📄 ১১৮. আল্লাহকে খোদা, সালাতকে নামায, সিয়ামকে রোযা বলা
১১৮. কুরআনে ব্যবহৃত আরবি পরিভাষা পরিবর্তন করে আমাদের দেশে আল্লাহকে খোদা, সালাতকে নামায, সিয়ামকে রোযা বলা হয়। এরকম আরো অনেক পরিভাষাকে পরিবর্তন করা হয়েছে। -এগুলো কি গ্রহণযোগ্য? পরিবর্তিত পরিভাষাগুলো ফারসি। আমাদের দেশে ইসলাম এসেছে ফারসিভাষী ইরানী ও আফগানদের মাধ্যমে। ফারসিভাষী মুসলিমরা এই উপমহাদেশ শাসন করেছে কয়েক শতাব্দী। ফলে তাদের ভাষা এবং পরিভাষা আমাদের দেশে ব্যাপক চালু হয়ে গেছে। ফারসি ভাষার বিশাল শব্দ সম্ভার বাংলা শব্দভান্ডারে মিশে গিয়ে বাংলা ভাষাকে সমৃদ্ধ করেছে।
মূলত আল্লাহকে খোদা, সালাতকে নামায, সিয়ামকে রোযা বানানো হয়েছে ইরানে, আফগানিস্তানে। এদেশে তাদের আগমন এবং দীর্ঘ শাসন, দীন প্রচার ও শিক্ষা প্রসারের ফলেই তাদের ভাষার শব্দ ভান্ডার আমাদের ভাষায় মিশে গেছে।
ইসলামি পরিভাষাগুলোর অনুবাদ করা একটা ভুল এবং মারাত্মক ভুল। কারণ, শব্দানুবাদে পরিভাষার সঠিক অর্থ ও তাৎপর্য প্রকাশ পায়না।
সুতরাং যেসব পরিভাষা কুরআনে এবং হাদিসে ব্যবহৃত হয়েছে, সেগুলোকে কুরআন এবং হাদিসের ভাষায় হুবহু সংরক্ষণ করা মুসলিম উম্মাহ্র কর্তব্য।
কুরআন হাদিসে ব্যবহৃত পরিভাষাগুলো হুবহু কুরআন হাদিসের ভাষায় (অর্থাৎ আরবি ভাষায়) সংরক্ষণ করা, ব্যবহার করা এবং চালু রাখা সারা বিশ্বের সকল ভাষার মুসলিম জনগণের অবশ্য কর্তব্য。
কারণ পরিভাষা হারিয়ে গেলে কিংবা পরিভাষার অনুবাদ চালু করা হলে ইসলামের মূল ভাব, স্পীরিট, কালচার এবং ঐতিহ্য বিনষ্ট হতে বাধ্য।
তাই, বিশ্বের সকল ভাষাভাষী মুসলিমদের উচিত অনুবাদ ব্যবহার না করে আল্লাহকে আল্লাহ, সালাতকে সালাত, সিয়ামকে সিয়াম, যাকাতকে যাকাত, হজ্জকে হজ্জ, আযানকে আযান, মসজিদকে মসজিদ, কা'বাকে কা'বা, কিবলাকে কিবলা, ইবাদতকে ইবাদত, দীনকে (ধর্ম নয়) দীন, ঈমানকে (বিশ্বাস নয়) ঈমান, ইসলামকে ইসলাম, তাকওয়াকে তাকওয়া, ইহসানকে ইহসান, কুরআনকে কুরআন, সুন্নাহকে সুন্নাহ্, হাদিসকে হাদিস বলা।
📄 ১১৯. মুসলিম সমাজে অশ্লীলতা ছড়ানো
১১৯. মুসলিম সমাজে অশ্লীলতা ছড়ানো এবং প্রসার করা ফাসেকি।
📄 ১২০. ময়লা পোশাক পরা
১২০. ময়লা এবং অসুন্দর পোশাক পরা সুন্নতের খেলাফ।
📄 ১২১. সুদী কারবার ও চাকুরি করা
১২১. সুদী কারবারে এবং সুদী চাকুরিতে জড়িত হওয়া বড় গুণাহ!