📘 মুসলিম পরিবারের ছেলেমেয়েরা কেন ইসলাম থেকে দূরে সরে যাচ্ছে > 📄 ফরয সলাত (নামায) আদায় না করা

📄 ফরয সলাত (নামায) আদায় না করা


• আমাদের দেশে কোন কলেজ বা ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া ছেলেমেয়ে যদি পাচ ওয়াক্ত সলাত আদায় করে, তার উপর কোন ছেলে যদি মসজিদে গিয়ে সলাত আদায় করে তাহলে তো সেই বাবামায়ের দুঃশ্চিন্তার অন্ত নেই : আমার সন্তান এই বয়সে মসজিদে গিয়ে পাঁচ ওয়াক্ত সলাত আদায় করে কেন? সে কোন জঙ্গিদলের সাথে যোগ দেয়নিতো? আর যদি ছেলে মসজিদে গিয়ে প্রতিদিন ফজরের সলাত আদায় করে থাকে তাহলে তো কোন কথাই নেই! চিন্তা আরো বেশী!
• ইসলামিক ফাউন্ডেশন সারা দেশব্যাপী নামাযের উপর একটি সার্ভে করেছিল, পরিসংখ্যানে দেখা গেছে যে বাংলাদেশের ৯৮% মুসলিম নামায পড়ে না। অথচ আল্লাহ সূরা আনকাবুতের ৪৫ নং আয়াতে বলছেন "নিশ্চয়ই সলাত মানুষকে সমস্ত পাপকাজ ও অশ্লীলতা থেকে দূরে রাখে"। যে দেশের ৯৮% মুসলিম নামায পড়ে না তাহলে কিভাবে তারা পাপ কাজ থেকে দূরে থাকবে? পাপ কাজ থেকে দূরে থাকার হাতিয়ারই তো তারা ব্যবহার করে না।
• ইসলামের শারীআত অনুসারে ৭ বছর বয়স থেকে সলাতের অভ্যেস গড়ে তুলতে হয়। রসূল বলেছেন: “সাত বছর বয়স হলে তোমাদের সন্তানদের সলাত আদায়ের নির্দেশ দাও এবং দশ বছর বয়স হওয়ার পর এজন্য তাদের প্রতি কঠোর হয় এবং তাদের বিছানা পৃথক করে দাও।” (আবু দাউদ)
• সন্তানদের পাঁচ ওয়াক্ত সলাতের ব্যাপারে নিজ ঘরে একটি সুন্দর পরিবেশ গড়ে তুলতে পারিনি। ছোট ছোট সন্তানদের নিয়ে পিতা, ভাই, মামা, চাচা ইত্যাদি পরিবারের পুরুষরা সলাত আদায়ের জন্য মসজিদে যাওয়ার অভ্যেস করিনি। সন্তানদের এ ব্যাপারে উৎসাহিত করিনি।
• যদি ছোট বাচ্চারা সলাতের জন্য মসজিদে যায় তাহলে দেখা গেছে যে, বড়রা তাদেরকে সাথে নিয়ে এক কাতারে দাঁড়ান না, তাদেরকে পিছনে ঠেলে দেয়া হয়। এমনকি মসজিদের মুয়াজ্জিন বা ইমাম সাহেব ও ছোট বাচ্চাদের মসজিদে দেখলে একরকম বিরক্তই হন। অথচ রসূল যখন সলাতে সিজদায় যেতেন তখন তাঁর দুই নাতি তাঁর ঘাড়ের উপরে উঠে খেলা করতো。
* নফল সলাতের প্রতি গুরুত্ব দেয়া। যেমন সারারাত ধরে শবে বরাতে নফল ইবাদত করা হয় কিন্তু দেখা গেছে যে ফজরের ফরয সলাত আদায় না করেই সে ঘুমিয়ে পড়েছে। নফলের উদ্দেশ্যে ফরয ত্যাগ!

• আমাদের দেশে কোন কলেজ বা ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া ছেলেমেয়ে যদি পাচ ওয়াক্ত সলাত আদায় করে, তার উপর কোন ছেলে যদি মসজিদে গিয়ে সলাত আদায় করে তাহলে তো সেই বাবামায়ের দুঃশ্চিন্তার অন্ত নেই : আমার সন্তান এই বয়সে মসজিদে গিয়ে পাঁচ ওয়াক্ত সলাত আদায় করে কেন? সে কোন জঙ্গিদলের সাথে যোগ দেয়নিতো? আর যদি ছেলে মসজিদে গিয়ে প্রতিদিন ফজরের সলাত আদায় করে থাকে তাহলে তো কোন কথাই নেই! চিন্তা আরো বেশী!
• ইসলামিক ফাউন্ডেশন সারা দেশব্যাপী নামাযের উপর একটি সার্ভে করেছিল, পরিসংখ্যানে দেখা গেছে যে বাংলাদেশের ৯৮% মুসলিম নামায পড়ে না। অথচ আল্লাহ সূরা আনকাবুতের ৪৫ নং আয়াতে বলছেন "নিশ্চয়ই সলাত মানুষকে সমস্ত পাপকাজ ও অশ্লীলতা থেকে দূরে রাখে"। যে দেশের ৯৮% মুসলিম নামায পড়ে না তাহলে কিভাবে তারা পাপ কাজ থেকে দূরে থাকবে? পাপ কাজ থেকে দূরে থাকার হাতিয়ারই তো তারা ব্যবহার করে না।
• ইসলামের শারীআত অনুসারে ৭ বছর বয়স থেকে সলাতের অভ্যেস গড়ে তুলতে হয়। রসূল বলেছেন: “সাত বছর বয়স হলে তোমাদের সন্তানদের সলাত আদায়ের নির্দেশ দাও এবং দশ বছর বয়স হওয়ার পর এজন্য তাদের প্রতি কঠোর হয় এবং তাদের বিছানা পৃথক করে দাও।” (আবু দাউদ)
• সন্তানদের পাঁচ ওয়াক্ত সলাতের ব্যাপারে নিজ ঘরে একটি সুন্দর পরিবেশ গড়ে তুলতে পারিনি। ছোট ছোট সন্তানদের নিয়ে পিতা, ভাই, মামা, চাচা ইত্যাদি পরিবারের পুরুষরা সলাত আদায়ের জন্য মসজিদে যাওয়ার অভ্যেস করিনি। সন্তানদের এ ব্যাপারে উৎসাহিত করিনি।
• যদি ছোট বাচ্চারা সলাতের জন্য মসজিদে যায় তাহলে দেখা গেছে যে, বড়রা তাদেরকে সাথে নিয়ে এক কাতারে দাঁড়ান না, তাদেরকে পিছনে ঠেলে দেয়া হয়। এমনকি মসজিদের মুয়াজ্জিন বা ইমাম সাহেব ও ছোট বাচ্চাদের মসজিদে দেখলে একরকম বিরক্তই হন। অথচ রসূল যখন সলাতে সিজদায় যেতেন তখন তাঁর দুই নাতি তাঁর ঘাড়ের উপরে উঠে খেলা করতো。
* নফল সলাতের প্রতি গুরুত্ব দেয়া। যেমন সারারাত ধরে শবে বরাতে নফল ইবাদত করা হয় কিন্তু দেখা গেছে যে ফজরের ফরয সলাত আদায় না করেই সে ঘুমিয়ে পড়েছে। নফলের উদ্দেশ্যে ফরয ত্যাগ!

• আমাদের দেশে কোন কলেজ বা ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া ছেলেমেয়ে যদি পাচ ওয়াক্ত সলাত আদায় করে, তার উপর কোন ছেলে যদি মসজিদে গিয়ে সলাত আদায় করে তাহলে তো সেই বাবামায়ের দুঃশ্চিন্তার অন্ত নেই : আমার সন্তান এই বয়সে মসজিদে গিয়ে পাঁচ ওয়াক্ত সলাত আদায় করে কেন? সে কোন জঙ্গিদলের সাথে যোগ দেয়নিতো? আর যদি ছেলে মসজিদে গিয়ে প্রতিদিন ফজরের সলাত আদায় করে থাকে তাহলে তো কোন কথাই নেই! চিন্তা আরো বেশী!
• ইসলামিক ফাউন্ডেশন সারা দেশব্যাপী নামাযের উপর একটি সার্ভে করেছিল, পরিসংখ্যানে দেখা গেছে যে বাংলাদেশের ৯৮% মুসলিম নামায পড়ে না। অথচ আল্লাহ সূরা আনকাবুতের ৪৫ নং আয়াতে বলছেন "নিশ্চয়ই সলাত মানুষকে সমস্ত পাপকাজ ও অশ্লীলতা থেকে দূরে রাখে"। যে দেশের ৯৮% মুসলিম নামায পড়ে না তাহলে কিভাবে তারা পাপ কাজ থেকে দূরে থাকবে? পাপ কাজ থেকে দূরে থাকার হাতিয়ারই তো তারা ব্যবহার করে না।
• ইসলামের শারীআত অনুসারে ৭ বছর বয়স থেকে সলাতের অভ্যেস গড়ে তুলতে হয়। রসূল বলেছেন: “সাত বছর বয়স হলে তোমাদের সন্তানদের সলাত আদায়ের নির্দেশ দাও এবং দশ বছর বয়স হওয়ার পর এজন্য তাদের প্রতি কঠোর হয় এবং তাদের বিছানা পৃথক করে দাও।” (আবু দাউদ)
• সন্তানদের পাঁচ ওয়াক্ত সলাতের ব্যাপারে নিজ ঘরে একটি সুন্দর পরিবেশ গড়ে তুলতে পারিনি। ছোট ছোট সন্তানদের নিয়ে পিতা, ভাই, মামা, চাচা ইত্যাদি পরিবারের পুরুষরা সলাত আদায়ের জন্য মসজিদে যাওয়ার অভ্যেস করিনি। সন্তানদের এ ব্যাপারে উৎসাহিত করিনি।
• যদি ছোট বাচ্চারা সলাতের জন্য মসজিদে যায় তাহলে দেখা গেছে যে, বড়রা তাদেরকে সাথে নিয়ে এক কাতারে দাঁড়ান না, তাদেরকে পিছনে ঠেলে দেয়া হয়। এমনকি মসজিদের মুয়াজ্জিন বা ইমাম সাহেব ও ছোট বাচ্চাদের মসজিদে দেখলে একরকম বিরক্তই হন। অথচ রসূল যখন সলাতে সিজদায় যেতেন তখন তাঁর দুই নাতি তাঁর ঘাড়ের উপরে উঠে খেলা করতো。
* নফল সলাতের প্রতি গুরুত্ব দেয়া। যেমন সারারাত ধরে শবে বরাতে নফল ইবাদত করা হয় কিন্তু দেখা গেছে যে ফজরের ফরয সলাত আদায় না করেই সে ঘুমিয়ে পড়েছে। নফলের উদ্দেশ্যে ফরয ত্যাগ!

• আমাদের দেশে কোন কলেজ বা ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া ছেলেমেয়ে যদি পাচ ওয়াক্ত সলাত আদায় করে, তার উপর কোন ছেলে যদি মসজিদে গিয়ে সলাত আদায় করে তাহলে তো সেই বাবামায়ের দুঃশ্চিন্তার অন্ত নেই : আমার সন্তান এই বয়সে মসজিদে গিয়ে পাঁচ ওয়াক্ত সলাত আদায় করে কেন? সে কোন জঙ্গিদলের সাথে যোগ দেয়নিতো? আর যদি ছেলে মসজিদে গিয়ে প্রতিদিন ফজরের সলাত আদায় করে থাকে তাহলে তো কোন কথাই নেই! চিন্তা আরো বেশী!
• ইসলামিক ফাউন্ডেশন সারা দেশব্যাপী নামাযের উপর একটি সার্ভে করেছিল, পরিসংখ্যানে দেখা গেছে যে বাংলাদেশের ৯৮% মুসলিম নামায পড়ে না। অথচ আল্লাহ সূরা আনকাবুতের ৪৫ নং আয়াতে বলছেন "নিশ্চয়ই সলাত মানুষকে সমস্ত পাপকাজ ও অশ্লীলতা থেকে দূরে রাখে"। যে দেশের ৯৮% মুসলিম নামায পড়ে না তাহলে কিভাবে তারা পাপ কাজ থেকে দূরে থাকবে? পাপ কাজ থেকে দূরে থাকার হাতিয়ারই তো তারা ব্যবহার করে না।
• ইসলামের শারীআত অনুসারে ৭ বছর বয়স থেকে সলাতের অভ্যেস গড়ে তুলতে হয়। রসূল বলেছেন: “সাত বছর বয়স হলে তোমাদের সন্তানদের সলাত আদায়ের নির্দেশ দাও এবং দশ বছর বয়স হওয়ার পর এজন্য তাদের প্রতি কঠোর হয় এবং তাদের বিছানা পৃথক করে দাও।” (আবু দাউদ)
• সন্তানদের পাঁচ ওয়াক্ত সলাতের ব্যাপারে নিজ ঘরে একটি সুন্দর পরিবেশ গড়ে তুলতে পারিনি। ছোট ছোট সন্তানদের নিয়ে পিতা, ভাই, মামা, চাচা ইত্যাদি পরিবারের পুরুষরা সলাত আদায়ের জন্য মসজিদে যাওয়ার অভ্যেস করিনি। সন্তানদের এ ব্যাপারে উৎসাহিত করিনি।
• যদি ছোট বাচ্চারা সলাতের জন্য মসজিদে যায় তাহলে দেখা গেছে যে, বড়রা তাদেরকে সাথে নিয়ে এক কাতারে দাঁড়ান না, তাদেরকে পিছনে ঠেলে দেয়া হয়। এমনকি মসজিদের মুয়াজ্জিন বা ইমাম সাহেব ও ছোট বাচ্চাদের মসজিদে দেখলে একরকম বিরক্তই হন। অথচ রসূল যখন সলাতে সিজদায় যেতেন তখন তাঁর দুই নাতি তাঁর ঘাড়ের উপরে উঠে খেলা করতো。
* নফল সলাতের প্রতি গুরুত্ব দেয়া। যেমন সারারাত ধরে শবে বরাতে নফল ইবাদত করা হয় কিন্তু দেখা গেছে যে ফজরের ফরয সলাত আদায় না করেই সে ঘুমিয়ে পড়েছে। নফলের উদ্দেশ্যে ফরয ত্যাগ!

• আমাদের দেশে কোন কলেজ বা ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া ছেলেমেয়ে যদি পাচ ওয়াক্ত সলাত আদায় করে, তার উপর কোন ছেলে যদি মসজিদে গিয়ে সলাত আদায় করে তাহলে তো সেই বাবামায়ের দুঃশ্চিন্তার অন্ত নেই : আমার সন্তান এই বয়সে মসজিদে গিয়ে পাঁচ ওয়াক্ত সলাত আদায় করে কেন? সে কোন জঙ্গিদলের সাথে যোগ দেয়নিতো? আর যদি ছেলে মসজিদে গিয়ে প্রতিদিন ফজরের সলাত আদায় করে থাকে তাহলে তো কোন কথাই নেই! চিন্তা আরো বেশী!
• ইসলামিক ফাউন্ডেশন সারা দেশব্যাপী নামাযের উপর একটি সার্ভে করেছিল, পরিসংখ্যানে দেখা গেছে যে বাংলাদেশের ৯৮% মুসলিম নামায পড়ে না। অথচ আল্লাহ সূরা আনকাবুতের ৪৫ নং আয়াতে বলছেন "নিশ্চয়ই সলাত মানুষকে সমস্ত পাপকাজ ও অশ্লীলতা থেকে দূরে রাখে"। যে দেশের ৯৮% মুসলিম নামায পড়ে না তাহলে কিভাবে তারা পাপ কাজ থেকে দূরে থাকবে? পাপ কাজ থেকে দূরে থাকার হাতিয়ারই তো তারা ব্যবহার করে না।
• ইসলামের শারীআত অনুসারে ৭ বছর বয়স থেকে সলাতের অভ্যেস গড়ে তুলতে হয়। রসূল বলেছেন: “সাত বছর বয়স হলে তোমাদের সন্তানদের সলাত আদায়ের নির্দেশ দাও এবং দশ বছর বয়স হওয়ার পর এজন্য তাদের প্রতি কঠোর হয় এবং তাদের বিছানা পৃথক করে দাও।” (আবু দাউদ)
• সন্তানদের পাঁচ ওয়াক্ত সলাতের ব্যাপারে নিজ ঘরে একটি সুন্দর পরিবেশ গড়ে তুলতে পারিনি। ছোট ছোট সন্তানদের নিয়ে পিতা, ভাই, মামা, চাচা ইত্যাদি পরিবারের পুরুষরা সলাত আদায়ের জন্য মসজিদে যাওয়ার অভ্যেস করিনি। সন্তানদের এ ব্যাপারে উৎসাহিত করিনি।
• যদি ছোট বাচ্চারা সলাতের জন্য মসজিদে যায় তাহলে দেখা গেছে যে, বড়রা তাদেরকে সাথে নিয়ে এক কাতারে দাঁড়ান না, তাদেরকে পিছনে ঠেলে দেয়া হয়। এমনকি মসজিদের মুয়াজ্জিন বা ইমাম সাহেব ও ছোট বাচ্চাদের মসজিদে দেখলে একরকম বিরক্তই হন। অথচ রসূল যখন সলাতে সিজদায় যেতেন তখন তাঁর দুই নাতি তাঁর ঘাড়ের উপরে উঠে খেলা করতো。
* নফল সলাতের প্রতি গুরুত্ব দেয়া। যেমন সারারাত ধরে শবে বরাতে নফল ইবাদত করা হয় কিন্তু দেখা গেছে যে ফজরের ফরয সলাত আদায় না করেই সে ঘুমিয়ে পড়েছে। নফলের উদ্দেশ্যে ফরয ত্যাগ!

• আমাদের দেশে কোন কলেজ বা ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া ছেলেমেয়ে যদি পাচ ওয়াক্ত সলাত আদায় করে, তার উপর কোন ছেলে যদি মসজিদে গিয়ে সলাত আদায় করে তাহলে তো সেই বাবামায়ের দুঃশ্চিন্তার অন্ত নেই : আমার সন্তান এই বয়সে মসজিদে গিয়ে পাঁচ ওয়াক্ত সলাত আদায় করে কেন? সে কোন জঙ্গিদলের সাথে যোগ দেয়নিতো? আর যদি ছেলে মসজিদে গিয়ে প্রতিদিন ফজরের সলাত আদায় করে থাকে তাহলে তো কোন কথাই নেই! চিন্তা আরো বেশী!
• ইসলামিক ফাউন্ডেশন সারা দেশব্যাপী নামাযের উপর একটি সার্ভে করেছিল, পরিসংখ্যানে দেখা গেছে যে বাংলাদেশের ৯৮% মুসলিম নামায পড়ে না। অথচ আল্লাহ সূরা আনকাবুতের ৪৫ নং আয়াতে বলছেন "নিশ্চয়ই সলাত মানুষকে সমস্ত পাপকাজ ও অশ্লীলতা থেকে দূরে রাখে"। যে দেশের ৯৮% মুসলিম নামায পড়ে না তাহলে কিভাবে তারা পাপ কাজ থেকে দূরে থাকবে? পাপ কাজ থেকে দূরে থাকার হাতিয়ারই তো তারা ব্যবহার করে না।
• ইসলামের শারীআত অনুসারে ৭ বছর বয়স থেকে সলাতের অভ্যেস গড়ে তুলতে হয়। রসূল বলেছেন: “সাত বছর বয়স হলে তোমাদের সন্তানদের সলাত আদায়ের নির্দেশ দাও এবং দশ বছর বয়স হওয়ার পর এজন্য তাদের প্রতি কঠোর হয় এবং তাদের বিছানা পৃথক করে দাও।” (আবু দাউদ)
• সন্তানদের পাঁচ ওয়াক্ত সলাতের ব্যাপারে নিজ ঘরে একটি সুন্দর পরিবেশ গড়ে তুলতে পারিনি। ছোট ছোট সন্তানদের নিয়ে পিতা, ভাই, মামা, চাচা ইত্যাদি পরিবারের পুরুষরা সলাত আদায়ের জন্য মসজিদে যাওয়ার অভ্যেস করিনি। সন্তানদের এ ব্যাপারে উৎসাহিত করিনি।
• যদি ছোট বাচ্চারা সলাতের জন্য মসজিদে যায় তাহলে দেখা গেছে যে, বড়রা তাদেরকে সাথে নিয়ে এক কাতারে দাঁড়ান না, তাদেরকে পিছনে ঠেলে দেয়া হয়। এমনকি মসজিদের মুয়াজ্জিন বা ইমাম সাহেব ও ছোট বাচ্চাদের মসজিদে দেখলে একরকম বিরক্তই হন। অথচ রসূল যখন সলাতে সিজদায় যেতেন তখন তাঁর দুই নাতি তাঁর ঘাড়ের উপরে উঠে খেলা করতো。
* নফল সলাতের প্রতি গুরুত্ব দেয়া। যেমন সারারাত ধরে শবে বরাতে নফল ইবাদত করা হয় কিন্তু দেখা গেছে যে ফজরের ফরয সলাত আদায় না করেই সে ঘুমিয়ে পড়েছে। নফলের উদ্দেশ্যে ফরয ত্যাগ!

📘 মুসলিম পরিবারের ছেলেমেয়েরা কেন ইসলাম থেকে দূরে সরে যাচ্ছে > 📄 জুযার খুতবা থেকে কোন শিক্ষাগ্রহণ না করা

📄 জুযার খুতবা থেকে কোন শিক্ষাগ্রহণ না করা


* জুমা'র সলাতের প্রতিটি খুৎবা হওয়া উচিত একেকটা শিক্ষণীয় বিষয়। মুসল্লিরা জুমা'র সলাত শেষে ঘরে ফিরবে ইসলামী শিক্ষা নিয়ে। প্রতি সপ্তাহে খুৎবা শুনে মুসলিমদের ঈমান হবে মজবুত। কিন্তু আমাদের দেশে বাস্তবে তার উল্টো, প্রতি সপ্তাহে গতানুগতিক খুৎবা শুনে কেউই তেমন কিছু একটা শিখে না। এছাড়া খুৎবা আরবী ভাষায় হওয়াতে সবাই বসে বসে ঝিমায়। ছেলেরা একে অপরে গল্প করে সময় কাটায়। অথচ খুৎবা মাতৃভাষায় অথবা মুসল্লীদের বোধগম্য ভাষাতেই দেয়া উচিৎ।
* আর একটা সমস্যা হচ্ছে যে, আমাদের দেশের অধিকাংশ মসজিদগুলোতে মহিলাদের জন্য কোন সলাতের ব্যবস্থা নেই। মহিলারা এমনকি খুৎবা শোনার জন্য জুমা'র সলাতেও মসজিদে যেতে পারেন না।
* ইউরোপ আমেরিকার মসজিদগুলো হচ্ছে একেকটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এখান থেকে ছেলেমেয়েরা নিয়মিত Moral Education-এ শিক্ষাগ্রহণ করে থাকে। এখানে জুমা'র সলাতের খুৎবাগুলো আরবীতে না দিয়ে ইংরেজীতে দেয়া হয় যাতে সবাই বুঝে এবং সেখান থেকে ব্যক্তিগত জীবন, পারিবারিক জীবন, সামাজিক জীবন এবং রাষ্ট্রীয় জীবনের জন্য শিক্ষাগ্রহণ করে।

* জুমা'র সলাতের প্রতিটি খুৎবা হওয়া উচিত একেকটা শিক্ষণীয় বিষয়। মুসল্লিরা জুমা'র সলাত শেষে ঘরে ফিরবে ইসলামী শিক্ষা নিয়ে। প্রতি সপ্তাহে খুৎবা শুনে মুসলিমদের ঈমান হবে মজবুত। কিন্তু আমাদের দেশে বাস্তবে তার উল্টো, প্রতি সপ্তাহে গতানুগতিক খুৎবা শুনে কেউই তেমন কিছু একটা শিখে না। এছাড়া খুৎবা আরবী ভাষায় হওয়াতে সবাই বসে বসে ঝিমায়। ছেলেরা একে অপরে গল্প করে সময় কাটায়। অথচ খুৎবা মাতৃভাষায় অথবা মুসল্লীদের বোধগম্য ভাষাতেই দেয়া উচিৎ।
* আর একটা সমস্যা হচ্ছে যে, আমাদের দেশের অধিকাংশ মসজিদগুলোতে মহিলাদের জন্য কোন সলাতের ব্যবস্থা নেই। মহিলারা এমনকি খুৎবা শোনার জন্য জুমা'র সলাতেও মসজিদে যেতে পারেন না।
* ইউরোপ আমেরিকার মসজিদগুলো হচ্ছে একেকটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এখান থেকে ছেলেমেয়েরা নিয়মিত Moral Education-এ শিক্ষাগ্রহণ করে থাকে। এখানে জুমা'র সলাতের খুৎবাগুলো আরবীতে না দিয়ে ইংরেজীতে দেয়া হয় যাতে সবাই বুঝে এবং সেখান থেকে ব্যক্তিগত জীবন, পারিবারিক জীবন, সামাজিক জীবন এবং রাষ্ট্রীয় জীবনের জন্য শিক্ষাগ্রহণ করে।

* জুমা'র সলাতের প্রতিটি খুৎবা হওয়া উচিত একেকটা শিক্ষণীয় বিষয়। মুসল্লিরা জুমা'র সলাত শেষে ঘরে ফিরবে ইসলামী শিক্ষা নিয়ে। প্রতি সপ্তাহে খুৎবা শুনে মুসলিমদের ঈমান হবে মজবুত। কিন্তু আমাদের দেশে বাস্তবে তার উল্টো, প্রতি সপ্তাহে গতানুগতিক খুৎবা শুনে কেউই তেমন কিছু একটা শিখে না। এছাড়া খুৎবা আরবী ভাষায় হওয়াতে সবাই বসে বসে ঝিমায়। ছেলেরা একে অপরে গল্প করে সময় কাটায়। অথচ খুৎবা মাতৃভাষায় অথবা মুসল্লীদের বোধগম্য ভাষাতেই দেয়া উচিৎ।
* আর একটা সমস্যা হচ্ছে যে, আমাদের দেশের অধিকাংশ মসজিদগুলোতে মহিলাদের জন্য কোন সলাতের ব্যবস্থা নেই। মহিলারা এমনকি খুৎবা শোনার জন্য জুমা'র সলাতেও মসজিদে যেতে পারেন না।
* ইউরোপ আমেরিকার মসজিদগুলো হচ্ছে একেকটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এখান থেকে ছেলেমেয়েরা নিয়মিত Moral Education-এ শিক্ষাগ্রহণ করে থাকে। এখানে জুমা'র সলাতের খুৎবাগুলো আরবীতে না দিয়ে ইংরেজীতে দেয়া হয় যাতে সবাই বুঝে এবং সেখান থেকে ব্যক্তিগত জীবন, পারিবারিক জীবন, সামাজিক জীবন এবং রাষ্ট্রীয় জীবনের জন্য শিক্ষাগ্রহণ করে।

* জুমা'র সলাতের প্রতিটি খুৎবা হওয়া উচিত একেকটা শিক্ষণীয় বিষয়। মুসল্লিরা জুমা'র সলাত শেষে ঘরে ফিরবে ইসলামী শিক্ষা নিয়ে। প্রতি সপ্তাহে খুৎবা শুনে মুসলিমদের ঈমান হবে মজবুত। কিন্তু আমাদের দেশে বাস্তবে তার উল্টো, প্রতি সপ্তাহে গতানুগতিক খুৎবা শুনে কেউই তেমন কিছু একটা শিখে না। এছাড়া খুৎবা আরবী ভাষায় হওয়াতে সবাই বসে বসে ঝিমায়। ছেলেরা একে অপরে গল্প করে সময় কাটায়। অথচ খুৎবা মাতৃভাষায় অথবা মুসল্লীদের বোধগম্য ভাষাতেই দেয়া উচিৎ।
* আর একটা সমস্যা হচ্ছে যে, আমাদের দেশের অধিকাংশ মসজিদগুলোতে মহিলাদের জন্য কোন সলাতের ব্যবস্থা নেই। মহিলারা এমনকি খুৎবা শোনার জন্য জুমা'র সলাতেও মসজিদে যেতে পারেন না।
* ইউরোপ আমেরিকার মসজিদগুলো হচ্ছে একেকটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এখান থেকে ছেলেমেয়েরা নিয়মিত Moral Education-এ শিক্ষাগ্রহণ করে থাকে। এখানে জুমা'র সলাতের খুৎবাগুলো আরবীতে না দিয়ে ইংরেজীতে দেয়া হয় যাতে সবাই বুঝে এবং সেখান থেকে ব্যক্তিগত জীবন, পারিবারিক জীবন, সামাজিক জীবন এবং রাষ্ট্রীয় জীবনের জন্য শিক্ষাগ্রহণ করে।

* জুমা'র সলাতের প্রতিটি খুৎবা হওয়া উচিত একেকটা শিক্ষণীয় বিষয়। মুসল্লিরা জুমা'র সলাত শেষে ঘরে ফিরবে ইসলামী শিক্ষা নিয়ে। প্রতি সপ্তাহে খুৎবা শুনে মুসলিমদের ঈমান হবে মজবুত। কিন্তু আমাদের দেশে বাস্তবে তার উল্টো, প্রতি সপ্তাহে গতানুগতিক খুৎবা শুনে কেউই তেমন কিছু একটা শিখে না। এছাড়া খুৎবা আরবী ভাষায় হওয়াতে সবাই বসে বসে ঝিমায়। ছেলেরা একে অপরে গল্প করে সময় কাটায়। অথচ খুৎবা মাতৃভাষায় অথবা মুসল্লীদের বোধগম্য ভাষাতেই দেয়া উচিৎ।
* আর একটা সমস্যা হচ্ছে যে, আমাদের দেশের অধিকাংশ মসজিদগুলোতে মহিলাদের জন্য কোন সলাতের ব্যবস্থা নেই। মহিলারা এমনকি খুৎবা শোনার জন্য জুমা'র সলাতেও মসজিদে যেতে পারেন না।
* ইউরোপ আমেরিকার মসজিদগুলো হচ্ছে একেকটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এখান থেকে ছেলেমেয়েরা নিয়মিত Moral Education-এ শিক্ষাগ্রহণ করে থাকে। এখানে জুমা'র সলাতের খুৎবাগুলো আরবীতে না দিয়ে ইংরেজীতে দেয়া হয় যাতে সবাই বুঝে এবং সেখান থেকে ব্যক্তিগত জীবন, পারিবারিক জীবন, সামাজিক জীবন এবং রাষ্ট্রীয় জীবনের জন্য শিক্ষাগ্রহণ করে।

* জুমা'র সলাতের প্রতিটি খুৎবা হওয়া উচিত একেকটা শিক্ষণীয় বিষয়। মুসল্লিরা জুমা'র সলাত শেষে ঘরে ফিরবে ইসলামী শিক্ষা নিয়ে। প্রতি সপ্তাহে খুৎবা শুনে মুসলিমদের ঈমান হবে মজবুত। কিন্তু আমাদের দেশে বাস্তবে তার উল্টো, প্রতি সপ্তাহে গতানুগতিক খুৎবা শুনে কেউই তেমন কিছু একটা শিখে না। এছাড়া খুৎবা আরবী ভাষায় হওয়াতে সবাই বসে বসে ঝিমায়। ছেলেরা একে অপরে গল্প করে সময় কাটায়। অথচ খুৎবা মাতৃভাষায় অথবা মুসল্লীদের বোধগম্য ভাষাতেই দেয়া উচিৎ।
* আর একটা সমস্যা হচ্ছে যে, আমাদের দেশের অধিকাংশ মসজিদগুলোতে মহিলাদের জন্য কোন সলাতের ব্যবস্থা নেই। মহিলারা এমনকি খুৎবা শোনার জন্য জুমা'র সলাতেও মসজিদে যেতে পারেন না।
* ইউরোপ আমেরিকার মসজিদগুলো হচ্ছে একেকটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এখান থেকে ছেলেমেয়েরা নিয়মিত Moral Education-এ শিক্ষাগ্রহণ করে থাকে। এখানে জুমা'র সলাতের খুৎবাগুলো আরবীতে না দিয়ে ইংরেজীতে দেয়া হয় যাতে সবাই বুঝে এবং সেখান থেকে ব্যক্তিগত জীবন, পারিবারিক জীবন, সামাজিক জীবন এবং রাষ্ট্রীয় জীবনের জন্য শিক্ষাগ্রহণ করে।

📘 মুসলিম পরিবারের ছেলেমেয়েরা কেন ইসলাম থেকে দূরে সরে যাচ্ছে > 📄 মসজিদ ফা‌ন্ডা‌রি‌য়ির সঠিক ব্যবহার না করা

📄 মসজিদ ফা‌ন্ডা‌রি‌য়ির সঠিক ব্যবহার না করা


আমাদের দেশে কোটি কোটি টাকা খরচ করে মসজিদ বানানো হয় কিন্তু তার কোন সঠিক ব্যবহার নেই। অমুসলিম দেশ যেমন : ইউরোপ- আমেরিকা-ক্যানাডা-অস্ট্রেলিয়া থেকে আমরা শিক্ষাগ্রহণ করতে পারি। এখানে প্রায় প্রতিটি এলাকাতেই মুসলিমদের জন্য মসজিদ রয়েছে। এই মসজিদগুলো আমাদের দেশের মসজিদের মতো পাঁচ ওয়াক্ত সলাতের পর তালা দিয়ে রাখা হয় না। এই মসজিদগুলোতে শুধু পাঁচ ওয়াক্ত সলাতই হয় না এছাড়া রয়েছে নানা রকম কমিউনিটি সার্ভিসেস। একেকটা মসজিদ একেকটা কমিউনিটি সেন্টারও বটে। যেমন : এখানে বিয়ে-সাদী হয়, বিয়ের অনুষ্ঠান হয়, আকীকা হয়, কনফারেন্স হয়, সেমিনার হয়, ওয়ার্কশপ হয়। এখানকার ইউনিভার্সিটিতে পড়ুয়া উচ্চ শিক্ষিত ছেলেমেয়েরা ছোটবেলা থেকেই মানসিকভাবে গড়ে উঠে যে মসজিদ হচ্ছে সবচেয়ে উন্নত স্থান। বিয়ের সময় তারা মনে করে না যে তাদের বিয়ে কোন আধুনিক কমিউনিটি সেন্টার বা হোটেলে হচ্ছে না কেন! বিয়ে ছাড়াও কমিউনিটির অন্যান্য প্রোগ্রামও মসজিদগুলোতে নিয়মিত হয়। প্রায় সকল মুসলিম পরিবারগুলোই এই মসজিদগুলোর সাথে নিয়মিত সংস্পর্শে থাকে।
ইউরোপ-আমেরিকা-ক্যানাডা-অস্ট্রেলিয়ার একেকটা মসজিদ একেকটা ইনস্টিটিউট অর্থাৎ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও বটে। প্রায় প্রতিটি মসজিদের সাথেই রয়েছে অত্যাধুনিক ইংলিশ-আরবী মিডিয়াম স্কুল। এই স্কুলগুলো আমাদের দেশের গতানুগতিক মাদ্রাসার মতো নয়। এখান থেকে ছেলেমেয়েরা একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি কুরআন-সুন্নাহর নৈতিক শিক্ষাও গ্রহণ করে থাকে। একটি ছেলে বা মেয়ে আল-কুরআনে হাফিজও হয় আবার তার পাশাপাশি একজন সফল ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ারও হয়। এই ধরণের ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ারাই মসজিদগুলোতে ইমামতি করেন, জুম্মার খুতবা দেন।
এখানকার মসজিদগুলোতে ছেলেমেয়েদের জন্য আলাদা আলাদা নানারকম রিক্রিয়েশনের ব্যবস্থা থাকে। যেমন : মুসলিম বাবা-মায়েরা বিকেলে এবং বন্ধের দিনগুলোতে সন্তানদের নিয়ে মসজিদে চলে যান। সেখানে ছেলেরা আলাদা এবং মেয়েরা আলাদা টেবিল টেনিস, বাসকেট বল, ব্যাডমিন্টন, ফুটবল, হকি ইত্যাদি খেলে সময় কাটায়। এছাড়া রয়েছে কম্পিউটার ও ইন্টারনেট ফ্যসিলিটি।
প্রতিটি মসজিদে রয়েছে মহিলাদের জন্য সলাতের খুব ভাল ব্যবস্থা। পিতা-মাতারা সন্তানদের সাথে নিয়ে পুরো পরিবারসহ মসজিদে গিয়ে সলাত আদায় করেন। অনেক মহিলারাই ওয়াক্তের সলাত, জুমু'আর সলাত, রমাদানে তারাবীর সলাত এবং রমাদানের শেষ দশদিনে তাহাজ্জুদের সলাত মসজিদে গিয়ে আদায় করেন। বিশেষ করে ইউনিভার্সিটির মুসলিম মেয়েরা শুক্রবারে তাদের ক্লাশের ফাঁকে মসজিদে গিয়ে জুম্মার সলাত আদায় করে আসে। জামাতে সলাতের সময় বড়রা শিশু-কিশোরদেরকে একই লাইনে তাদের সাথে দাঁড় করান, পিছনে ঠেলে দেন না। অনেক মসজিদ থেকেই তারাবীহ এবং তাহাজ্জুদ সলাত ভিডিও টেলিকাস্ট করা হয়ে থাকে কারণ যে সকল মা-বোনরা এবং বয়স্করা মসজিদে আসতে পারেননি তারা যেন বাসায় বসে তা উপভোগ করতে পারেন। সবচেয়ে শিক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে যে, কোন কোন মসজিদে তারাবীর চেয়ে তাহাজ্জুদে মুসল্লি বেশী হয়।
রসূল -এর সময় এই মসজিদই ছিল পার্লামেন্ট, বঙ্গভবন, হাইকোর্ট, সুপ্রিমকোর্ট, সেকরেটারিয়েট এবং সলাতের জায়গা।

আমাদের দেশে কোটি কোটি টাকা খরচ করে মসজিদ বানানো হয় কিন্তু তার কোন সঠিক ব্যবহার নেই। অমুসলিম দেশ যেমন : ইউরোপ- আমেরিকা-ক্যানাডা-অস্ট্রেলিয়া থেকে আমরা শিক্ষাগ্রহণ করতে পারি। এখানে প্রায় প্রতিটি এলাকাতেই মুসলিমদের জন্য মসজিদ রয়েছে। এই মসজিদগুলো আমাদের দেশের মসজিদের মতো পাঁচ ওয়াক্ত সলাতের পর তালা দিয়ে রাখা হয় না। এই মসজিদগুলোতে শুধু পাঁচ ওয়াক্ত সলাতই হয় না এছাড়া রয়েছে নানা রকম কমিউনিটি সার্ভিসেস। একেকটা মসজিদ একেকটা কমিউনিটি সেন্টারও বটে। যেমন : এখানে বিয়ে-সাদী হয়, বিয়ের অনুষ্ঠান হয়, আকীকা হয়, কনফারেন্স হয়, সেমিনার হয়, ওয়ার্কশপ হয়। এখানকার ইউনিভার্সিটিতে পড়ুয়া উচ্চ শিক্ষিত ছেলেমেয়েরা ছোটবেলা থেকেই মানসিকভাবে গড়ে উঠে যে মসজিদ হচ্ছে সবচেয়ে উন্নত স্থান। বিয়ের সময় তারা মনে করে না যে তাদের বিয়ে কোন আধুনিক কমিউনিটি সেন্টার বা হোটেলে হচ্ছে না কেন! বিয়ে ছাড়াও কমিউনিটির অন্যান্য প্রোগ্রামও মসজিদগুলোতে নিয়মিত হয়। প্রায় সকল মুসলিম পরিবারগুলোই এই মসজিদগুলোর সাথে নিয়মিত সংস্পর্শে থাকে।
ইউরোপ-আমেরিকা-ক্যানাডা-অস্ট্রেলিয়ার একেকটা মসজিদ একেকটা ইনস্টিটিউট অর্থাৎ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও বটে। প্রায় প্রতিটি মসজিদের সাথেই রয়েছে অত্যাধুনিক ইংলিশ-আরবী মিডিয়াম স্কুল। এই স্কুলগুলো আমাদের দেশের গতানুগতিক মাদ্রাসার মতো নয়। এখান থেকে ছেলেমেয়েরা একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি কুরআন-সুন্নাহর নৈতিক শিক্ষাও গ্রহণ করে থাকে। একটি ছেলে বা মেয়ে আল-কুরআনে হাফিজও হয় আবার তার পাশাপাশি একজন সফল ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ারও হয়। এই ধরণের ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ারাই মসজিদগুলোতে ইমামতি করেন, জুম্মার খুতবা দেন।
এখানকার মসজিদগুলোতে ছেলেমেয়েদের জন্য আলাদা আলাদা নানারকম রিক্রিয়েশনের ব্যবস্থা থাকে। যেমন : মুসলিম বাবা-মায়েরা বিকেলে এবং বন্ধের দিনগুলোতে সন্তানদের নিয়ে মসজিদে চলে যান। সেখানে ছেলেরা আলাদা এবং মেয়েরা আলাদা টেবিল টেনিস, বাসকেট বল, ব্যাডমিন্টন, ফুটবল, হকি ইত্যাদি খেলে সময় কাটায়। এছাড়া রয়েছে কম্পিউটার ও ইন্টারনেট ফ্যসিলিটি।
প্রতিটি মসজিদে রয়েছে মহিলাদের জন্য সলাতের খুব ভাল ব্যবস্থা। পিতা-মাতারা সন্তানদের সাথে নিয়ে পুরো পরিবারসহ মসজিদে গিয়ে সলাত আদায় করেন। অনেক মহিলারাই ওয়াক্তের সলাত, জুমু'আর সলাত, রমাদানে তারাবীর সলাত এবং রমাদানের শেষ দশদিনে তাহাজ্জুদের সলাত মসজিদে গিয়ে আদায় করেন। বিশেষ করে ইউনিভার্সিটির মুসলিম মেয়েরা শুক্রবারে তাদের ক্লাশের ফাঁকে মসজিদে গিয়ে জুম্মার সলাত আদায় করে আসে। জামাতে সলাতের সময় বড়রা শিশু-কিশোরদেরকে একই লাইনে তাদের সাথে দাঁড় করান, পিছনে ঠেলে দেন না। অনেক মসজিদ থেকেই তারাবীহ এবং তাহাজ্জুদ সলাত ভিডিও টেলিকাস্ট করা হয়ে থাকে কারণ যে সকল মা-বোনরা এবং বয়স্করা মসজিদে আসতে পারেননি তারা যেন বাসায় বসে তা উপভোগ করতে পারেন। সবচেয়ে শিক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে যে, কোন কোন মসজিদে তারাবীর চেয়ে তাহাজ্জুদে মুসল্লি বেশী হয়।
রসূল -এর সময় এই মসজিদই ছিল পার্লামেন্ট, বঙ্গভবন, হাইকোর্ট, সুপ্রিমকোর্ট, সেকরেটারিয়েট এবং সলাতের জায়গা।

আমাদের দেশে কোটি কোটি টাকা খরচ করে মসজিদ বানানো হয় কিন্তু তার কোন সঠিক ব্যবহার নেই। অমুসলিম দেশ যেমন : ইউরোপ- আমেরিকা-ক্যানাডা-অস্ট্রেলিয়া থেকে আমরা শিক্ষাগ্রহণ করতে পারি। এখানে প্রায় প্রতিটি এলাকাতেই মুসলিমদের জন্য মসজিদ রয়েছে। এই মসজিদগুলো আমাদের দেশের মসজিদের মতো পাঁচ ওয়াক্ত সলাতের পর তালা দিয়ে রাখা হয় না। এই মসজিদগুলোতে শুধু পাঁচ ওয়াক্ত সলাতই হয় না এছাড়া রয়েছে নানা রকম কমিউনিটি সার্ভিসেস। একেকটা মসজিদ একেকটা কমিউনিটি সেন্টারও বটে। যেমন : এখানে বিয়ে-সাদী হয়, বিয়ের অনুষ্ঠান হয়, আকীকা হয়, কনফারেন্স হয়, সেমিনার হয়, ওয়ার্কশপ হয়। এখানকার ইউনিভার্সিটিতে পড়ুয়া উচ্চ শিক্ষিত ছেলেমেয়েরা ছোটবেলা থেকেই মানসিকভাবে গড়ে উঠে যে মসজিদ হচ্ছে সবচেয়ে উন্নত স্থান। বিয়ের সময় তারা মনে করে না যে তাদের বিয়ে কোন আধুনিক কমিউনিটি সেন্টার বা হোটেলে হচ্ছে না কেন! বিয়ে ছাড়াও কমিউনিটির অন্যান্য প্রোগ্রামও মসজিদগুলোতে নিয়মিত হয়। প্রায় সকল মুসলিম পরিবারগুলোই এই মসজিদগুলোর সাথে নিয়মিত সংস্পর্শে থাকে।
ইউরোপ-আমেরিকা-ক্যানাডা-অস্ট্রেলিয়ার একেকটা মসজিদ একেকটা ইনস্টিটিউট অর্থাৎ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও বটে। প্রায় প্রতিটি মসজিদের সাথেই রয়েছে অত্যাধুনিক ইংলিশ-আরবী মিডিয়াম স্কুল। এই স্কুলগুলো আমাদের দেশের গতানুগতিক মাদ্রাসার মতো নয়। এখান থেকে ছেলেমেয়েরা একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি কুরআন-সুন্নাহর নৈতিক শিক্ষাও গ্রহণ করে থাকে। একটি ছেলে বা মেয়ে আল-কুরআনে হাফিজও হয় আবার তার পাশাপাশি একজন সফল ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ারও হয়। এই ধরণের ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ারাই মসজিদগুলোতে ইমামতি করেন, জুম্মার খুতবা দেন।
এখানকার মসজিদগুলোতে ছেলেমেয়েদের জন্য আলাদা আলাদা নানারকম রিক্রিয়েশনের ব্যবস্থা থাকে। যেমন : মুসলিম বাবা-মায়েরা বিকেলে এবং বন্ধের দিনগুলোতে সন্তানদের নিয়ে মসজিদে চলে যান। সেখানে ছেলেরা আলাদা এবং মেয়েরা আলাদা টেবিল টেনিস, বাসকেট বল, ব্যাডমিন্টন, ফুটবল, হকি ইত্যাদি খেলে সময় কাটায়। এছাড়া রয়েছে কম্পিউটার ও ইন্টারনেট ফ্যসিলিটি।
প্রতিটি মসজিদে রয়েছে মহিলাদের জন্য সলাতের খুব ভাল ব্যবস্থা। পিতা-মাতারা সন্তানদের সাথে নিয়ে পুরো পরিবারসহ মসজিদে গিয়ে সলাত আদায় করেন। অনেক মহিলারাই ওয়াক্তের সলাত, জুমু'আর সলাত, রমাদানে তারাবীর সলাত এবং রমাদানের শেষ দশদিনে তাহাজ্জুদের সলাত মসজিদে গিয়ে আদায় করেন। বিশেষ করে ইউনিভার্সিটির মুসলিম মেয়েরা শুক্রবারে তাদের ক্লাশের ফাঁকে মসজিদে গিয়ে জুম্মার সলাত আদায় করে আসে। জামাতে সলাতের সময় বড়রা শিশু-কিশোরদেরকে একই লাইনে তাদের সাথে দাঁড় করান, পিছনে ঠেলে দেন না। অনেক মসজিদ থেকেই তারাবীহ এবং তাহাজ্জুদ সলাত ভিডিও টেলিকাস্ট করা হয়ে থাকে কারণ যে সকল মা-বোনরা এবং বয়স্করা মসজিদে আসতে পারেননি তারা যেন বাসায় বসে তা উপভোগ করতে পারেন। সবচেয়ে শিক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে যে, কোন কোন মসজিদে তারাবীর চেয়ে তাহাজ্জুদে মুসল্লি বেশী হয়।
রসূল -এর সময় এই মসজিদই ছিল পার্লামেন্ট, বঙ্গভবন, হাইকোর্ট, সুপ্রিমকোর্ট, সেকরেটারিয়েট এবং সলাতের জায়গা।

আমাদের দেশে কোটি কোটি টাকা খরচ করে মসজিদ বানানো হয় কিন্তু তার কোন সঠিক ব্যবহার নেই। অমুসলিম দেশ যেমন : ইউরোপ- আমেরিকা-ক্যানাডা-অস্ট্রেলিয়া থেকে আমরা শিক্ষাগ্রহণ করতে পারি। এখানে প্রায় প্রতিটি এলাকাতেই মুসলিমদের জন্য মসজিদ রয়েছে। এই মসজিদগুলো আমাদের দেশের মসজিদের মতো পাঁচ ওয়াক্ত সলাতের পর তালা দিয়ে রাখা হয় না। এই মসজিদগুলোতে শুধু পাঁচ ওয়াক্ত সলাতই হয় না এছাড়া রয়েছে নানা রকম কমিউনিটি সার্ভিসেস। একেকটা মসজিদ একেকটা কমিউনিটি সেন্টারও বটে। যেমন : এখানে বিয়ে-সাদী হয়, বিয়ের অনুষ্ঠান হয়, আকীকা হয়, কনফারেন্স হয়, সেমিনার হয়, ওয়ার্কশপ হয়। এখানকার ইউনিভার্সিটিতে পড়ুয়া উচ্চ শিক্ষিত ছেলেমেয়েরা ছোটবেলা থেকেই মানসিকভাবে গড়ে উঠে যে মসজিদ হচ্ছে সবচেয়ে উন্নত স্থান। বিয়ের সময় তারা মনে করে না যে তাদের বিয়ে কোন আধুনিক কমিউনিটি সেন্টার বা হোটেলে হচ্ছে না কেন! বিয়ে ছাড়াও কমিউনিটির অন্যান্য প্রোগ্রামও মসজিদগুলোতে নিয়মিত হয়। প্রায় সকল মুসলিম পরিবারগুলোই এই মসজিদগুলোর সাথে নিয়মিত সংস্পর্শে থাকে।
ইউরোপ-আমেরিকা-ক্যানাডা-অস্ট্রেলিয়ার একেকটা মসজিদ একেকটা ইনস্টিটিউট অর্থাৎ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও বটে। প্রায় প্রতিটি মসজিদের সাথেই রয়েছে অত্যাধুনিক ইংলিশ-আরবী মিডিয়াম স্কুল। এই স্কুলগুলো আমাদের দেশের গতানুগতিক মাদ্রাসার মতো নয়। এখান থেকে ছেলেমেয়েরা একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি কুরআন-সুন্নাহর নৈতিক শিক্ষাও গ্রহণ করে থাকে। একটি ছেলে বা মেয়ে আল-কুরআনে হাফিজও হয় আবার তার পাশাপাশি একজন সফল ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ারও হয়। এই ধরণের ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ারাই মসজিদগুলোতে ইমামতি করেন, জুম্মার খুতবা দেন।
এখানকার মসজিদগুলোতে ছেলেমেয়েদের জন্য আলাদা আলাদা নানারকম রিক্রিয়েশনের ব্যবস্থা থাকে। যেমন : মুসলিম বাবা-মায়েরা বিকেলে এবং বন্ধের দিনগুলোতে সন্তানদের নিয়ে মসজিদে চলে যান। সেখানে ছেলেরা আলাদা এবং মেয়েরা আলাদা টেবিল টেনিস, বাসকেট বল, ব্যাডমিন্টন, ফুটবল, হকি ইত্যাদি খেলে সময় কাটায়। এছাড়া রয়েছে কম্পিউটার ও ইন্টারনেট ফ্যসিলিটি।
প্রতিটি মসজিদে রয়েছে মহিলাদের জন্য সলাতের খুব ভাল ব্যবস্থা। পিতা-মাতারা সন্তানদের সাথে নিয়ে পুরো পরিবারসহ মসজিদে গিয়ে সলাত আদায় করেন। অনেক মহিলারাই ওয়াক্তের সলাত, জুমু'আর সলাত, রমাদানে তারাবীর সলাত এবং রমাদানের শেষ দশদিনে তাহাজ্জুদের সলাত মসজিদে গিয়ে আদায় করেন। বিশেষ করে ইউনিভার্সিটির মুসলিম মেয়েরা শুক্রবারে তাদের ক্লাশের ফাঁকে মসজিদে গিয়ে জুম্মার সলাত আদায় করে আসে। জামাতে সলাতের সময় বড়রা শিশু-কিশোরদেরকে একই লাইনে তাদের সাথে দাঁড় করান, পিছনে ঠেলে দেন না। অনেক মসজিদ থেকেই তারাবীহ এবং তাহাজ্জুদ সলাত ভিডিও টেলিকাস্ট করা হয়ে থাকে কারণ যে সকল মা-বোনরা এবং বয়স্করা মসজিদে আসতে পারেননি তারা যেন বাসায় বসে তা উপভোগ করতে পারেন। সবচেয়ে শিক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে যে, কোন কোন মসজিদে তারাবীর চেয়ে তাহাজ্জুদে মুসল্লি বেশী হয়।
রসূল -এর সময় এই মসজিদই ছিল পার্লামেন্ট, বঙ্গভবন, হাইকোর্ট, সুপ্রিমকোর্ট, সেকরেটারিয়েট এবং সলাতের জায়গা।

আমাদের দেশে কোটি কোটি টাকা খরচ করে মসজিদ বানানো হয় কিন্তু তার কোন সঠিক ব্যবহার নেই। অমুসলিম দেশ যেমন : ইউরোপ- আমেরিকা-ক্যানাডা-অস্ট্রেলিয়া থেকে আমরা শিক্ষাগ্রহণ করতে পারি। এখানে প্রায় প্রতিটি এলাকাতেই মুসলিমদের জন্য মসজিদ রয়েছে। এই মসজিদগুলো আমাদের দেশের মসজিদের মতো পাঁচ ওয়াক্ত সলাতের পর তালা দিয়ে রাখা হয় না। এই মসজিদগুলোতে শুধু পাঁচ ওয়াক্ত সলাতই হয় না এছাড়া রয়েছে নানা রকম কমিউনিটি সার্ভিসেস। একেকটা মসজিদ একেকটা কমিউনিটি সেন্টারও বটে। যেমন : এখানে বিয়ে-সাদী হয়, বিয়ের অনুষ্ঠান হয়, আকীকা হয়, কনফারেন্স হয়, সেমিনার হয়, ওয়ার্কশপ হয়। এখানকার ইউনিভার্সিটিতে পড়ুয়া উচ্চ শিক্ষিত ছেলেমেয়েরা ছোটবেলা থেকেই মানসিকভাবে গড়ে উঠে যে মসজিদ হচ্ছে সবচেয়ে উন্নত স্থান। বিয়ের সময় তারা মনে করে না যে তাদের বিয়ে কোন আধুনিক কমিউনিটি সেন্টার বা হোটেলে হচ্ছে না কেন! বিয়ে ছাড়াও কমিউনিটির অন্যান্য প্রোগ্রামও মসজিদগুলোতে নিয়মিত হয়। প্রায় সকল মুসলিম পরিবারগুলোই এই মসজিদগুলোর সাথে নিয়মিত সংস্পর্শে থাকে।
ইউরোপ-আমেরিকা-ক্যানাডা-অস্ট্রেলিয়ার একেকটা মসজিদ একেকটা ইনস্টিটিউট অর্থাৎ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও বটে। প্রায় প্রতিটি মসজিদের সাথেই রয়েছে অত্যাধুনিক ইংলিশ-আরবী মিডিয়াম স্কুল। এই স্কুলগুলো আমাদের দেশের গতানুগতিক মাদ্রাসার মতো নয়। এখান থেকে ছেলেমেয়েরা একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি কুরআন-সুন্নাহর নৈতিক শিক্ষাও গ্রহণ করে থাকে। একটি ছেলে বা মেয়ে আল-কুরআনে হাফিজও হয় আবার তার পাশাপাশি একজন সফল ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ারও হয়। এই ধরণের ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ারাই মসজিদগুলোতে ইমামতি করেন, জুম্মার খুতবা দেন।
এখানকার মসজিদগুলোতে ছেলেমেয়েদের জন্য আলাদা আলাদা নানারকম রিক্রিয়েশনের ব্যবস্থা থাকে। যেমন : মুসলিম বাবা-মায়েরা বিকেলে এবং বন্ধের দিনগুলোতে সন্তানদের নিয়ে মসজিদে চলে যান। সেখানে ছেলেরা আলাদা এবং মেয়েরা আলাদা টেবিল টেনিস, বাসকেট বল, ব্যাডমিন্টন, ফুটবল, হকি ইত্যাদি খেলে সময় কাটায়। এছাড়া রয়েছে কম্পিউটার ও ইন্টারনেট ফ্যসিলিটি।
প্রতিটি মসজিদে রয়েছে মহিলাদের জন্য সলাতের খুব ভাল ব্যবস্থা। পিতা-মাতারা সন্তানদের সাথে নিয়ে পুরো পরিবারসহ মসজিদে গিয়ে সলাত আদায় করেন। অনেক মহিলারাই ওয়াক্তের সলাত, জুমু'আর সলাত, রমাদানে তারাবীর সলাত এবং রমাদানের শেষ দশদিনে তাহাজ্জুদের সলাত মসজিদে গিয়ে আদায় করেন। বিশেষ করে ইউনিভার্সিটির মুসলিম মেয়েরা শুক্রবারে তাদের ক্লাশের ফাঁকে মসজিদে গিয়ে জুম্মার সলাত আদায় করে আসে। জামাতে সলাতের সময় বড়রা শিশু-কিশোরদেরকে একই লাইনে তাদের সাথে দাঁড় করান, পিছনে ঠেলে দেন না। অনেক মসজিদ থেকেই তারাবীহ এবং তাহাজ্জুদ সলাত ভিডিও টেলিকাস্ট করা হয়ে থাকে কারণ যে সকল মা-বোনরা এবং বয়স্করা মসজিদে আসতে পারেননি তারা যেন বাসায় বসে তা উপভোগ করতে পারেন। সবচেয়ে শিক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে যে, কোন কোন মসজিদে তারাবীর চেয়ে তাহাজ্জুদে মুসল্লি বেশী হয়।
রসূল -এর সময় এই মসজিদই ছিল পার্লামেন্ট, বঙ্গভবন, হাইকোর্ট, সুপ্রিমকোর্ট, সেকরেটারিয়েট এবং সলাতের জায়গা।

আমাদের দেশে কোটি কোটি টাকা খরচ করে মসজিদ বানানো হয় কিন্তু তার কোন সঠিক ব্যবহার নেই। অমুসলিম দেশ যেমন : ইউরোপ- আমেরিকা-ক্যানাডা-অস্ট্রেলিয়া থেকে আমরা শিক্ষাগ্রহণ করতে পারি। এখানে প্রায় প্রতিটি এলাকাতেই মুসলিমদের জন্য মসজিদ রয়েছে। এই মসজিদগুলো আমাদের দেশের মসজিদের মতো পাঁচ ওয়াক্ত সলাতের পর তালা দিয়ে রাখা হয় না। এই মসজিদগুলোতে শুধু পাঁচ ওয়াক্ত সলাতই হয় না এছাড়া রয়েছে নানা রকম কমিউনিটি সার্ভিসেস। একেকটা মসজিদ একেকটা কমিউনিটি সেন্টারও বটে। যেমন : এখানে বিয়ে-সাদী হয়, বিয়ের অনুষ্ঠান হয়, আকীকা হয়, কনফারেন্স হয়, সেমিনার হয়, ওয়ার্কশপ হয়। এখানকার ইউনিভার্সিটিতে পড়ুয়া উচ্চ শিক্ষিত ছেলেমেয়েরা ছোটবেলা থেকেই মানসিকভাবে গড়ে উঠে যে মসজিদ হচ্ছে সবচেয়ে উন্নত স্থান। বিয়ের সময় তারা মনে করে না যে তাদের বিয়ে কোন আধুনিক কমিউনিটি সেন্টার বা হোটেলে হচ্ছে না কেন! বিয়ে ছাড়াও কমিউনিটির অন্যান্য প্রোগ্রামও মসজিদগুলোতে নিয়মিত হয়। প্রায় সকল মুসলিম পরিবারগুলোই এই মসজিদগুলোর সাথে নিয়মিত সংস্পর্শে থাকে।
ইউরোপ-আমেরিকা-ক্যানাডা-অস্ট্রেলিয়ার একেকটা মসজিদ একেকটা ইনস্টিটিউট অর্থাৎ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও বটে। প্রায় প্রতিটি মসজিদের সাথেই রয়েছে অত্যাধুনিক ইংলিশ-আরবী মিডিয়াম স্কুল। এই স্কুলগুলো আমাদের দেশের গতানুগতিক মাদ্রাসার মতো নয়। এখান থেকে ছেলেমেয়েরা একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি কুরআন-সুন্নাহর নৈতিক শিক্ষাও গ্রহণ করে থাকে। একটি ছেলে বা মেয়ে আল-কুরআনে হাফিজও হয় আবার তার পাশাপাশি একজন সফল ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ারও হয়। এই ধরণের ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ারাই মসজিদগুলোতে ইমামতি করেন, জুম্মার খুতবা দেন।
এখানকার মসজিদগুলোতে ছেলেমেয়েদের জন্য আলাদা আলাদা নানারকম রিক্রিয়েশনের ব্যবস্থা থাকে। যেমন : মুসলিম বাবা-মায়েরা বিকেলে এবং বন্ধের দিনগুলোতে সন্তানদের নিয়ে মসজিদে চলে যান। সেখানে ছেলেরা আলাদা এবং মেয়েরা আলাদা টেবিল টেনিস, বাসকেট বল, ব্যাডমিন্টন, ফুটবল, হকি ইত্যাদি খেলে সময় কাটায়। এছাড়া রয়েছে কম্পিউটার ও ইন্টারনেট ফ্যসিলিটি।
প্রতিটি মসজিদে রয়েছে মহিলাদের জন্য সলাতের খুব ভাল ব্যবস্থা। পিতা-মাতারা সন্তানদের সাথে নিয়ে পুরো পরিবারসহ মসজিদে গিয়ে সলাত আদায় করেন। অনেক মহিলারাই ওয়াক্তের সলাত, জুমু'আর সলাত, রমাদানে তারাবীর সলাত এবং রমাদানের শেষ দশদিনে তাহাজ্জুদের সলাত মসজিদে গিয়ে আদায় করেন। বিশেষ করে ইউনিভার্সিটির মুসলিম মেয়েরা শুক্রবারে তাদের ক্লাশের ফাঁকে মসজিদে গিয়ে জুম্মার সলাত আদায় করে আসে। জামাতে সলাতের সময় বড়রা শিশু-কিশোরদেরকে একই লাইনে তাদের সাথে দাঁড় করান, পিছনে ঠেলে দেন না। অনেক মসজিদ থেকেই তারাবীহ এবং তাহাজ্জুদ সলাত ভিডিও টেলিকাস্ট করা হয়ে থাকে কারণ যে সকল মা-বোনরা এবং বয়স্করা মসজিদে আসতে পারেননি তারা যেন বাসায় বসে তা উপভোগ করতে পারেন। সবচেয়ে শিক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে যে, কোন কোন মসজিদে তারাবীর চেয়ে তাহাজ্জুদে মুসল্লি বেশী হয়।
রসূল -এর সময় এই মসজিদই ছিল পার্লামেন্ট, বঙ্গভবন, হাইকোর্ট, সুপ্রিমকোর্ট, সেকরেটারিয়েট এবং সলাতের জায়গা।

📘 মুসলিম পরিবারের ছেলেমেয়েরা কেন ইসলাম থেকে দূরে সরে যাচ্ছে > 📄 'ইসলাম পালন করাকে সংগ্রামী কর্মকান্ড ভাবা

📄 'ইসলাম পালন করাকে সংগ্রামী কর্মকান্ড ভাবা


ইসলাম সম্পর্কে আমাদের অজ্ঞতা এমনই বেড়ে গেছে যে, কোন বাবা- মা/আত্মীয়-স্বজন যদি তাদের কলেজ বা ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া ছেলের পড়ার টেবিলে কোন হাদীসের বই বা কুরআনের এক খন্ড তাফসীর দেখেন তাহলেই তারা খুবই চিন্তিত হয়ে পড়েন। তারা ভাবেন, আমার ছেলে এই বয়সে কুরআনের তাফসীর বা হাদীস গ্রন্থ পড়ছে কেন? সে কোন জঙ্গি দলের সাথে জড়িয়ে যায়নি তো!
বাবা-মায়েরা সন্তানদেরকে স্টুডেন্ট লাইফে কুরআন ও হাদীস পড়তে দেন না। তারা মনে করেন, এতে তার স্কুল-কলেজের পড়াশোনা নষ্ট হবে, সময় নষ্ট হবে। তাদের ভয়, হয়তো সে যোগ্য ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়র-ব্যরিষ্টার হতে পারবে না।
আমাদের এক আত্মীয় তিনি নিজে কুরআন-হাদীস পড়তেন কিন্তু তার কলেজে পড়ুয়া ছেলে মেয়েদের পড়তে দিতেন না, নিজের পড়া হয়ে গেলে ট্রাংকে ভরে রাখতেন। তিনি সন্তানদের বলতেন যে এগুলো এতো অল্প বয়সে পড়া ঠিক না, পড়লে ক্ষতি হতে পারে, জীবন ঐ দিকে ঝুঁকে পড়তে পারে। এগুলোর ভার এখন বইতে পারবে না। এতে ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টের ক্ষতি হবে। এখন জীবন গড়ার বয়স। তাহলে ভেবে দেখি যে, একজন নিজে কুরআন পড়ছেন অথচ তিনি নিজে এতোটা অজ্ঞ যে তার সন্তানদেরকে সেটা থেকে দূরে রাখছেন।
পত্র-পত্রিকায় দেখা যায় পুলিশ যখন কোন কারণে একটি মাদ্রাসা তল্লাশি করে তখন পত্রিকাগুলো বিশেষ হাইলাইট করে লিখে কিছু জিহাদী বই পাওয়া গেছে এবং বেশ কিছু কুরআনের কপি জব্দ করা হয়েছে। আজকাল আল্লাহর কিতাব যা আমাদের ভাল থাকার জন্য গাইড বুক হিসেবে আল্লাহ তা'আলা পাঠিয়েছেন তাও আমরা আইনের লোকেরা অফেন্স মনে করে তা জব্দ করছি!
জিহাদ শব্দটা তো আজ শুধু অমুসলিম নয় মুসলিমদের নিকটও জঘন্য ঘৃণায় পরিণত হয়েছে। অথচ জিহাদ কুরআনেরই একটি শব্দ যার অর্থ প্রচেষ্টা (কোন ভাল কাজে সাফল্যের জন্য প্রচেষ্টা)। আর আমরা মিডিয়ার বুদ্ধিজীবীরা তাকে ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে বানিয়েছি সন্ত্রাস, মারামারী, কাটাকাটি, বোমাবাজি বা Holy war!

ইসলাম সম্পর্কে আমাদের অজ্ঞতা এমনই বেড়ে গেছে যে, কোন বাবা- মা/আত্মীয়-স্বজন যদি তাদের কলেজ বা ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া ছেলের পড়ার টেবিলে কোন হাদীসের বই বা কুরআনের এক খন্ড তাফসীর দেখেন তাহলেই তারা খুবই চিন্তিত হয়ে পড়েন। তারা ভাবেন, আমার ছেলে এই বয়সে কুরআনের তাফসীর বা হাদীস গ্রন্থ পড়ছে কেন? সে কোন জঙ্গি দলের সাথে জড়িয়ে যায়নি তো!
বাবা-মায়েরা সন্তানদেরকে স্টুডেন্ট লাইফে কুরআন ও হাদীস পড়তে দেন না। তারা মনে করেন, এতে তার স্কুল-কলেজের পড়াশোনা নষ্ট হবে, সময় নষ্ট হবে। তাদের ভয়, হয়তো সে যোগ্য ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়র-ব্যরিষ্টার হতে পারবে না।
আমাদের এক আত্মীয় তিনি নিজে কুরআন-হাদীস পড়তেন কিন্তু তার কলেজে পড়ুয়া ছেলে মেয়েদের পড়তে দিতেন না, নিজের পড়া হয়ে গেলে ট্রাংকে ভরে রাখতেন। তিনি সন্তানদের বলতেন যে এগুলো এতো অল্প বয়সে পড়া ঠিক না, পড়লে ক্ষতি হতে পারে, জীবন ঐ দিকে ঝুঁকে পড়তে পারে। এগুলোর ভার এখন বইতে পারবে না। এতে ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টের ক্ষতি হবে। এখন জীবন গড়ার বয়স। তাহলে ভেবে দেখি যে, একজন নিজে কুরআন পড়ছেন অথচ তিনি নিজে এতোটা অজ্ঞ যে তার সন্তানদেরকে সেটা থেকে দূরে রাখছেন।
পত্র-পত্রিকায় দেখা যায় পুলিশ যখন কোন কারণে একটি মাদ্রাসা তল্লাশি করে তখন পত্রিকাগুলো বিশেষ হাইলাইট করে লিখে কিছু জিহাদী বই পাওয়া গেছে এবং বেশ কিছু কুরআনের কপি জব্দ করা হয়েছে। আজকাল আল্লাহর কিতাব যা আমাদের ভাল থাকার জন্য গাইড বুক হিসেবে আল্লাহ তা'আলা পাঠিয়েছেন তাও আমরা আইনের লোকেরা অফেন্স মনে করে তা জব্দ করছি!
জিহাদ শব্দটা তো আজ শুধু অমুসলিম নয় মুসলিমদের নিকটও জঘন্য ঘৃণায় পরিণত হয়েছে। অথচ জিহাদ কুরআনেরই একটি শব্দ যার অর্থ প্রচেষ্টা (কোন ভাল কাজে সাফল্যের জন্য প্রচেষ্টা)। আর আমরা মিডিয়ার বুদ্ধিজীবীরা তাকে ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে বানিয়েছি সন্ত্রাস, মারামারী, কাটাকাটি, বোমাবাজি বা Holy war!

ইসলাম সম্পর্কে আমাদের অজ্ঞতা এমনই বেড়ে গেছে যে, কোন বাবা- মা/আত্মীয়-স্বজন যদি তাদের কলেজ বা ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া ছেলের পড়ার টেবিলে কোন হাদীসের বই বা কুরআনের এক খন্ড তাফসীর দেখেন তাহলেই তারা খুবই চিন্তিত হয়ে পড়েন। তারা ভাবেন, আমার ছেলে এই বয়সে কুরআনের তাফসীর বা হাদীস গ্রন্থ পড়ছে কেন? সে কোন জঙ্গি দলের সাথে জড়িয়ে যায়নি তো!
বাবা-মায়েরা সন্তানদেরকে স্টুডেন্ট লাইফে কুরআন ও হাদীস পড়তে দেন না। তারা মনে করেন, এতে তার স্কুল-কলেজের পড়াশোনা নষ্ট হবে, সময় নষ্ট হবে। তাদের ভয়, হয়তো সে যোগ্য ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়র-ব্যরিষ্টার হতে পারবে না।
আমাদের এক আত্মীয় তিনি নিজে কুরআন-হাদীস পড়তেন কিন্তু তার কলেজে পড়ুয়া ছেলে মেয়েদের পড়তে দিতেন না, নিজের পড়া হয়ে গেলে ট্রাংকে ভরে রাখতেন। তিনি সন্তানদের বলতেন যে এগুলো এতো অল্প বয়সে পড়া ঠিক না, পড়লে ক্ষতি হতে পারে, জীবন ঐ দিকে ঝুঁকে পড়তে পারে। এগুলোর ভার এখন বইতে পারবে না। এতে ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টের ক্ষতি হবে। এখন জীবন গড়ার বয়স। তাহলে ভেবে দেখি যে, একজন নিজে কুরআন পড়ছেন অথচ তিনি নিজে এতোটা অজ্ঞ যে তার সন্তানদেরকে সেটা থেকে দূরে রাখছেন।
পত্র-পত্রিকায় দেখা যায় পুলিশ যখন কোন কারণে একটি মাদ্রাসা তল্লাশি করে তখন পত্রিকাগুলো বিশেষ হাইলাইট করে লিখে কিছু জিহাদী বই পাওয়া গেছে এবং বেশ কিছু কুরআনের কপি জব্দ করা হয়েছে। আজকাল আল্লাহর কিতাব যা আমাদের ভাল থাকার জন্য গাইড বুক হিসেবে আল্লাহ তা'আলা পাঠিয়েছেন তাও আমরা আইনের লোকেরা অফেন্স মনে করে তা জব্দ করছি!
জিহাদ শব্দটা তো আজ শুধু অমুসলিম নয় মুসলিমদের নিকটও জঘন্য ঘৃণায় পরিণত হয়েছে। অথচ জিহাদ কুরআনেরই একটি শব্দ যার অর্থ প্রচেষ্টা (কোন ভাল কাজে সাফল্যের জন্য প্রচেষ্টা)। আর আমরা মিডিয়ার বুদ্ধিজীবীরা তাকে ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে বানিয়েছি সন্ত্রাস, মারামারী, কাটাকাটি, বোমাবাজি বা Holy war!

ইসলাম সম্পর্কে আমাদের অজ্ঞতা এমনই বেড়ে গেছে যে, কোন বাবা- মা/আত্মীয়-স্বজন যদি তাদের কলেজ বা ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া ছেলের পড়ার টেবিলে কোন হাদীসের বই বা কুরআনের এক খন্ড তাফসীর দেখেন তাহলেই তারা খুবই চিন্তিত হয়ে পড়েন। তারা ভাবেন, আমার ছেলে এই বয়সে কুরআনের তাফসীর বা হাদীস গ্রন্থ পড়ছে কেন? সে কোন জঙ্গি দলের সাথে জড়িয়ে যায়নি তো!
বাবা-মায়েরা সন্তানদেরকে স্টুডেন্ট লাইফে কুরআন ও হাদীস পড়তে দেন না। তারা মনে করেন, এতে তার স্কুল-কলেজের পড়াশোনা নষ্ট হবে, সময় নষ্ট হবে। তাদের ভয়, হয়তো সে যোগ্য ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়র-ব্যরিষ্টার হতে পারবে না।
আমাদের এক আত্মীয় তিনি নিজে কুরআন-হাদীস পড়তেন কিন্তু তার কলেজে পড়ুয়া ছেলে মেয়েদের পড়তে দিতেন না, নিজের পড়া হয়ে গেলে ট্রাংকে ভরে রাখতেন। তিনি সন্তানদের বলতেন যে এগুলো এতো অল্প বয়সে পড়া ঠিক না, পড়লে ক্ষতি হতে পারে, জীবন ঐ দিকে ঝুঁকে পড়তে পারে। এগুলোর ভার এখন বইতে পারবে না। এতে ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টের ক্ষতি হবে। এখন জীবন গড়ার বয়স। তাহলে ভেবে দেখি যে, একজন নিজে কুরআন পড়ছেন অথচ তিনি নিজে এতোটা অজ্ঞ যে তার সন্তানদেরকে সেটা থেকে দূরে রাখছেন।
পত্র-পত্রিকায় দেখা যায় পুলিশ যখন কোন কারণে একটি মাদ্রাসা তল্লাশি করে তখন পত্রিকাগুলো বিশেষ হাইলাইট করে লিখে কিছু জিহাদী বই পাওয়া গেছে এবং বেশ কিছু কুরআনের কপি জব্দ করা হয়েছে। আজকাল আল্লাহর কিতাব যা আমাদের ভাল থাকার জন্য গাইড বুক হিসেবে আল্লাহ তা'আলা পাঠিয়েছেন তাও আমরা আইনের লোকেরা অফেন্স মনে করে তা জব্দ করছি!
জিহাদ শব্দটা তো আজ শুধু অমুসলিম নয় মুসলিমদের নিকটও জঘন্য ঘৃণায় পরিণত হয়েছে। অথচ জিহাদ কুরআনেরই একটি শব্দ যার অর্থ প্রচেষ্টা (কোন ভাল কাজে সাফল্যের জন্য প্রচেষ্টা)। আর আমরা মিডিয়ার বুদ্ধিজীবীরা তাকে ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে বানিয়েছি সন্ত্রাস, মারামারী, কাটাকাটি, বোমাবাজি বা Holy war!

ইসলাম সম্পর্কে আমাদের অজ্ঞতা এমনই বেড়ে গেছে যে, কোন বাবা- মা/আত্মীয়-স্বজন যদি তাদের কলেজ বা ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া ছেলের পড়ার টেবিলে কোন হাদীসের বই বা কুরআনের এক খন্ড তাফসীর দেখেন তাহলেই তারা খুবই চিন্তিত হয়ে পড়েন। তারা ভাবেন, আমার ছেলে এই বয়সে কুরআনের তাফসীর বা হাদীস গ্রন্থ পড়ছে কেন? সে কোন জঙ্গি দলের সাথে জড়িয়ে যায়নি তো!
বাবা-মায়েরা সন্তানদেরকে স্টুডেন্ট লাইফে কুরআন ও হাদীস পড়তে দেন না। তারা মনে করেন, এতে তার স্কুল-কলেজের পড়াশোনা নষ্ট হবে, সময় নষ্ট হবে। তাদের ভয়, হয়তো সে যোগ্য ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়র-ব্যরিষ্টার হতে পারবে না।
আমাদের এক আত্মীয় তিনি নিজে কুরআন-হাদীস পড়তেন কিন্তু তার কলেজে পড়ুয়া ছেলে মেয়েদের পড়তে দিতেন না, নিজের পড়া হয়ে গেলে ট্রাংকে ভরে রাখতেন। তিনি সন্তানদের বলতেন যে এগুলো এতো অল্প বয়সে পড়া ঠিক না, পড়লে ক্ষতি হতে পারে, জীবন ঐ দিকে ঝুঁকে পড়তে পারে। এগুলোর ভার এখন বইতে পারবে না। এতে ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টের ক্ষতি হবে। এখন জীবন গড়ার বয়স। তাহলে ভেবে দেখি যে, একজন নিজে কুরআন পড়ছেন অথচ তিনি নিজে এতোটা অজ্ঞ যে তার সন্তানদেরকে সেটা থেকে দূরে রাখছেন।
পত্র-পত্রিকায় দেখা যায় পুলিশ যখন কোন কারণে একটি মাদ্রাসা তল্লাশি করে তখন পত্রিকাগুলো বিশেষ হাইলাইট করে লিখে কিছু জিহাদী বই পাওয়া গেছে এবং বেশ কিছু কুরআনের কপি জব্দ করা হয়েছে। আজকাল আল্লাহর কিতাব যা আমাদের ভাল থাকার জন্য গাইড বুক হিসেবে আল্লাহ তা'আলা পাঠিয়েছেন তাও আমরা আইনের লোকেরা অফেন্স মনে করে তা জব্দ করছি!
জিহাদ শব্দটা তো আজ শুধু অমুসলিম নয় মুসলিমদের নিকটও জঘন্য ঘৃণায় পরিণত হয়েছে। অথচ জিহাদ কুরআনেরই একটি শব্দ যার অর্থ প্রচেষ্টা (কোন ভাল কাজে সাফল্যের জন্য প্রচেষ্টা)। আর আমরা মিডিয়ার বুদ্ধিজীবীরা তাকে ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে বানিয়েছি সন্ত্রাস, মারামারী, কাটাকাটি, বোমাবাজি বা Holy war!

ইসলাম সম্পর্কে আমাদের অজ্ঞতা এমনই বেড়ে গেছে যে, কোন বাবা- মা/আত্মীয়-স্বজন যদি তাদের কলেজ বা ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া ছেলের পড়ার টেবিলে কোন হাদীসের বই বা কুরআনের এক খন্ড তাফসীর দেখেন তাহলেই তারা খুবই চিন্তিত হয়ে পড়েন। তারা ভাবেন, আমার ছেলে এই বয়সে কুরআনের তাফসীর বা হাদীস গ্রন্থ পড়ছে কেন? সে কোন জঙ্গি দলের সাথে জড়িয়ে যায়নি তো!
বাবা-মায়েরা সন্তানদেরকে স্টুডেন্ট লাইফে কুরআন ও হাদীস পড়তে দেন না। তারা মনে করেন, এতে তার স্কুল-কলেজের পড়াশোনা নষ্ট হবে, সময় নষ্ট হবে। তাদের ভয়, হয়তো সে যোগ্য ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়র-ব্যরিষ্টার হতে পারবে না।
আমাদের এক আত্মীয় তিনি নিজে কুরআন-হাদীস পড়তেন কিন্তু তার কলেজে পড়ুয়া ছেলে মেয়েদের পড়তে দিতেন না, নিজের পড়া হয়ে গেলে ট্রাংকে ভরে রাখতেন। তিনি সন্তানদের বলতেন যে এগুলো এতো অল্প বয়সে পড়া ঠিক না, পড়লে ক্ষতি হতে পারে, জীবন ঐ দিকে ঝুঁকে পড়তে পারে। এগুলোর ভার এখন বইতে পারবে না। এতে ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টের ক্ষতি হবে। এখন জীবন গড়ার বয়স। তাহলে ভেবে দেখি যে, একজন নিজে কুরআন পড়ছেন অথচ তিনি নিজে এতোটা অজ্ঞ যে তার সন্তানদেরকে সেটা থেকে দূরে রাখছেন।
পত্র-পত্রিকায় দেখা যায় পুলিশ যখন কোন কারণে একটি মাদ্রাসা তল্লাশি করে তখন পত্রিকাগুলো বিশেষ হাইলাইট করে লিখে কিছু জিহাদী বই পাওয়া গেছে এবং বেশ কিছু কুরআনের কপি জব্দ করা হয়েছে। আজকাল আল্লাহর কিতাব যা আমাদের ভাল থাকার জন্য গাইড বুক হিসেবে আল্লাহ তা'আলা পাঠিয়েছেন তাও আমরা আইনের লোকেরা অফেন্স মনে করে তা জব্দ করছি!
জিহাদ শব্দটা তো আজ শুধু অমুসলিম নয় মুসলিমদের নিকটও জঘন্য ঘৃণায় পরিণত হয়েছে। অথচ জিহাদ কুরআনেরই একটি শব্দ যার অর্থ প্রচেষ্টা (কোন ভাল কাজে সাফল্যের জন্য প্রচেষ্টা)। আর আমরা মিডিয়ার বুদ্ধিজীবীরা তাকে ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে বানিয়েছি সন্ত্রাস, মারামারী, কাটাকাটি, বোমাবাজি বা Holy war!

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00