📘 মুসলিম স্পেনের রাজনৈতিক ইতিহাস 📄 আফ্রিকায় মুসা

📄 আফ্রিকায় মুসা


২,০০০ সৈনিকের সেনাপতি কুতাইবা মধ্য এশিয়া এবং চীনা তুর্কীস্তান দখল করেন । মুহাম্মদ বিন কাসিম পশ্চিম ভারতের সিন্ধু এবং মুলতান অধিকার করেন । ইয়ামানের অধিবাসী মুসা বিন নুসাইর মিশরের শাসন কর্তা আবদুল আজিজ কর্তৃক আফ্রিকার গভর্নর নিযুক্ত হন । মুসা আফ্রিকার পশ্চিম সীমান্ত আইবেরিয়ান উপদ্বীপ জয় করেন । মুসার অধীনে ইফ্রিকিয়া মিশরের নাগপাশ হইতে স্বাধীনতা লাভ করে । বিজিত অঞ্চলে তাঁহার শাসনকে সুসংহত করিয়া দুই পুত্রের সহযোগিতায় মুসা দ্রুত গতিতে পশ্চিম দিকে অগ্রসর হন এবং তাঁহার দাসত্ব হইতে মুক্তিপ্রাপ্ত ক্রীতদাস তারিক বিন জিয়াদকে তাঞ্জিয়াতে প্রতিনিধি হিসাবে প্রেরণ করেন ।

৭১১ খ্রীস্টাব্দে মেজোরকা ও সার্দিনিয়াতে মুসা কর্তৃক নৌবাহিনী প্রেরিত হয় । সেই সময় গথিক স্পেনের অন্তর্গত জিব্রাল্টার প্রণালীর দক্ষিণে আফ্রিকার উপকূলে অবস্থিত সিউটার (সেপ্টেম) শাসনকর্তা ছিলেন কাউন্ট জুলিয়ান ।

📘 মুসলিম স্পেনের রাজনৈতিক ইতিহাস 📄 তারিকের স্পেনে পদার্পণ

📄 তারিকের স্পেনে পদার্পণ


সিউটার গভর্নর জুলিয়ান এবং উত্তর আফ্রিকার স্পেনীয় উদ্বাস্তুদের অনুরোধে মুসা বিন নুসাইর স্পেন অভিযানে নেতৃত্ব দানের জন্য দামেস্কের খলিফা ওয়ালিদের অনুমতি প্রার্থনা করেন । খলিফা লুণ্ঠনের উদ্দেশ্যে শুধু আকস্মিক আক্রমণের আবেদন মঞ্জুর করেন । মুসার প্রতি বিশ্বস্ততার প্রমাণ স্বরূপ জুলিয়ানের অনুগত কিছু ব্যক্তি ৭০৯ খ্রীস্টাব্দের অক্টোবর মাসে জিব্রাল্টার প্রণালী অতিক্রম করিয়া স্পেন আক্রমণ করে । মুসা তাঁহার ক্রীতদাস তারিককে ১ ৭১০ খ্রীস্টাব্দের জুলাই মাসে চার শত পদাতিক ও একশত অশ্বারোহী বার্বার সৈনিক সহ স্পেনের দক্ষিণ উপকূল জরিপ এবং প্রাথমিক পর্যবেক্ষণের জন্য প্রেরণ করেন । ২

তাহারা চারিটি জাহাজ যোগে স্পেন পৌঁছেন । তারিক বিন জিয়াদ কার্য সমাধা হইলে প্রত্যাবর্তন করেন এবং অভিযান পরিচালনার অনুকূলে রিপোর্ট পেশ করেন । মুসা বিরানব্বই হিজরীর ৮ই রজব (৩০শে এপ্রিল ৭১১ খ্রীঃ) ৩০০ আরব ও ৭০০০ বার্বার সৈন্যের একটি দল তাঞ্জিয়ারের শাসনকর্তা তারিক বিন জিয়াদের নেতৃত্বে স্পেনে প্রেরণ করেন । পরবর্তীকালে সৈন্য সংখ্যা ১০,৩০০ অথবা ১২,০০০ হাজারে উন্নীত হয় । কাউন্টজুলিয়ান কর্তৃক প্রেরিত চারটি জাহাজে তারিক জিব্রাল্টার প্রণালী অতিক্রম করিয়া স্পেনের পার্বত্য অঞ্চলে অবতরণ করেন । এই স্থান আজও জাবালুত তারিক (তারিকের পর্বত) নামে তাঁহার স্মৃতি বহন করিতেছে । পরবর্তী কালে তিনি সেখানে রাবাত নামে একটি মসজিদ নির্মাণ করেন । আলজাসিরা শহরকে ঘাঁটি হিসাবে সুরক্ষিত করিয়া তারিক জিব্রাল্টার হইতে উপকূল পথে পশ্চিম দিকে অগ্রসর হন এবং কারতেয়া ও লাগুন দে জান্দা অধিকার করেন । দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের গভর্নর থিওডোমির এই সংবাদ পাইয়া বিচলিত হইয়া রাজা রডারিককে মুসলিম বাহিনীর আগমন সম্পর্কে অবহিত করেন ।

টিকাঃ
১. রিয়াসত আলী, দ্যা তারিখ-ই-আন্দালুস, ১ম খণ্ড, আজম গড় (ইন্ডিয়া) ১৯৫০, পৃঃ ৬৮-৬৯; লেভি প্রভেঙ্কাল, এনসাইক্লোপিডিয়া অব ইসলাম, ৪র্থ খণ্ড, পৃঃ ৬৯৯।
২. রিয়াসত আলী, দ্যা তারিখ-ই-আন্দালুস, ১ম খণ্ড, পৃঃ ৬৩-৬৫।

📘 মুসলিম স্পেনের রাজনৈতিক ইতিহাস 📄 ওয়াদিলাক্কোর যুদ্ধ ও ভিজিগথদের পরাজয়

📄 ওয়াদিলাক্কোর যুদ্ধ ও ভিজিগথদের পরাজয়


মুসলমানদের স্পেনে আগমনের সময় রডারিক দেশের দক্ষিণাঞ্চলে বিদ্রোহ দমনে ব্যস্ত ছিলেন । তারিকের অভিযানের খবর পাইয়া রডারিক দ্রুত রাজধানী টলেডোতে প্রত্যাবর্তন করেন । রাজধানীতে পৌঁছিয়া তিনি সামন্ত রাজদেরকে তাহাদের নিজ নিজ সৈন্যদল লইয়া কর্ডোভাতে তাঁহার সহিত মিলিত হইতে আদেশ করেন । তাঁহার নিজেরও বিরাট সেনাবাহিনী ছিল । সামন্ত রাজদের সেনাসহ তাঁহার অধীনে সম্মিলিত সেনা বাহিনীর সংখ্যা ছিল এক লক্ষ । ৩ অপরদিকে তারিকের সৈন্য ছিল মাত্র বার হাজার । ৪ উভয় পক্ষের এই অসম সেনাবাহিনী ২৭শে রমজান ৯২ হিজরী (১৯শে জুলাই ৭১১খ্রীঃ) আরকোশ দে-লা ফ্রন্টেরার সন্নিকটে শারিশাতে (স্পেঃ জেরেজ) ওয়াদী লাক্কোর (রিওবারবেট বা গোয়াদালেট) উপত্যকায় লাগুন দে-জান্দা নদীর উপকূলে মেদিনা সিদনিয়ার শহর ও হ্রদের মধ্যবর্তী স্থলে তাহাদের শক্তি পরীক্ষায় অবতীর্ণ হয় । ৫ উইতিজার পুত্র আচিলা ও ভ্রাতা বিশপের আক্রোশ ও অনিচ্ছা সত্ত্বেও রডারিকের অনুরোধে স্পেনের সম্মিলিত বাহিনী পরিচালনা করিতে বাধ্য হন ।

তাহারা আন্তরিকভাবে স্পেনে মুসলিম শাসনকে অভিনন্দন না জানাইলেও রাজা রডারিকের পতন কামনা করিতেন মনেপ্রাণে । তাহাদের ঘৃণা ও বিদ্বেষই অন্যায়ভাবে ক্ষমতা দখলকারী রডারিকের পরাজয়ের মূল কারণ । ৬ তাহাদের দৃঢ় বিশ্বাস ছিল মুসলিম বাহিনী গানিমতের মাল লইয়া ফিরিয়া যাইবে এবং রডারিক যুদ্ধক্ষেত্রে নিহত অথবা পরাজিত হইবে । এই সুযোগে তাহাদের পক্ষে ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তন করা নিরাপদ হইবে । পূর্বপরিকল্পনা মোতাবেক প্রথম আক্রমণেই তাহারা যুদ্ধক্ষেত্র হইতে পলায়ন করে । রডারিকের পরিচালনাধীনে ছিল উন্নতমানের অস্ত্রশস্ত্রে সুসজ্জিত সুশিক্ষিত ও সুশৃঙ্খল সেনাবাহিনী । এই সেনাদলের অন্তর্ভুক্ত ছিল সার্ফগণ (ভূমিদাস) । ৭ তাহারা শত্রুদের আক্রমণের সাথে সাথে যুদ্ধক্ষেত্র হইতে পশ্চাদপসারণের জন্য পূর্ব হইতেই প্রস্তুত হইয়াছিল । মুসলিম বাহিনীর প্রথম আক্রমণ প্রতিহত করিতে সক্ষম হইলেও শেষ পর্যন্ত তারিকের প্রচণ্ড আঘাতের সম্মুখে গথিকবাহিনী পরাজয় বরণ করিতে বাধ্য হয় । ৮ রাজা রডারিক যুদ্ধক্ষেত্র হইতে পলায়ন কালে নদী পার হইবার সময় দুর্ঘটনায় পতিত হন এবং শোচনীয়ভাবে মৃত্যু বরণ করিয়া ইতিহাসের পাতা হইতে চিরবিদায় গ্রহণ করেন ।

সমস্ত সৈন্যকে একই সংগে যুদ্ধক্ষেত্রে সমাবেশ করিয়া রডারিক মারাত্মক ভুল করেন । তিনি মুসলিম সেনা বাহিনীর সম্ভাব্য অগ্রাভিযানকে প্রতিহত করিবার উদ্দেশ্যে সংরক্ষিত সেনাসহ সমস্ত সেনাবাহিনীকে প্রেরণ করেন । যুদ্ধে এমন বিরাট সাফল্যের কথা তারিক কখনও চিন্তা করিতে পারেন নাই । তিনি মুসাকে স্পেন অভিযানের ফলাফল বিস্তারিতভাবে অবহিত করেন । উত্তরে মুসা তাঁহার অগ্রাভিযান স্থগিত রাখিতে বলেন । কিন্তু বিচক্ষণ সমরবিদ তারিক ভিজিগথদের পুনরায় সংঘবদ্ধ হইবার সুযোগ না দিয়া অনতিবিলম্বে আক্রমণ করিবার প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা গ্রহণ করেন । তিনি গানিমতের মাল লইয়া আফ্রিকায় না ফিরিয়া রডারিকের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে অবাক করিয়া শহরের পর শহর দখল করিয়া চলিলেন ।

টিকাঃ
৩. দ্রষ্টব্য: লেভি প্রভেঙ্কাল, এনসাইক্লোপিডিয়া অব ইসলাম, ৪র্থ খণ্ড, পৃঃ ৬৯৯-৭০০; রিয়াসত আলী, ১ম খণ্ড, পৃঃ ৭১ ও টীকা-১।
৪. ইবনুল আছির, ৪র্থ খণ্ড, পৃঃ ৪৪৪।
৫. ইবনুল খাতিব, খেলাফত-ই-মুয়াহিদীন (উর্দু তর্জমা) পৃঃ ৮।
৬. মুয়াফির গোত্রের আব্দুল মালেক নামে জনৈক আরব তারিকের নেতৃত্বে কার্তিয়া অধিকার করেন। হাসিব আল-মনসুর অষ্টম অধঃস্তন বংশধর।
৭. রিয়াসত আলী, দ্যা তারিখ-ই-আন্দালুস, ১ম খণ্ড, পৃঃ ৭৭; ই. জি. গমেজ, হিস্ট্রোরিয়া ডি ইস্পানা, তমো, ৪র্থ খণ্ড, পৃঃ ১৩।
৮. ডজি, স্পেনিশ ইসলাম, পৃঃ ২৩২; আমীর আলী, হিস্ট্রি অব দ্যা স্যারাসিন্স, পৃঃ ১০৯; রিয়াসত আলী, ১ম খণ্ড, পৃঃ ৭৯-৮২।

📘 মুসলিম স্পেনের রাজনৈতিক ইতিহাস 📄 অবশিষ্ট এলাকাসমূহ বিজয়

📄 অবশিষ্ট এলাকাসমূহ বিজয়


এই পরাজয় খ্রীস্টানদের মধ্যে বিরাট প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে । তাহারা পুনরায় স্থানীয়ভাবে অথবা আঞ্চলিকভিত্তিতে যুদ্ধ ব্যতীত বিশাল যুদ্ধক্ষেত্রে মুসলমানদের মোকাবিলা করিতে সাহস পায় নাই । দেশের বিপর্যস্ত সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থা এবং রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা ও অস্থিরতার দরুন সমগ্র স্পেন অনায়াসে মুসলমানদের করতলগত হয় । ৯ রডারিকের পরাজয়ের পর খ্রীস্টানগণ জান-মালে প্রভূত ক্ষতিগ্রস্ত হইয়া দেশ হইতে পলায়ন করে । ভূমিদাস (সার্ফ) ও ইহুদীগণ মুসলমানদের বিরোধীতা না করিয়া সাদরে গ্রহণ করে । কিন্তু অভিজাত শ্রেণী ও স্বাধীন সামন্ত সর্দারগণ বিভিন্ন অঞ্চলে মুসলমানদের বাধা প্রদান করে । একটি ক্ষুদ্র দলের আক্রমণে এলভিরা ও আর্কিডোনার পতন ঘটে । ১০ তারিকের প্রধান বাহিনী অতি দ্রুত গতিতে এচিজার মধ্য দিয়া গথ রাজধানী টলেডো অভিমুখে অগ্রসর হয় । পলায়নপর গথগণ তাহাদের আশ্রয়স্থল হইতে মুসলিম বাহিনীকে এচিজাতে বাধা প্রদান করিতে পারিত কিন্তু সম্মানজনক শর্তে তাহারা আত্মসমর্পণ করে ।

মুগিম নামক জনৈক সেনানায়কের অধীনে সাতশত অশ্বারোহীর একটি ক্ষুদ্রদল কর্ডোভা নগরী অবরোধ করে । দুই মাস অবরোধের পর এক রাখাল বালকের সাহায্যে মুসলিম বাহিনী কর্ডোভা শহরে প্রবেশ করিতে সফলকাম হয় । নগর প্রাচীরের একটি সুরঙ্গ পথের সন্ধান দিয়াছিল মুসলিম বাহিনীকে এই রাখাল বালক । এই পথেই মুসলিম বাহিনী নগরের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে । শহর প্রশাসকের নেতৃত্বে গীর্জায় আশ্রয় গ্রহণকারী খ্রীস্টান ব্যতীত অবশিষ্ট নাগরিকগণ মুসলিম বাহিনীর নিকট সানন্দে আত্মসমর্পণ করে । সেনাপতি মুগিথ গীর্জায় পানি সরবরাহ বন্ধ করিয়া দেন ।

তিনি গীর্জায় আশ্রয় গ্রহণকারী খ্রীস্টানদিগকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ অথবা জিজিয়া প্রদানে সম্মত হইতে বলেন । খ্রীস্টানগণ উভয় প্রস্তাব প্রত্যাখান করে । ৯৩ হিজরীর মহররম মাসে (অক্টোবর-নভেম্বর ৭১১ খ্রীঃ) গীর্জায় অগ্নি সংযোগের পর তাহারা আত্মসমর্পণ করিতে বাধ্য হয় । মালাগা, অরিহুয়েলা আলজেরিয়ার রাজধানী এবং এলভিরা বিজয়ের পর মুসলিম সেনাবাহিনী পূর্বস্পেনে (লভান্তে) গমন করে এবং রডারিকের পক্ষে থিওডোমির শাসনাধীন সম্পূর্ণ পূর্বস্পেন, ভ্যালেন্সিয়া ও আলমেরিয়ার মধ্যবর্তী এলাকা অতিদ্রুত মুসলিমের অধীনে আসে । মুরসিয়ার গিরিসঙ্কটে থিওডোমির অল্পসময়ের জন্য মুসলিম বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন । মুরসিয়ার পতনের পর থিওডোমিরের সেনাবাহিনী সম্পূর্ণরূপে বিধ্বস্ত হয় । অবশেষে তিনি পূর্বাঞ্চলের রাজধানী অরিহুয়েলাতে আশ্রয় গ্রহণ করেন । পরাজিত থিওডোমির শঠতার আশ্রয় গ্রহণ করিয়া নগরীর উপকণ্ঠে পুরুষ সৈন্যের বেশে অসহায় নারী ও শিশুদের সন্নিবেশ করেন । মুসলিম বাহিনী লক্ষ্য করেন যে, নগরটি অসংখ্য সৈন্য দ্বারা পরিবেষ্টিত । থিওডোমির ছদ্ম বেশে নিজেই দূত হিসাবে মুসলিম সেনাপতির নিকট প্রস্তাব পেশ করেন যে নগরবাসীর জানমাল ও ইজ্জতের নিরাপত্তার আশ্বাস দিলে তাহারা আত্মসমর্পণ করিতে পারে । মুসলিম সেনাপতি রক্তপাতের পরিবর্তে এই প্রস্তাব গ্রহণ করিয়া শান্তিচুক্তি সম্পাদন করেন । সেনাপতি নগর-অভ্যন্তরে প্রবেশ করিয়া থিওডোমির ও তাঁহার দুই চারিজন ভক্ত ব্যতীত আর কোন সৈন্য না দেখিতে পাইয়া বিস্ময়ে হতবাক হইয়া জিজ্ঞাসা করিলেন "আপনার সেনাবাহিনী কোথায়?” উত্তরে থিওডোমির সম্পূর্ণ ঘটনা বর্ণনা করেন । থিওডোমিরের কৌশলে বিমুগ্ধ হইয়া সেনাপতি তাঁহাকে মুরসিয়া প্রদেশের গভর্নর নিযুক্ত করেন । পরবর্তীকালে থিওডোমিরের নামানুসারে মুরসিয়া প্রদেশ তুদমির নামে পরিচিত হয় ।

টিকাঃ
৯. ই. জি. গমেজ, হিস্ট্রোরিয়া ডি ইস্পানা, ৪র্থ খণ্ড, পৃঃ ১৪ এবং মানচিত্র দ্রষ্টব্য।
১০. দ্রষ্টব্যঃ মাজমুয়া আখবার আন্দালুস, পৃঃ ৯।

ফন্ট সাইজ
15px
17px