📄 ৫০. মৃত ব্যক্তির শিয়রে বসে কুরআন তেলাওয়াত করা
৫০. দেখা যায়, কেউ মারা গেলে তার কবরের পাশে বসে কুরআন তিলাওয়াত করা হয় বা করানো হয়। এতে কি মৃত ব্যক্তির কোনো ফায়দা হয়?
কবরের পাশে বসে কুরআন তিলাওয়াত করার প্রচলন আল্লাহর রসূলও চালু করেন নাই। সাহাবীগণও একাজ করেন নাই। এ কাজ সুন্নতের খেলাফ। জীবিতদের কুরআন তিলাওয়াত দ্বারা মৃতদের কোনো ফায়দা হওয়ার সুযোগ নেই। কারণ দুনিয়ার সাথে মৃত ব্যক্তির সকল সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে গেছে।
তবে কেউ কোনো ভালো কাজ করে মৃত ব্যক্তির আমল নামায় সেটার নেকী পৌঁছানোর জন্যে যদি আল্লাহর কাছে দোয়া করে, সে রকম দোয়া করা জায়েয আছে বলে আলেমগণ মত দিয়েছেন। কিন্তু তাতে মৃত ব্যক্তির ফায়দা হবে কি না তা আল্লাহই ভালো জানেন।
৫০. দেখা যায়, কেউ মারা গেলে তার কবরের পাশে বসে কুরআন তিলাওয়াত করা হয় বা করানো হয়। এতে কি মৃত ব্যক্তির কোনো ফায়দা হয়?
কবরের পাশে বসে কুরআন তিলাওয়াত করার প্রচলন আল্লাহর রসূলও চালু করেন নাই। সাহাবীগণও একাজ করেন নাই। এ কাজ সুন্নতের খেলাফ।
জীবিতদের কুরআন তিলাওয়াত দ্বারা মৃতদের কোনো ফায়দা হওয়ার সুযোগ নেই। কারণ দুনিয়ার সাথে মৃত ব্যক্তির সকল সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে গেছে।
তবে কেউ কোনো ভালো কাজ করে মৃত ব্যক্তির আমলনামায় সেটার নেকী পৌঁছানোর জন্যে যদি আল্লাহর কাছে দোয়া করে, সে রকম দোয়া করা জায়েয আছে বলে আলেমগণ মত দিয়েছেন। কিন্তু তাতে মৃত ব্যক্তির ফায়দা হবে কিনা তা আল্লাহই ভালো জানেন।
📄 ৫১. কুরআন খতম করা, শবিনা খতম করা
৫১. আমাদের দেশে বিভিন্ন উপলক্ষ কেন্দ্রিক কুরআন খতম করার রেওয়াজ চালু আছে। কেউ মারা গেলে কুরআন খতম করা হয়, কোনো বিশেষ উদ্দেশ্যে নিয়্যত করে বা মান্নত করে কুরআন খতম করা হয়, শবিনা খতম করা হয়। এগুলোর কি কোনো ভিত্তি আছে?
কুরআন মজিদ তিলাওয়াত করা, তিলাওয়াত করে শেষ করা, একবার শেষ করে আবার শুরু থেকে তিলাওয়াত করা, বারবার তিলাওয়াত করে শেষ করা অবশ্যই নেক কাজ। কিন্তু রসূলুল্লাহ সা. কারো মৃত্যুতে কুরআন খতম করেন নাই, করতে বলেন নাই। তিনি উদ্দেশ্য হাসিলের জন্যে কুরআন খতম করেন নাই, করতে বলেন নাই। তিনি শবিনা খতম করেন নাই, করতে বলেন নাই। তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে কুরআন খতম করার কোনো রেওয়াজ চালু করেন নাই। সাহাবীগণও এ ধরনের কাজ করেন নাই।
একজন সাহাবী প্রতি রাত্রে পুরো কুরআন শেষ করেন - একথা শুনে রসূলুল্লাহ সা. তাঁকে ডাকেন এবং এক রাতে কুরআন খতম করতে নিষেধ করে দেন। সুতরাং সুন্নতের খেলাপ পদ্ধতি ত্যাগ করে সুন্নত পদ্ধতিতে কুরআন তিলাওয়াত করা উচিত।
৫১. আমাদের দেশে বিভিন্ন উপলক্ষ কেন্দ্রিক কুরআন খতম করার রেওয়াজ চালু আছে। কেউ মারা গেলে কুরআন খতম করা হয়, কোনো বিশেষ উদ্দেশ্যে নিয়্যত করে বা মান্নত করে কুরআন খতম করা হয়, শবিনা খতম করা হয়। এগুলোর কি কোনো ভিত্তি আছে?
কুরআন মজিদ তিলাওয়াত করা, তিলাওয়াত করে শেষ করা, একবার শেষ করে আবার শুরু থেকে তিলাওয়াত করা, বারবার তিলাওয়াত করে শেষ করা অবশ্যি নেক কাজ।
কিন্তু রসূলুল্লাহ সা. কারো মৃত্যুতে কুরআন খতম করেন নাই, করতে বলেন নাই। তিনি উদ্দেশ্য হাসিলের জন্যে কুরআন খতম করেন নাই, করতে বলেন নাই। তিনি শবিনা খতম করেন নাই, করতে বলেন নাই। তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে কুরআন খতম করার কোনো রেওয়াজ চালু করেন নাই। সাহাবীগণও এ ধরনের কাজ করেন নাই।
একজন সাহাবী প্রতি রাত্রে পুরো কুরআন শেষ করেন-একথা শুনে রসূলুল্লাহ সা. তাঁকে ডাকেন এবং এক রাতে কুরআন খতম করতে নিষেধ করে দেন। সুতরাং সুন্নতের খেলাপ পদ্ধতি ত্যাগ করে সুন্নত পদ্ধতিতে কুরআন তিলাওয়াত করা উচিত।