📄 ৬৩. পীরহীন পীর শয়তান
৬৩. কোনো ব্যক্তি পীর নামে খ্যাতি অর্জন করলে তার ছেলে শাহ কিংবা সাহেবজাদা উপাধি ধারণ করে এবং তার মৃত্যুর পর তার ছেলে বা বড় ছেলে গদ্দিনশীন পীর হয়ে বসে। - এভাবে গদ্দীনশীন হওয়া কি জায়েয?
পীরগিরি যদি কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, কিংবা জমিদারি হয়ে থাকে, তবে পীরের ছেলের গদ্দিনশীন হবার একটা কারণ থাকে। কিন্তু ইসলাম এবং ইসলাম প্রচারের নামে ছেলে পিতার গদ্দিনশীন হবার বিধান ইসলামে নেই। এটা সুস্পষ্ট বিদআত। এ পন্থার সাথে ইসলামের কোনো সম্পর্ক নেই।
৬৩. কোনো ব্যক্তি পীর নামে খ্যাতি অর্জন করলে তার ছেলে শাহ কিংবা সাহেবজাদা উপাধি ধারণ করে এবং তার মৃত্যুর পর তার ছেলে বা বড় ছেলে গদ্দিনশীন পীর হয়ে বসে।-এভাবে গদ্দীনশীন হওয়া কি জায়েয?
পীরগিরি যদি কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, কিংবা জমিদারি হয়ে থাকে, তবে পীরের ছেলের গদ্দিনশীন হবার একটা কারণ থাকে। কিন্তু ইসলাম এবং ইসলাম প্রচারের নামে ছেলে পিতার গদ্দিনশীন হবার বিধান ইসলামে নেই। এটা সুস্পষ্ট বিদআত। এ পন্থার সাথে ইসলামের কোনো সম্পর্ক নেই।
📄 ৬৪. পীরের হাতে বায়াত হওয়া
৬৪. পীরের হাতে বায়াত করা কি জরুরি?
কুরআনে উল্লেখ আছে (সূরা আল ফাত্হ) রসূল সা. হুদাইবিয়ার সন্ধির প্রাক্কালে সাহাবীগণ থেকে বায়াত (নিজের জীবনকে আল্লাহর কাছে বিক্রি করে দেয়ার প্রতিজ্ঞা) গ্রহণ করেছিলেন আল্লাহর পথে সংগ্রাম করা এবং জীবন উৎসর্গ করার জন্যে। এছাড়া সাহাবীগণ খোলাফায়ে রাশেদীনের কাছে তাদের নির্দেশ পালন করার বায়াত করেছিলেন। পীরের হাতে বায়াত করার কোনো ভিত্তি নেই। আর পীর মুরিদীই তো বিদআত।
৬৪. পীরের হাতে বায়াত করা কি জরুরি?
কুরআনে উল্লেখ আছে (সূরা আল ফাত্হ) রসূল সা. হুদাইবিয়ার সন্ধির প্রাক্কালে সাহাবীগণ থেকে বায়াত (নিজের জীবনকে আল্লাহর কাছে বিক্রি করে দেয়ার প্রতিজ্ঞা) গ্রহণ করেছিলেন আল্লাহর পথে সংগ্রাম করা এবং জীবন উৎসর্গ করার জন্যে। এছাড়া সাহাবীগণ খোলাফায়ে রাশেদীনের কাছে তাদের নির্দেশ পালন করার বায়াত করেছিলেন। পীরের হাতে বায়াত করার কোনো ভিত্তি নেই। আর পীর মুরিদীই তো বিদআত।
📄 ৬৫. খবরকে রওজা বলা
৬৫. কিছু লোক বুযুর্গ ব্যক্তিদের কবরকে 'রওজা' বলে। এমনকি 'রওজা শরিফ' 'রওজা পাক' এবং 'রওজা মোবারক' বলে থাকে। তারা রসূলুল্লাহ সা.-এর কবরকেও 'রওজা' বা 'রওজা মোবারক' 'রওজা পাক' 'রওজা শরিফ' বলে থাকে। -এ ব্যাপারে ইসলামের দৃষ্টিভংগি কি?
রওজা আরবি শব্দ। এর অর্থ- বাগান বা উদ্যান। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "আমার ঘর এবং আমার মিম্বরের মধ্যবর্তী স্থানটি রওজাতুম মিন রিয়াজিল জান্নাত - জান্নাতের রওজাসমূহের একটি রওজা।" কুরআন বা হাদিসে কোথাও কবরকে রওজা বলা হয় নাই। সাহাবীগণও বলেন নাই, তাবেয়ীগণও বলেন নাই।
সুতরাং যারা পুণ্যবান ব্যক্তিগণের কবরকে 'রওজা পাক', 'রওজা মোবারক' বা 'রওজা শরিফ' বলে, তা কবরের প্রতি ভক্তি শ্রদ্ধা প্রকাশের জন্যেই বলে। এই ভক্তি শ্রদ্ধার বিষয়টি তাদের আকিদা বিশ্বাসে পরিণত হয়ে যায়। ফলে এটা শিরক পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। কবরকে অন্য কিছু বলা উচিত নয়। কবরকে কবর বলাই ইসলামি পরিভাষা। কবরকে দরগাহ, মাযার, রওজা বলা পরিত্যাগ করুন। 'শরিফ' তো নয়ই।
৬৫. কিছু লোক বুযুর্গ ব্যক্তিদের কবরকে 'রওজা' বলে। এমনকি 'রওজা শরিফ' 'রওজা পাক' এবং 'রওজা মোবারক' বলে থাকে। তারা রসূলুল্লাহ সা.-এর কবরকেও 'রওজা' বা 'রওজা মোবারক' 'রওজা পাক' 'রওজা শরিফ' বলে থাকে। -এ ব্যাপারে ইসলামের দৃষ্টিভংগি কি?
রওজা আরবি শব্দ। এর অর্থ- বাগান বা উদ্যান। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "আমার ঘর এবং আমার মিম্বরের মধ্যবর্তী স্থানটি রওজাতুম মিন রিয়াজিল জান্নাত- জান্নাতের রওজাসমূহের একটি রওজা।"
কুরআন বা হাদিসে কোথাও কবরকে রওজা বলা হয় নাই। সাহাবীগণও বলেন নাই, তাবেয়ীগণও বলেন নাই।
সুতরাং যারা পুণ্যবান ব্যক্তিগণের কবরকে 'রওজা পাক', 'রওজা মোবারক' বা 'রওজা শরিফ' বলে, তা কবরের প্রতি ভক্তি শ্রদ্ধা প্রকাশের জন্যেই বলে। এই ভক্তি শ্রদ্ধার বিষয়টি তাদের আকিদা বিশ্বাসে পরিণত হয়ে যায়। ফলে এটা শিরক পর্যন্ত পৌছুতে পারে।
কবরকে অন্য কিছু বলা উচিত নয়। কবরকে কবর বলাই ইসলামি পরিভাষা। কবরকে দরগাহ, মাযার, রওজা বলা পরিত্যাগ করুন। 'শরিফ' তো নয়ই।
📄 ৬৬. নবী সা. কে স্বপ্নে দেখা
৬৬. অনেকে মনে করে, নবীকে স্বপ্নে দেখা বুযুর্গীর লক্ষণ। একথা কি ঠিক?
নবীকে স্বপ্নে দেখা যদি বুযুর্গীর লক্ষণ হয়, তবে যে আবু লাহাব আবু জাহলরা তাঁকে বাস্তবে দেখেছে, তারা কতো বড় বুযুর্গ! কেউ যদি সত্যিই রসূল সা. কে স্বপ্নে দেখে, তবে তার উচিত আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা। এতে আত্মতৃপ্তির কিছু নেই। ব্যাপার এমনও হয় যে, অনেক লোককে শয়তান এসে বলে: আমি আল্লাহর রসূল, তোমাকে এই এই অসিয়ত করছি। এই ভাবে শয়তান জাহিল লোকদের বিভ্রান্ত করে। আল্লাহর রসূলকে বাস্তবে না দেখার কারণে স্বপ্ন দ্রষ্টার কাছে যে এসেছে, সে কি শয়তান, নাকি আল্লাহর রসূল তা নির্ণয় করা অনেকের পক্ষেই সম্ভব নয়।
৬৬. অনেকে মনে করে, নবীকে স্বপ্নে দেখা বুযুর্গীর লক্ষণ। একথা কি ঠিক?
নবীকে স্বপ্নে দেখা যদি বুযুর্গীর লক্ষণ হয়, তবে যে আবু লাহাব আবু জাহলরা তাঁকে বাস্তবে দেখেছে, তারা কতো বড় বুযুর্গ!
কেউ যদি সত্যিই রসূল সা. কে স্বপ্নে দেখে, তবে তার উচিত আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা। এতে আত্মতৃপ্তির কিছু নেই।
ব্যাপার এমনো হয় যে, অনেক লোককে শয়তান এসে বলে: আমি আল্লাহর রসূল, তোমাকে এই এই অসিয়ত করছি।
এই ভাবে শয়তান জাহিল লোকদের বিভ্রান্ত করে।
আল্লাহর রসূলকে বাস্তবে না দেখার কারণে স্বপ্ন দ্রষ্টার কাছে যে এসেছে, সে কি শয়তান, নাকি আল্লাহর রসূল তা নির্ণয় করা অনেকের পক্ষেই সম্ভব নয়।