📄 ফেইসবুকের অপব্যবহার
• আমাদের সন্তানেরা দিন-দিন ফেইসবুকের মাধ্যমে নানা অপসংস্কৃতিতে আসক্ত হয়ে পড়ছে। কিন্তু আমরা কি কখনো চিন্তা করে দেখেছি যে এর নেগেটিভ দিকগুলো কী কী? অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে যে এই আসক্তি এতো প্রকট আকার ধারণ করেছে যে তা কন্ট্রোলের বাইরে চলে যাচ্ছে। যেমন নিম্নে ফেইসবুকের কিছু নেগেটিভ দিক তুলে ধরা হলো। এই বিষয়ে আমাদের বাবা-মায়েদের সময় থাকতে সচেতন হওয়া উচিত।
১) অনেক ক্ষেত্রেই সন্তান তার আশেপাশের অন্যদের কেয়ার করে না। তখন সে শুধু তার নিজের জগৎ নিয়ে মত্ত থাকে।
২) সামাজিক বন্ধন কমে যেতে থাকে। সে আস্তে আস্তে তার সামাজিক দায়িত্ব থেকে দূরে সরে যেতে থাকে।
৩) সময়ের অপব্যবহার। আমাদের সন্তানেরা যে কিভাবে ঘন্টার পর ঘন্টা ফেইসবুকের মধ্যে সময় কাটায় তা হিসাব করলে দেখা যাবে যে তারা জীবনের একটা দীর্ঘ মূল্যবান সময় নষ্ট করে ফেলছে, যা অন্য কিছু দিয়ে ক্ষতিপূরণ সম্ভব নয়।
৪) দীর্ঘক্ষণ ফেইসবুকে সময় কাটানো মানসিকভাবে এবং শারীরিকভাবে স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর।
৫) পরিবারের অন্যান্যদের সাথেও সম্পর্কের অবনতি ঘটতে থাকে। দিন দিন তার কাছে পরিবারের সদস্যদের চেয়ে বন্ধু-বান্ধবদের গুরুত্ব বেশী হতে থাকে।
৬) তৃতীয় পক্ষের সাথে দ্বন্দ্ব। ফেইসবুকের মাধ্যমে অনেক অপরিচিত লোকদের সাথে বন্ধুত্ব হয়। এই গ্রুপে থাকে বিভিন্ন বয়সের পুরুষ ও মহিলা। কার চরিত্র কেমন কেউ জানে না। এমন অনেক দুর্ঘটনা ঘটেছে যে একে অপরের সাথে দেখা-সাক্ষাতের মাধ্যমে বড় ধরণের ক্রাইমের সাথে জড়িয়ে পড়েছে।
৭) ব্ল্যাকমেইল। ফেইসবুকে সাধারণত সবাই তাদের নানা রকম নানা ভঙ্গির ছবি আপলোড করে দিয়ে থাকে। সকলেই সকলের ছবি দেখতে পায়। যেকেউ এখান থেকে ছবি ডাউনলোড করে নিয়ে cutting and pasting এর মাধ্যমে বা এনিমেশনের মাধ্যমে অন্যান্য এডাল্ট ছবির সাথে মিলিয়ে পর্নগ্রাফি তৈরী করতে পারে।
৮) Islamic point of view। আমি যদি মেয়ে হয়ে থাকি তাহলে আমি আমার ছবি অন্যকে দেখাবো কেন? আমার ছবি দেখে পরপুরুষরা তো খারাপ চিন্তাভাবনা করতে পারে। যেখানে ইসলাম মেয়েদেরকে কোমল স্বরে পরপুরুষের সাথে কথা বলতে নিষেধ করেছে সেখানে নিজের নানা ভঙ্গির ছবি তো ওদের সামনে তুলে ধরার প্রশ্নই উঠে না।
৯) আরেকটি কমোন চিত্র প্রায় দেখা যায় যে, কোন কোন ফেইসবুক ইউজার ভালোর সাথে মন্দ মিলিয়ে ফেলছেন। যেমন সে আল-কুরআনের আয়াত অথবা সুন্দর সন্দর হাদীস শেয়ার করছেন অথবা কোন ইসলামী শিক্ষণীয় আর্টিক্যাল পোষ্ট করছেন আবার তার পাশাপাশি হিন্দি গান, বা কোন ইন্ডিয়ান নায়ক-নায়িকার ছবিও পোষ্ট করছেন!
ফেইসবুকের সঠিক ব্যবহার: উপরে আমরা ফেইসবুকের নেগেটিভ দিক সম্পর্কে কিছু তথ্য তুলে ধরেছি। কিন্তু এর পজিটিভ দিকও রয়েছে। হ্যাঁ, আমরা এই ফেইসবুককে সঠিক কাজে লাগিয়ে আবার অনেক উপকারও পেতে পারি। যেমন: কেউ ফেইসবুকের মাধ্যমে friend circle তৈরী করে তাদের মধ্যে ইসলামের দাওয়াতি কাজ করতে পারে, তাদেরকে নিয়মিত সঠিক দ্বীন সম্পর্কে সচেতন করতে পারে, নানারকম ইসলামিক ডকুমেন্টারির ভিডিও ক্লিপ শেয়ার করতে পারে, ভাল ভাল স্কলারদের লেকচারের লিংক শেয়ার করতে পারে, বিভিন্ন রকম শিক্ষণীয় আর্টিক্যালস পাঠাতে পারে। এটাকে আমরা ডিজিটাল দাওয়াত বলতে পারি। বেশীরভাগ ক্ষেত্রে দেখা গেছে যে আজকাল মানুষ পড়ার চাইতে ভিডিও দেখতে বেশী পছন্দ করে। তাই আমাদেরও উচিত এই সুযোগকে কাজে লাগানো। ইসলামের দাওয়াতি কাজে এই আধুনিক টেকনোলজির সদ্ব্যবহারের মাধ্যমে মহান আল্লাহর আদেশ পালন করা যেতে পারে। কারণ রসূল বলেছেন "আমার কাছ থেকে একটি বাক্য হলেও তা লোকদের কাছে পৌঁছে দাও” (সহীহ বুখারী)। এটা প্রতিটি মুসলিম নরনারীর জন্য সার্বক্ষণিক ফরয কাজ।
📄 ব্লগিং-এর অপব্যবহার
ইনফরমেশন টেকনোলজি কোম্পানীগুলো ব্লগিং কমিউনিকেশন ম্যাথড আবিষ্কার করেছিলেন ইউজারদের ভালোর জন্য। বিশেষ করে যারা গ্রুপিংয়ের মাধ্যমে রিসার্চ করেন, মতামত ব্যক্ত করেন, সাজেশন আদান-প্রদান করেন, নলেজ শেয়ার করেন ইত্যাদি। পৃথিবীর কোন দেশে এই ব্লগিংয়ের অপব্যবহার হয়নি যা বাংলাদেশীরা করেছে। ইনফরমেশন টেকনোলজির একটা সুবিধাকে উন্নয়নের কাজে না লাগিয়ে নেগেটিভ কাজে ব্যবহার করে নিজেরা নিজেরা বিভেদ সৃষ্টি করে একরকম গৃহ যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে পড়েছে।
মনে হচ্ছে বাংলাদেশে মানুষজন ব্লগিং ইনটারফেইস ব্যবহার করে-ই একজন আরেক জনের দোষ ধরার জন্য; খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে এক ভাই অপর ভাইয়ের ভুল-ত্রুটি বের করার জন্য; একজন অপরজনকে গালি-গালাজ করার জন্য; অপমান করার জন্য; তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করার জন্য; হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য। সামনা-সামনি যে কাজ করতে পারছে না সেই কাজ ইচ্ছে মতো ব্লগিংয়ের মাধ্যমে করে মনের ঝাল মিটাচ্ছে।
ব্লগিংয়ের মাধ্যমে cyber bulling শুধু নিজেদের মাঝেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। একসময় একে অপরের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানছে। বিশেষ করে ইসলামের উপর নানাভাবে আক্রমণ করছে! যা পৃথিবীর অন্য কোন ধর্মের লোকেরা করছে না। কারা করছে এই কাজ? যারা মুসলিম ঘরে জন্মগ্রহণ করেছে তারাই তাদের সৃষ্টা মহান আল্লাহ তা'আলাকে নিয়ে নানা রকম কটুক্তি করছে, রসূল ﷺ -কে নানা রকম অবমাননা করছে।
আল্লাহ ও রসূলকে অবমাননা করা, ইসলামকে অবমাননা করাটা যেন নতুন প্রজন্মের কাছে একটি আধুনিকতার অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর মূল কারণগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে এই যে সন্তানদের উপর বাবা-মার কোন কন্ট্রোল নেই এবং দ্বিতীয়ত হচ্ছে ওদের প্রকৃত ইসলামী শিক্ষা নেই।
📄 নাটক-সিনেমার প্রভাব
আমি কি কখনো চিন্তা করেছি যে আমি এবং আমার পরিবারের সবাই মিলে নিয়মিত কী ধরণের নাটক-সিনেমা (অপসংস্কৃতি) দেখছি? এই ধরণের নাটক-সিনেমা, হিন্দি সিরিয়াল, হিন্দি মুভি আমাদেরকে কুরআনের পথ থেকে আস্তে আস্তে দূরে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। অনেক হিন্দি মুভির মধ্যেই থাকে হিন্দুদের পূজা যা আমি দেখছি এবং শিরকের প্রশ্রয় দিচ্ছি। আবার হিন্দি মুভি যখন শুরু হয় তখন দেব-দেবীর নামে শুরু হয়। আসুন, একটিবার গভীরভাবে ভেবে দেখি: আমার ঘরে আমি এই টেকনোলজির মাধ্যমে আধুনিক উপায়ে হিন্দুদের মূর্তি পূজার আশ্রয় দিচ্ছি তার মানে নিজেদের ঘরেই ভার্চুয়াল পূজা হচ্ছে। কত বড় শিরকি অপরাধ এটা একবার ভেবে দেখেছি কি কখনো?
আমাদের মাঝে এমন অনেকেই আছেন যারা মনে করেন যদি নাটক সিনেমায় অশালীন কিছু না থাকে তাহলে তাতে সমস্যা নেই। আবার অনেকে মনে করেন যদি নাটকে/নাটিকায় নামায আদায়ে, রোযা রাখায় উৎসাহিত করা হয়, তাহলে সেই নাটক দেখা যাবে। অথচ তারা এটা ভেবে দেখেন না যে, এমন ভালো নাটকে যারা স্বামী-স্ত্রীর অভিনয় করছেন তারা কি সত্যিই স্বামী-স্ত্রী? এমন বেশ কিছু ইসলামী নাটক দেখা গেছে যেখানে নারী পুরুষের পর্দার বিষয়টি আদৌ খেয়াল রাখা হয়নি।
📄 দিন দিন টিভি সিরিয়ালের আমূল পরিবর্তন
আগে আমাদের দেশে একটি মাত্র টিভি চ্যানেল ছিল যা হচ্ছে বিটিভি। বুঝার সুবিধার্থে আমরা দুই একটা বিষয় উদাহরণস্বরূপ আনতে পারি। যেমন, বিটিভিতে একসময় ছায়াছন্দ নামে মাসে একটি গানের অনুষ্ঠান দেখানো হতো। তাও অনুষ্ঠানটি দেখানো হতো রাত ১০টার ইংরেজী সংবাদের পর যখন ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা ঘুমিয়ে পরে। আমরা জানি যে তখনকার যুগে বাংলাদেশী সিনেমাগুলোও ছিল অনেকটা শালিন। শালিন বলে দাবি করে এটাও বলতে চাইছি না যে সেগুলি ইসলামের দৃষ্টিতে জায়েয ছিল। কিন্তু অন্তত শালিনতা ছিলো। ছায়াছন্দে যদি কোন নাচ-গান একটু অশালিন মনে হতো তাহলে পরিবারের বড়রা তা নিজেরাও দেখতেন না এবং অন্যদেরকেও দেখতে দিতেন না, টিভি বন্ধ করে রাখতেন। তখন বিটিভিতে মাসে মাত্র একটি বাংলা সিনেমা দেখানো হতো তাও বেশীরভাগ সময় সামাজিক। বিটিভিতে সপ্তাহে একটি বা দুটি শালিন ইংরেজী মুভি বা সিরিয়াল দেখানো হতো। বিটিভি যে কোন ইংরেজী মুভি প্রচারের আগে নিজেদের সেন্সরবোর্ড দ্বারা আগে দেখে নিতো এবং যদি কোন অশালিন দৃশ্য থাকতো তা তারা কেটে নিতো। এখন এই যুগে মুসলিম ঘরে ঘরে শতশত অশালিন চ্যানেল, পরিবারের সবাই মিলে কী উপভোগ করছে পূর্বের সাথে তুলনা করে তা কি একটি বার চিন্তা করে দেখেছি যে আমরা কোথায় পৌঁছে গেছি?
এভাবে দিন গড়িয়ে বছর কেটে যাচ্ছে আর আমরা ধবংসের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি! ঘরে ঘরে একসময় আসলো ভিসিপি, তারপর আসলো ভিসিআর, তারপর আসলো সিডি প্লেয়ার, তারপর ডিভিডি প্লেয়ার, আরও আধুনিক কিছু ইত্যাদি। একসময় আমাদের দেশের লোকেরা মিডিলিষ্টে চাকুরী করতেন। তারা যখন দেশে আসতেন তখন বিদেশ থেকে আর কিছু আনেন আর নাই আনেন সবাই সাথে করে অন্ততপক্ষে একটি ভিসিয়ার নিয়ে আসতেন। এই শুরু হয়ে গেল মুসলিম ঘরে ঘরে শয়তানের অশ্বিল নাচ-গান। আমরা ছোটবেলায় মিডিলিষ্ট থেকে আসা আত্মীয়-স্বজনের নিকট থেকে শুনেছি যে, হিন্দি ক্যাসেটের বদৌলতে আরবের লোকেরা নাকি অনর্গল হিন্দিতে কথা বলতে পারে, ঐ দেশের একটি ছোট বাচ্চাও অমিতাভ বচ্চনকে চিনে! এটি আশির দশকের কথা।
দিন আরো গড়াতে থাকলো! আমরা উন্নতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছি! তার পরের উন্নতি হচ্ছে ঘরে ঘরে, বাসে, ট্রেনে, নাইট কোচে, লঞ্চে, স্টিমারে, হোটেলে, রেস্টুরেন্টে, চায়ের দোকানে, গ্রামে, হাটে, বাজারে সর্বত্রই একই আওয়াজ শোনা যাচ্ছে- "হাওয়া হাওয়া ও হাওয়া খুশবু লুটাদে......"। শুনেছি যে এই জনপ্রিয় গানের কথাগুলোর অর্থ ভাল নয়। যাহোক দেশের বা সমাজের এই যে উন্নতি (?), এতে আমরা মুসলিম পরিবারের লোকেরা কিছুই মনে করছি না!
হিন্দি সিনেমার গানের টপ টেন আর ড্যান্স ড্যান্স অনুষ্ঠান মুসলিম ঘরে ঘরে ঢুকে গেল। সাধারণত আইটেম সং বা সবচেয়ে যৌন আবেদনময়ী হিন্দি সিনেমার গানগুলোই হয় টপ টেন। কোন কোন বাংলাদেশী চ্যানেলে অনুষ্ঠানের মাঝে মাগরিবের আযান দেয়, পরিবারের কেউ কেউ ড্যান্সের মাঝে গিয়ে তাড়াহুড়ো করে মাগরিব পড়ে এসে আবার বসে রিমোট হাতে। যে নাকি ড্যান্সের মাঝে ছিল মাগরিবের সলাতের মধ্যে তো তার চোখে ঐ দৃশ্যই ভাসার কথা। এক প্রতিবেশী আপাকে দেখতাম তিনি তসবীহ হাতে গুনছেন আর একের পর এক হিন্দি সিনেমা দেখে সময় কাটাচ্ছেন। যাহোক আমরা যে মুসলিম পরিবারগুলো কী করছি তা হয়তো নিজেরাই জানি না। প্রায় প্রতিটি মুসলিম পরিবারেই সাংঘর্ষিক বিষয়গুলো গ্রহণযোগ্যতা পেয়ে গেল।
বিবেকবান পিতামাতার শিক্ষণীয় হিসেবে বর্তমানের টিভিতে প্রচারিত একটি নাটকের ঘটনা তুলে ধরা যাক। নাটকের নায়িকা তার বয়ফ্রেন্ডের সাথে অবৈধ সম্পর্কের কারণে প্রেগনেন্ট হয়ে গেছে। বেশ কয়েকদিন যাবত বয়ফ্রেন্ড নায়িকার সাথে যোগাযোগ করছে না, তাই নায়িকা বয়ফ্রেন্ডের খোঁজে তার এপার্টমেন্টে গেছে। সেখানে গিয়ে সে তার রুমমেট থেকে জানতে পারলো যে তার বয়ফ্রেন্ড এই বাসা ছেড়ে চলে গেছে! যাহোক নায়িকার পেটের সন্তান কিছুটা বড় হয়ে যাওয়াতে সে আর নিজের বাসায়ও ফিরে যেতে চাচ্ছে না। নায়িকা এবার তার বয়ফ্রেন্ডের রুমমেটের সাথেই বসবাস করা শুরু করলো। এবার রুমমেট নায়িকাকে প্রস্তাব দিচ্ছে গর্ভপাত করে ফেলার জন্য। কিন্তু নায়িকা এতে রাজি না। তখন রুমমেট নায়িকাকে প্রশ্ন করছে, লোকে যখন জিজ্ঞেস করবে যে এই সন্তানের পিতা কে তখন তুমি কী বলবে? নায়িকা উত্তর দিচ্ছে, বলবো "ঈশ্বরের সন্তান"। পাঠক আমি হয়তো সচেতন। আমি হয়তো এমন নাটক/সিনেমা দেখি না। কিন্তু আমি কি নিশ্চিত যে, আমার সন্তান এমন নাটক/সিনেমা দেখছে না? যদি নিশ্চিত না হই তাহলে একবার ভেবে দেখি আমাদের সন্তানরা কি ধরনের কন্টেন্ট গ্রহণ করছে! কতো ভয়ংকর দিকে চলে যাচ্ছে একের পর এক ভবিষ্যত প্রজন্ম।