📄 ৪৫. আল কুরআন : সওয়াব হাসিল ও সম্মান প্রদর্শনের পদ্ধতি
৪৫. সাধারণত লোকেরা সওয়াব হাসিল এবং কুরআনের প্রতি সম্মান ও ভালোবাসা প্রকাশের উদ্দেশ্যে প্রতিদিন না বুঝে কুরআন তিলাওয়াত করে, সম্মানের সাথে চুমু খেয়ে মাথার উপর তাকে উঠিয়ে রাখে। এটা কি কুরআনের প্রতি সম্মান প্রদর্শন ও কুরআন থেকে সওয়াব হাসিলের সঠিক পদ্ধতি? তা না হলে সঠিক পদ্ধতি কী?
এগুলো কুরআন থেকে সওয়াব হাসিল এবং কুরআনের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের সঠিক পদ্ধতি নয়। কুরআনের প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং কুরআন থেকে সওয়াব হাসিলের সঠিক পদ্ধতি হলো:
১. কুরআন মজিদ পাঠ করতে শিখা এবং নিয়মিত পাঠ করা।
২. কুরআন জানা এবং বুঝা।
৩. কুরআন মানা এবং অনুসরণ করা।
৪. যারা কুরআন জানে না তাদেরকে কুরআন শিক্ষা দান করা।
৫. মানুষকে কুরআনের দিকে আহ্বান জানানো।
৬. পরিবার, সমাজ, ব্যবসা বাণিজ্যসহ সকল ক্ষেত্রে কুরআনের বিধান প্রবর্তনের প্রচেষ্টা চালানো।
৪৫. সাধারণত লোকেরা সওয়াব হাসিল এবং কুরআনের প্রতি সম্মান ও ভালোবাসা প্রকাশের উদ্দেশ্যে প্রতিদিন না বুঝে কুরআন তিলাওয়াত করে, সম্মানের সাথে চুমু খেয়ে মাথার উপর তাকে উঠিয়ে রাখে। এটা কি কুরআনের প্রতি সম্মান প্রদর্শন ও কুরআন থেকে সওয়াব হাসিলের সঠিক পদ্ধতি? তা না হলে সঠিক পদ্ধতি কী?
এগুলো কুরআন থেকে সওয়াব হাসিল এবং কুরআনের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের সঠিক পদ্ধতি নয়।
কুরআনের প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং কুরআন থেকে সওয়াব হাসিলের সঠিক পদ্ধতি হলো: ১. কুরআন মজিদ পাঠ করতে শিখা এবং নিয়মিত পাঠ করা। ২. কুরআন জানা এবং বুঝা। ৩. কুরআন মানা এবং অনুসরণ করা। ৪. যারা কুরআন জানে না তাদেরকে কুরআন শিক্ষা দান করা। ৫. মানুষকে কুরআনের দিকে আহ্বান জানানো। ৬. পরিবার, সমাজ, ব্যবসা বাণিজ্যসহ সকল ক্ষেত্রে কুরআনের বিধান প্রবর্তনের প্রচেষ্টা চালানো।
📄 ৪৬. কুরআনের অর্থ ও তফসির পড়তে নিষেধ করা
৪৬. একদল লোক কুরআনের অর্থ ও তফসির পড়তে নিষেধ করে। তারা বলে, কুরআন বুঝা সাধারণ লোকদের কাজ নয়, (বড় বড় আলেম উলামার কাজ)। তারা আরো বলে, সাধারণ লোকেরা কুরআনের অর্থ ও তফসির পড়লে বিভ্রান্ত হবে। -এসব কথা কি ঠিক?
এসব কথা সরাসরি কুরআনের বিরুদ্ধে এবং রসূলুল্লাহ সা.-এর সুন্নতের বিরুদ্ধে। এসব কথা যদি কেউ বলে থাকে এবং যারাই বলে, অবশ্যই তারা বিভ্রান্তিতে আছে এবং শয়তানের ধোকায় পড়ে আছে।
أَفَلَا يَتَدَبَّرُونَ الْقُرْآنَ أَمْ عَلَى قُلُوبِ أَقْفَالُهَا
অর্থ: তারা কি কুরআন অনুধাবনের চেষ্টা করে না? নাকি তাদের দিলসমূহ তালাবদ্ধ? (সূরা মুহাম্মদ: ২৪)
وَلَقَدْ يَسَّرْنَا الْقُرْآنَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِن مُّدَّكِرٍ
অর্থ: আমরা কুরআনকে বুঝার ও উপদেশ গ্রহণ করার জন্যে সহজ করে দিয়েছি। কেউ কি আছে উপদেশ গ্রহণকারী? (সূরা ৫৪ আল কামার: আয়াত ৪০)
রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি সে, যে কুরআনের ইলম অর্জন করে এবং মানুষকে কুরআনের ইলম শিক্ষা দেয়।" (মিশকাত)
৪৬. একদল লোক কুরআনের অর্থ ও তফসির পড়তে নিষেধ করে। তারা বলে, কুরআন বুঝা সাধারণ লোকদের কাজ নয়, (বড় বড় আলেম উলামার কাজ)। তারা আরো বলে, সাধারণ লোকেরা কুরআনের অর্থ ও তফসির পড়লে বিভ্রান্ত হবে। -এসব কথা কি ঠিক?
এসব কথা সরাসরি কুরআনের বিরুদ্ধে এবং রসূলুল্লাহ সা.-এর সুন্নতের বিরুদ্ধে। এসব কথা যদি কেউ বলে থাকে এবং যারাই বলে, অবশ্যি তারা বিভ্রান্তিতে আছে এবং শয়তানের ধোকায় পড়ে আছে।
أَفَلَا يَتَدَبَّرُونَ الْقُرْآنَ أَمْ عَلَى قُلُوبِ أَقْفَالُهَا
অর্থ: তারা কি কুরআন অনুধাবনের চেষ্টা করে না? নাকি তাদের দিলসমূহ তালাবদ্ধ? (সূরা মুহাম্মদ: ২৪)
وَلَقَدْ يَسَّرْنَا الْقُرْآنَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِن مُّدَّكِرٍ
অর্থ: আমরা কুরআনকে বুঝার ও উপদেশ গ্রহণ করার জন্যে সহজ করে দিয়েছি। কেউ কি আছে উপদেশ গ্রহণকারী? (সূরা ৫৪ আল কামার: আয়াত ৪০)
রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি সে, যে কুরআনের ইলম অর্জন করে এবং মানুষকে কুরআনের ইলম শিক্ষা দেয়।" (মিশকাত)
📄 ৪৭. কুরআন দিয়ে তাবিজ বানানো
৪৭. অনেকে কুরআন লিখে তাবিজ বানায় এবং সে তাবিজ যেখানে সেখানে ব্যবহার করে। এটা কি জায়েয?
তাবিজ বানানোর জন্যে কুরআন নাযিল হয়নি। এটা রসূলুল্লাহ সা.-এর সুন্নতের খেলাফ। এ ধরনের কাজ তিনি করেননি। সাহাবীগণও করেননি। মুমিনদেরকে এ ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকা উচিত।
৪৭. অনেকে কুরআন লিখে তাবিজ বানায় এবং সে তাবিজ যেখানে সেখানে ব্যবহার করে। এটা কি জায়েয?
তাবিজ বানানোর জন্যে কুরআন নাযিল হয়নি। এটা রসূলুল্লাহ সা.-এর সুন্নতের খেলাফ। এ ধরনের কাজ তিনি করেননি। সাহাবীগণও করেননি। মুমিনদেরকে এ ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকা উচিত।
📄 ৪৮. কুরআন শরিফের ওপর দিকে তাবিজ রাখা
৪৮. বাজার থেকে কুরআন শরিফ কিনে আনলে দেখা যায় অনেক কুরআন শরিফের শুরুতে তাবিজ লেখা আছে। এগুলো দেখে অনেক সাধারণ মানুষ মনে করে কুরআন শরিফ তাবিজ তুমারের কিতাব। অনেক ইমাম মুয়াজ্জিনও তাই মনে করে এবং তারা সেগুলো লিখে তাবিজ তুমার দেয়। - এসব কি বৈধ?
এগুলো বৈধ হবার প্রশ্নই উঠে না। যারা আল্লাহর কালামের শুরুতে তাবিজ লিখে ছাপিয়ে দিয়েছে, তারা জঘন্য পাপের কাজ করেছে। তাবিজতি করার উদ্দেশ্যেই অনেকে ঐ প্রকাশকদের কুরআন শরিফগুলো কিনে। বেশি ব্যবসার উদ্দেশ্যেই তারা কুরআন শরিফে তাবিজ ছাপে। এরা মূলত কুরআন দ্বারা ব্যবসা করে। কুরআনে এদের কঠিন শাস্তির কথা উল্লেখ আছে। (দ্রষ্টব্য: সূরা আল বাকারা: আয়াত ১৭৪-১৭৫)
৪৮. বাজার থেকে কুরআন শরিফ কিনে আনলে দেখা যায় অনেক কুরআন শরিফের শুরুতে তাবিজ লেখা আছে। এগুলো দেখে অনেক সাধারণ মানুষ মনে করে কুরআন শরিফ তাবিজ তুমারের কিতাব। অনেক ইমাম মুয়াজ্জিনও তাই মনে করে এবং তারা সেগুলো লিখে তাবিজ তুমার দেয়। - এসব কি বৈধ?
এগুলো বৈধ হবার প্রশ্নই উঠেনা।
যারা আল্লাহ্র কালামের শুরুতে তাবিজ লিখে ছাপিয়ে দিয়েছে, তারা জঘন্য পাপের কাজ করেছে।
তাবিজটি করার উদ্দেশ্যেই অনেকে ঐ প্রকাশকদের কুরআন শরিফগুলো কিনে। বেশি ব্যবসার উদ্দেশ্যেই তারা কুরআন শরিফে তাবিজ ছাপে।
এরা মূলত কুরআন দ্বারা ব্যবসা করে।
কুরআনে এদের কঠিন শাস্তির কথা উল্লেখ আছে। (দ্রষ্টব্য: সূরা আল বাকারা: আয়াত ১৭৪-১৭৫)