📄 ইবাদত সম্পর্কে সঠিক ধারণা না থাকা
• আমরা অনেকেই মনে করি যে শুধু নামায-রোযা-হাজ্জ-যাকাতই ইবাদত। এর বাইরে আর কোন ইবাদত নেই。
আসলে ইসলামের দৃষ্টিতে একজন মুসলিমের প্রতিটি কাজই ইবাদত যদি তা আল্লাহ ও তার রসূল-এর নিয়ম অনুসারে করা হয়。
একজন মুসলিমের সকালে ঘুম থেকে উঠে রাতে ঘুমাতে যাওয়াসহ প্রতিটি স্টেপই ইবাদতের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে যদি তা ইসলামী নিয়মানুসারে হয়, আর একেই বলে Islamic way of life বা ইসলামী জীবন পদ্ধতি。
• আমরা অনেকেই মনে করি যে শুধু নামায-রোযা-হাজ্জ-যাকাতই ইবাদত। এর বাইরে আর কোন ইবাদত নেই。
আসলে ইসলামের দৃষ্টিতে একজন মুসলিমের প্রতিটি কাজই ইবাদত যদি তা আল্লাহ ও তার রসূল-এর নিয়ম অনুসারে করা হয়。
একজন মুসলিমের সকালে ঘুম থেকে উঠে রাতে ঘুমাতে যাওয়াসহ প্রতিটি স্টেপই ইবাদতের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে যদি তা ইসলামী নিয়মানুসারে হয়, আর একেই বলে Islamic way of life বা ইসলামী জীবন পদ্ধতি。
• আমরা অনেকেই মনে করি যে শুধু নামায-রোযা-হাজ্জ-যাকাতই ইবাদত। এর বাইরে আর কোন ইবাদত নেই。
আসলে ইসলামের দৃষ্টিতে একজন মুসলিমের প্রতিটি কাজই ইবাদত যদি তা আল্লাহ ও তার রসূল-এর নিয়ম অনুসারে করা হয়。
একজন মুসলিমের সকালে ঘুম থেকে উঠে রাতে ঘুমাতে যাওয়াসহ প্রতিটি স্টেপই ইবাদতের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে যদি তা ইসলামী নিয়মানুসারে হয়, আর একেই বলে Islamic way of life বা ইসলামী জীবন পদ্ধতি。
• আমরা অনেকেই মনে করি যে শুধু নামায-রোযা-হাজ্জ-যাকাতই ইবাদত। এর বাইরে আর কোন ইবাদত নেই。
আসলে ইসলামের দৃষ্টিতে একজন মুসলিমের প্রতিটি কাজই ইবাদত যদি তা আল্লাহ ও তার রসূল-এর নিয়ম অনুসারে করা হয়。
একজন মুসলিমের সকালে ঘুম থেকে উঠে রাতে ঘুমাতে যাওয়াসহ প্রতিটি স্টেপই ইবাদতের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে যদি তা ইসলামী নিয়মানুসারে হয়, আর একেই বলে Islamic way of life বা ইসলামী জীবন পদ্ধতি。
• আমরা অনেকেই মনে করি যে শুধু নামায-রোযা-হাজ্জ-যাকাতই ইবাদত। এর বাইরে আর কোন ইবাদত নেই。
আসলে ইসলামের দৃষ্টিতে একজন মুসলিমের প্রতিটি কাজই ইবাদত যদি তা আল্লাহ ও তার রসূল-এর নিয়ম অনুসারে করা হয়。
একজন মুসলিমের সকালে ঘুম থেকে উঠে রাতে ঘুমাতে যাওয়াসহ প্রতিটি স্টেপই ইবাদতের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে যদি তা ইসলামী নিয়মানুসারে হয়, আর একেই বলে Islamic way of life বা ইসলামী জীবন পদ্ধতি。
• আমরা অনেকেই মনে করি যে শুধু নামায-রোযা-হাজ্জ-যাকাতই ইবাদত। এর বাইরে আর কোন ইবাদত নেই。
আসলে ইসলামের দৃষ্টিতে একজন মুসলিমের প্রতিটি কাজই ইবাদত যদি তা আল্লাহ ও তার রসূল-এর নিয়ম অনুসারে করা হয়。
একজন মুসলিমের সকালে ঘুম থেকে উঠে রাতে ঘুমাতে যাওয়াসহ প্রতিটি স্টেপই ইবাদতের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে যদি তা ইসলামী নিয়মানুসারে হয়, আর একেই বলে Islamic way of life বা ইসলামী জীবন পদ্ধতি。
📄 হুজুরদের শরণাপন্ন হওয়া
২০১৩ সালের এপ্রিল মাসে যখন সাভারের রানা প্লাজা (কয়েকটি গার্মেন্স) ধবসে পরলো, আমরা সবাই জানি ঘটনা। শতশত লোক ধবংসস্তুপের নিচে চাপা পরে রয়েছে এবং আর্মিরা খুবই আন্তরিকতার সহিত উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে অনেকেই ধ্বংসস্তুপের নিচে চাপা পরে মারাও গেছে। আমরা টিভিতে দেখেছি যে, মৃতদের আত্মার মাগফিরাতের জন্য ধবংসস্তুপের পাশেই আর্মিরা প্যান্ডেল করে দিয়েছেন এবং হুজুর ভাড়া করে এনে মাইকে কুরআন তিলাওয়াতের ব্যবস্থা করেছেন। হুজুররা সুর করে কুরআন তিলাওয়াত করে ডেডবডিদেরকে শুনাচ্ছেন! অথচ কুরআনে একটি আয়াতও নেই ডেডবডির জন্য।
চিন্তা করার বিষয় যে, আমরা জানি আর্মি অফিসাররা হচ্ছেন একটি ভাল লেভেলের মেধাবি শিক্ষিত শ্রেণী। যারা পৃথিবীর যেকোন দুযোর্গ মোকাবেলা করার জন্য ক্ষমতা রাখেন, এমনকি একেকজন আর্মি অফিসার দেশের প্রধান হওয়ার মতোও যোগ্যতা রাখেন। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো এখানেও তাদের ইসলামিক নলেজের দুর্বলতা, তারা এতো যোগ্যতা সম্পন্ন হওয়া সত্বেও হয়তো এই বিষয়ে কোন হুজুরের স্বরণাপন্ন হয়েছেন যে মৃতদের জন্য কী করা যেতে পারে। তাই তারা যা ইসলামে নেই তা মৃতদের মাগফিরাতের জন্য করছেন।
২০১৩ সালের এপ্রিল মাসে যখন সাভারের রানা প্লাজা (কয়েকটি গার্মেন্স) ধবসে পরলো, আমরা সবাই জানি ঘটনা। শতশত লোক ধবংসস্তুপের নিচে চাপা পরে রয়েছে এবং আর্মিরা খুবই আন্তরিকতার সহিত উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে অনেকেই ধ্বংসস্তুপের নিচে চাপা পরে মারাও গেছে। আমরা টিভিতে দেখেছি যে, মৃতদের আত্মার মাগফিরাতের জন্য ধবংসস্তুপের পাশেই আর্মিরা প্যান্ডেল করে দিয়েছেন এবং হুজুর ভাড়া করে এনে মাইকে কুরআন তিলাওয়াতের ব্যবস্থা করেছেন। হুজুররা সুর করে কুরআন তিলাওয়াত করে ডেডবডিদেরকে শুনাচ্ছেন! অথচ কুরআনে একটি আয়াতও নেই ডেডবডির জন্য।
চিন্তা করার বিষয় যে, আমরা জানি আর্মি অফিসাররা হচ্ছেন একটি ভাল লেভেলের মেধাবি শিক্ষিত শ্রেণী। যারা পৃথিবীর যেকোন দুযোর্গ মোকাবেলা করার জন্য ক্ষমতা রাখেন, এমনকি একেকজন আর্মি অফিসার দেশের প্রধান হওয়ার মতোও যোগ্যতা রাখেন। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো এখানেও তাদের ইসলামিক নলেজের দুর্বলতা, তারা এতো যোগ্যতা সম্পন্ন হওয়া সত্বেও হয়তো এই বিষয়ে কোন হুজুরের স্বরণাপন্ন হয়েছেন যে মৃতদের জন্য কী করা যেতে পারে। তাই তারা যা ইসলামে নেই তা মৃতদের মাগফিরাতের জন্য করছেন।
২০১৩ সালের এপ্রিল মাসে যখন সাভারের রানা প্লাজা (কয়েকটি গার্মেন্স) ধবসে পরলো, আমরা সবাই জানি ঘটনা। শতশত লোক ধবংসস্তুপের নিচে চাপা পরে রয়েছে এবং আর্মিরা খুবই আন্তরিকতার সহিত উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে অনেকেই ধ্বংসস্তুপের নিচে চাপা পরে মারাও গেছে। আমরা টিভিতে দেখেছি যে, মৃতদের আত্মার মাগফিরাতের জন্য ধবংসস্তুপের পাশেই আর্মিরা প্যান্ডেল করে দিয়েছেন এবং হুজুর ভাড়া করে এনে মাইকে কুরআন তিলাওয়াতের ব্যবস্থা করেছেন। হুজুররা সুর করে কুরআন তিলাওয়াত করে ডেডবডিদেরকে শুনাচ্ছেন! অথচ কুরআনে একটি আয়াতও নেই ডেডবডির জন্য।
চিন্তা করার বিষয় যে, আমরা জানি আর্মি অফিসাররা হচ্ছেন একটি ভাল লেভেলের মেধাবি শিক্ষিত শ্রেণী। যারা পৃথিবীর যেকোন দুযোর্গ মোকাবেলা করার জন্য ক্ষমতা রাখেন, এমনকি একেকজন আর্মি অফিসার দেশের প্রধান হওয়ার মতোও যোগ্যতা রাখেন। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো এখানেও তাদের ইসলামিক নলেজের দুর্বলতা, তারা এতো যোগ্যতা সম্পন্ন হওয়া সত্বেও হয়তো এই বিষয়ে কোন হুজুরের স্বরণাপন্ন হয়েছেন যে মৃতদের জন্য কী করা যেতে পারে। তাই তারা যা ইসলামে নেই তা মৃতদের মাগফিরাতের জন্য করছেন।
২০১৩ সালের এপ্রিল মাসে যখন সাভারের রানা প্লাজা (কয়েকটি গার্মেন্স) ধবসে পরলো, আমরা সবাই জানি ঘটনা। শতশত লোক ধবংসস্তুপের নিচে চাপা পরে রয়েছে এবং আর্মিরা খুবই আন্তরিকতার সহিত উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে অনেকেই ধ্বংসস্তুপের নিচে চাপা পরে মারাও গেছে। আমরা টিভিতে দেখেছি যে, মৃতদের আত্মার মাগফিরাতের জন্য ধবংসস্তুপের পাশেই আর্মিরা প্যান্ডেল করে দিয়েছেন এবং হুজুর ভাড়া করে এনে মাইকে কুরআন তিলাওয়াতের ব্যবস্থা করেছেন। হুজুররা সুর করে কুরআন তিলাওয়াত করে ডেডবডিদেরকে শুনাচ্ছেন! অথচ কুরআনে একটি আয়াতও নেই ডেডবডির জন্য।
চিন্তা করার বিষয় যে, আমরা জানি আর্মি অফিসাররা হচ্ছেন একটি ভাল লেভেলের মেধাবি শিক্ষিত শ্রেণী। যারা পৃথিবীর যেকোন দুযোর্গ মোকাবেলা করার জন্য ক্ষমতা রাখেন, এমনকি একেকজন আর্মি অফিসার দেশের প্রধান হওয়ার মতোও যোগ্যতা রাখেন। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো এখানেও তাদের ইসলামিক নলেজের দুর্বলতা, তারা এতো যোগ্যতা সম্পন্ন হওয়া সত্বেও হয়তো এই বিষয়ে কোন হুজুরের স্বরণাপন্ন হয়েছেন যে মৃতদের জন্য কী করা যেতে পারে। তাই তারা যা ইসলামে নেই তা মৃতদের মাগফিরাতের জন্য করছেন।
২০১৩ সালের এপ্রিল মাসে যখন সাভারের রানা প্লাজা (কয়েকটি গার্মেন্স) ধবসে পরলো, আমরা সবাই জানি ঘটনা। শতশত লোক ধবংসস্তুপের নিচে চাপা পরে রয়েছে এবং আর্মিরা খুবই আন্তরিকতার সহিত উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে অনেকেই ধ্বংসস্তুপের নিচে চাপা পরে মারাও গেছে। আমরা টিভিতে দেখেছি যে, মৃতদের আত্মার মাগফিরাতের জন্য ধবংসস্তুপের পাশেই আর্মিরা প্যান্ডেল করে দিয়েছেন এবং হুজুর ভাড়া করে এনে মাইকে কুরআন তিলাওয়াতের ব্যবস্থা করেছেন। হুজুররা সুর করে কুরআন তিলাওয়াত করে ডেডবডিদেরকে শুনাচ্ছেন! অথচ কুরআনে একটি আয়াতও নেই ডেডবডির জন্য।
চিন্তা করার বিষয় যে, আমরা জানি আর্মি অফিসাররা হচ্ছেন একটি ভাল লেভেলের মেধাবি শিক্ষিত শ্রেণী। যারা পৃথিবীর যেকোন দুযোর্গ মোকাবেলা করার জন্য ক্ষমতা রাখেন, এমনকি একেকজন আর্মি অফিসার দেশের প্রধান হওয়ার মতোও যোগ্যতা রাখেন। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো এখানেও তাদের ইসলামিক নলেজের দুর্বলতা, তারা এতো যোগ্যতা সম্পন্ন হওয়া সত্বেও হয়তো এই বিষয়ে কোন হুজুরের স্বরণাপন্ন হয়েছেন যে মৃতদের জন্য কী করা যেতে পারে। তাই তারা যা ইসলামে নেই তা মৃতদের মাগফিরাতের জন্য করছেন।
২০১৩ সালের এপ্রিল মাসে যখন সাভারের রানা প্লাজা (কয়েকটি গার্মেন্স) ধবসে পরলো, আমরা সবাই জানি ঘটনা। শতশত লোক ধবংসস্তুপের নিচে চাপা পরে রয়েছে এবং আর্মিরা খুবই আন্তরিকতার সহিত উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে অনেকেই ধ্বংসস্তুপের নিচে চাপা পরে মারাও গেছে। আমরা টিভিতে দেখেছি যে, মৃতদের আত্মার মাগফিরাতের জন্য ধবংসস্তুপের পাশেই আর্মিরা প্যান্ডেল করে দিয়েছেন এবং হুজুর ভাড়া করে এনে মাইকে কুরআন তিলাওয়াতের ব্যবস্থা করেছেন। হুজুররা সুর করে কুরআন তিলাওয়াত করে ডেডবডিদেরকে শুনাচ্ছেন! অথচ কুরআনে একটি আয়াতও নেই ডেডবডির জন্য।
চিন্তা করার বিষয় যে, আমরা জানি আর্মি অফিসাররা হচ্ছেন একটি ভাল লেভেলের মেধাবি শিক্ষিত শ্রেণী। যারা পৃথিবীর যেকোন দুযোর্গ মোকাবেলা করার জন্য ক্ষমতা রাখেন, এমনকি একেকজন আর্মি অফিসার দেশের প্রধান হওয়ার মতোও যোগ্যতা রাখেন। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো এখানেও তাদের ইসলামিক নলেজের দুর্বলতা, তারা এতো যোগ্যতা সম্পন্ন হওয়া সত্বেও হয়তো এই বিষয়ে কোন হুজুরের স্বরণাপন্ন হয়েছেন যে মৃতদের জন্য কী করা যেতে পারে। তাই তারা যা ইসলামে নেই তা মৃতদের মাগফিরাতের জন্য করছেন।
📄 সলাতে (নামাযে) কী পড়ি তা না বুঝা
আমরা দৈনিক ১৭ রাক'আত ফরয সলাত এবং ১২ রাক'আত সুন্নাত সলাত আদায় করি। কিন্তু খুব কম লোকই অর্থ বুঝে সলাত আদায় করি। আমরা জানি না যে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সলাতের মধ্যে কী বলছি, কী পড়ছি! রুকুতে "সুবহানা রব্বিআল আজিম" মানে কী? সিজদায় "সুবহানা রব্বিআল আলা" মানে কী? তা জানি না। সলাতের মাধ্যমে আল্লাহর সাথে কী কথোপোকথোন হচ্ছে তা জানি না। আল্লাহর কাছে কী চাচ্ছি তা নিজেই জানি না। অথচ আমরা সলাত আদায় করছি। যেসব কথার অর্থই জানা নেই, সেসব কথা যত ভালোই হোক না কেন তার কোন আসর আমাদের চরিত্রে আসবে কি করে?
আমরা দৈনিক ১৭ রাক'আত ফরয সলাত এবং ১২ রাক'আত সুন্নাত সলাত আদায় করি। কিন্তু খুব কম লোকই অর্থ বুঝে সলাত আদায় করি। আমরা জানি না যে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সলাতের মধ্যে কী বলছি, কী পড়ছি! রুকুতে "সুবহানা রব্বিআল আজিম" মানে কী? সিজদায় "সুবহানা রব্বিআল আলা" মানে কী? তা জানি না। সলাতের মাধ্যমে আল্লাহর সাথে কী কথোপোকথোন হচ্ছে তা জানি না। আল্লাহর কাছে কী চাচ্ছি তা নিজেই জানি না। অথচ আমরা সলাত আদায় করছি। যেসব কথার অর্থই জানা নেই, সেসব কথা যত ভালোই হোক না কেন তার কোন আসর আমাদের চরিত্রে আসবে কি করে?
আমরা দৈনিক ১৭ রাক'আত ফরয সলাত এবং ১২ রাক'আত সুন্নাত সলাত আদায় করি। কিন্তু খুব কম লোকই অর্থ বুঝে সলাত আদায় করি। আমরা জানি না যে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সলাতের মধ্যে কী বলছি, কী পড়ছি! রুকুতে "সুবহানা রব্বিআল আজিম" মানে কী? সিজদায় "সুবহানা রব্বিআল আলা" মানে কী? তা জানি না। সলাতের মাধ্যমে আল্লাহর সাথে কী কথোপোকথোন হচ্ছে তা জানি না। আল্লাহর কাছে কী চাচ্ছি তা নিজেই জানি না। অথচ আমরা সলাত আদায় করছি। যেসব কথার অর্থই জানা নেই, সেসব কথা যত ভালোই হোক না কেন তার কোন আসর আমাদের চরিত্রে আসবে কি করে?
আমরা দৈনিক ১৭ রাক'আত ফরয সলাত এবং ১২ রাক'আত সুন্নাত সলাত আদায় করি। কিন্তু খুব কম লোকই অর্থ বুঝে সলাত আদায় করি। আমরা জানি না যে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সলাতের মধ্যে কী বলছি, কী পড়ছি! রুকুতে "সুবহানা রব্বিআল আজিম" মানে কী? সিজদায় "সুবহানা রব্বিআল আলা" মানে কী? তা জানি না। সলাতের মাধ্যমে আল্লাহর সাথে কী কথোপোকথোন হচ্ছে তা জানি না। আল্লাহর কাছে কী চাচ্ছি তা নিজেই জানি না। অথচ আমরা সলাত আদায় করছি। যেসব কথার অর্থই জানা নেই, সেসব কথা যত ভালোই হোক না কেন তার কোন আসর আমাদের চরিত্রে আসবে কি করে?
আমরা দৈনিক ১৭ রাক'আত ফরয সলাত এবং ১২ রাক'আত সুন্নাত সলাত আদায় করি। কিন্তু খুব কম লোকই অর্থ বুঝে সলাত আদায় করি। আমরা জানি না যে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সলাতের মধ্যে কী বলছি, কী পড়ছি! রুকুতে "সুবহানা রব্বিআল আজিম" মানে কী? সিজদায় "সুবহানা রব্বিআল আলা" মানে কী? তা জানি না। সলাতের মাধ্যমে আল্লাহর সাথে কী কথোপোকথোন হচ্ছে তা জানি না। আল্লাহর কাছে কী চাচ্ছি তা নিজেই জানি না। অথচ আমরা সলাত আদায় করছি। যেসব কথার অর্থই জানা নেই, সেসব কথা যত ভালোই হোক না কেন তার কোন আসর আমাদের চরিত্রে আসবে কি করে?
আমরা দৈনিক ১৭ রাক'আত ফরয সলাত এবং ১২ রাক'আত সুন্নাত সলাত আদায় করি। কিন্তু খুব কম লোকই অর্থ বুঝে সলাত আদায় করি। আমরা জানি না যে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সলাতের মধ্যে কী বলছি, কী পড়ছি! রুকুতে "সুবহানা রব্বিআল আজিম" মানে কী? সিজদায় "সুবহানা রব্বিআল আলা" মানে কী? তা জানি না। সলাতের মাধ্যমে আল্লাহর সাথে কী কথোপোকথোন হচ্ছে তা জানি না। আল্লাহর কাছে কী চাচ্ছি তা নিজেই জানি না। অথচ আমরা সলাত আদায় করছি। যেসব কথার অর্থই জানা নেই, সেসব কথা যত ভালোই হোক না কেন তার কোন আসর আমাদের চরিত্রে আসবে কি করে?
📄 ইসলামী নিয়মের অপব্যবহার
আমাদের ইসলামের বুঝ বা understanding-টা এমন যে, রাস্তায় দেখা যায় বৃদ্ধা মা বোরকা পরে যাচ্ছে আর তার পাশে তার ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া যুবতী মেয়ে বেপর্দা হয়ে তার সাথে চলছে। দেখে মনে হচ্ছে যে ইসলাম পর্দার ব্যবস্থা করেছে বৃদ্ধাদের জন্য, আর যুবতীদের জন্য পর্দা নয়, তারা পর্দা করবে বৃদ্ধা হলে।
আমাদের দেশের মুসলিমগণ সাধারণত হাজ্জ পালন করে থাকেন বৃদ্ধ বয়সে। নামায-রোযা যেমন প্রতিটি মুসলিমের জন্য ফরয, তেমনি হাজ্জও প্রতিটি মুসলিমের জন্য ফরয যদি আর্থিক ও দৈহিক সামর্থ্য থাকে। যখন সামর্থ হবে হাজ্জও তখনই ফরয হবে। বেশীরভাগ সময় দেখা যায় যে আর্থিক স্বচ্ছলতা বা দৈহিক সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও আমরা হাজ্জে না গিয়ে অপেক্ষা করতে থাকি বৃদ্ধ বয়সের জন্য, রিটায়ার্মেন্টের জন্য।
একইভাবে আমাদের দেশে মসজিদে গিয়ে জামাতের সাথে পাঁচ ওয়াক্ত সলাত আদায় এবং দাড়ি রাখা, তাও রেখে দেই বৃদ্ধ বয়সের জন্য, রিটায়ার্মেন্টের জন্য। ইসলামী নিয়ম অনুযায়ী জামাতের সাথে পাঁচ ওয়াক্ত সলাত আদায় এবং দাড়ি রাখার সাথে বৃদ্ধ-যুবক কোন বিষয় নেই, অথচ এ দুটোই ওয়াজিব।
রসূল বলেছেন, হাশরের ময়দানে ৫টি প্রশ্নের উত্তর দেয়া না পর্যন্ত কোন আদম সন্তানই এক কদমও নড়তে পারবে না। (আত-তিরমিযী) ১. তার জীবনকাল সে কোন কাজে অতিবাহিত করেছে? ২. যৌবনের শক্তি-সামর্থ্য সে কোন কাজে লাগিয়েছে? ৩. কোন উপায়ে সে টাকা-পয়সা উপার্জন করেছে? ৪. এবং কোন পথে সে সেই টাকা-পয়সা খরচ করেছে? ৫. অর্জিত জ্ঞান অনুযায়ী সে কতটুকু আমল করেছে?
আমাদের ইসলামের বুঝ বা understanding-টা এমন যে, রাস্তায় দেখা যায় বৃদ্ধা মা বোরকা পরে যাচ্ছে আর তার পাশে তার ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া যুবতী মেয়ে বেপর্দা হয়ে তার সাথে চলছে। দেখে মনে হচ্ছে যে ইসলাম পর্দার ব্যবস্থা করেছে বৃদ্ধাদের জন্য, আর যুবতীদের জন্য পর্দা নয়, তারা পর্দা করবে বৃদ্ধা হলে।
আমাদের দেশের মুসলিমগণ সাধারণত হাজ্জ পালন করে থাকেন বৃদ্ধ বয়সে। নামায-রোযা যেমন প্রতিটি মুসলিমের জন্য ফরয, তেমনি হাজ্জও প্রতিটি মুসলিমের জন্য ফরয যদি আর্থিক ও দৈহিক সামর্থ্য থাকে। যখন সামর্থ হবে হাজ্জও তখনই ফরয হবে। বেশীরভাগ সময় দেখা যায় যে আর্থিক স্বচ্ছলতা বা দৈহিক সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও আমরা হাজ্জে না গিয়ে অপেক্ষা করতে থাকি বৃদ্ধ বয়সের জন্য, রিটায়ার্মেন্টের জন্য।
একইভাবে আমাদের দেশে মসজিদে গিয়ে জামাতের সাথে পাঁচ ওয়াক্ত সলাত আদায় এবং দাড়ি রাখা, তাও রেখে দেই বৃদ্ধ বয়সের জন্য, রিটায়ার্মেন্টের জন্য। ইসলামী নিয়ম অনুযায়ী জামাতের সাথে পাঁচ ওয়াক্ত সলাত আদায় এবং দাড়ি রাখার সাথে বৃদ্ধ-যুবক কোন বিষয় নেই, অথচ এ দুটোই ওয়াজিব।
রসূল বলেছেন, হাশরের ময়দানে ৫টি প্রশ্নের উত্তর দেয়া না পর্যন্ত কোন আদম সন্তানই এক কদমও নড়তে পারবে না। (আত-তিরমিযী) ১. তার জীবনকাল সে কোন কাজে অতিবাহিত করেছে? ২. যৌবনের শক্তি-সামর্থ্য সে কোন কাজে লাগিয়েছে? ৩. কোন উপায়ে সে টাকা-পয়সা উপার্জন করেছে? ৪. এবং কোন পথে সে সেই টাকা-পয়সা খরচ করেছে? ৫. অর্জিত জ্ঞান অনুযায়ী সে কতটুকু আমল করেছে?
আমাদের ইসলামের বুঝ বা understanding-টা এমন যে, রাস্তায় দেখা যায় বৃদ্ধা মা বোরকা পরে যাচ্ছে আর তার পাশে তার ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া যুবতী মেয়ে বেপর্দা হয়ে তার সাথে চলছে। দেখে মনে হচ্ছে যে ইসলাম পর্দার ব্যবস্থা করেছে বৃদ্ধাদের জন্য, আর যুবতীদের জন্য পর্দা নয়, তারা পর্দা করবে বৃদ্ধা হলে।
আমাদের দেশের মুসলিমগণ সাধারণত হাজ্জ পালন করে থাকেন বৃদ্ধ বয়সে। নামায-রোযা যেমন প্রতিটি মুসলিমের জন্য ফরয, তেমনি হাজ্জও প্রতিটি মুসলিমের জন্য ফরয যদি আর্থিক ও দৈহিক সামর্থ্য থাকে। যখন সামর্থ হবে হাজ্জও তখনই ফরয হবে। বেশীরভাগ সময় দেখা যায় যে আর্থিক স্বচ্ছলতা বা দৈহিক সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও আমরা হাজ্জে না গিয়ে অপেক্ষা করতে থাকি বৃদ্ধ বয়সের জন্য, রিটায়ার্মেন্টের জন্য।
একইভাবে আমাদের দেশে মসজিদে গিয়ে জামাতের সাথে পাঁচ ওয়াক্ত সলাত আদায় এবং দাড়ি রাখা, তাও রেখে দেই বৃদ্ধ বয়সের জন্য, রিটায়ার্মেন্টের জন্য। ইসলামী নিয়ম অনুযায়ী জামাতের সাথে পাঁচ ওয়াক্ত সলাত আদায় এবং দাড়ি রাখার সাথে বৃদ্ধ-যুবক কোন বিষয় নেই, অথচ এ দুটোই ওয়াজিব।
রসূল বলেছেন, হাশরের ময়দানে ৫টি প্রশ্নের উত্তর দেয়া না পর্যন্ত কোন আদম সন্তানই এক কদমও নড়তে পারবে না। (আত-তিরমিযী) ১. তার জীবনকাল সে কোন কাজে অতিবাহিত করেছে? ২. যৌবনের শক্তি-সামর্থ্য সে কোন কাজে লাগিয়েছে? ৩. কোন উপায়ে সে টাকা-পয়সা উপার্জন করেছে? ৪. এবং কোন পথে সে সেই টাকা-পয়সা খরচ করেছে? ৫. অর্জিত জ্ঞান অনুযায়ী সে কতটুকু আমল করেছে?
আমাদের ইসলামের বুঝ বা understanding-টা এমন যে, রাস্তায় দেখা যায় বৃদ্ধা মা বোরকা পরে যাচ্ছে আর তার পাশে তার ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া যুবতী মেয়ে বেপর্দা হয়ে তার সাথে চলছে। দেখে মনে হচ্ছে যে ইসলাম পর্দার ব্যবস্থা করেছে বৃদ্ধাদের জন্য, আর যুবতীদের জন্য পর্দা নয়, তারা পর্দা করবে বৃদ্ধা হলে।
আমাদের দেশের মুসলিমগণ সাধারণত হাজ্জ পালন করে থাকেন বৃদ্ধ বয়সে। নামায-রোযা যেমন প্রতিটি মুসলিমের জন্য ফরয, তেমনি হাজ্জও প্রতিটি মুসলিমের জন্য ফরয যদি আর্থিক ও দৈহিক সামর্থ্য থাকে। যখন সামর্থ হবে হাজ্জও তখনই ফরয হবে। বেশীরভাগ সময় দেখা যায় যে আর্থিক স্বচ্ছলতা বা দৈহিক সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও আমরা হাজ্জে না গিয়ে অপেক্ষা করতে থাকি বৃদ্ধ বয়সের জন্য, রিটায়ার্মেন্টের জন্য।
একইভাবে আমাদের দেশে মসজিদে গিয়ে জামাতের সাথে পাঁচ ওয়াক্ত সলাত আদায় এবং দাড়ি রাখা, তাও রেখে দেই বৃদ্ধ বয়সের জন্য, রিটায়ার্মেন্টের জন্য। ইসলামী নিয়ম অনুযায়ী জামাতের সাথে পাঁচ ওয়াক্ত সলাত আদায় এবং দাড়ি রাখার সাথে বৃদ্ধ-যুবক কোন বিষয় নেই, অথচ এ দুটোই ওয়াজিব।
রসূল বলেছেন, হাশরের ময়দানে ৫টি প্রশ্নের উত্তর দেয়া না পর্যন্ত কোন আদম সন্তানই এক কদমও নড়তে পারবে না। (আত-তিরমিযী) ১. তার জীবনকাল সে কোন কাজে অতিবাহিত করেছে? ২. যৌবনের শক্তি-সামর্থ্য সে কোন কাজে লাগিয়েছে? ৩. কোন উপায়ে সে টাকা-পয়সা উপার্জন করেছে? ৪. এবং কোন পথে সে সেই টাকা-পয়সা খরচ করেছে? ৫. অর্জিত জ্ঞান অনুযায়ী সে কতটুকু আমল করেছে?
আমাদের ইসলামের বুঝ বা understanding-টা এমন যে, রাস্তায় দেখা যায় বৃদ্ধা মা বোরকা পরে যাচ্ছে আর তার পাশে তার ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া যুবতী মেয়ে বেপর্দা হয়ে তার সাথে চলছে। দেখে মনে হচ্ছে যে ইসলাম পর্দার ব্যবস্থা করেছে বৃদ্ধাদের জন্য, আর যুবতীদের জন্য পর্দা নয়, তারা পর্দা করবে বৃদ্ধা হলে।
আমাদের দেশের মুসলিমগণ সাধারণত হাজ্জ পালন করে থাকেন বৃদ্ধ বয়সে। নামায-রোযা যেমন প্রতিটি মুসলিমের জন্য ফরয, তেমনি হাজ্জও প্রতিটি মুসলিমের জন্য ফরয যদি আর্থিক ও দৈহিক সামর্থ্য থাকে। যখন সামর্থ হবে হাজ্জও তখনই ফরয হবে। বেশীরভাগ সময় দেখা যায় যে আর্থিক স্বচ্ছলতা বা দৈহিক সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও আমরা হাজ্জে না গিয়ে অপেক্ষা করতে থাকি বৃদ্ধ বয়সের জন্য, রিটায়ার্মেন্টের জন্য।
একইভাবে আমাদের দেশে মসজিদে গিয়ে জামাতের সাথে পাঁচ ওয়াক্ত সলাত আদায় এবং দাড়ি রাখা, তাও রেখে দেই বৃদ্ধ বয়সের জন্য, রিটায়ার্মেন্টের জন্য। ইসলামী নিয়ম অনুযায়ী জামাতের সাথে পাঁচ ওয়াক্ত সলাত আদায় এবং দাড়ি রাখার সাথে বৃদ্ধ-যুবক কোন বিষয় নেই, অথচ এ দুটোই ওয়াজিব।
রসূল বলেছেন, হাশরের ময়দানে ৫টি প্রশ্নের উত্তর দেয়া না পর্যন্ত কোন আদম সন্তানই এক কদমও নড়তে পারবে না। (আত-তিরমিযী) ১. তার জীবনকাল সে কোন কাজে অতিবাহিত করেছে? ২. যৌবনের শক্তি-সামর্থ্য সে কোন কাজে লাগিয়েছে? ৩. কোন উপায়ে সে টাকা-পয়সা উপার্জন করেছে? ৪. এবং কোন পথে সে সেই টাকা-পয়সা খরচ করেছে? ৫. অর্জিত জ্ঞান অনুযায়ী সে কতটুকু আমল করেছে?
আমাদের ইসলামের বুঝ বা understanding-টা এমন যে, রাস্তায় দেখা যায় বৃদ্ধা মা বোরকা পরে যাচ্ছে আর তার পাশে তার ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া যুবতী মেয়ে বেপর্দা হয়ে তার সাথে চলছে। দেখে মনে হচ্ছে যে ইসলাম পর্দার ব্যবস্থা করেছে বৃদ্ধাদের জন্য, আর যুবতীদের জন্য পর্দা নয়, তারা পর্দা করবে বৃদ্ধা হলে।
আমাদের দেশের মুসলিমগণ সাধারণত হাজ্জ পালন করে থাকেন বৃদ্ধ বয়সে। নামায-রোযা যেমন প্রতিটি মুসলিমের জন্য ফরয, তেমনি হাজ্জও প্রতিটি মুসলিমের জন্য ফরয যদি আর্থিক ও দৈহিক সামর্থ্য থাকে। যখন সামর্থ হবে হাজ্জও তখনই ফরয হবে। বেশীরভাগ সময় দেখা যায় যে আর্থিক স্বচ্ছলতা বা দৈহিক সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও আমরা হাজ্জে না গিয়ে অপেক্ষা করতে থাকি বৃদ্ধ বয়সের জন্য, রিটায়ার্মেন্টের জন্য।
একইভাবে আমাদের দেশে মসজিদে গিয়ে জামাতের সাথে পাঁচ ওয়াক্ত সলাত আদায় এবং দাড়ি রাখা, তাও রেখে দেই বৃদ্ধ বয়সের জন্য, রিটায়ার্মেন্টের জন্য। ইসলামী নিয়ম অনুযায়ী জামাতের সাথে পাঁচ ওয়াক্ত সলাত আদায় এবং দাড়ি রাখার সাথে বৃদ্ধ-যুবক কোন বিষয় নেই, অথচ এ দুটোই ওয়াজিব।
রসূল বলেছেন, হাশরের ময়দানে ৫টি প্রশ্নের উত্তর দেয়া না পর্যন্ত কোন আদম সন্তানই এক কদমও নড়তে পারবে না। (আত-তিরমিযী) ১. তার জীবনকাল সে কোন কাজে অতিবাহিত করেছে? ২. যৌবনের শক্তি-সামর্থ্য সে কোন কাজে লাগিয়েছে? ৩. কোন উপায়ে সে টাকা-পয়সা উপার্জন করেছে? ৪. এবং কোন পথে সে সেই টাকা-পয়সা খরচ করেছে? ৫. অর্জিত জ্ঞান অনুযায়ী সে কতটুকু আমল করেছে?