অমায়িক ব্যবহারে মুগ্ধ হইয়া মুসায়াব প্রধান বিচারকের পদ গ্রহণ করিতে সম্মত হন । তিনি ছিলেন আরবী কবিতার ভক্ত এবং নিজে ছিলেন একজন কবি । তাহার দরবারের বিখ্যাত কবি ছিলেন আমর ইবনে আলী গাফফার । পণ্ডিত ব্যক্তিদের মধ্যে যাহাদের তিনি পৃষ্ঠপোষকতা করিতেন তাহারা হইলেন ইসা বিন দিনার, আবদুল মালিক বিন হাবিব, ইয়াহিয়া বিন ইয়াহিয়া, সাইদ বিন হাসান এবং ইবনে আবু হিন্দ । ৬ হিশাম তাহার পিতার ন্যায় নিজেকে আমীর বলিয়া দাবী করিতেন । যতদূর জানা যায় তিনি মুদ্রা ব্যবস্থার কোন পরিবর্তন সাধন করেন নাই । তিনি ছিলেন নিয়মানুবর্তী ও সুন্দর স্বভাবের অধিকারী । হিশাম ছিলেন একজন ধার্মিক বাদশাহ । রাজপরিবারের সাদা পোষাক তিনি পরিধান করিতেন । আইনবিদদের নিকট তিনি ছিলেন খুবই জনপ্রিয় । তিনি ছিলেন ন্যায়বান ও দয়ালু । দরিদ্রদের জন্য তাহার দ্বার ছিল অবারিত । ৭ তাহার চরিত্র ও ব্যবহারকে ওমর বিন আবদুল আজিজের সহিত যথার্থই তুলনা করা যায় । জাইয়াদ বিন আবদুর রহমান লাখমীর নিকট তাহার ধর্মানুরাগের কথা শুনিয়া ইমাম মালিক বিন আনাস ৮ এতই মুগ্ধ হন যে তিনি হিশামের সহিত হজ্জব্রত পালনের জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন । ৯

টিকাঃ
৪। নাফলুল-তিব, ১ম খণ্ড, পৃঃ ১৫৮; মাজমুয়া আখবার, আন্দালুস, পৃঃ ১২১।
৫। ঐ, পৃঃ ১৫৮; রিয়াসত আলী, ১ম খণ্ড, পৃঃ ৩৫৩।
৬। রিয়াসত আলী, দ্যা তারিখ-ই-আন্দালুস, ১ম খণ্ড, পৃঃ ৩৫৩।
৭। মাজমুয়া, পৃঃ ১২০-১২১।
৮। ইবনুল আছির, ৪র্থ খণ্ড, পৃঃ ১০২; নাফলুল-তিব, পৃঃ ১৫৮।
৯। আল-আন্দালুস, পৃঃ ৪৩; নাফলুল তিব, ১ম খণ্ড, পৃঃ ১৫৪।

ফন্ট সাইজ
15px
17px