📘 মুসলিম পরিবারের ছেলেমেয়েরা কেন ইসলাম থেকে দূরে সরে যাচ্ছে > 📄 রাজনৈতিক প্রভাব

📄 রাজনৈতিক প্রভাব


ছেলেমেয়েরা কলেজ এবং ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হওয়ার পরপরই তারা নানাভাবে রাজনীতির সাথে জড়িয়ে যায়। বিভিন্ন নেতার আদর্শ অনুসরণ করে। তখন তাদের কাছে ইসলামের আদর্শের চেয়ে তার দলের আদর্শ বড় হয়ে দাঁড়ায়। এভাবেই দিন দিন তার চারিত্রিক আদর্শ গড়ে উঠতে থাকে। আমরা যদি বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর দিকে তাকাই তাহলে দেখি যে তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে কোন রাজনীতি নেই। ছাত্রছাত্রীরা কোন রাজনীতি করে না। অথচ তারা জীবনে খুবই উন্নতি করছে।
ছাত্র রাজনীতি : উন্নত দেশগুলোর ইউনিভার্সিটিতে কোন রাজনীতি নেই। শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং ছাত্র-ছাত্রীরা কোন প্রকার রাজনীতি করেন না। তারা পড়া-লেখা নিয়ে এতোই ব্যস্ত থাকেন যে এগুলো করার সময় কোথায়? এছাড়া কলেজ এবং ইউনিভার্সিটির কোর্সগুলো এমনভাবে ডিজাইন করা যে কেউ নিয়মিত পড়া-লেখা না করলে এবং ক্লাসে উপস্থিত না হলে পরীক্ষায় কোনভাবেই পাশ করতে পারবে না। কেউ কোন অস্ত্র বহন করতে পারে না আর রাজনৈতিক দলগুলোও কাউকে কোন অস্ত্র সাপ্লাই দেয় না।
ইউনিভার্সিটিতে ভিপি পদ : উন্নত দেশগুলোর ইউনিভার্সিটিগুলোতে কোন দলাদলি নেই, কোন ক্যাডার নেই, ভিপি বলতে কোন পদ নেই, কেউ ভিপি পদের জন্য ইলেকশানও করে না। ছাত্রদের মধ্যে কেউ কাউকে চাপাতি দিয়ে কোপায় না বা ছাত্রীদের মধ্যে চুল ধরে টানাটানিও হয় না। ইউনিভার্সিটির হল দখল হয় না, খুনাখুনীও হয় না। ছাত্রদের এরকম কাজকর্ম কেউ কল্পনাও করতে পারে না।
পাঠক আপনি/আমি যদি এই সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উচ্চ পদস্থ কেউ হই তাহলে মনে রাখবো এটা আমারই দায়িত্ব। আল্লাহ আমাকে এই পদে এনে দিয়েছেন এবং এটা আমার জন্য একটা পরীক্ষা। আমি কি আমার সাধ্য মতো চেষ্টা করছি দেশের শিক্ষা পদ্ধতিতে সঠিক পরিবর্তন আনতে বা শিক্ষার পরিবেশ সুস্থ রাখতে?

📘 মুসলিম পরিবারের ছেলেমেয়েরা কেন ইসলাম থেকে দূরে সরে যাচ্ছে > 📄 ইসলামের দৃষ্টিতে “শহীদ” কে?

📄 ইসলামের দৃষ্টিতে “শহীদ” কে?


এই বিষয়টি নিয়ে আমাদের দেশের বেশীরভাগ মানুষই পরিষ্কার ধারণা রাখে না। যে কাউকে যখন তখন শহীদ উপাধি দিয়ে দেয়া হয়। যেমন দেখা গেছে যে হিন্দু মারা গেলেও বলা হয় শহীদ, আবার নাস্তিক মারা গেলেও তাকে শহীদ উপাধি দেয়া হয় এবং বিরাট আয়োজন করে স্বঘোষিত নাস্তিকের জানাজা পড়ানো হয়। কী আশ্চর্য!
এবার জানা যাক ইসলামের দৃষ্টিতে আসলে শহীদ কে? সহীহ বুখারীর হাদীস অনুযায়ী ৫ প্রকার 'প্রকৃত মুসলিম' মারা গেলে শহীদ হয়। যেমন: ১) মহামারীতে ২) পেটের পীড়ায় ৩) পানিতে ডুবে ৪) ধ্বংসস্তূপে চাপা পরে এবং ৫) আল্লাহর পথে সংগ্রাম করে। অন্যান্য বিষয়ে কোন মতভেদ নেই। শুধু শেষের বিষয়ে আমাদের পরিষ্কার ধারণা থাকা প্রয়োজন। যে ব্যক্তি একমাত্র আল্লাহর পথে কাজ করতে গিয়ে, দ্বীন ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে, দ্বীনের কথা বলতে গিয়ে, দ্বীনের জন্য সংগ্রাম করতে গিয়ে মারা যান শুধু মাত্র তাকেই শহীদ বলা হয়। তবে কে শহীদ, কে জান্নাতী, কে জাহান্নামী এই ডিকলারেশনের অধিকার কাউকে দেয়া হয়নি। এই অধিকার শুধু মহান আল্লাহ তা'আলার। কেউ আল্লাহর এই অধিকার নিজের হাতে নিতে পারবে না। কে সত্যিকারভাবে আল্লাহর পথে যুদ্ধ করেছে সেটাও তো সিদ্ধান্ত হবে কিয়ামতের দিনে। আমরা রসূল -এর জীবনীতে দেখেছি যে কোন এক ব্যক্তি রসূল -এর সাথে কাফিরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে মারা গেছেন কিন্তু তাকেও শহীদ বলা হয়নি। তাই কারো অন্তরের খবর একমাত্র মহান আল্লাহ তা'আলাই জানেন।
ইসলামের দৃষ্টিতে পরিস্কারভাবে আমাদের জানা থাকা প্রয়োজন যে কোন হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, ইহুদী, নাস্তিক, মুরতাদ, মুনাফিক, বেনামাযী কখনো শহীদ হতে পারে না। কারণ বিষয়টা তাদের জন্য না। শহীদ হতে হলে প্রকৃত ঈমানদার, মু'মিন, মুসলিম হতে হবে, আংশিক ঈমানের অধিকারী হলেও হবে না। অর্থাৎ যদি আমি ইসলামের কিছু অংশ মানবো আর কিছু অংশ মানবো না বলে মত পোষণ করি তাহলে আমি প্রকৃত মুসলিম হতে পারবো না। যেমন শরীয়া মতে কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে এক ওয়াক্ত সলাত আদায় না করলে সে আর মুসলিম থাকে না। এর বিস্তারিত কুরআন ও সহীহ হাদীসের দলিল আমরা ৪র্থ পরিচ্ছেদে দেখতে পাবো, ইনশাআল্লাহ।
আমি সারা জীবন ইসলামের বিরোধিতা করলাম, ইসলামের কোন আইন মানলাম না, ইসলামের পক্ষে এক কলম লিখলাম না, ইসলামের পক্ষে কোন কথা বললাম না, ইচ্ছাকৃতভাবে নামায ছেড়ে দিতাম, বেপর্দায় চলতাম আর অতি সহজেই শহীদ হয়ে গেলাম! তা হবে না।
• একবার ভেবে দেখি, আমরা ইসলাম সম্পর্কে যথেষ্ট জ্ঞান অর্জন করি না বলে শহীদের মতো এতো মর্যাদার বিষয়টিতেও ভুল ধারণা পোষণ করি। আমাদের মাঝে যদি জ্ঞানের ঘাটতি থাকে তাহলে আমাদের সন্তানরা কিভাবে যোগ্য মুসলিম হবে?

📘 মুসলিম পরিবারের ছেলেমেয়েরা কেন ইসলাম থেকে দূরে সরে যাচ্ছে > 📄 নাস্তিকের যাজ্জ পালন ও মুসলিম হবার দাবি

📄 নাস্তিকের যাজ্জ পালন ও মুসলিম হবার দাবি


• অনেক নাস্তিকরাও আজকাল হাজ্জ করে, নিজেকে মুসলিম বলে দাবি করে। কিন্তু এটি কি কোন গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার? হাজ্জ তো অনেক খারাপ লোকও করে। এধরনের দুশ্চরিত্র লোক তো মাথায় টুপি লাগায়, লম্বা দাড়িও রাখে। তাতে কি তার আল্লাহভীতি বা ধর্মপরায়ণতা বাড়ে? এই ধরনের লোকেরা এবং ওদের কাজকর্ম অনেকটা দায়ী যার কারণে মুসলিম পরিবারের সন্তানরা ইসলাম থেকে দূরে সরে যায়।
• ঈমানের প্রতিফলন হয় ব্যক্তির কথা-বার্তা, আচার-আচরণ ও কাজকর্মে। ঈমান যাচাই হয়, লড়াইয়ের ময়দানে ব্যক্তিটি কোন পক্ষকে (আল্লাহ না তাগুত) সমর্থন করে সংগ্রাম করলো তা থেকে। কতো দাড়ি টুপিধারী ব্যক্তিই তো আজ ইসলামের শত্রুদের সাথে মিশে ইসলামের বিরুদ্ধে কাজ করছে। কত মুসলিম নামধারী ব্যক্তিই তো অতীতে ব্রিটিশ, সোভিয়েট রাশিয়া ও আমেরিকান সাম্রাজ্যবাদীদের বাহিনীতে যোগ দিয়ে মুসলিম ভূমিতে মুসলিমদের হত্যা করেছে।
• প্রশ্ন হলো, যে সকল নাস্তিক হাজ্জ করে আসার খবর বয়ান করেন তারা কি বাংলাদেশে একটি দিনও ইসলামের পক্ষে একটি কথা লিখেছেন বা ময়দানে নেমে একটি বারও ইসলামের পক্ষে আওয়াজ তুলেছেন? হাজ্জ তো ইব্রাহীম (আ.)-এর সুন্নাত। তাঁর মহান সুন্নাত হলো আল্লাহর সকল হুকুমের প্রতি বিনা দ্বিধায় অবিলম্বে লাব্বায়েক তথা আমি হাজির বলা। অথচ নাস্তিকরা তো লাব্বায়েক বলছেন ইসলামের প্রতিষ্ঠা প্রতিহত করার অঙ্গীকার নিয়ে। তাদের আনুগত্য হলো তাগুত (আল্লাহ বিরোধি শক্তি) ও শয়তানের প্রতি। অথচ আমরা দেখছি এক শ্রেণীর নাস্তিক ইসলামের শত্রু পক্ষের সাহায্যকারী রূপে কাজ করছেন। ফলে একবার নয়, হাজার বার হাজ্জ করলেও এসব নাস্তিকের হাজ্জের কি সামান্যতম মূল্য থাকে?
- নাবী মুহাম্মাদ-এর পিছনে কত মুনাফিক বছরের পর বছর নামায পড়েছে। কিন্তু তাতে কি তাদের আদৌ কোন কল্যাণ হয়েছে? কল্যাণ তো তারাই পেয়েছে যারা আল্লাহর দ্বীনের প্রতিষ্ঠায় আল্লাহর সাহায্যকারী হয়ে রণাঙ্গণে নেমেছে এবং কুরবানী করেছে। পবিত্র কুরআনে তো সুস্পষ্ট ভাষায় বলা হয়েছে, "হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহর সাহায্যকারী হয়ে যাও” (সুরা সাফ আয়াত ১৪)। লক্ষ্য এখানে আল্লাহর দ্বীনের বিজয়। বলা হয়েছে, "হে ঈমানদারগণ! আমি কি তোমাদের এমন এক ব্যবসার কথা বলে দিব যা তোমাদেরকে বেদনাদায়ক আযাব থেকে বাঁচাবে? সেটি হলো তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের উপর ঈমান আন এবং আল্লাহর রাস্তায় জান ও মাল দিয়ে চেষ্টা-সাধনা কর, সেটিই তোমাদের জন্য কল্যাণকর যদি তোমরা বুঝতে পারতে।"- (সুরা সাফ আয়াত ১০-১১)।

📘 মুসলিম পরিবারের ছেলেমেয়েরা কেন ইসলাম থেকে দূরে সরে যাচ্ছে > 📄 তাগরাত ধর্মচ্ছে আল্লাহর নির্দেশ

📄 তাগরাত ধর্মচ্ছে আল্লাহর নির্দেশ


- অনেকে মনে করেন যে সৃষ্টিকর্তা (আল্লাহ) বলতে কিছু নেই। আবার অনেকে মনে করেন সৃষ্টিকর্তা আছে কিন্তু তাঁর সাথে আবার অন্যকেউ শরীক করেন। আল্লাহর কাছ থেকে মূসা (আ.)-এর কাছে ইহুদী জাতির জন্য যে আদেশ-নিষেধ এসেছিল তা তাওরাতে 10 Commandments নামে বর্ণিত আছে, দেখা যাক সেখানে কী বলা হয়েছে:
1. Do not worship any other gods.
2. Do not make any idols.
3. Do not misuse the name of God.
4. Keep the Sabbath holy.
5. Honor your father & mother.
6. Do not murder.
7. Do not commit adultery.
8. Do not steal.
9. Do not lie.
10. Do not covet.

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00