📄 সালামের সঠিক ব্যবহার না করা
আমাদের দেশে দেখা যায় যে, কোন অপরিচিত লোক কাউকে রাস্তা-ঘাটে সালাম দিলে ঐ ব্যক্তি সালামের উত্তর না দিয়ে সর্বপ্রথমে অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করেন যে “ভাই আপনাকে তো চিনলাম না”! আমাদের আচরণ দেখে মনে হচ্ছে সালাম শুধু দিবে চেনা লোককে। অথচ রসূল ﷺ-এর প্র্যাকটিস ছিল পরিচিত-অপরিচিত সবাইকে বেশী বেশী সালাম দেয়া, কারণ সালাম হচ্ছে একে অপরের জন্য দু'আ। দু'আ করার জন্য পরিচয় জানা জরুরী নয়।
আবার দেখা যায় যে, অপরিচিত কেউ সালাম দিলে আমরা উত্তর দিতে সংকোচ বোধ করি। তখন মনে হয় যে, লোকটি সালাম দেয় কেন? কোন উদ্দেশ্য আছে নাকি? আমাদের পরিচিত এক মাদ্রাসার শেষ বর্ষের ছাত্র দুঃখ করে বলেছিলেন যে, "আমরা কাউকে সালাম দিলে অপর পক্ষ সালামের উত্তর দিতে উৎসাহবোধ করেন না, হ্যান্ডসেক করতে গড়িমসি করেন। তারা মনে করেন যে এই হুজুর প্রকৃতির লোকটি আবার কোন সাহায্য চাইবে নাতো?"
সালাম দেয়াটাকে অনেকেই ইসলামিক কালচার মনে করেন না, ভাবেন এটা সৌদি আরবের কালচার। যেমন অনেকে মনে করেন বোরকা পরাও সৌদি আরবের কালচার।
আমাদের মধ্যে একটি ভুল ধারণা বিদ্যমান আছে যে বড়রা সবসময় ছোটদের থেকে সালাম আশা করেন। যেমন, শিক্ষক আশা করেন ছাত্রদের থেকে, বাবা-মা আশা করেন সন্তানদের থেকে, ইমাম সাহেব আশা করেন মুসল্লিদের থেকে। কিন্তু সালাম হচ্ছে একে অপরের জন্য দু'আ যার অর্থ হচ্ছে "তোমার উপর শান্তি বর্ষিত হোক।" রসূল ﷺ -কে কখনো কেউ আগে সালাম দিতে পারতেন না এবং তিনি ছোটদেরকেও সালাম দিতেন।
ভুল সংশোধন : সালামকে বিকৃত করা যাবে না অর্থাৎ "স্লামুয়ালাইকুম" বলা যাবে না, কারণ এই বিকৃত সালামের কোন অর্থ হয় না। তাদেরকে বলতে হবে সম্পূর্ণ সালাম পরিষ্কারভাবে দিতে "আস্সালামু আলাইকুম”।
📄 'ইসলাম যা বলে আমরা তার উল্টোটা করি
গোপনে দান : ইসলাম বলে ডান হাত দিয়ে দান করলে বাম হাত যেন না জানে। কিন্তু আমরা চাই সবাই যেন জানে, কোন না কোনভাবে যেন দানটা প্রকাশ পায়।
সদাকার প্রকৃত সওয়াব : দানকারী দান করে মনে করে যে সে গরীবের অনেক উপকার করছে। আসলে গরীব সদাকা গ্রহণ করে সদাকারীর উপকার করেন। কারণ সদাকা গ্রহণকারী সদাকা গ্রহণ না করলে দানকারী আল্লাহর থেকে পুরষ্কার পেতো না।
দানের বিনিময়: ইসলাম বলে পুরষ্কার যে দান করে তার বিনিময়ে দান গ্রহণকারীর নিকট হতে কোন প্রকার প্রতিদান আশা করা যাবে না। দান হতে হবে শুধুমাত্র আল্লাহকে খুশি করার জন্য। কিন্তু দান করে দাতা কোন না কোনভাবে দান গ্রহীতার নিকট থেকে প্রশংসা, কৃতজ্ঞতা, সম্মান ইত্যাদি আশা করে।
দান করে খোঁটা না দেয়া: আল কুরআনের কড়া নির্দেশ হচ্ছে দান করে কাউকে খোঁটা দেয়া যাবে না। যেমন, তোমাকে তো আমি অনেক দিয়েছি, তোমার জন্য তো আমি অনেক করেছি। কিন্তু বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই আমরা গরীব আত্মীয়-স্বজনকে দান করে আবার খোঁটা দেই, তাদেরকে দানের কথা মনে করিয়ে দেই। এতে দানের ফযিলত বরকত নষ্ট হয়ে যায়।
হাজ্জ ফরয হিসেবে আদায়: সলাত-সিয়াম-যাকাতের মতো হাজ্জও একটি ফরয ইবাদত, সামর্থ্যবানদের জন্য এটি জীবনে একবার ফরয। কিন্তু হাজ্জ আদায় করার পর কোন না কোন ভাবে আমরা চাই লোকে আমাকে এখন আগের চেয়ে বেশী সম্মান করুক, বেশী পরহেজগার মনে করুক বা হাজী সাহেব বলে ডাকুক।
কুরবানী হতে হবে শুধু মাত্র আল্লাহর জন্য: পশু কুরবানী করতে হবে একমাত্র আল্লাহকে খুশি করার জন্য। মানুষকে দেখানোর জন্য এটা করা যাবে না। অনেকেই কুরবানী ঈদে কুরবানী নিয়ে এক প্রকার প্রতিযোগিতায় করেন, কে কত বড় গরু কুরবানী দিচ্ছে! কে কয়টি গরু কুরবানী দিচ্ছে! আমাদের সন্তানরা ছোট বেলা থেকে দেখছে কুরবানীর এই প্রতিযোগিতা এবং এভাবেই তারা এই ইবাদতটাকে পালন করতে দেখে আসছে।
বাবা-মায়ের প্রতি দায়িত্ব: বাবা-মা বৃদ্ধ হয়ে গেলে তাদেরকে এতো বেশী করে যত্ন করতে হবে যে তারা যেন উহ শব্দটিও না বলতে পারেন। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায় বাবা-মা বৃদ্ধ হয়ে গেলে তাদেরকে আমরা বোঝা মনে করি। সন্তানরা সবাই মিলে বৃদ্ধ বাবা-মাকে নিয়ে ঠেলা-ঠেলি করি যে কার কাছে থাকবে। আমাদের সন্তানরা দেখছে তাদের বাবা-মায়েরা তাদের দাদা-দাদী নানা-নানীদের সাথে কিরূপ আচরণ করছে। আর তাই একসময় আমাদের সন্তানরাও বড় হয়ে আমাদের সাথে সেরূপ আচরণ করে।
গীবত করা : গীবত করা একটি কবীরা গুনাহ এবং গীবত করা নিজ মরা ভাইয়ের মাংস খাওয়ার সমতুল্য। অথচ অন্যের গীবত করতে আমাদের খুবই মজা লাগে। যে কোন আড্ডায় অনুপস্থিত কোন ভাই বা বোনকে নিয়ে সমালোচনা করতে খুবই আনন্দ উপভোগ করি।
হিংসা করা : হিংসা করা কবীরা গুনাহ এবং যার অন্তরে তিল পরিমান হিংসা থাকবে সে জান্নাতে যেতে পারবে না। কিন্তু বাস্তবে অন্যের ভাল দেখলে সহ্য করতে পারি না। কেউ বাড়ি কিনলে, গাড়ী কিনলে, ভাল চাকুরী পেলে, সন্তানদের পরীক্ষায় ভাল রিজাল্ট দেখলে হিংসায় মরে যাই।
অন্যের প্রশংসা : অন্যের ভালোর জন্য দু'আ করতে হয় আরো ভাল করার জন্য প্রশংসা করতে হয়, উৎসাহ দিতে হয়। কিন্তু বাস্তবে অন্যের প্রশংসা শুনতেই পারি না, গা জ্বালা-পোড়া করে।
ভালটি অন্যের জন্য : ইসলাম বলে নিজের জন্য যা পছন্দ করবে অপর ভাইয়ের জন্যও তা পছন্দ করতে হবে। কিন্তু বাস্তবে যখন কোন কিছু কিনি তখন নিজের জন্য ভাল ভাল দেখে উৎকৃষ্টটা কিনি আর অপর ভাইয়ের জন্য উপহারস্বরূপ একটু কমদামী দেখে কিনি।
সত্য প্রকাশ করা : ইসলাম বলে সত্য বলা ফরয। কিন্তু বাস্তবে সত্য প্রকাশ করতে আমরা লজ্জা পাই। যেমন, আমি ছোট চাকুরী করি বা আমার ঢাকায় বাড়ি নেই বা আমার ডিগ্রি কম বা আমার শ্বশুর গরীব ইত্যাদি।
পর্দা করা ফরয : সলাত যেমন ফরয তেমনি নারীদের পর্দা করাও ফরয এবং তাদের সাজগোজ, রূপ-সৌন্দর্য্য পর পুরুষ থেকে ঢেকে রাখাও ফরয। কিন্তু প্রকৃত পক্ষে মেয়েরা সাধারণত সাজগোজ করে থাকে অন্যকে দেখানোর জন্য এবং রূপ-সৌন্দর্য্য প্রকাশ করে কোন অনুষ্ঠানে গেলে। খুব কম মেয়েই আছে যে শুধু স্বামীকে দেখানোর জন্য সাজগোজ করে।
📄 ভুল পন্থায় ঈদ উদযাপন ও রমাদানের পরের চিত্র
আমরা বিদায় জানাচ্ছি মহান রমাদানকে। এই তো বিদায় দিচ্ছি কুরআন তিলাওয়াত, তাকওয়ার অনুশীলন, ধৈর্য, রহমত, মাগফিরাত ও মুক্তি লাভের মুবারক মাসটিকে। তাহলে কি আমরা প্রকৃত তাকওয়া অর্জন করতে পেরেছি? যে ব্যক্তি মুবারক মাসটিতে নিজেকে সংশোধন করতে পারল না সে আর কখন নিজের জীবন গঠন করবে? মহান রমাদান এমন একটি মাস যাতে এ সময়টিকে পরিপূর্ণভাবে কাজে লাগিয়ে আমরা শরিয়ত-পরিপন্থী আচার-ব্যবহার পরিত্যাগ ও চরিত্র সংশোধন করে নিজেদের আমল ঠিক নিতে পারি। আল্লাহ বলেছেন: "নিশ্চয়ই আল্লাহ ঐ পর্যন্ত কোন জাতির পরিবর্তন করেন না, যতক্ষণ না তারা নিজেরা নিজেদেরকে পরিবর্তন করে নেয়।" (সূরা রা'দঃ ১১)
লক্ষ্যণীয় বিষয় হলো আমরা রমাদানে আল্লাহর সাথে যে ওয়াদা করেছি তা ভঙ্গ করার অনেক চিত্রই রমাদান শেষ হওয়ার সাথে সাথে সমাজে ফুটে উঠে। যেমন,
পুরো রমাদান মাস তারাবীহর (সুন্নত) সলাতে মুসল্লি দ্বারা মসজিদ পরিপূর্ণ থাকার পর অন্য মাসগুলোতে পাঁচ ওয়াক্ত ফরয সলাতে মুসল্লির সংখ্যা কমে যায়। তার মানে ফরযের চেয়ে সুন্নাতকে বেশী গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে তাই সুন্নাত সলাতে মসজিদ ভরে যাচ্ছে কিন্তু ফরয পাঁচ ওয়াক্ত সলাতে মাত্র এক-দুই কাতার পূর্ণ হচ্ছে!
সারা রমাদান মাস তাকওয়া অর্জন করে ঈদ উদযাপন করা হচ্ছে নাচ-গান ও সিনেমা এবং ইসলাম-বিরোধী কর্মকান্ড দিয়ে। ঘরে ঘরে নারীপুরুষের ফ্রী মিক্সিংয়ের মাধ্যমে ঘরোয়া পার্টি দিয়ে।
টিভি চ্যানেলগুলো সপ্তাহব্যাপী নানারকম অনুষ্ঠান প্রচার করে। এক চ্যানেলের সাথে অপর চ্যানেলের প্রতিযোগিতা, কে কত নাটক-সিনেমা-নাচ-গান, ফ্যাশন শো, ম্যাগাজিন ইত্যাদি দেখাতে পারে। সারা মাস রোযা রেখে চাঁদ রাত থেকেই মুসলিমরা টিভির সামনে রিমোট হাতে বসে যায় অনৈসলামী অনুষ্ঠান দেখতে। অথচ এই সকল টিভি চ্যানেলগুলিই রমাদান মাসে নানা ধরনের ইসলামিক প্রোগ্রাম দেখিয়েছে। সাহরীর সময় কুরআনের তাফসীর শুনিয়েছে, নানা ধরনের প্রশ্ন উত্তর প্রোগ্রাম দেখিয়েছে। এ কেমন double-standard নীতিমালা!
আমাদের দেশে দেখা যায় রমাদান মাসে জাঁকজমক করে পত্রিকায় এবং টিভিতে বিজ্ঞাপন দেয়া হয় যে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে এবার সারা দেশব্যাপী সিনেমা হলগুলোতে মুক্তি পাচ্ছে নাচেগানে মনমাতানো এবং প্রেমের ছবি। এই হচ্ছে একমাস তাকওয়া অর্জনের পর পবিত্র ঈদের উপহার।
• শুধু রমাদান মাসে পর্দা করা আর রমাদানের পরে ঈদের দিন থেকেই পর্দা ছেড়ে দেয়া। উদাহরণ স্বরূপ দেখা যায় আমাদের দেশে টিভিতে রমাদান মাস এলে মহিলারা খবর পড়ার সময় মাথায় কাপড় দেন আর ঈদের দিন থেকে মাথার কাপড় সরিয়ে নেন।
• এত বড় নিয়ামতের এটাই কি শোকর আদায়, এটাই কি আমল কবুল হওয়ার নিদর্শন? নিশ্চয়ই নয়। বরং এটা আমল কবুল না হওয়ার আলামত। কেননা প্রকৃত সিয়াম পালনকারী ঈদের দিন সিয়াম ছেড়ে দিয়ে আনন্দিত হবে এবং সিয়াম পূর্ণ করার তাওফীক পাওয়ার দরুন তার প্রতিপালকের প্রশংসা করবে, কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবে। সাথে সাথে এই ভয়ে কাঁদবে যে, না জানি আমার সিয়াম কবুল হয়নি। আমাদের পূর্বসূরীগণ রমাদানের পর ছয় মাস পর্যন্ত আল্লাহর দরবারে কেঁদে কেঁদে সিয়াম কবুল হওয়ার দু'আ করতেন। আমল কবول হওয়ার আলামত হল, পূর্ববর্তী অবস্থার চেয়ে বর্তমান অবস্থা উন্নত হওয়া। সত্যিকার মু'মিন বান্দা সর্বদাই আল্লাহর ইবাদত করবে। কোন নির্দিষ্ট মাস, জায়গা অথবা জাতির সাথে মিলে আমল করবে না।
• রমাদান মাসে আমরা সিয়ামরত অবস্থাতেই শপিং সেন্টারে গিয়ে প্রচুর অপচয়ের প্রতিযোগিতা করি। প্রয়োজনের চাইতে অধিক শপিং করছি। আমাদের সন্তানরাও ছোটবেলা হতেই এভাবে রমাদান মাসের ফযিলত হতে বঞ্চিত হচ্ছে এবং ওরাও বড় হয়ে সেগুলিই করছে যা আমরা করেছি。
📄 অনেক স্কুল-কলেজে মেয়েদের হিয়াব হিনিয়ে নেয়া হচ্ছে
• आजकल দেখা যাচ্ছে অনেক স্কুল-কলেজেই মেয়েদেরকে হিযাব পরতে দেয়া হয় না, বোরকা পরতে দেয়া হয় না। অনেক জায়গায়ই হিযাব পড়ার কারণে স্কুল-কলেজের কর্তৃপক্ষ ছাত্রীদেরকে স্কুল-কলেজ থেকে বের করে দিয়েছেন। এমনও ঘটনা ঘটেছে যে ছাত্রীরা ফুল হাতা জামা পড়ে স্কুলে যাওয়ার কারণে স্কুলের প্রিন্সিপাল ও কর্তৃপক্ষ কেচি দিয়ে ছাত্রীদের জামার হাতা কেটে দিয়েছেন। আমরা জানি যে স্কুল-কলেজ হচ্ছে চরিত্র গঠনের প্রতিষ্ঠান। একটি মুসলিম মেয়ের হিযাব হচ্ছে তার চরিত্রের একটি মূল্যবান অংশ। আর যে স্কুল-কলেজের প্রিন্সিপাল বা শিক্ষক-শিক্ষিকারা ছাত্রীদের চরিত্রের মূল্যবান অংশ পোশাক খুলে নেয় সেই জায়গাতো চরিত্র গঠনের জন্য নয় বরং চরিত্র হরণের জায়গা। তাই কুরআন-সুন্নাহ মতে ও ইসলামিক স্কলারদের মতে সেইসকল স্কুল-কলেজে মেয়েদের পড়ানো জায়েজ নেই। সন্তানদেরকে সেই সকল স্কুল-কলেজে পাঠনো ঠিক নয়। হতে পারে তাদের লেখা-পড়ার মান অনেক উন্নত। কিন্তু সন্তানের চরিত্রই যদি চলে যায় তাহলে আর ঐ উন্নতমানের পড়াশোনা দিয়ে কী হবে! যে স্কুল-কলেজ সন্তানদের চরিত্র গঠনের জন্য সহায়তা করে সেখানে পাঠাতে হবে। প্রয়োজনে নিজেদের এই ধরণের আরো অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
শিক্ষণীয় হিসেবে ভুক্তভুগী একজন ছাত্রীর বক্তব্য তুলে ধরা হলো। আমরা পত্রিকায় দেখেছি যে, ঢাকার উত্তরার একটি স্কুলের কর্তৃপক্ষ হিযাব পরিহিতা মেয়েদেরকে স্কুল থেকে বহিস্কার করে দিয়েছে। স্কুলের কর্তৃপক্ষের অভিযোগ যে মেয়েদেরকে হিযাব পড়তেই হবে কেন? তখন তাদের মধ্য থেকে একটি মেয়ে উত্তরে বলেছিল যে, "যে মহান আল্লাহ পাঁচ ওয়াক্ত সলাত আদায় ফরয করেছেন, তিনিই মেয়েদের জন্য পর্দা বা হিযাব ফরয করেছেন, যার হুকুম পালন করার জন্য আমরা পাঁচ ওয়াক্ত সলাত আদায় করি, তারই হুকুম পালন করার জন্য আমরা হিযাব পরি"। আমরা মুসলিমরা কি আমাদের সন্তানদের এভাবে গড়তে পারছি যেন আমাদের সন্তানরা সত্য কথা বলতে ভয় না পায়। যেভাবে এই মেয়েটি বলেছে?