📄 ৭০. শরিয়ত তরিকত মারেফাত
৭০. শরিয়ত, তরিকত এবং মারেফাত নামে বিভিন্ন ইল্ম ও তরিকা থাকার দাবি করা হয়। আসলে এগুলো কী?
এক ধরণের অজ্ঞ পীর সুফি ব্যক্তিরা ইসলামকে শরিয়ত, তরিকত এবং মারেফাত নামে বিভিন্নভাগে ভাগ করে নিয়েছে। তারা শরিয়তকে যাহেরি (প্রকাশ্য) ইল্ম এবং তরিকত ও মারেফাতকে বাতেনি (গোপন) ইল্ম হিসেবে প্রচার করে। তরিকত ও মারেফাত নামে যে জিনিসের প্রচার করা হয়, তার সাথে ইসলামের কোনো সম্পর্ক নেই।
৭০. শরিয়ত, তরিকত এবং মারেফাত নামে বিভিন্ন ইল্ম ও তরিকা থাকার দাবি করা হয়। আসলে এগুলো কী?
এক ধরণের অজ্ঞ পীর সুফি ব্যক্তিরা ইসলামকে শরিয়ত, তরিকত এবং মারেফাত নামে বিভিন্নভাগে ভাগ করে নিয়েছে। তারা শরিয়তকে যাহেরি (প্রকাশ্য) ইল্ম এবং তরিকত ও মারেফাতকে বাতেনি (গোপন) ইল্ম হিসেবে প্রচার করে। তরিকত ও মারেফাত নামে যে জিনিসের প্রচার করা হয়, তার সাথে ইসলামের কোনো সম্পর্ক নেই।
📄 ৭১. হুলুল বাদে
৭১. ইল্মে তাসাউফ কি? এটা কি কোনো জরুরি ইলম?
তাসাউফ মানে সুফীদের শাস্ত্র। কয়েক শতাব্দী পূর্বে সুফী দরবেশরা দুনিয়াদারি ত্যাগ করে নির্জনতা অবলম্বন করার পদ্ধতি অবলম্বন করেন। এটাকে তারা আত্মশুদ্ধির পন্থা হিসেবেই গ্রহণ করেন। তাসাউফ শাস্ত্র এসেছে মূলত প্রাচীন গ্রীক দর্শন এবং ভারতীয় বেদান্ত দর্শন থেকে। নির্জন আধ্যাত্মিক সাধনা দর্শন হিসেবে এ শাস্ত্র গড়ে উঠে। প্রথম প্রথম ভালো নিয়তেই কিছু লোক এ পদ্ধতি অবলম্বন করেন। তবে এ পদ্ধতিটি সুস্পষ্ট বিদআত। পরবর্তীতে এর মধ্যে ঢুকে পড়েছে শিরক। মূলত রসূল সা. প্রদর্শিত পদ্ধতি ছাড়া ইসলামে আর কোনো পদ্ধতি নেই। আল্লাহ পাক বলেন:
لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِي رَسُولِ اللَّهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ
অর্থ: তোমাদের জন্যে আল্লাহর রসূলের মধ্যেই রয়েছে উত্তম আদর্শ। (সূরা ৩৩ আহযাব: আয়াত ২১)
৭১. ইল্মে তাসাউফ কি? এটা কি কোনো জরুরি ইলম? তাসাউফ মানে সুফীদের শাস্ত্র। কয়েক শতাব্দী পূর্বে সুফী দরবেশরা দুনিয়াদারি ত্যাগ করে নির্জনতা অবলম্বন করার পদ্ধতি অবলম্বন করেন। এটাকে তারা আত্মশুদ্ধির পন্থা হিসেবেই গ্রহণ করেন。
তাসাউফ শাস্ত্র এসেছে মূলত প্রাচীন গ্রীক দর্শন এবং ভারতীয় বেদান্ত দর্শন থেকে। নির্জন আধ্যাত্মিক সাধনা দর্শন হিসেবে এ শাস্ত্র গড়ে উঠে。
প্রথম প্রথম ভালো নিয়তেই কিছু লোক এ পদ্ধতি অবলম্বন করেন。
তবে এ পদ্ধতিটি সুস্পষ্ট বিদআত। পরবর্তীতে এর মধ্যে ঢুকে পড়েছে শিরক। মূলত রসূল সা. প্রদর্শিত পদ্ধতি ছাড়া ইসলামে আর কোনো পদ্ধতি নেই। আল্লাহ পাক বলেন:
لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِي رَسُولِ اللَّهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ
অর্থ: তোমাদের জন্যে আল্লাহর রসূলের মধ্যেই রয়েছে উত্তম আদর্শ। (সূরা ৩৩ আহযাব: আয়াত ২১)
📄 ৭২. ইসলামে রাজনীতি নেই বলে প্রচার করা
৭২. কিছু লোক প্রচার করে ইসলামে রাজনীতি নেই - একথা কি ঠিক?
রাজনীতি মানে- রাজারনীতি, অথবা শ্রেষ্ঠনীতি, কিংবা রাষ্ট্র পরিচালনার নীতি। গোটা কুরআন হাদিস রাজনৈতিক আলোচনা এবং দিক নির্দেশনায় ভরপুর। ইসলামে রাজনীতি আছে কথা শুধু এতোটুকুই নয়, বরং নবীগণই রাজনীতি চালু করেছেন। মুহাম্মদ রসূলুল্লাহ সা. ছিলেন রাজনীতির সর্বোত্তম মডেল। কুরআন রাজনীতির গাইডবুক। যারা বলে ইসলামে রাজনীতি নাই, তারা হয় ইসলাম সম্পর্কে একেবারেই অজ্ঞ জাহিল, নতুবা ধর্মহীন সম্প্রদায়, অথবা ধর্মের নামে প্রতারক। যারা প্রতারিত হচ্ছেন, তারা অন্তত একবার কুরআন পড়ে দেখুন এবং আল্লাহর রসূলের একটি বিশুদ্ধ জীবনী পড়ে দেখুন।
৭২. কিছু লোক প্রচার করে ইসলামে রাজনীতি নেই- একথা কি ঠিক? রাজনীতি মানে- রাজারনীতি, অথবা শ্রেষ্ঠনীতি, কিংবা রাষ্ট্র পরিচালনার নীতি। গোটা কুরআন হাদিস রাজনৈতিক আলোচনা এবং দিক নির্দেশনায় ভরপুর। ইসলামে রাজনীতি আছে কথা শুধু এতোটুকুই নয়, বরং নবীগণই রাজনীতি চালু করেছেন। মুহাম্মদ রসূলুল্লাহ সা. ছিলেন রাজনীতির সর্বোত্তম মডেল। কুরআন রাজনীতির গাইডবুক।
যারা বলে ইসলামে রাজনীতি নাই, তারা হয় ইসলাম সম্পর্কে একেবারেই অজ্ঞ জাহিল, নতুবা ধর্মহীন সম্প্রদায়, অথবা ধর্মের নামে প্রতারক।
যারা প্রতারিত হচ্ছেন, তারা অন্তত একবার কুরআন পড়ে দেখুন এবং আল্লাহর রসূলের একটি বিশুদ্ধ জীবনী পড়ে দেখুন।
📄 ৭৩. টাখনুর নিচে পোশাক পরা
৭৩. অনেকেই নামায পড়ার সময় প্যান্ট- পায়জামা নিচের থেকে গুটিয়ে নেয়। এটা খুবই অসুন্দর দেখায়। এমনটি করা কি ঠিক?
এটা খুবই বেমানান কাজ। এটা আল্লাহর সাথে একটা বেআদবিও বটে। রসূল সা. পোশাক টাখনুর নিচে ঝুলাতে নিষেধ করেছেন। যারা আল্লাহর রসূলের নিষেধ সত্ত্বেও টাখনুর নিচে প্যান্ট পায়জামা ঝুলায়, তারাই নামাযে তা গুটিয়ে উপরে উঠায়।
ব্যাপারটা যেনো এরকম: আল্লাহর রসূল একটা অন্যায় আদেশ দিয়েছেন তাই এ আদেশ মানা যায় না! সমাজের লোকেরা খারাপ মনে করে তাই প্যান্ট পায়জামা লম্বা করে বানানো এবং পরা হয়। বিষয়টা আল্লাহ টের পাননা! - কিন্তু মসজিদে গেলে আল্লাহ দেখতে পান, তাই গুটানো হয়! নাউযুবিল্লাহ! যাদের টাখনুর নিচে পোশাক পরার ব্যারাম আছে, তাদের ভাবটা ঐ রকমই। সকলের জানা থাকা প্রয়োজন, টাখনুর নিচে পোশাক পরার নিষেধাজ্ঞা শুধু মসজিদের জন্যে নয়, বরং সমাজে চলা ফেরার ক্ষেত্রেই অধিক প্রযোজ্য।
৭৩. অনেকেই নামায পড়ার সময় প্যান্ট- পায়জামা নিচের থেকে গুটিয়ে নেয়। এটা খুবই অসুন্দর দেখায়। এমনটি করা কি ঠিক?
এটা খুবই বেমানান কাজ। এটা আল্লাহর সাথে একটা বেআদবিও বটে。
রসূল সা. পোশাক টাখনুর নিচে ঝুলাতে নিষেধ করেছেন। যারা আল্লাহ্র রসূলের নিষেধ সত্ত্বেও টাখনুর নিচে প্যান্ট পায়জামা ঝুলায়, তারাই নামাযে তা গুটিয়ে উপরে উঠায়।
ব্যাপারটা যেনো এরকম: আল্লাহর রসূল একটা অন্যায় আদেশ দিয়েছেন তাই এ আদেশ মানা যায়না!
সমাজের লোকেরা খারাপ মনে করে তাই প্যান্ট পায়জামা লম্বা করে বানানো এবং পরা হয়। বিষয়টা আল্লাহ টের পাননা!
- কিন্তু মসজিদে গেলে আল্লাহ দেখতে পান, তাই গুটানো হয়!
নাউযুবিল্লাহ! যাদের টাকনুর নিচে পোশাক পরার ব্যারাম আছে, তাদের ভাবটা ঐ রকমই। সকলের জানা থাকা প্রয়োজন, টাখনুর নিচে পোশাক পরার নিষেধাজ্ঞা শুধু মসজিদের জন্যে নয়, বরং সমাজে চলা ফেরার ক্ষেত্রেই অধিক প্রযোজ্য।