📄 ৫২. কপালে টিপ ও কপালে তিলক
৫২. আমাদের দেশে বিভিন্ন বালা মসিবত দূর করা এবং নিয়্যত পূরণ করার উদ্দেশ্যে দোয়া ইউনুস খতম করা হয়। খতমে তাহলীল করা হয়। লোক ডেকে এনে অথবা বিভিন্নজনকে ভাগ করে দিয়ে এক লক্ষ বার এইসব কলেমা পাঠ করা হয়। এর কি কোনো ভিত্তি আছে?
এই ধরনের খতমের ভিত্তি হলো ধারণা অনুমান। আর অনুমান হলো ছড়ি ছাড়া অন্ধ লোকের পথ চলার মতো। কুরআন বা সুন্নায় এ ধরনের খতমের কোনো ভিত্তি নেই। এগুলো মনগড়া প্রথা। ইসলাম ধারণা অনুমানের উপর প্রতিষ্ঠিত নয়, ইসলাম কুরআন সুন্নাহর ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত। -এসব কাজ সুন্নতের খেলাফ।
৫২. আমাদের দেশে বিভিন্ন বালা মসিবত দূর করা এবং নিয়্যত পূরণ করার উদ্দেশ্যে দোয়া ইউনুস খতম করা হয়। খতমে তাহলীল করা হয়। লোক ডেকে এনে অথবা বিভিন্নজনকে ভাগ করে দিয়ে এক লক্ষ বার এইসব কলেমা পাঠ করা হয়। এর কি কোনো ভিত্তি আছে?
এই ধরনের খতমের ভিত্তি হলো ধারণা অনুমান। আর অনুমান হলো ছড়ি ছাড়া অন্ধ লোকের পথ চলার মতো।
কুরআন বা সুন্নায় এ ধরনের খতমের কোনো ভিত্তি নেই। এগুলো মনগড়া প্রথা। ইসলাম ধারণা অনুমানের উপর প্রতিষ্ঠিত নয়, ইসলাম কুরআন সুন্নাহর ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত। -এসব কাজ সুন্নতের খেলাফ।
📄 ৫৩. মঙ্গলামঙ্গল বোধকে থাকে (অস্পষ্ট)
৫৩. সাধারণত লোকেরা মনে করে, মুসলমানরা বেহেশতে যাবে আর হিন্দুরা দোযখে যাবে। -এ ধারণা কি ঠিক? সব মুসলমানই কি বেহেশতে যাবে?
বেহেশতে যাওয়ার ব্যাপারে হিন্দু, বৌদ্ধ, ইহুদি, খৃষ্টান, সাদা, কালো, আরব অনারব নেই। কারা বেহেশতে যাবে, আর কারা দোযখে যাবে - তা কুরআন মজিদে বলে দেয়া হয়েছে। যে কোনো মানব সন্তানই বেহেশতে যেতে পারবেন - যদি তিনি: ১. আল্লাহর প্রতি ঈমান আনেন এবং তাঁর সাথে কাউকেও শরিক না করেন; ২. কুরআন নির্দেশিত অন্যান্য বিষয়ের প্রতি ঈমান আনেন; ৩. মুহাম্মদ সা.-কে আল্লাহর সর্বশেষ নবী ও রসূল মেনে নেন এবং তাঁকে পরিপূর্ণ অনুসরণ করেন; ৪. নামায, যাকাত, রোযা, হজ্জসহ কুরআন সুন্নাহ নির্দেশিত ইসলামের সকল বিধান নিষ্ঠার সাথে পালন করেন; ৫. আল্লাহ এবং আল্লাহর রসূলের সকল আদেশ নিষেধ পালন করেন। হালালকে হালাল হিসেবে গ্রহণ করেন এবং হারামকে হারাম মেনে নিয়ে তা বর্জন করেন; ৬. ইসলামের ঘরে পরিপূর্ণভাবে প্রবেশ করেন এবং ৭. এক আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন আর পরকালীন নাজাত ও সাফল্যকে জীবনের লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেন।
এই শর্তগুলো পূর্ণ করলে জাতি, ধর্ম, বর্ণ, কূল, গোত্র নির্বিশেষে যে কোনো ব্যক্তি বেহেশতে যেতে পারবে। এই শর্তগুলো মেনে নিয়ে আরবের মুশরিক, ইহুদি, খৃষ্টান এবং অন্যান্য ধর্মের লোকেরা নবীর সাথি হয়েছিলেন এবং তারা বেহেশতে যাবেন। অন্যদিকে এই শর্তগুলো পূরণ না করলে মুসলমানের সন্তান হলেও, এমনকি নবীর সন্তান হলেও কেউ বেহেশতে যেতে পারবে না। এ কারণেই- আমাদের নবীর চাচা আবু তালিব ও আবু লাহাব, ইবরাহিম আ.-এর পিতা আযর, নূহ আ.-এর ছেলে কিনান, নূহ ও লূত-এই নবীগণের দুই স্ত্রী - এরা নবীদের নিকটজন হয়েও জান্নাতে যেতে পারবে না। অথচ বড় কাফির ফেরাউনের স্ত্রী আছিয়া জান্নাতে যাবেন।
সাধারণত লোকেরা মনে করে, মুসলমানরা বেহেশতে যাবে আর হিন্দুরা দোযখে যাবে। -এ ধারণা কি ঠিক? সব মুসলমানই কি বেহেশতে যাবে?
বেহেশতে যাওয়ার ব্যাপারে হিন্দু, বৌদ্ধ, ইহুদি, খৃষ্টান, সাদা, কালো, আরব অনারব নেই। কারা বেহেশতে যাবে, আর কারা দোযখে যাবে-তা কুরআন মজিদে বলে দেয়া হয়েছে।
যে কোনো মানব সন্তানই বেহেশতে যেতে পারবেন-যদি তিনি: ১. আল্লাহর প্রতি ঈমান আনেন এবং তাঁর সাথে কাউকেও শরিক না করেন; ২. কুরআন নির্দেশিত অন্যান্য বিষয়ের প্রতি ঈমান আনেন; ৩. মুহাম্মদ সা.-কে আল্লাহর সর্বশেষ নবী ও রসূল মেনে নেন এবং তাঁকে পরিপূর্ণ অনুসরণ করেন; ৪. নামায, যাকাত, রোযা, হজ্জসহ কুরআন সুন্নাহ নির্দেশিত ইসলামের সকল বিধান নিষ্ঠার সাথে পালন করেন; ৫. আল্লাহ এবং আল্লাহর রসূলের সকল আদেশ নিষেধ পালন করেন। হালালকে হালাল হিসেবে গ্রহণ করেন এবং হারামকে হারাম মেনে নিয়ে তা বর্জন করেন; ৬. ইসলামের ঘরে পরিপূর্ণভাবে প্রবেশ করেন এবং ৭. এক আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন আর পরকালীন নাজাত ও সাফল্যকে জীবনের লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেন。
এই শর্তগুলো পূর্ণ করলে জাতি, ধর্ম, বর্ণ, কূল, গোত্র নির্বিশেষে যে কোনো ব্যক্তি বেহেশতে যেতে পারবে।
এই শর্তগুলো মেনে নিয়ে আরবের মুশরিক, ইহুদি, খৃষ্টান এবং অন্যান্য ধর্মের লোকেরা নবীর সাথি হয়েছিলেন এবং তারা বেহেশতে যাবেন।
অন্যদিকে এই শর্তগুলো পূরণ না করলে মুসলমানের সন্তান হলেও, এমনকি নবীর সন্তান হলেও কেউ বেহেশতে যেতে পারবেনা। এ কারণেই-
আমাদের নবীর চাচা আবু তালিব ও আবু লাহাব, ইবরাহিম আ.-এর পিতা আযর, নূহ আ.-এর ছেলে কিনান, নূহ ও লূত-এই নবীগণের দুই স্ত্রী-এরা নবীদের নিকটজন হয়েও জান্নাতে যেতে পারবেনা। অথচ বড্ড কাফির ফেরাউনের স্ত্রী আছিয়া জান্নাতে যাবেন।
📄 ৫৪. বিপদে আপদে পীরের কাছে চাই আল্লাহ (অস্পষ্ট)
৫৪. সিহাহ সিত্তায় উল্লেখ আছে, তাই সহীহ- এটা কি সঠিক কথা?
এটি সাংঘাতিক একটি ভুল কথা। কারণ,
১. যে ছয়টি গ্রন্থকে সিহাহ সিত্তাহ বলা হয়, সেগুলোর মধ্যে বুখারি ও মুসলিম ছাড়া বাকি চারজন ইমাম নিজেরাই তাদের গ্রন্থগুলোকে সহীহ হাদিসের গ্রন্থ হিসেবে সংকলন করেন নাই। সে চারটি গ্রন্থ হলো: সুনানে তিরমিযি, সুনানে নাসাঈ, সুনানে আবু দাউদ এবং সুনানে ইবনে মাজাহ।
২. হাদিসের সহীহ সংকলন করার দাবি করেছেন শুধুমাত্র ইমাম বুখারি, ইমাম মুসলিম, ইমাম ইবনে খুজাইমা, ইমাম ইবনে হিব্বান, ইমাম দারা কুতনী, ইমাম হাকিম এবং ইমাম যিয়াউদ্দীন মাকদিসী।
৩. কিন্তু বিশেষজ্ঞ মুহাদ্দিসগণের বিশ্লেষণে বুখারি এবং মুসলিম ছাড়া বাকি সকল গ্রন্থেই সহীহ হাদিসের সাথে সাথে যয়ীফ এবং জাল হাদিসও রয়েছে।
৪. হাদিস বিশারদগণ সকল গ্রন্থ থেকে যয়ীফ এবং জাল হাদিস সমূহ চিহ্নিত করে আলাদা গ্রন্থাবলী সংকলন করেছেন।
৫. অধিকাংশ জয়ীফ ও জাল হাদিস তৈরি করা হয়েছে মর্যাদা ও ফযিলত বর্ণনার ক্ষেত্রে।
৬. অনেক লেখক, ওয়ায়েয এবং অবিবেচক আলেম তাদের বই পুস্তক এবং ওয়ায নসিহতে যয়ীফ ও জাল হাদিস উল্লেখ করেন। এতে সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত হয়।
৫৪. সিহাহ সিত্তায় উল্লেখ আছে, তাই সহীহ- এটা কি সঠিক কথা?
এটি সাংঘাতিক একটি ভুল কথা। কারণ, ১. যে ছয়টি গ্রন্থকে সিহাহ সিত্তাহ বলা হয়, সেগুলোর মধ্যে বুখারি ও মুসলিম ছাড়া বাকি চারজন ইমাম নিজেরাই তাদের গ্রন্থগুলোকে সহীহ হাদিসের গ্রন্থ হিসেবে সংকলন করেন নাই। সে চারটি গ্রন্থ হলো: সুনানে তিরমিযি, সুনানে নাসাঈ, সুনানে আবু দাউদ এবং সুনানে ইবনে মাজাহ। ২. হাদিসের সহীহ সংকলন করার দাবি করেছেন শুধুমাত্র ইমাম বুখারি, ইমাম মুসলিম, ইমাম ইবনে খুজাইমা, ইমাম ইবনে হিব্বান, ইমাম দারা কুতনী, ইমাম হাকিম এবং ইমাম যিয়াউদ্দীন মাকদিসী। ৩. কিন্তু বিশেষজ্ঞ মুহাদ্দিসগণের বিশ্লেষণে বুখারি এবং মুসলিম ছাড়া বাকি সকল গ্রন্থেই সহীহ হাদিসের সাথে সাথে যয়ীফ এবং জাল হাদিসও রয়েছে। ৪. হাদিস বিশারদগণ সকল গ্রন্থ থেকে যয়ীফ এবং জাল হাদিস সমূহ চিহ্নিত করে আলাদা গ্রন্থাবলী সংকলন করেছেন। ৫. অধিকাংশ জয়ীফ ও জাল হাদিস তৈরি করা হয়েছে মর্যাদা ও ফযিলত বর্ণনার ক্ষেত্রে। ৬. অনেক লেখক, ওয়ায়েয এবং অবিবেচক আলেম তাদের বই পুস্তক এবং ওয়ায নসিহতে যয়ীফ ও জাল হাদিস উল্লেখ করেন। এতে সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত হয়।
📄 ৫৫. জাহেরি ইলম, বাতেনি ইলম, মারেফতি ইলম
৫৫. কিছু সুফি সাধক ইল্মকে দুইভাগে ভাগ করেন, যাহেরি ইল্ম ও বাতেনি ইল্ম। তারা বলেন, বাতেনি ইল্ম কুরআন হাদিসের ইল্ম থেকে পৃথক। কঠোর সাধনার মাধ্যমেই কেবল এই ইল্ম লাভ করা যায়। এটাকে তারা রূহানি ইল্মও বলে থাকেন। আবার কেউ কেউ এটাকে ইলমে লাদুন্নিও বলেন। ইল্মের এই বিভাগ এবং বাতেনি ইল্মের সত্যতা সম্পর্কে জানতে চাই।
কুরআন হাদিসে ইল্মকে যাহেরি ও বাতেনি নামে কোনো প্রকার ভাগ করা হয়নি। রূহানি ইল্ম এবং ইলমে লাদুন্নির অস্তিত্বও কুরআন হাদিসে নেই। মনে রাখবেন, কুরআন সুন্নাহ পরিপূর্ণ ও নিখুঁত (perfect) জ্ঞানভান্ডার। এর বাইরে ইসলামি জ্ঞানের কোনো অস্তিত্ব নেই। বাকি সবকিছুর মানদন্ড (criterion) কুরআন সুন্নাহ:
الْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِينَكُمْ وَأَتْمَمْتُ عَلَيْكُمْ نِعْمَتِي وَرَضِيتُ لَكُمُ الْإِسْلَامَ دِينًا
অর্থ: আজ আমি তোমাদের জন্যে তোমাদের দীনকে পূর্ণাঙ্গ (perfect) করে দিলাম, তোমাদের প্রতি সম্পূর্ণ (complete) করে দিলাম আমার অনুগ্রহ (অহি) এবং তোমাদের দীন মনোনীত করলাম ইসলামকে। (সূরা ৫ মায়িদা: আয়াত ৩)
ইসলামকে জানা বুঝা, মানা অনুসরণ করা এবং আল্লাহর সাথে সম্পর্ক স্থাপন ও উন্নত করার জন্যে এর বাইরে আর কোনো ইল্মের অস্তিত্ব নেই। আল্লাহ পাক সুস্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন:
اتَّبِعُوا مَا أُنزِلَ إِلَيْكُم مِّن رَّبِّكُمْ وَلَا تَتَّبِعُوا مِن دُونِهِ أَوْلِيَاءَ قَلِيلاً مَّا تَذَكَّرُونَ .
অর্থ: তোমাদের রব-এর পক্ষ থেকে তোমাদের কাছে যা নাযিল করা হয়েছে, তোমরা কেবল তারই অনুসরণ করো এবং তাঁকে ছাড়া অন্য অলিদের অনুসরণ করো না। তবে, তোমরা খুব কমই উপদেশ গ্রহণ করো। (সূরা ৭ আ'রাফ: আয়াত ৩)
إِن يَتَّبِعُونَ إِلَّا الظَّنَّ وَإِنَّ الظَّنَّ لَا يُغْنِي مِنَ الْحَقِّ شَيْئًا .
অর্থ: এসব লোক শুধু ধারণা অনুমানেরই অনুসরণ করে। সত্য জ্ঞানের বর্তমানে ধারণা অনুমানের কোনো মূল্যই নেই। (সূরা ৫৩ আন নজম: আয়াত ২৮। আরো দ্রষ্টব্য: ৩:৭, ৬:১১৬, ১০:৬৬, ৫৩:২৩)
সুতরাং কুরআন সুন্নাহর বাইরে যদি কোনো ইসলামি জ্ঞান বা জ্ঞানোৎসের দাবি করা হয়, তবে তা অবশ্যই মনগড়া অথবা শয়তানের প্ররোচনা।
৫৫. কিছু সুফি সাধক ইল্মকে দুইভাগে ভাগ করেন, যাহেরি ইল্ম ও বাতেনি ইলুম। তারা বলেন, বাতেনি ইল্ম কুরআন হাদিসের ইল্ম থেকে পৃথক। কঠোর সাধনার মাধ্যমেই কেবল এই ইল্ল্ম লাভ করা যায়। এটাকে তারা রূহানি ইল্মও বলে থাকেন। আবার কেউ কেউ এটাকে ইলমে লাদুন্নিও বলেন। ইল্মের এই বিভাগ এবং বাতেনি ইল্মের সত্যতা সম্পর্কে জানতে চাই।
কুরআন হাদিসে ইল্মকে যাহেরি ও বাতেনি নামে কোনো প্রকার ভাগ করা হয়নি। রূহানি ইল্ম এবং ইলমে লাদুন্নির অস্তিত্বও কুরআন হাদিসে নেই।
মনে রাখবেন, কুরআন সুন্নাহ পরিপূর্ণ ও নিখুঁত (perfect) জ্ঞানভান্ডার। এর বাইরে ইসলামি জ্ঞানের কোনো অস্তিত্ব নেই। বাকি সবকিছুর মানদন্ড (criterion) কুরআন সুন্নাহ:
الْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِينَكُمْ وَأَتْمَمْتُ عَلَيْكُمْ نِعْمَتِي وَرَضِيتُ لَكُمُ الْإِسْلَامَ دِينًا
অর্থ: আজ আমি তোমাদের জন্যে তোমাদের দীনকে পূর্ণাঙ্গ (perfect) করে দিলাম, তোমাদের প্রতি সম্পূর্ণ (complete) করে দিলাম আমার অনুগ্রহ (অহি) এবং তোমাদের দীন মনোনীত করলাম ইসলামকে। (সূরা ৫ মায়িদা: আয়াত ৩)
ইসলামকে জানা বুঝা, মানা অনুসরণ করা এবং আল্লাহ্র সাথে সম্পর্ক স্থাপন ও উন্নত করার জন্যে এর বাইরে আর কোনো ইল্মের অস্তিত্ব নেই। আল্লাহ পাক সুস্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন: اتَّبِعُوا مَا أُنزِلَ إِلَيْكُم مِّن رَّبِّكُمْ وَلَا تَتَّبِعُوا مِن دُونِهِ أَوْلِيَاءَ قَلِيلًا مَّا تَذَكَّرُونَ .
অর্থ: তোমাদের রব-এর পক্ষ থেকে তোমাদের কাছে যা নাযিল করা হয়েছে, তোমরা কেবল তারই অনুসরণ করো এবং তাঁকে ছাড়া অন্য অলিদের অনুসরণ করোনা। তবে, তোমরা খুব কমই উপদেশ গ্রহণ করো। (সূরা ৭ আ'রাফ: আয়াত ৩) إِن يَتَّبِعُونَ إِلَّا الظَّنَّ وَإِنَّ الظَّنَّ لَا يُغْنِي مِنَ الْحَقِّ شَيْئًا .
অর্থ: এসব লোক শুধু ধারণা অনুমানেরই অনুসরণ করে। সত্য জ্ঞানের বর্তমানে ধারণা অনুমানের কোনো মূল্যই নেই। (সূরা ৫৩ আন নজম: আয়াত ২৮। আরো দ্রষ্টব্য: ৩:৭, ৬:১১৬, ১০:৬৬, ৫৩:২৩)
সুতরাং কুরআন সুন্নাহর বাইরে যদি কোনো ইসলামি জ্ঞান বা জ্ঞানোৎসের দাবি করা হয়, তবে তা অবশ্যি মনগড়া অথবা শয়তানের প্ররোচনা।