📄 ৬৮. শিয়ারা কি মুসলমান
৬৮. শিয়ারা কি মুসলমান?
শিয়া হল ইহুদী আব্দুল্লাহ ইবনু সাবার আকিদার অনুসারী একটি বিদআতগ্রস্ত ভ্রান্ত দল। আব্দুল্লাহ ইবনু সাবা আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুকে আল্লাহ বলে উক্তি করত। তাদের অনেকের আকিদা হল আলী হলেন আল্লাহ আর তিনি মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে রাসূল করে পাঠিয়েছেন, আমরা তাদের এসব শিরক থেকে আল্লাহর ঊর্ধ মর্যাদা ও পবিত্রতা ঘোষণা করছি। এরাই আবু বকর, উমর, উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহুমকে গালি গালাজ করে। তাদের কেউবা আবু বকর, উমরকে কাফের-মুরতাদ বলে। কেননা তাদের কথায় এ দু'জনের কারণে আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু প্রথমে খলিফা হতে পারেননি। ইহুদী ইবনু সাবা এভাবেই মুসলিমদেরকে বিভ্রান্ত করার জন্য নবীর বংশধর বলে আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুকে উর্ধে তুলে আল্লাহর মর্যাদায় আসীন করল। এদের একদলকে আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁর খিলাফতকালে পুড়িয়ে হত্যা করেছিলেন। ইবনু সাবা অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছিল। অতঃপর সে রোমে চলে যায়।
আমরা আলী, হাসান, হোসাইন, ফাতিমা রাদিয়াল্লাহু আনহা ও আনহুম সহ নবীজীর সকল বংশধরকে ভালোবাসি। তাঁরা আমাদের প্রাণের টুকরা এতে কোনো সন্দেহ নেই। তাদেরকে যারা ভালোবাসবে একই কারণে তারা আবু বকর, উমর, উসমান সহ সকল সাহাবীকে সমানভাবে ভালোবাসবে, তাঁদের কারো প্রতিই বিদ্বেষ পোষণ করবে না। অতি ভালোবাসা কোনো ভালোবাসাই নয়। বরং এটা ভালোবাসার পাত্রকে নিন্দিত করার নামান্তর। বাংলাদেশে এক সময় কারবালা দিবসের হায় হোসাইন, হায় হোসাইন চিৎকার, তাজিয়া, ইয়া আলী হুংকার, সুফীবাদ, পীরবাদের ছড়াছড়ি, গাউস-কুতুব, খাজা বাবা, কবর পূজা, নবী, ওলী আউলিয়াদের প্রতি আল্লাহর মত করে ভক্তি শ্রদ্ধা এসব বিভ্রান্তি এসেছে অনেকটাই ফারসি ভাষা ও শিয়া সংস্কৃতির মাধ্যমে।
অতএব, মোট কথা শিয়ারা একটি বাতিল ফিরকা ও বিদআতগ্রস্ত বিভ্রান্ত দল। এরা আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামায়াহ এর অন্তর্ভুক্ত নয়।
৬৮. শিয়ারা কি মুসলমান?
শিয়া হল ইহুদী আব্দুল্লাহ ইবনু সাবার আকিদার অনুসারী একটি বিদয়াতগ্রস্ত ভ্রান্ত দল। আব্দুল্লাহ ইবনু সাবা আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুকে আল্লাহ বলে উক্তি করত। তাদের অনেকের আকিদা হল আলী হলেন আল্লাহ আর তিনি মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে রাসূল করে পাঠিয়েছেন, আমরা তাদের এসব শিরক থেকে আল্লাহর ঊর্ধ মর্যাদা ও পবিত্রতা ঘোষণা করছি। এরাই আবু বকর, উমর, উসমান রাদিউয়াল্লাহু আনহুমকে গালি গালাজ করে। তাদের কেউবা আবু বকর, উমরকে কাফের-মুরতাদ বলে। কেননা তাদের কথায় এ দু'জনের কারণে আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু প্রথমে খলিফা হতে পারেননি। ইহুদী ইবনু সাবা এভাবেই মুসলিমদেরকে বিভ্রান্ত করার জন্য নবীর বংশধর বলে আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুকে উর্ধে তুলে আল্লাহর মর্যাদায় আসীন করল। এদের একদলকে আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁর খিলাফতকালে পুড়িয়ে হত্যা করেছিলেন। ইবনু সাবা অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছিল। অতঃপর সে রোমে চলে যায়। আমরা আলী, হাসান, হোসাইন, ফাতিমা রাদিয়াল্লাহু আনহা ও আনহুম সহ নবীজীর সকল বংশধরকে ভালোবাসি।
তাঁরা আমাদের প্রাণের টুকরা এতে কোন সন্দেহ নেই। তাদেরকে যারা ভালোবাসবে একই কারণে তারা আবু বকর, উমর, উসমান সহ সকল সাহাবীকে সমানভাবে ভালোবাসবে, তাঁদের কারো প্রতিই বিদ্বেষ পোষণ করবে না। অতি ভালোবাসা কোন ভালোবাসাই নয়। বরং এটা ভালোবাসার পাত্রকে নিন্দিত করার নামান্তর। বাংলাদেশে এক সময় কারবালা দিবসের হায় হোসাইন, হায় হোসাইন চিৎকার, তাজিয়া, ইয়া আলী হুংকার, সুফীবাদ, পীরবাদের ছড়াছড়ি, গাউস-কুতুব, খাজা বাবা, কবর পূজা, নবী, ওলী আউলিয়াদের প্রতি আল্লাহর মত করে ভক্তি শ্রদ্ধা এসব বিভ্রান্তি এসেছে অনেকটাই ফারসি ভাষা ও শিয়া সংস্কৃতির মাধ্যমে।
অতএব, মোট কথা শিয়ারা একটি বাতিল ফিরকা ও বিদয়াতগ্রস্ত বিভ্রান্ত দল। এরা আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামায়াহ এর অন্তর্ভুক্ত নয়।
📄 ৬৯. জাহেরি ইলম বাতেনি ইলম
৬৯. যাহেরি ইল্ম ও বাতেনি ইলম - এই দুই প্রকার ইল্ম আছে বলে প্রচার করা হয়। প্রকৃত ব্যাপার কি?
কুরআন হাদিসে ইল্মের এধরণের কোনো ভাগ নেই। তাছাড়া বাতেনি (গোপন) ইল্ম বলে কোনো ইল্ম ইসলামে নেই। ইসলামের সকল ইল্মই প্রকাশ্য এবং সুস্পষ্ট। কুরআন হাদিসের বাইরে ইসলামের কোনো ইল্ম নেই। গোপন (বাতেনি) ইল্ম নামে কোনো ইল্ম থাকার দাবি করা হলে তা অবশ্যই শয়তানি ইল্ম এবং শয়তানের অসওয়াসা।
৬৯. যাহেরি ইল্ম ও বাতেনি ইলম -এই দুই প্রকার ইল্ম আছে বলে প্রচার করা হয়। প্রকৃত ব্যাপার কি?
কুরআন হাদিসে ইল্মের এধরণের কোনো ভাগ নেই। তাছাড়া বাতেনি (গোপন) ইল্ম বলে কোনো ইল্ম ইসলামে নেই। ইসলামের সকল ইল্মই প্রকাশ্য এবং সুস্পষ্ট। কুরআন হাদিসের বাইরে ইসলামের কোনো ইল্ম নেই। গোপন (বাতেনি) ইল্ম নামে কোনো ইল্ম থাকার দাবি করা হলে তা অবশ্যই শয়তানি ইল্ম এবং শয়তানের অসওয়াসা।
📄 ৭০. শরিয়ত তরিকত মারেফাত
৭০. শরিয়ত, তরিকত এবং মারেফাত নামে বিভিন্ন ইল্ম ও তরিকা থাকার দাবি করা হয়। আসলে এগুলো কী?
এক ধরণের অজ্ঞ পীর সুফি ব্যক্তিরা ইসলামকে শরিয়ত, তরিকত এবং মারেফাত নামে বিভিন্নভাগে ভাগ করে নিয়েছে। তারা শরিয়তকে যাহেরি (প্রকাশ্য) ইল্ম এবং তরিকত ও মারেফাতকে বাতেনি (গোপন) ইল্ম হিসেবে প্রচার করে। তরিকত ও মারেফাত নামে যে জিনিসের প্রচার করা হয়, তার সাথে ইসলামের কোনো সম্পর্ক নেই।
৭০. শরিয়ত, তরিকত এবং মারেফাত নামে বিভিন্ন ইল্ম ও তরিকা থাকার দাবি করা হয়। আসলে এগুলো কী?
এক ধরণের অজ্ঞ পীর সুফি ব্যক্তিরা ইসলামকে শরিয়ত, তরিকত এবং মারেফাত নামে বিভিন্নভাগে ভাগ করে নিয়েছে। তারা শরিয়তকে যাহেরি (প্রকাশ্য) ইল্ম এবং তরিকত ও মারেফাতকে বাতেনি (গোপন) ইল্ম হিসেবে প্রচার করে। তরিকত ও মারেফাত নামে যে জিনিসের প্রচার করা হয়, তার সাথে ইসলামের কোনো সম্পর্ক নেই।
📄 ৭১. হুলুল বাদে
৭১. ইল্মে তাসাউফ কি? এটা কি কোনো জরুরি ইলম?
তাসাউফ মানে সুফীদের শাস্ত্র। কয়েক শতাব্দী পূর্বে সুফী দরবেশরা দুনিয়াদারি ত্যাগ করে নির্জনতা অবলম্বন করার পদ্ধতি অবলম্বন করেন। এটাকে তারা আত্মশুদ্ধির পন্থা হিসেবেই গ্রহণ করেন। তাসাউফ শাস্ত্র এসেছে মূলত প্রাচীন গ্রীক দর্শন এবং ভারতীয় বেদান্ত দর্শন থেকে। নির্জন আধ্যাত্মিক সাধনা দর্শন হিসেবে এ শাস্ত্র গড়ে উঠে। প্রথম প্রথম ভালো নিয়তেই কিছু লোক এ পদ্ধতি অবলম্বন করেন। তবে এ পদ্ধতিটি সুস্পষ্ট বিদআত। পরবর্তীতে এর মধ্যে ঢুকে পড়েছে শিরক। মূলত রসূল সা. প্রদর্শিত পদ্ধতি ছাড়া ইসলামে আর কোনো পদ্ধতি নেই। আল্লাহ পাক বলেন:
لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِي رَسُولِ اللَّهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ
অর্থ: তোমাদের জন্যে আল্লাহর রসূলের মধ্যেই রয়েছে উত্তম আদর্শ। (সূরা ৩৩ আহযাব: আয়াত ২১)
৭১. ইল্মে তাসাউফ কি? এটা কি কোনো জরুরি ইলম? তাসাউফ মানে সুফীদের শাস্ত্র। কয়েক শতাব্দী পূর্বে সুফী দরবেশরা দুনিয়াদারি ত্যাগ করে নির্জনতা অবলম্বন করার পদ্ধতি অবলম্বন করেন। এটাকে তারা আত্মশুদ্ধির পন্থা হিসেবেই গ্রহণ করেন。
তাসাউফ শাস্ত্র এসেছে মূলত প্রাচীন গ্রীক দর্শন এবং ভারতীয় বেদান্ত দর্শন থেকে। নির্জন আধ্যাত্মিক সাধনা দর্শন হিসেবে এ শাস্ত্র গড়ে উঠে。
প্রথম প্রথম ভালো নিয়তেই কিছু লোক এ পদ্ধতি অবলম্বন করেন。
তবে এ পদ্ধতিটি সুস্পষ্ট বিদআত। পরবর্তীতে এর মধ্যে ঢুকে পড়েছে শিরক। মূলত রসূল সা. প্রদর্শিত পদ্ধতি ছাড়া ইসলামে আর কোনো পদ্ধতি নেই। আল্লাহ পাক বলেন:
لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِي رَسُولِ اللَّهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ
অর্থ: তোমাদের জন্যে আল্লাহর রসূলের মধ্যেই রয়েছে উত্তম আদর্শ। (সূরা ৩৩ আহযাব: আয়াত ২১)