📄 'ইসলাম পালন করাকে সংগ্রামী কর্মকান্ড ভাবা
ইসলাম সম্পর্কে আমাদের অজ্ঞতা এমনই বেড়ে গেছে যে, কোন বাবা- মা/আত্মীয়-স্বজন যদি তাদের কলেজ বা ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া ছেলের পড়ার টেবিলে কোন হাদীসের বই বা কুরআনের এক খন্ড তাফসীর দেখেন তাহলেই তারা খুবই চিন্তিত হয়ে পড়েন। তারা ভাবেন, আমার ছেলে এই বয়সে কুরআনের তাফসীর বা হাদীস গ্রন্থ পড়ছে কেন? সে কোন জঙ্গি দলের সাথে জড়িয়ে যায়নি তো!
বাবা-মায়েরা সন্তানদেরকে স্টুডেন্ট লাইফে কুরআন ও হাদীস পড়তে দেন না। তারা মনে করেন, এতে তার স্কুল-কলেজের পড়াশোনা নষ্ট হবে, সময় নষ্ট হবে। তাদের ভয়, হয়তো সে যোগ্য ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়র-ব্যরিষ্টার হতে পারবে না।
আমাদের এক আত্মীয় তিনি নিজে কুরআন-হাদীস পড়তেন কিন্তু তার কলেজে পড়ুয়া ছেলে মেয়েদের পড়তে দিতেন না, নিজের পড়া হয়ে গেলে ট্রাংকে ভরে রাখতেন। তিনি সন্তানদের বলতেন যে এগুলো এতো অল্প বয়সে পড়া ঠিক না, পড়লে ক্ষতি হতে পারে, জীবন ঐ দিকে ঝুঁকে পড়তে পারে। এগুলোর ভার এখন বইতে পারবে না। এতে ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টের ক্ষতি হবে। এখন জীবন গড়ার বয়স। তাহলে ভেবে দেখি যে, একজন নিজে কুরআন পড়ছেন অথচ তিনি নিজে এতোটা অজ্ঞ যে তার সন্তানদেরকে সেটা থেকে দূরে রাখছেন।
পত্র-পত্রিকায় দেখা যায় পুলিশ যখন কোন কারণে একটি মাদ্রাসা তল্লাশি করে তখন পত্রিকাগুলো বিশেষ হাইলাইট করে লিখে কিছু জিহাদী বই পাওয়া গেছে এবং বেশ কিছু কুরআনের কপি জব্দ করা হয়েছে। আজকাল আল্লাহর কিতাব যা আমাদের ভাল থাকার জন্য গাইড বুক হিসেবে আল্লাহ তা'আলা পাঠিয়েছেন তাও আমরা আইনের লোকেরা অফেন্স মনে করে তা জব্দ করছি!
জিহাদ শব্দটা তো আজ শুধু অমুসলিম নয় মুসলিমদের নিকটও জঘন্য ঘৃণায় পরিণত হয়েছে। অথচ জিহাদ কুরআনেরই একটি শব্দ যার অর্থ প্রচেষ্টা (কোন ভাল কাজে সাফল্যের জন্য প্রচেষ্টা)। আর আমরা মিডিয়ার বুদ্ধিজীবীরা তাকে ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে বানিয়েছি সন্ত্রাস, মারামারী, কাটাকাটি, বোমাবাজি বা Holy war!
ইসলাম সম্পর্কে আমাদের অজ্ঞতা এমনই বেড়ে গেছে যে, কোন বাবা- মা/আত্মীয়-স্বজন যদি তাদের কলেজ বা ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া ছেলের পড়ার টেবিলে কোন হাদীসের বই বা কুরআনের এক খন্ড তাফসীর দেখেন তাহলেই তারা খুবই চিন্তিত হয়ে পড়েন। তারা ভাবেন, আমার ছেলে এই বয়সে কুরআনের তাফসীর বা হাদীস গ্রন্থ পড়ছে কেন? সে কোন জঙ্গি দলের সাথে জড়িয়ে যায়নি তো!
বাবা-মায়েরা সন্তানদেরকে স্টুডেন্ট লাইফে কুরআন ও হাদীস পড়তে দেন না। তারা মনে করেন, এতে তার স্কুল-কলেজের পড়াশোনা নষ্ট হবে, সময় নষ্ট হবে। তাদের ভয়, হয়তো সে যোগ্য ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়র-ব্যরিষ্টার হতে পারবে না।
আমাদের এক আত্মীয় তিনি নিজে কুরআন-হাদীস পড়তেন কিন্তু তার কলেজে পড়ুয়া ছেলে মেয়েদের পড়তে দিতেন না, নিজের পড়া হয়ে গেলে ট্রাংকে ভরে রাখতেন। তিনি সন্তানদের বলতেন যে এগুলো এতো অল্প বয়সে পড়া ঠিক না, পড়লে ক্ষতি হতে পারে, জীবন ঐ দিকে ঝুঁকে পড়তে পারে। এগুলোর ভার এখন বইতে পারবে না। এতে ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টের ক্ষতি হবে। এখন জীবন গড়ার বয়স। তাহলে ভেবে দেখি যে, একজন নিজে কুরআন পড়ছেন অথচ তিনি নিজে এতোটা অজ্ঞ যে তার সন্তানদেরকে সেটা থেকে দূরে রাখছেন।
পত্র-পত্রিকায় দেখা যায় পুলিশ যখন কোন কারণে একটি মাদ্রাসা তল্লাশি করে তখন পত্রিকাগুলো বিশেষ হাইলাইট করে লিখে কিছু জিহাদী বই পাওয়া গেছে এবং বেশ কিছু কুরআনের কপি জব্দ করা হয়েছে। আজকাল আল্লাহর কিতাব যা আমাদের ভাল থাকার জন্য গাইড বুক হিসেবে আল্লাহ তা'আলা পাঠিয়েছেন তাও আমরা আইনের লোকেরা অফেন্স মনে করে তা জব্দ করছি!
জিহাদ শব্দটা তো আজ শুধু অমুসলিম নয় মুসলিমদের নিকটও জঘন্য ঘৃণায় পরিণত হয়েছে। অথচ জিহাদ কুরআনেরই একটি শব্দ যার অর্থ প্রচেষ্টা (কোন ভাল কাজে সাফল্যের জন্য প্রচেষ্টা)। আর আমরা মিডিয়ার বুদ্ধিজীবীরা তাকে ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে বানিয়েছি সন্ত্রাস, মারামারী, কাটাকাটি, বোমাবাজি বা Holy war!
ইসলাম সম্পর্কে আমাদের অজ্ঞতা এমনই বেড়ে গেছে যে, কোন বাবা- মা/আত্মীয়-স্বজন যদি তাদের কলেজ বা ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া ছেলের পড়ার টেবিলে কোন হাদীসের বই বা কুরআনের এক খন্ড তাফসীর দেখেন তাহলেই তারা খুবই চিন্তিত হয়ে পড়েন। তারা ভাবেন, আমার ছেলে এই বয়সে কুরআনের তাফসীর বা হাদীস গ্রন্থ পড়ছে কেন? সে কোন জঙ্গি দলের সাথে জড়িয়ে যায়নি তো!
বাবা-মায়েরা সন্তানদেরকে স্টুডেন্ট লাইফে কুরআন ও হাদীস পড়তে দেন না। তারা মনে করেন, এতে তার স্কুল-কলেজের পড়াশোনা নষ্ট হবে, সময় নষ্ট হবে। তাদের ভয়, হয়তো সে যোগ্য ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়র-ব্যরিষ্টার হতে পারবে না।
আমাদের এক আত্মীয় তিনি নিজে কুরআন-হাদীস পড়তেন কিন্তু তার কলেজে পড়ুয়া ছেলে মেয়েদের পড়তে দিতেন না, নিজের পড়া হয়ে গেলে ট্রাংকে ভরে রাখতেন। তিনি সন্তানদের বলতেন যে এগুলো এতো অল্প বয়সে পড়া ঠিক না, পড়লে ক্ষতি হতে পারে, জীবন ঐ দিকে ঝুঁকে পড়তে পারে। এগুলোর ভার এখন বইতে পারবে না। এতে ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টের ক্ষতি হবে। এখন জীবন গড়ার বয়স। তাহলে ভেবে দেখি যে, একজন নিজে কুরআন পড়ছেন অথচ তিনি নিজে এতোটা অজ্ঞ যে তার সন্তানদেরকে সেটা থেকে দূরে রাখছেন।
পত্র-পত্রিকায় দেখা যায় পুলিশ যখন কোন কারণে একটি মাদ্রাসা তল্লাশি করে তখন পত্রিকাগুলো বিশেষ হাইলাইট করে লিখে কিছু জিহাদী বই পাওয়া গেছে এবং বেশ কিছু কুরআনের কপি জব্দ করা হয়েছে। আজকাল আল্লাহর কিতাব যা আমাদের ভাল থাকার জন্য গাইড বুক হিসেবে আল্লাহ তা'আলা পাঠিয়েছেন তাও আমরা আইনের লোকেরা অফেন্স মনে করে তা জব্দ করছি!
জিহাদ শব্দটা তো আজ শুধু অমুসলিম নয় মুসলিমদের নিকটও জঘন্য ঘৃণায় পরিণত হয়েছে। অথচ জিহাদ কুরআনেরই একটি শব্দ যার অর্থ প্রচেষ্টা (কোন ভাল কাজে সাফল্যের জন্য প্রচেষ্টা)। আর আমরা মিডিয়ার বুদ্ধিজীবীরা তাকে ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে বানিয়েছি সন্ত্রাস, মারামারী, কাটাকাটি, বোমাবাজি বা Holy war!
ইসলাম সম্পর্কে আমাদের অজ্ঞতা এমনই বেড়ে গেছে যে, কোন বাবা- মা/আত্মীয়-স্বজন যদি তাদের কলেজ বা ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া ছেলের পড়ার টেবিলে কোন হাদীসের বই বা কুরআনের এক খন্ড তাফসীর দেখেন তাহলেই তারা খুবই চিন্তিত হয়ে পড়েন। তারা ভাবেন, আমার ছেলে এই বয়সে কুরআনের তাফসীর বা হাদীস গ্রন্থ পড়ছে কেন? সে কোন জঙ্গি দলের সাথে জড়িয়ে যায়নি তো!
বাবা-মায়েরা সন্তানদেরকে স্টুডেন্ট লাইফে কুরআন ও হাদীস পড়তে দেন না। তারা মনে করেন, এতে তার স্কুল-কলেজের পড়াশোনা নষ্ট হবে, সময় নষ্ট হবে। তাদের ভয়, হয়তো সে যোগ্য ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়র-ব্যরিষ্টার হতে পারবে না।
আমাদের এক আত্মীয় তিনি নিজে কুরআন-হাদীস পড়তেন কিন্তু তার কলেজে পড়ুয়া ছেলে মেয়েদের পড়তে দিতেন না, নিজের পড়া হয়ে গেলে ট্রাংকে ভরে রাখতেন। তিনি সন্তানদের বলতেন যে এগুলো এতো অল্প বয়সে পড়া ঠিক না, পড়লে ক্ষতি হতে পারে, জীবন ঐ দিকে ঝুঁকে পড়তে পারে। এগুলোর ভার এখন বইতে পারবে না। এতে ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টের ক্ষতি হবে। এখন জীবন গড়ার বয়স। তাহলে ভেবে দেখি যে, একজন নিজে কুরআন পড়ছেন অথচ তিনি নিজে এতোটা অজ্ঞ যে তার সন্তানদেরকে সেটা থেকে দূরে রাখছেন।
পত্র-পত্রিকায় দেখা যায় পুলিশ যখন কোন কারণে একটি মাদ্রাসা তল্লাশি করে তখন পত্রিকাগুলো বিশেষ হাইলাইট করে লিখে কিছু জিহাদী বই পাওয়া গেছে এবং বেশ কিছু কুরআনের কপি জব্দ করা হয়েছে। আজকাল আল্লাহর কিতাব যা আমাদের ভাল থাকার জন্য গাইড বুক হিসেবে আল্লাহ তা'আলা পাঠিয়েছেন তাও আমরা আইনের লোকেরা অফেন্স মনে করে তা জব্দ করছি!
জিহাদ শব্দটা তো আজ শুধু অমুসলিম নয় মুসলিমদের নিকটও জঘন্য ঘৃণায় পরিণত হয়েছে। অথচ জিহাদ কুরআনেরই একটি শব্দ যার অর্থ প্রচেষ্টা (কোন ভাল কাজে সাফল্যের জন্য প্রচেষ্টা)। আর আমরা মিডিয়ার বুদ্ধিজীবীরা তাকে ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে বানিয়েছি সন্ত্রাস, মারামারী, কাটাকাটি, বোমাবাজি বা Holy war!
ইসলাম সম্পর্কে আমাদের অজ্ঞতা এমনই বেড়ে গেছে যে, কোন বাবা- মা/আত্মীয়-স্বজন যদি তাদের কলেজ বা ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া ছেলের পড়ার টেবিলে কোন হাদীসের বই বা কুরআনের এক খন্ড তাফসীর দেখেন তাহলেই তারা খুবই চিন্তিত হয়ে পড়েন। তারা ভাবেন, আমার ছেলে এই বয়সে কুরআনের তাফসীর বা হাদীস গ্রন্থ পড়ছে কেন? সে কোন জঙ্গি দলের সাথে জড়িয়ে যায়নি তো!
বাবা-মায়েরা সন্তানদেরকে স্টুডেন্ট লাইফে কুরআন ও হাদীস পড়তে দেন না। তারা মনে করেন, এতে তার স্কুল-কলেজের পড়াশোনা নষ্ট হবে, সময় নষ্ট হবে। তাদের ভয়, হয়তো সে যোগ্য ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়র-ব্যরিষ্টার হতে পারবে না।
আমাদের এক আত্মীয় তিনি নিজে কুরআন-হাদীস পড়তেন কিন্তু তার কলেজে পড়ুয়া ছেলে মেয়েদের পড়তে দিতেন না, নিজের পড়া হয়ে গেলে ট্রাংকে ভরে রাখতেন। তিনি সন্তানদের বলতেন যে এগুলো এতো অল্প বয়সে পড়া ঠিক না, পড়লে ক্ষতি হতে পারে, জীবন ঐ দিকে ঝুঁকে পড়তে পারে। এগুলোর ভার এখন বইতে পারবে না। এতে ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টের ক্ষতি হবে। এখন জীবন গড়ার বয়স। তাহলে ভেবে দেখি যে, একজন নিজে কুরআন পড়ছেন অথচ তিনি নিজে এতোটা অজ্ঞ যে তার সন্তানদেরকে সেটা থেকে দূরে রাখছেন।
পত্র-পত্রিকায় দেখা যায় পুলিশ যখন কোন কারণে একটি মাদ্রাসা তল্লাশি করে তখন পত্রিকাগুলো বিশেষ হাইলাইট করে লিখে কিছু জিহাদী বই পাওয়া গেছে এবং বেশ কিছু কুরআনের কপি জব্দ করা হয়েছে। আজকাল আল্লাহর কিতাব যা আমাদের ভাল থাকার জন্য গাইড বুক হিসেবে আল্লাহ তা'আলা পাঠিয়েছেন তাও আমরা আইনের লোকেরা অফেন্স মনে করে তা জব্দ করছি!
জিহাদ শব্দটা তো আজ শুধু অমুসলিম নয় মুসলিমদের নিকটও জঘন্য ঘৃণায় পরিণত হয়েছে। অথচ জিহাদ কুরআনেরই একটি শব্দ যার অর্থ প্রচেষ্টা (কোন ভাল কাজে সাফল্যের জন্য প্রচেষ্টা)। আর আমরা মিডিয়ার বুদ্ধিজীবীরা তাকে ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে বানিয়েছি সন্ত্রাস, মারামারী, কাটাকাটি, বোমাবাজি বা Holy war!
ইসলাম সম্পর্কে আমাদের অজ্ঞতা এমনই বেড়ে গেছে যে, কোন বাবা- মা/আত্মীয়-স্বজন যদি তাদের কলেজ বা ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া ছেলের পড়ার টেবিলে কোন হাদীসের বই বা কুরআনের এক খন্ড তাফসীর দেখেন তাহলেই তারা খুবই চিন্তিত হয়ে পড়েন। তারা ভাবেন, আমার ছেলে এই বয়সে কুরআনের তাফসীর বা হাদীস গ্রন্থ পড়ছে কেন? সে কোন জঙ্গি দলের সাথে জড়িয়ে যায়নি তো!
বাবা-মায়েরা সন্তানদেরকে স্টুডেন্ট লাইফে কুরআন ও হাদীস পড়তে দেন না। তারা মনে করেন, এতে তার স্কুল-কলেজের পড়াশোনা নষ্ট হবে, সময় নষ্ট হবে। তাদের ভয়, হয়তো সে যোগ্য ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়র-ব্যরিষ্টার হতে পারবে না।
আমাদের এক আত্মীয় তিনি নিজে কুরআন-হাদীস পড়তেন কিন্তু তার কলেজে পড়ুয়া ছেলে মেয়েদের পড়তে দিতেন না, নিজের পড়া হয়ে গেলে ট্রাংকে ভরে রাখতেন। তিনি সন্তানদের বলতেন যে এগুলো এতো অল্প বয়সে পড়া ঠিক না, পড়লে ক্ষতি হতে পারে, জীবন ঐ দিকে ঝুঁকে পড়তে পারে। এগুলোর ভার এখন বইতে পারবে না। এতে ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টের ক্ষতি হবে। এখন জীবন গড়ার বয়স। তাহলে ভেবে দেখি যে, একজন নিজে কুরআন পড়ছেন অথচ তিনি নিজে এতোটা অজ্ঞ যে তার সন্তানদেরকে সেটা থেকে দূরে রাখছেন।
পত্র-পত্রিকায় দেখা যায় পুলিশ যখন কোন কারণে একটি মাদ্রাসা তল্লাশি করে তখন পত্রিকাগুলো বিশেষ হাইলাইট করে লিখে কিছু জিহাদী বই পাওয়া গেছে এবং বেশ কিছু কুরআনের কপি জব্দ করা হয়েছে। আজকাল আল্লাহর কিতাব যা আমাদের ভাল থাকার জন্য গাইড বুক হিসেবে আল্লাহ তা'আলা পাঠিয়েছেন তাও আমরা আইনের লোকেরা অফেন্স মনে করে তা জব্দ করছি!
জিহাদ শব্দটা তো আজ শুধু অমুসলিম নয় মুসলিমদের নিকটও জঘন্য ঘৃণায় পরিণত হয়েছে। অথচ জিহাদ কুরআনেরই একটি শব্দ যার অর্থ প্রচেষ্টা (কোন ভাল কাজে সাফল্যের জন্য প্রচেষ্টা)। আর আমরা মিডিয়ার বুদ্ধিজীবীরা তাকে ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে বানিয়েছি সন্ত্রাস, মারামারী, কাটাকাটি, বোমাবাজি বা Holy war!
📄 আলেমদের নিয়ে ভুল ধারণা
অনেকের অভিযোগ আলেমরা কেন রাষ্ট্র ব্যবস্থা নিয়ে কথা বলবে? দেশ নিয়ে ভাবার অধিকার আলেমদের কে দিল? আমরা যদি ইতিহাস দেখি, দেশ ও ধর্মের পক্ষে কথা বলার জন্য মুসলিমরা কারো কাছ থেকে অনুমতি নেয় না। এটা তার ঈমানী দায়বদ্ধতা। সে দায়বদ্ধতা থেকেই শুরু হয় যালিম শাসকের বিরুদ্ধে ঈমানদারের প্রতিবাদ। যে মু'মিনের জীবনে যুলুমের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ নেই, তার অন্তরে কোন ঈমানই নেই। এজন্যই প্রাথমিক কালের মুসলিমদের প্রত্যেকেই ছিলেন মুজাহিদ। প্রায় প্রতি ঘরে ঘরে শহীদের জন্ম হয়েছে। মু'মিনের দায়বদ্ধতা শুধু ইসলামের পক্ষে কথা বলা নয়, বরং যালিমের বিরুদ্ধে সর্বশক্তি দিয়ে সংগ্রাম করা। অন্যায়ের প্রতিবাদে যালিমের বিরুদ্ধে এই সংগ্রামে কেউ যদি সামান্যতম অবহেলা করে তাহলে সে ব্যক্তি আর মুসলিম থাকে না। প্রকৃত মুসলিম তাই শুধু নামায-রোযা বা হাজ্জ-যাকাত পালন করে না। বরং ইসলামের বিপক্ষ শক্তির পূর্ণ পরাজয় ও ইসলামের শরিয়তি হুকুমের পূর্ণ প্রতিষ্ঠার কাজে জান-মালেরও পূর্ণ বিনিয়োগ করে। এই আপোষহীন প্রচেষ্টার মাধ্যমেই তাঁর ঈমানী পরিচয় পাওয়া যায়।
অনেকেই ইমামদের রাজনৈতিক বয়ান বা ভাষণেও আপত্তি তোলেন। তাদের দাবী হলো দেশের সমস্ত খারাপ লোক (ঘুষখোর, মদখোর, সুদখোর, ব্যাভিচারি, বিদেশের দালাল) রাজনীতি করতে পারবে, কিন্তু ইসলামের স্তম্ভ মসজিদের ইমামের রাজনীতি করার কোন অধিকার থাকতে পারে না।
অথচ ইসলামের মহান নাবী শুধু নামায-কালাম, হাজ্জ-যাকাত শিখিয়ে যাননি, তিনি রাজনীতি, প্রশাসন, সমাজনীতি, শিক্ষা-সংস্কৃতি, আইন-আদালত, ব্যবসা-বানিজ্য, পররাষ্ট্রনীতি ও সমরনীতি শিখিয়ে গেছেন। তিনি মানবজাতির জন্য সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ আদর্শ কুরআনের ভাষায় 'উসওয়াতুন হাসানা'। তিনি মহান আল্লাহর পরিকল্পনা অনুযায়ী অনুকরণীয় আদর্শ রেখে গেছেন কর্মজীবনের প্রতিটি অঙ্গনে। সেটি না হলে তাঁর নবুয়তই অপূর্ণাঙ্গ থেকে যেত। তাছাড়া জীবনের প্রতিক্ষেত্রে তিনি যদি কোন আদর্শই রেখে না যান তবে তিনি কি উসওয়াতুন হাসানা তথা সর্বশ্রেষ্ঠ আদর্শ হওয়ার মর্যাদা রাখেন? মু'মিনের দায়িত্ব হলো তাঁর জীবনের পথচলার প্রতি কর্মে নাবী মুহাম্মাদ ﷺ-এর আদর্শ খোঁজা এবং তা অনুসরণ করা। মদীনার ১০ বছরের জীবনের তিনি ছিলেন পুরাপুরি একজন রাষ্ট্রনায়ক। ছিলেন প্রশাসক ও জেনারেল। ছিলেন রাষ্ট্রের প্রধান বিচারপতি। বহুমুখী সে কাজের জন্য কি তাঁর কোন সেনা নিবাস, সেক্রেটারিয়েট, থানা-পুলিশ বা কোর্ট বিল্ডিং ছিল? সবকিছুর কেন্দ্র ছিল মসজিদে নববী।
অনেকের অভিযোগ আলেমরা কেন রাষ্ট্র ব্যবস্থা নিয়ে কথা বলবে? দেশ নিয়ে ভাবার অধিকার আলেমদের কে দিল? আমরা যদি ইতিহাস দেখি, দেশ ও ধর্মের পক্ষে কথা বলার জন্য মুসলিমরা কারো কাছ থেকে অনুমতি নেয় না। এটা তার ঈমানী দায়বদ্ধতা। সে দায়বদ্ধতা থেকেই শুরু হয় যালিম শাসকের বিরুদ্ধে ঈমানদারের প্রতিবাদ। যে মু'মিনের জীবনে যুলুমের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ নেই, তার অন্তরে কোন ঈমানই নেই। এজন্যই প্রাথমিক কালের মুসলিমদের প্রত্যেকেই ছিলেন মুজাহিদ। প্রায় প্রতি ঘরে ঘরে শহীদের জন্ম হয়েছে। মু'মিনের দায়বদ্ধতা শুধু ইসলামের পক্ষে কথা বলা নয়, বরং যালিমের বিরুদ্ধে সর্বশক্তি দিয়ে সংগ্রাম করা। অন্যায়ের প্রতিবাদে যালিমের বিরুদ্ধে এই সংগ্রামে কেউ যদি সামান্যতম অবহেলা করে তাহলে সে ব্যক্তি আর মুসলিম থাকে না। প্রকৃত মুসলিম তাই শুধু নামায-রোযা বা হাজ্জ-যাকাত পালন করে না। বরং ইসলামের বিপক্ষ শক্তির পূর্ণ পরাজয় ও ইসলামের শরিয়তি হুকুমের পূর্ণ প্রতিষ্ঠার কাজে জান-মালেরও পূর্ণ বিনিয়োগ করে। এই আপোষহীন প্রচেষ্টার মাধ্যমেই তাঁর ঈমানী পরিচয় পাওয়া যায়।
অনেকেই ইমামদের রাজনৈতিক বয়ান বা ভাষণেও আপত্তি তোলেন। তাদের দাবী হলো দেশের সমস্ত খারাপ লোক (ঘুষখোর, মদখোর, সুদখোর, ব্যাভিচারি, বিদেশের দালাল) রাজনীতি করতে পারবে, কিন্তু ইসলামের স্তম্ভ মসজিদের ইমামের রাজনীতি করার কোন অধিকার থাকতে পারে না।
অথচ ইসলামের মহান নাবী শুধু নামায-কালাম, হাজ্জ-যাকাত শিখিয়ে যাননি, তিনি রাজনীতি, প্রশাসন, সমাজনীতি, শিক্ষা-সংস্কৃতি, আইন-আদালত, ব্যবসা-বানিজ্য, পররাষ্ট্রনীতি ও সমরনীতি শিখিয়ে গেছেন। তিনি মানবজাতির জন্য সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ আদর্শ কুরআনের ভাষায় 'উসওয়াতুন হাসানা'। তিনি মহান আল্লাহর পরিকল্পনা অনুযায়ী অনুকরণীয় আদর্শ রেখে গেছেন কর্মজীবনের প্রতিটি অঙ্গনে। সেটি না হলে তাঁর নবুয়তই অপূর্ণাঙ্গ থেকে যেত। তাছাড়া জীবনের প্রতিক্ষেত্রে তিনি যদি কোন আদর্শই রেখে না যান তবে তিনি কি উসওয়াতুন হাসানা তথা সর্বশ্রেষ্ঠ আদর্শ হওয়ার মর্যাদা রাখেন? মু'মিনের দায়িত্ব হলো তাঁর জীবনের পথচলার প্রতি কর্মে নাবী মুহাম্মাদ ﷺ-এর আদর্শ খোঁজা এবং তা অনুসরণ করা। মদীনার ১০ বছরের জীবনের তিনি ছিলেন পুরাপুরি একজন রাষ্ট্রনায়ক। ছিলেন প্রশাসক ও জেনারেল। ছিলেন রাষ্ট্রের প্রধান বিচারপতি। বহুমুখী সে কাজের জন্য কি তাঁর কোন সেনা নিবাস, সেক্রেটারিয়েট, থানা-পুলিশ বা কোর্ট বিল্ডিং ছিল? সবকিছুর কেন্দ্র ছিল মসজিদে নববী।
অনেকের অভিযোগ আলেমরা কেন রাষ্ট্র ব্যবস্থা নিয়ে কথা বলবে? দেশ নিয়ে ভাবার অধিকার আলেমদের কে দিল? আমরা যদি ইতিহাস দেখি, দেশ ও ধর্মের পক্ষে কথা বলার জন্য মুসলিমরা কারো কাছ থেকে অনুমতি নেয় না। এটা তার ঈমানী দায়বদ্ধতা। সে দায়বদ্ধতা থেকেই শুরু হয় যালিম শাসকের বিরুদ্ধে ঈমানদারের প্রতিবাদ। যে মু'মিনের জীবনে যুলুমের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ নেই, তার অন্তরে কোন ঈমানই নেই। এজন্যই প্রাথমিক কালের মুসলিমদের প্রত্যেকেই ছিলেন মুজাহিদ। প্রায় প্রতি ঘরে ঘরে শহীদের জন্ম হয়েছে। মু'মিনের দায়বদ্ধতা শুধু ইসলামের পক্ষে কথা বলা নয়, বরং যালিমের বিরুদ্ধে সর্বশক্তি দিয়ে সংগ্রাম করা। অন্যায়ের প্রতিবাদে যালিমের বিরুদ্ধে এই সংগ্রামে কেউ যদি সামান্যতম অবহেলা করে তাহলে সে ব্যক্তি আর মুসলিম থাকে না। প্রকৃত মুসলিম তাই শুধু নামায-রোযা বা হাজ্জ-যাকাত পালন করে না। বরং ইসলামের বিপক্ষ শক্তির পূর্ণ পরাজয় ও ইসলামের শরিয়তি হুকুমের পূর্ণ প্রতিষ্ঠার কাজে জান-মালেরও পূর্ণ বিনিয়োগ করে। এই আপোষহীন প্রচেষ্টার মাধ্যমেই তাঁর ঈমানী পরিচয় পাওয়া যায়।
অনেকেই ইমামদের রাজনৈতিক বয়ান বা ভাষণেও আপত্তি তোলেন। তাদের দাবী হলো দেশের সমস্ত খারাপ লোক (ঘুষখোর, মদখোর, সুদখোর, ব্যাভিচারি, বিদেশের দালাল) রাজনীতি করতে পারবে, কিন্তু ইসলামের স্তম্ভ মসজিদের ইমামের রাজনীতি করার কোন অধিকার থাকতে পারে না।
অথচ ইসলামের মহান নাবী শুধু নামায-কালাম, হাজ্জ-যাকাত শিখিয়ে যাননি, তিনি রাজনীতি, প্রশাসন, সমাজনীতি, শিক্ষা-সংস্কৃতি, আইন-আদালত, ব্যবসা-বানিজ্য, পররাষ্ট্রনীতি ও সমরনীতি শিখিয়ে গেছেন। তিনি মানবজাতির জন্য সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ আদর্শ কুরআনের ভাষায় 'উসওয়াতুন হাসানা'। তিনি মহান আল্লাহর পরিকল্পনা অনুযায়ী অনুকরণীয় আদর্শ রেখে গেছেন কর্মজীবনের প্রতিটি অঙ্গনে। সেটি না হলে তাঁর নবুয়তই অপূর্ণাঙ্গ থেকে যেত। তাছাড়া জীবনের প্রতিক্ষেত্রে তিনি যদি কোন আদর্শই রেখে না যান তবে তিনি কি উসওয়াতুন হাসানা তথা সর্বশ্রেষ্ঠ আদর্শ হওয়ার মর্যাদা রাখেন? মু'মিনের দায়িত্ব হলো তাঁর জীবনের পথচলার প্রতি কর্মে নাবী মুহাম্মাদ ﷺ-এর আদর্শ খোঁজা এবং তা অনুসরণ করা। মদীনার ১০ বছরের জীবনের তিনি ছিলেন পুরাপুরি একজন রাষ্ট্রনায়ক। ছিলেন প্রশাসক ও জেনারেল। ছিলেন রাষ্ট্রের প্রধান বিচারপতি। বহুমুখী সে কাজের জন্য কি তাঁর কোন সেনা নিবাস, সেক্রেটারিয়েট, থানা-পুলিশ বা কোর্ট বিল্ডিং ছিল? সবকিছুর কেন্দ্র ছিল মসজিদে নববী।
অনেকের অভিযোগ আলেমরা কেন রাষ্ট্র ব্যবস্থা নিয়ে কথা বলবে? দেশ নিয়ে ভাবার অধিকার আলেমদের কে দিল? আমরা যদি ইতিহাস দেখি, দেশ ও ধর্মের পক্ষে কথা বলার জন্য মুসলিমরা কারো কাছ থেকে অনুমতি নেয় না। এটা তার ঈমানী দায়বদ্ধতা। সে দায়বদ্ধতা থেকেই শুরু হয় যালিম শাসকের বিরুদ্ধে ঈমানদারের প্রতিবাদ। যে মু'মিনের জীবনে যুলুমের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ নেই, তার অন্তরে কোন ঈমানই নেই। এজন্যই প্রাথমিক কালের মুসলিমদের প্রত্যেকেই ছিলেন মুজাহিদ। প্রায় প্রতি ঘরে ঘরে শহীদের জন্ম হয়েছে। মু'মিনের দায়বদ্ধতা শুধু ইসলামের পক্ষে কথা বলা নয়, বরং যালিমের বিরুদ্ধে সর্বশক্তি দিয়ে সংগ্রাম করা। অন্যায়ের প্রতিবাদে যালিমের বিরুদ্ধে এই সংগ্রামে কেউ যদি সামান্যতম অবহেলা করে তাহলে সে ব্যক্তি আর মুসলিম থাকে না। প্রকৃত মুসলিম তাই শুধু নামায-রোযা বা হাজ্জ-যাকাত পালন করে না। বরং ইসলামের বিপক্ষ শক্তির পূর্ণ পরাজয় ও ইসলামের শরিয়তি হুকুমের পূর্ণ প্রতিষ্ঠার কাজে জান-মালেরও পূর্ণ বিনিয়োগ করে। এই আপোষহীন প্রচেষ্টার মাধ্যমেই তাঁর ঈমানী পরিচয় পাওয়া যায়।
অনেকেই ইমামদের রাজনৈতিক বয়ান বা ভাষণেও আপত্তি তোলেন। তাদের দাবী হলো দেশের সমস্ত খারাপ লোক (ঘুষখোর, মদখোর, সুদখোর, ব্যাভিচারি, বিদেশের দালাল) রাজনীতি করতে পারবে, কিন্তু ইসলামের স্তম্ভ মসজিদের ইমামের রাজনীতি করার কোন অধিকার থাকতে পারে না।
অথচ ইসলামের মহান নাবী শুধু নামায-কালাম, হাজ্জ-যাকাত শিখিয়ে যাননি, তিনি রাজনীতি, প্রশাসন, সমাজনীতি, শিক্ষা-সংস্কৃতি, আইন-আদালত, ব্যবসা-বানিজ্য, পররাষ্ট্রনীতি ও সমরনীতি শিখিয়ে গেছেন। তিনি মানবজাতির জন্য সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ আদর্শ কুরআনের ভাষায় 'উসওয়াতুন হাসানা'। তিনি মহান আল্লাহর পরিকল্পনা অনুযায়ী অনুকরণীয় আদর্শ রেখে গেছেন কর্মজীবনের প্রতিটি অঙ্গনে। সেটি না হলে তাঁর নবুয়তই অপূর্ণাঙ্গ থেকে যেত। তাছাড়া জীবনের প্রতিক্ষেত্রে তিনি যদি কোন আদর্শই রেখে না যান তবে তিনি কি উসওয়াতুন হাসানা তথা সর্বশ্রেষ্ঠ আদর্শ হওয়ার মর্যাদা রাখেন? মু'মিনের দায়িত্ব হলো তাঁর জীবনের পথচলার প্রতি কর্মে নাবী মুহাম্মাদ ﷺ-এর আদর্শ খোঁজা এবং তা অনুসরণ করা। মদীনার ১০ বছরের জীবনের তিনি ছিলেন পুরাপুরি একজন রাষ্ট্রনায়ক। ছিলেন প্রশাসক ও জেনারেল। ছিলেন রাষ্ট্রের প্রধান বিচারপতি। বহুমুখী সে কাজের জন্য কি তাঁর কোন সেনা নিবাস, সেক্রেটারিয়েট, থানা-পুলিশ বা কোর্ট বিল্ডিং ছিল? সবকিছুর কেন্দ্র ছিল মসজিদে নববী।
অনেকের অভিযোগ আলেমরা কেন রাষ্ট্র ব্যবস্থা নিয়ে কথা বলবে? দেশ নিয়ে ভাবার অধিকার আলেমদের কে দিল? আমরা যদি ইতিহাস দেখি, দেশ ও ধর্মের পক্ষে কথা বলার জন্য মুসলিমরা কারো কাছ থেকে অনুমতি নেয় না। এটা তার ঈমানী দায়বদ্ধতা। সে দায়বদ্ধতা থেকেই শুরু হয় যালিম শাসকের বিরুদ্ধে ঈমানদারের প্রতিবাদ। যে মু'মিনের জীবনে যুলুমের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ নেই, তার অন্তরে কোন ঈমানই নেই। এজন্যই প্রাথমিক কালের মুসলিমদের প্রত্যেকেই ছিলেন মুজাহিদ। প্রায় প্রতি ঘরে ঘরে শহীদের জন্ম হয়েছে। মু'মিনের দায়বদ্ধতা শুধু ইসলামের পক্ষে কথা বলা নয়, বরং যালিমের বিরুদ্ধে সর্বশক্তি দিয়ে সংগ্রাম করা। অন্যায়ের প্রতিবাদে যালিমের বিরুদ্ধে এই সংগ্রামে কেউ যদি সামান্যতম অবহেলা করে তাহলে সে ব্যক্তি আর মুসলিম থাকে না। প্রকৃত মুসলিম তাই শুধু নামায-রোযা বা হাজ্জ-যাকাত পালন করে না। বরং ইসলামের বিপক্ষ শক্তির পূর্ণ পরাজয় ও ইসলামের শরিয়তি হুকুমের পূর্ণ প্রতিষ্ঠার কাজে জান-মালেরও পূর্ণ বিনিয়োগ করে। এই আপোষহীন প্রচেষ্টার মাধ্যমেই তাঁর ঈমানী পরিচয় পাওয়া যায়।
অনেকেই ইমামদের রাজনৈতিক বয়ান বা ভাষণেও আপত্তি তোলেন। তাদের দাবী হলো দেশের সমস্ত খারাপ লোক (ঘুষখোর, মদখোর, সুদখোর, ব্যাভিচারি, বিদেশের দালাল) রাজনীতি করতে পারবে, কিন্তু ইসলামের স্তম্ভ মসজিদের ইমামের রাজনীতি করার কোন অধিকার থাকতে পারে না।
অথচ ইসলামের মহান নাবী শুধু নামায-কালাম, হাজ্জ-যাকাত শিখিয়ে যাননি, তিনি রাজনীতি, প্রশাসন, সমাজনীতি, শিক্ষা-সংস্কৃতি, আইন-আদালত, ব্যবসা-বানিজ্য, পররাষ্ট্রনীতি ও সমরনীতি শিখিয়ে গেছেন। তিনি মানবজাতির জন্য সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ আদর্শ কুরআনের ভাষায় 'উসওয়াতুন হাসানা'। তিনি মহান আল্লাহর পরিকল্পনা অনুযায়ী অনুকরণীয় আদর্শ রেখে গেছেন কর্মজীবনের প্রতিটি অঙ্গনে। সেটি না হলে তাঁর নবুয়তই অপূর্ণাঙ্গ থেকে যেত। তাছাড়া জীবনের প্রতিক্ষেত্রে তিনি যদি কোন আদর্শই রেখে না যান তবে তিনি কি উসওয়াতুন হাসানা তথা সর্বশ্রেষ্ঠ আদর্শ হওয়ার মর্যাদা রাখেন? মু'মিনের দায়িত্ব হলো তাঁর জীবনের পথচলার প্রতি কর্মে নাবী মুহাম্মাদ ﷺ-এর আদর্শ খোঁজা এবং তা অনুসরণ করা। মদীনার ১০ বছরের জীবনের তিনি ছিলেন পুরাপুরি একজন রাষ্ট্রনায়ক। ছিলেন প্রশাসক ও জেনারেল। ছিলেন রাষ্ট্রের প্রধান বিচারপতি। বহুমুখী সে কাজের জন্য কি তাঁর কোন সেনা নিবাস, সেক্রেটারিয়েট, থানা-পুলিশ বা কোর্ট বিল্ডিং ছিল? সবকিছুর কেন্দ্র ছিল মসজিদে নববী।
অনেকের অভিযোগ আলেমরা কেন রাষ্ট্র ব্যবস্থা নিয়ে কথা বলবে? দেশ নিয়ে ভাবার অধিকার আলেমদের কে দিল? আমরা যদি ইতিহাস দেখি, দেশ ও ধর্মের পক্ষে কথা বলার জন্য মুসলিমরা কারো কাছ থেকে অনুমতি নেয় না। এটা তার ঈমানী দায়বদ্ধতা। সে দায়বদ্ধতা থেকেই শুরু হয় যালিম শাসকের বিরুদ্ধে ঈমানদারের প্রতিবাদ। যে মু'মিনের জীবনে যুলুমের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ নেই, তার অন্তরে কোন ঈমানই নেই। এজন্যই প্রাথমিক কালের মুসলিমদের প্রত্যেকেই ছিলেন মুজাহিদ। প্রায় প্রতি ঘরে ঘরে শহীদের জন্ম হয়েছে। মু'মিনের দায়বদ্ধতা শুধু ইসলামের পক্ষে কথা বলা নয়, বরং যালিমের বিরুদ্ধে সর্বশক্তি দিয়ে সংগ্রাম করা। অন্যায়ের প্রতিবাদে যালিমের বিরুদ্ধে এই সংগ্রামে কেউ যদি সামান্যতম অবহেলা করে তাহলে সে ব্যক্তি আর মুসলিম থাকে না। প্রকৃত মুসলিম তাই শুধু নামায-রোযা বা হাজ্জ-যাকাত পালন করে না। বরং ইসলামের বিপক্ষ শক্তির পূর্ণ পরাজয় ও ইসলামের শরিয়তি হুকুমের পূর্ণ প্রতিষ্ঠার কাজে জান-মালেরও পূর্ণ বিনিয়োগ করে। এই আপোষহীন প্রচেষ্টার মাধ্যমেই তাঁর ঈমানী পরিচয় পাওয়া যায়।
অনেকেই ইমামদের রাজনৈতিক বয়ান বা ভাষণেও আপত্তি তোলেন। তাদের দাবী হলো দেশের সমস্ত খারাপ লোক (ঘুষখোর, মদখোর, সুদখোর, ব্যাভিচারি, বিদেশের দালাল) রাজনীতি করতে পারবে, কিন্তু ইসলামের স্তম্ভ মসজিদের ইমামের রাজনীতি করার কোন অধিকার থাকতে পারে না।
অথচ ইসলামের মহান নাবী শুধু নামায-কালাম, হাজ্জ-যাকাত শিখিয়ে যাননি, তিনি রাজনীতি, প্রশাসন, সমাজনীতি, শিক্ষা-সংস্কৃতি, আইন-আদালত, ব্যবসা-বানিজ্য, পররাষ্ট্রনীতি ও সমরনীতি শিখিয়ে গেছেন। তিনি মানবজাতির জন্য সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ আদর্শ কুরআনের ভাষায় 'উসওয়াতুন হাসানা'। তিনি মহান আল্লাহর পরিকল্পনা অনুযায়ী অনুকরণীয় আদর্শ রেখে গেছেন কর্মজীবনের প্রতিটি অঙ্গনে। সেটি না হলে তাঁর নবুয়তই অপূর্ণাঙ্গ থেকে যেত। তাছাড়া জীবনের প্রতিক্ষেত্রে তিনি যদি কোন আদর্শই রেখে না যান তবে তিনি কি উসওয়াতুন হাসানা তথা সর্বশ্রেষ্ঠ আদর্শ হওয়ার মর্যাদা রাখেন? মু'মিনের দায়িত্ব হলো তাঁর জীবনের পথচলার প্রতি কর্মে নাবী মুহাম্মাদ ﷺ-এর আদর্শ খোঁজা এবং তা অনুসরণ করা। মদীনার ১০ বছরের জীবনের তিনি ছিলেন পুরাপুরি একজন রাষ্ট্রনায়ক। ছিলেন প্রশাসক ও জেনারেল। ছিলেন রাষ্ট্রের প্রধান বিচারপতি। বহুমুখী সে কাজের জন্য কি তাঁর কোন সেনা নিবাস, সেক্রেটারিয়েট, থানা-পুলিশ বা কোর্ট বিল্ডিং ছিল? সবকিছুর কেন্দ্র ছিল মসজিদে নববী।
📄 স্তবস্তুতিকে নিয়ে নানা রকম কান্ড
অনেকে জীবিত অবস্থায় ঠিক মতো ধর্ম-কর্ম পালন করেন না, বরং ধর্ম-কর্ম নিয়ে নানারকম বিপরীত লেখালেখি করেন, নানারকম আজেবাজে মন্তব্য করেন। যে নাকি জীবিত অবস্থায় এক ওয়াক্তও নামায পড়তো না কিন্তু দেখা যায় যে তার মৃত্যুর পর তার ভক্তরা এবং তার আত্মীয়-স্বজনরা তার জানাজার নামায নিয়ে ব্যস্ত হয়ে যায়, তাকে মসজিদের পাশে কবর দেয়ার জন্য হৈ-হুল্লা করে।
মৃত ব্যক্তির মৃতদেহ কবরে রাখার সময় আমরা বলি “বিসমিল্লাহি ওয়া ‘আলা সুন্নাতি রসূলিল্লাহি” অর্থঃ (আমরা এই মৃতদেহ) আল্লাহর নামে এবং রসূল ﷺ-এর আদর্শের উপর রাখছি। অথচ এই লোকটি জীবিত থাকা অবস্থায় সারাজীবন আল্লাহর বিরোধীতা করেছে, ইসলামের বিরোধীতা করেছে, রসূল ﷺ-এর আদর্শের বিরোধীতা করেছে। তার মৃত্যুর পর আমরা তার লাশকে কবরের মধ্যে রেখে যাচ্ছি আল্লাহ এবং রসূল ﷺ-এর আদর্শের উপর। বিষয়টি গভীরভাবে ভেবে দেখার।
📄 মৃত্যুর পর ইসলামের ব্যবহার
আমাদের দেশের অবস্থা দেখে মনে হয় মানুষের মৃত্যুর পরই ইসলামের ব্যবহার বেশী হয়, যদিও ইসলাম এসেছে জীবিতদের জন্য। মৃতদের ঘিরে আমরা যেসকল কাজগুলো করি এর মধ্যে আবার অনেক কাজই ইসলামের অংশ নয়। যেমন:
কোন আত্মীয় মারা গেলে হুজুর ভাড়া করে এনে নানা রকম খতম পড়ানো যেমন: জালালী খতম, সবীনা খতম ইত্যাদি। বা কেউ মৃত্যুশয্যায় থাকলে তার শিয়রে বসে সূরা ইয়াসিন পড়া, অনেকে মিলে সোয়া লক্ষবার খতমে ইউনুস পড়া, খতমে খাজেকান পড়া।
তারপর লাশ কাফন-দাফন করানো, টুপি না থাকলেও পকেটের রুমাল মাথায় বেধে টুপির কাজ চালিয়ে নেয়া। তারপর আগরবাতি, মোমবাতি এবং ফুল নিয়ে কবরস্থানে যাওয়া। কবরে সুন্দর করে বেড়া দেয়া ইত্যাদি।
মৃতবাড়ির লোকজন কিছুদিন নামায পড়া, নফল রোযা রাখা, গরীব মিসকিনদের খাওয়ানো, দান-খয়রাত করা, মহিলারা কিছুদিন মাথায় গোমটা দেয়া, পুরুষরা কিছুদিন পাঞ্জাবী-পায়জামা ব্যবহার করা, মাঝে মাঝে মসজিদে গিয়ে জামাতে নামায পড়া, তছবি হাতে রাখা, সিডি-ডিভিডিতে কুরআন তিলাওয়াত বাজানো, কিছুদিন টিভিতে নাচ-গান-নাটক না দেখা বা কম দেখা, হাসি-তামাসা কম করা ইত্যাদি।
তিনদিনের দিন গরু-ছাগল জবাই দিয়ে শতশত লোক দাওয়াত দিয়ে কুলখানি করা। তারপর একইভাবে চল্লিশ দিনের দিন চেহলাম বা চল্লিশা করা।
তারপর প্রতি বছর বছর শতশত লোক দাওয়াত দিয়ে অনুষ্ঠান করে মৃতব্যক্তির স্মরণে মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা।
তারপর শ্বেত পাথর, মাবেল পাথর বা টাইলস দিয়ে কবরকে বাঁধাই করা। মাঝে মাঝে কিছু হুজুর ভাড়া করে নিয়ে গিয়ে কবরের কাছে কুরআন তিলালাওয়াত করানো এবং দু’আ-দুরুদ পড়ানো।
কুরআনে একটি আয়াতও নেই মৃত মানুষের জন্য। যা আছে সব জীবিতদের জন্য। অথচ আমরা কুরআন তিলাওয়াত করে শুনাচ্ছি ডেডবডিকে। ডেডবডিকে শুনাচ্ছি আল্লাহর আদেশ-নিষেধ যা প্রয়োজন ছিল জীবিত অবস্থায়।