📘 মুসলিম পরিবারের ছেলেমেয়েরা কেন ইসলাম থেকে দূরে সরে যাচ্ছে > 📄 সর্বএই নাস্তিকতার হার দিন দিন বাড়ছে

📄 সর্বএই নাস্তিকতার হার দিন দিন বাড়ছে


* ২০১৩ সালের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে যে সারা পৃথিবীতে মুসলিমদের সংখ্যা এবং নাস্তিকদের সংখ্যা বাড়ছে। পরিসংখ্যানে আরো দেখা গেছে সকল ধর্মেই তরুণদের মধ্যে সবচেয়ে বেশী নাস্তিকতা বাড়ছে。
* একটি বিখ্যাত ইউনির্ভাসিটির ২০১০ সালের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে যে ৭২% মুসলিম ছেলেমেয়েরা আল্লাহতে বিশ্বাস করে না এবং ১২% মুসলিম ছেলেমেয়েরা এ ব্যাপারে confused (দিশেহারা)। এজন্য কে দায়ী? এরা মুসলিম পিতামাতার সন্তান, প্রকৃত শিক্ষার অভাবে আজ এই দুরবস্থা。
* অস্ট্রেলিয়াতে নাস্তিকদের জন্য সর্বপ্রথম উপাসনালয় তৈরী হচ্ছে। এখন প্রশ্ন তারা কার উপাসনা করবে? এই নাস্তিকরা প্রকৃতবাদী তাই এরা প্রকৃতির উপাসনা করে。
* মুসলিম-অমুসলিম সকল ধর্মেই নিজেদের সন্তানরা নাস্তিক হয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ হচ্ছে নিজ পরিবারে পিতামাতারা সন্তানদের যথেষ্ট সময় না দেয়া। যারাও বা সময় দেয়, তারা হয়তো quality time দেয় না。

📘 মুসলিম পরিবারের ছেলেমেয়েরা কেন ইসলাম থেকে দূরে সরে যাচ্ছে > 📄 'মুরতাদ'-দের উপর কিছু বিশ্লেষণ

📄 'মুরতাদ'-দের উপর কিছু বিশ্লেষণ


* মুরতাদ কারা? যে মুসলিম কাজে ও বিশ্বাসে ইসলাম ত্যাগ করে। মুরতাদ তারাই যারা মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেও মুসলিম সমাজের মাঝে প্রকাশ্যে আল্লাহর বিরুদ্ধে কাজ করে, ইসলামের বিরুদ্ধে কলম ধরে এবং শত্রুদের সাথে ইসলামের বিরুদ্ধে হাত মিলায়。
* আমি হয়তো সলাত আদায় করি, আমি হয়তো হাজ্জ পালন করেছি, আমার তরুণ সন্তান হয়তো অন্তত আমার সাথে জুম্মার সলাতটা নিয়মিত আদায় করে, তার অর্থ এটা নয় যে, আমার সন্তান মুরতাদ নাও হয়ে থাকতে পারে। অভিভাবক হিসেবে তার কর্মকান্ড বা online activity সম্পর্কে আমার অবগত হওয়া দরকার এবং প্রয়োজনে সঠিক পদক্ষেপ নেয়া দরকার। হতে পারে আমার সন্তান ভুল করেই এই কাজ করছে。
* ইসলাম কাউকে মুসলিম হতে বাধ্য করে না। ধর্মে জোর-জবরদস্তি নেই তার ব্যাখ্যা তো এটাই। কিন্তু মুসলিম হওয়ার অর্থই হলো আল্লাহর বিরুদ্ধে কাজ না করা。
* ইসলামী শরিয়া মতে মুরতাদের শাস্তি মৃত্যুদন্ড। নানা ফেরকা ও নানা মাজহাবের উলামাদের মাঝে নানা বিষয়ে মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু ইসলামের মৌল বিষয়ের ন্যায় মুরতাদের সংজ্ঞা ও শাস্তি নিয়ে কোন মতভেদ নেই। আর এই শাস্তি কার্যকরী করার দায়িত্ব ইসলামী রাষ্ট্রের বা সরকারের। ব্যক্তিগতভাবে কেউ এই শাস্তির দায়িত্ব হাতে তুলে নিতে পারবে না।
অন্যান্য ধর্মে মুরতাদ-দের শাস্তি
* ইংরেজী ভাষায় ব্লাসফেমি একটি বহুল প্রচলিত শব্দ। এর আভিধানিক অর্থঃ খৃষ্টান ধর্মের উপাস্য ঈশ্বরের বিরুদ্ধে অমর্যাদাকর, অবজ্ঞামূলক, আক্রমণাত্মক বা শিষ্টাচারবহির্ভূত কিছু বলা বা করা। খৃষ্টান এবং ইহুদী এ উভয় ধর্মেই এমন অপরাধের শাস্তি মৃত্যুদন্ড। সে শাস্তির কথা এসেছে ওল্ড টেস্টামেন্টে। বলা হয়েছে : "এবং যে ব্যক্তি প্রভুর নামের বিরুদ্ধে ব্লাসফেমি তথা অপমানকর, অমর্যাদাকর বা শিষ্ঠাচার বহির্ভূত কোন কথা বলবে বা কিছু করবে তবে তার নিশ্চিত শাস্তি হলো তাকে হত্যা করা। জমায়েতের সকলে তাকে পাথর নিক্ষেপে হত্যা করবে।" (বুক অব লেভিটিকাস ২৪:১৬)।
* অপর দিকে হিন্দুধর্মে ব্লাসফেমি শুধু ইশ্বরের বিরুদ্ধে কিছু বলাই নয় বরং কোন ধর্মগুরু বা পুরোহিতদের বিরুদ্ধে কিছু বলাও একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধের অন্তর্ভুক্ত। হিন্দুধর্মের আইন বিষয়ক গ্রন্থ মনুস্মৃতিতে বলা হয়েছে, "যদি নিজাতের কোন ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে কোন পুরোহিতকে অবমাননা করে বা তার সাথে খারাপ আচরণ করে তবে রাজার দায়িত্ব হবে দৈহিক শাস্তি বা প্রাণদন্ড দেয়া যাতে সে প্রকম্পিত হয়। -(মনুস্মৃতি ২৪:১৬)।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00