📄 ব্রিটিশ পরিকল্পনার বাস্তবায়ন
ভারতবর্ষ প্রায় দুইশত বৎসর খ্রীষ্টানদের অধীনে থাকাকালে তৎকালীন এক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী মি. গ্ল্যাডস্টোন (১৮০৯-৯৮) একদিন একটি কুরআন উঁচু করে ধরে হাউজ অফ কমন্সে বলেছিলেন, "দেখ, এটা হচ্ছে মুসলিমদের ধর্মগ্রন্থ আল-কুরআন, মুসলিমগণ যদি এই কুরআনের সঠিক শিক্ষা লাভ করে তবে তোমরা কোন মুসলিম দেশেই তোমাদের শাসন চালাতে সক্ষম হবে না। তোমরা যদি মুসলিম দেশগুলির উপর নিরাপদে রাজত্ব করতে চাও, তাহলে এই কুরআনের শিক্ষা হতে মুসলিমদেরকে দূরে রাখতে হবে।" তাদের প্ল্যান অনুযায়ী মুসলিমদের মধ্যে বিশ্বাস ঢুকিয়ে দিলেন যে- "মানুষের জীবনে দুইটি অংশ, একটি হলো দ্বীনদারী এবং আর অপরটি হলো দুনিয়াদারী।" দ্বীনদারী এবং দুনিয়াদারীর মধ্যে কোন সম্পর্ক নেই, একটা থেকে অন্যটা সম্পূর্ণ আলাদা। দ্বীনদারীর ব্যাপার শুধু দেখবে মাদ্রাসার হুজুররা এবং দুনিয়াদারী হলো কলেজ-ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষিত মানুষের জন্য।
তাদের আরো পরিকল্পনা হলো: মাদ্রাসার সিলেবাস তৈরী করা এবং সেই সিলেবাসে যেন আল-কুরআন বলতে শুধু পরকাল সম্পর্কিত বিষয় ছাড়া অন্য কিছু না থাকে। তখন থেকেই মাদ্রাসায় শিক্ষায় বাস্তব জীবন সম্পর্কিত আল-কুরআনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি সুকৌশলে বাদ দিয়ে দেয়া হয়েছে। চালু হলো না বুঝে কুরআনে হাফিজ, বিভিন্ন রকম কুরআন খতম, কুরআন দিয়ে নানা রকম তাবিজ-কবচ, চাল পড়া দিয়ে চোর ধরা, কুলখানী, মিলাদ, সবিনা খতম, হালাকা যিকর, মোরাকাবা, আওলীয়া হওয়ার জন্য সংসার ত্যাগ, পীর-মুরীদি, পীরদের জান্নাতের নিশ্চয়তা দান, কলব পরিষ্কার, নানারকম চিল্লা লাগানো, মাজারের খেদমত করা, মাজারে শির্ণি দেয়া, ফুল-ফল দেয়া, আগর বাতি জ্বালানো।
ইংরেজরা সুকৌশলে শিক্ষা ব্যবস্থাটাকে এমন দুই মেরুতে ভাগ করে দিলেন যে যারা মাদ্রাসা শিক্ষায় শিক্ষিত হবে তারা administration-এ আসতে পারবেন না অর্থাৎ দেশ চালানোর মতো তাদের কোন যোগ্যতা থাকবেনা। যারা মাদ্রাসা থেকে পাশ করে বের হবে তাদের পেশা হবে সাধারণত: মুসলমানী করানো, বিয়ে পড়ানো, তারাবী সলাত পড়ানো, ইমামতি করা, মুয়াজ্জিনগিরী করা, জানাজা পড়ানো, খতম পড়ানো, মিলাদ পড়ানো, জীন-ভূত তাড়ানো, মাদ্রাসায় পড়ানো, এতিমখানার প্রিন্সিপাল। ইত্যাদি ইত্যাদি। অন্যদিকে তারা সাধারণ স্কুল-কলেজ-ইউনিভার্সিটির শিক্ষা ব্যবস্থাকে এমনভাবে সাজালেন যেন তার মধ্যে আল-কুরআনের কোন প্রকৃত শিক্ষা না থাকে কারণ কুরআন হচ্ছে complete code of life। তাই যারা দেশ চালাবে, পার্লামেন্টে বসবে, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় চালাবে, ইন্ডাসট্রিজ, ব্যাংক, কোর্ট, থানা, ক্যান্টনমেন্ট ইত্যাদির দায়িত্বে থাকবে তাদের মধ্যে থাকবে না কোন কুরআনের সঠিক শিক্ষা।
📄 ইসলামের অনুসরণ করা অপশনাল বা ঐচ্ছিক ভাবা
আমাদের ইসলামের জ্ঞান : আমরা যারা general education- syllabus-এ শিক্ষা লাভ করেছি, যেমন : ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়র, একাউনটেন্ট, পাইলট, লইয়ার, সাংবাদিক, আর্মি অফিসার, এমপি, মন্ত্রী ইত্যাদি প্রোফেশনে আছি তাদের ইসলামের উপর একাডেমিক জ্ঞান আসলে কতটুকু? বিষয়টি একটু গভীরভাবে ভেবে দেখা যাক। স্কুলের প্রাইমারী ক্লাশ থেকে শুরু করে এস.এস.সি পর্যন্ত আমাদের "ইসলাম ধর্ম" নামে একটি সাবজেক্ট ছিল। ঐ বইতে কী পড়েছিলাম তা হয়তো অনেকেরই পরিষ্কার মনে নেই, তাছাড়া ঐ “ইসলাম ধর্ম" নামের বইটির মধ্যে আল-কুরআনের বাস্তব এপ্লিকেশন সম্পর্কে কতটুকু বর্ণনা ছিল তাও ভেবে দেখার বিষয়। এবার আসি নবম ও দশম শ্রেণীতে আমরা এই বিষয়টি পড়েছি খুবই গুরুত্বসহকারে যার বেশীরভাগ ক্ষেত্রে উদ্দেশ্য ছিল এস.এস.সি.তে লেটার মার্কস পাওয়া, ইসলামকে ভালভাবে জানা নয়। কারণ এই একটি বিষয়েই খুব সহজে লেটার মার্কস পাওয়া যায়।
যাহোক, এস.এস.সি. পাশ করার পর কলেজ, তারপর ইউনিভার্সিটি, তারপর প্রফেশনাল লাইফ, তারপর বিয়ে-শাদী ঘর-সংসার। তাহলে দেখা যাচ্ছে যে এস.এস.সি.র পর থেকে শুরু করে বাকী জীবনের অংশটুকুতে ইসলামিক এডুকেশনের কোন ব্যবস্থা নেই। যে কুরআন guideline for whole mankind বাকী জীবনে সেই কুরআনিক শিক্ষার কোন ছিটাফোঁটাও নেই। তাহলে আমরা আমাদের জীবন পরিচালনা করছি কীভাবে? তাহলে কি আল্লাহর দেয়া জীবনবিধান ছাড়াই জীবন পরিচালনা করে যাচ্ছি? কিন্তু রসূল বলেছেন: দ্বীনের জ্ঞান অর্জন করা প্রত্যেকটি মুসলিম নরনারীর জন্য ফরয। (ইবনে মাজাহ, বায়হাকী)
• আবার যারা ইসলামিক স্টাডিস বা ইসলামিক হিস্ট্রিতে ইউনিভার্সিটিতে পড়ছি এবং পাশ করছি তাদের বেশীরভাগই এই বিষয় বেছে নিয়েছি কারণ ইউনিভার্সিটির ভর্তি পরীক্ষায় অন্য কোন ভাল বিষয়ে চান্স পাইনি বলে। তার মানে এই বিষয়ে পড়ছি ইসলামকে জানার জন্যে নয়, একরকম মনের ইচ্ছার বিরুদ্ধে এবং শুধু মাত্র ইউনিভার্সিটির ডিগ্রি অর্জনের জন্য। আমাদের পরিচিত একজন শিক্ষিকার ঘটনা বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষণীয় হিসেবে তুলে ধরা যাক। তিনি ঢাকার প্রাণ কেন্দ্রের একটি কলেজের ইসলামিক স্টাডিসের প্রফেসর। আমরা তার বাসায় প্রায়ই বেড়াতে যেতাম। তাকে দেখতাম তিনি আমাদের সাথে গল্প করছেন আর ছাত্রছাত্রীদের পরীক্ষার খাতা কাটছেন এবং নম্বর দিচ্ছেন। আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে তিনি ছাত্র-ছাত্রীদের লেখা না পড়েই একটা করে পাতা উল্টাচ্ছেন আর খাতায় দাগ দিচ্ছেন। এভাবে তিনি একের পর এক খাতা দেখে যাচ্ছেন আর আমাদের সাথে গল্প করছেন। আমরা তাকে প্রশ্ন করেছিলাম যে তিনি তো লেখা না পড়েই নম্বর দিচ্ছেন। তার উত্তরে তিনি বলেছিলেন যে ইসলামিক স্টাডিস বা ইসলামিক হিস্ট্রির খাতা এভাবেই দেখতে হয়, কোন পড়ার প্রয়োজন হয় না আর এই বিষয়ের খাতা সব examiner-রাই এভাবে দেখে থাকেন, এটাই নিয়ম।
বাস্তবতা: বাস্তবে দেখা যাচ্ছে যে আমরা আমাদের মূল শিক্ষা জীবনে ইসলামের উপর একাডেমিক কোন শিক্ষা পাচ্ছি না। এদিক সেদিক থেকে বা কোন হুজুর থেকে কিছু সূরা-কারাত পড়েছি, দেখাদেখি ওযু-সলাত শিখেছি, অনেকে হয়তো ছোট বেলায় কায়দা পড়েছি, তারপর কুরআন তিলাওয়াত করতে পারি। এই হলো আমাদের ইসলামের উপর সত্যিকার জ্ঞান। আরো যারা একটু আগ্রহী তারা ইন্টারনেট থেকে মাঝে মধ্যে দু একটা ইসলামিক ভিডিও দেখি বা এক দুই পাতা আর্টিক্যাল পড়ি বা কোন ইসলামিক সেমিনার বা ওয়াজ মাহফিলে যাই। কিন্তু মূল কথা হচ্ছে একটা বিষয়কে ভালভাবে জানার জন্য ধারাবাহিকভাবে কোন সিলেবাসভিত্তিক পড়াশোনা নেই। কিন্তু প্রফেশনাল লাইফে একটা বিষয়কে ভালভাবে জানার জন্য এবং আরো উন্নতির জন্য নানারকম শর্টকোর্স বা লংকোর্স করছি। যেমন: যিনি আইটি প্রফেশনাল তিনি কোন ইউনিভার্সিটি থেকে এই বিষয়ে মাসটার্স-গ্রাজুয়েশন তো করেছেনই তারপরও আরো ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টের জন্য আপগ্রেড কোর্স করেন, ডিপ্লোমা করেন বা পোষ্ট-গ্রাজুয়েশন করে থাকেন।
• কিন্তু যে ইসলাম আমাদের পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান, যে কুরআন আমাদের জীবন পরিচালনার গাইডলাইন, সেটা জানার জন্য কোন উদ্দ্যোগ কি আমরা নিয়েছি? তাহলে কি আমরা কুরআন ও সুন্নাহর সঠিক জ্ঞান ছাড়াই জীবন চালিয়ে যাচ্ছি? প্রফেশনাল লাইফে যদি একটা বিষয়কে জানার জন্য মাস্টার্স, গ্রাজুয়েশন, শর্টকোর্স, সার্টিফিকেশন কোর্স ইত্যাদি করতে হয় তাহলে আল্লাহর দেয়া জীবনবিধান জানার জন্য মাঝে মধ্যে দুই একটা হাদীস বা দুই একটা ইসলামের বই পড়লেই কি যথেষ্ট? বিষয়টা কি এতোই সহজ? ইসলামকে জানার জন্য মিনিমাম তো একটা সিলেবাস ভিত্তিক পড়াশোনা করা প্রয়োজন। তা না হলে কীভাবে নিজ পরিবারকে গাইড করবো? কীভাবে সন্তানদের প্রশ্নের উত্তর দেবো?
• ইসলামকে জানার জন্য যে গতানুগতিক মাদ্রাসার ডিগ্রি অর্জন করতে হবে তাও বলা হচ্ছে না। কারণ আমাদের দেশের মাদ্রাসার সিলেবাসের মধ্যেও একটা বড় ধরনের গ্যাপ রয়েছে যা পারিবারিক জীবন পরিচালনা থেকে শুরু করে রাষ্ট্র পরিচালনা সম্ভব নয়। কারণ একজন মাদ্রাসার গ্রাজুয়েট একটি ফাইন্যানসিয়াল ইনিষ্টিটিউট চালাতে পারবেন না, তিনি একটি মালটিন্যাশনাল কোম্পানীর ম্যানেজিং ডাইরেক্টর হতে পারবেন না বা তিনি প্লেন চালাতে পারবেন না বা তিনি ডাক্তারী করতে পারবেন না বা তিনি আর্কিটেকচারাল ডিজাইন করতে পারবেন না অর্থাৎ মাদ্রাসা গ্রাজুয়েটরা দেশ পরিচালনার জন্য এডমিনিস্ট্রেশনে আসতে পারবেন না। আবার যারা এডমিনিষ্ট্রেশনে আছেন তারা নিজ পিতা বা মাতা মারা গেলে নিজে তাদের জানাযার সলাত পড়াতে পারবেন না, এমনকি কবরে লাশ নামানোর সময় কী বলতে হবে তাও জানবেন না। তাই এই দুই শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যেই একটা বড় ধরনের গ্যাপ রয়েছে। আমাদের প্রয়োজন এই দুই শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে সমন্বয় সাধন। যেমন: একজন থানার ওসি সলাতের ওয়াক্ত হলে থানার সকলকে নিয়ে ইমামতি করে জামাতের সাথে সলাত আদায় করবেন। বা একজন এমপি তার এলাকায় জুমার সলাতের খুতবা দিবেন এবং সলাত পড়াবেন।
📄 ইবাদত সম্পর্কে সঠিক ধারণা না থাকা
• আমরা অনেকেই মনে করি যে শুধু নামায-রোযা-হাজ্জ-যাকাতই ইবাদত। এর বাইরে আর কোন ইবাদত নেই。
আসলে ইসলামের দৃষ্টিতে একজন মুসলিমের প্রতিটি কাজই ইবাদত যদি তা আল্লাহ ও তার রসূল-এর নিয়ম অনুসারে করা হয়。
একজন মুসলিমের সকালে ঘুম থেকে উঠে রাতে ঘুমাতে যাওয়াসহ প্রতিটি স্টেপই ইবাদতের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে যদি তা ইসলামী নিয়মানুসারে হয়, আর একেই বলে Islamic way of life বা ইসলামী জীবন পদ্ধতি。
• আমরা অনেকেই মনে করি যে শুধু নামায-রোযা-হাজ্জ-যাকাতই ইবাদত। এর বাইরে আর কোন ইবাদত নেই。
আসলে ইসলামের দৃষ্টিতে একজন মুসলিমের প্রতিটি কাজই ইবাদত যদি তা আল্লাহ ও তার রসূল-এর নিয়ম অনুসারে করা হয়。
একজন মুসলিমের সকালে ঘুম থেকে উঠে রাতে ঘুমাতে যাওয়াসহ প্রতিটি স্টেপই ইবাদতের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে যদি তা ইসলামী নিয়মানুসারে হয়, আর একেই বলে Islamic way of life বা ইসলামী জীবন পদ্ধতি。
• আমরা অনেকেই মনে করি যে শুধু নামায-রোযা-হাজ্জ-যাকাতই ইবাদত। এর বাইরে আর কোন ইবাদত নেই。
আসলে ইসলামের দৃষ্টিতে একজন মুসলিমের প্রতিটি কাজই ইবাদত যদি তা আল্লাহ ও তার রসূল-এর নিয়ম অনুসারে করা হয়。
একজন মুসলিমের সকালে ঘুম থেকে উঠে রাতে ঘুমাতে যাওয়াসহ প্রতিটি স্টেপই ইবাদতের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে যদি তা ইসলামী নিয়মানুসারে হয়, আর একেই বলে Islamic way of life বা ইসলামী জীবন পদ্ধতি。
• আমরা অনেকেই মনে করি যে শুধু নামায-রোযা-হাজ্জ-যাকাতই ইবাদত। এর বাইরে আর কোন ইবাদত নেই。
আসলে ইসলামের দৃষ্টিতে একজন মুসলিমের প্রতিটি কাজই ইবাদত যদি তা আল্লাহ ও তার রসূল-এর নিয়ম অনুসারে করা হয়。
একজন মুসলিমের সকালে ঘুম থেকে উঠে রাতে ঘুমাতে যাওয়াসহ প্রতিটি স্টেপই ইবাদতের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে যদি তা ইসলামী নিয়মানুসারে হয়, আর একেই বলে Islamic way of life বা ইসলামী জীবন পদ্ধতি。
• আমরা অনেকেই মনে করি যে শুধু নামায-রোযা-হাজ্জ-যাকাতই ইবাদত। এর বাইরে আর কোন ইবাদত নেই。
আসলে ইসলামের দৃষ্টিতে একজন মুসলিমের প্রতিটি কাজই ইবাদত যদি তা আল্লাহ ও তার রসূল-এর নিয়ম অনুসারে করা হয়。
একজন মুসলিমের সকালে ঘুম থেকে উঠে রাতে ঘুমাতে যাওয়াসহ প্রতিটি স্টেপই ইবাদতের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে যদি তা ইসলামী নিয়মানুসারে হয়, আর একেই বলে Islamic way of life বা ইসলামী জীবন পদ্ধতি。
• আমরা অনেকেই মনে করি যে শুধু নামায-রোযা-হাজ্জ-যাকাতই ইবাদত। এর বাইরে আর কোন ইবাদত নেই。
আসলে ইসলামের দৃষ্টিতে একজন মুসলিমের প্রতিটি কাজই ইবাদত যদি তা আল্লাহ ও তার রসূল-এর নিয়ম অনুসারে করা হয়。
একজন মুসলিমের সকালে ঘুম থেকে উঠে রাতে ঘুমাতে যাওয়াসহ প্রতিটি স্টেপই ইবাদতের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে যদি তা ইসলামী নিয়মানুসারে হয়, আর একেই বলে Islamic way of life বা ইসলামী জীবন পদ্ধতি。
📄 হুজুরদের শরণাপন্ন হওয়া
২০১৩ সালের এপ্রিল মাসে যখন সাভারের রানা প্লাজা (কয়েকটি গার্মেন্স) ধবসে পরলো, আমরা সবাই জানি ঘটনা। শতশত লোক ধবংসস্তুপের নিচে চাপা পরে রয়েছে এবং আর্মিরা খুবই আন্তরিকতার সহিত উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে অনেকেই ধ্বংসস্তুপের নিচে চাপা পরে মারাও গেছে। আমরা টিভিতে দেখেছি যে, মৃতদের আত্মার মাগফিরাতের জন্য ধবংসস্তুপের পাশেই আর্মিরা প্যান্ডেল করে দিয়েছেন এবং হুজুর ভাড়া করে এনে মাইকে কুরআন তিলাওয়াতের ব্যবস্থা করেছেন। হুজুররা সুর করে কুরআন তিলাওয়াত করে ডেডবডিদেরকে শুনাচ্ছেন! অথচ কুরআনে একটি আয়াতও নেই ডেডবডির জন্য।
চিন্তা করার বিষয় যে, আমরা জানি আর্মি অফিসাররা হচ্ছেন একটি ভাল লেভেলের মেধাবি শিক্ষিত শ্রেণী। যারা পৃথিবীর যেকোন দুযোর্গ মোকাবেলা করার জন্য ক্ষমতা রাখেন, এমনকি একেকজন আর্মি অফিসার দেশের প্রধান হওয়ার মতোও যোগ্যতা রাখেন। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো এখানেও তাদের ইসলামিক নলেজের দুর্বলতা, তারা এতো যোগ্যতা সম্পন্ন হওয়া সত্বেও হয়তো এই বিষয়ে কোন হুজুরের স্বরণাপন্ন হয়েছেন যে মৃতদের জন্য কী করা যেতে পারে। তাই তারা যা ইসলামে নেই তা মৃতদের মাগফিরাতের জন্য করছেন।
২০১৩ সালের এপ্রিল মাসে যখন সাভারের রানা প্লাজা (কয়েকটি গার্মেন্স) ধবসে পরলো, আমরা সবাই জানি ঘটনা। শতশত লোক ধবংসস্তুপের নিচে চাপা পরে রয়েছে এবং আর্মিরা খুবই আন্তরিকতার সহিত উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে অনেকেই ধ্বংসস্তুপের নিচে চাপা পরে মারাও গেছে। আমরা টিভিতে দেখেছি যে, মৃতদের আত্মার মাগফিরাতের জন্য ধবংসস্তুপের পাশেই আর্মিরা প্যান্ডেল করে দিয়েছেন এবং হুজুর ভাড়া করে এনে মাইকে কুরআন তিলাওয়াতের ব্যবস্থা করেছেন। হুজুররা সুর করে কুরআন তিলাওয়াত করে ডেডবডিদেরকে শুনাচ্ছেন! অথচ কুরআনে একটি আয়াতও নেই ডেডবডির জন্য।
চিন্তা করার বিষয় যে, আমরা জানি আর্মি অফিসাররা হচ্ছেন একটি ভাল লেভেলের মেধাবি শিক্ষিত শ্রেণী। যারা পৃথিবীর যেকোন দুযোর্গ মোকাবেলা করার জন্য ক্ষমতা রাখেন, এমনকি একেকজন আর্মি অফিসার দেশের প্রধান হওয়ার মতোও যোগ্যতা রাখেন। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো এখানেও তাদের ইসলামিক নলেজের দুর্বলতা, তারা এতো যোগ্যতা সম্পন্ন হওয়া সত্বেও হয়তো এই বিষয়ে কোন হুজুরের স্বরণাপন্ন হয়েছেন যে মৃতদের জন্য কী করা যেতে পারে। তাই তারা যা ইসলামে নেই তা মৃতদের মাগফিরাতের জন্য করছেন।
২০১৩ সালের এপ্রিল মাসে যখন সাভারের রানা প্লাজা (কয়েকটি গার্মেন্স) ধবসে পরলো, আমরা সবাই জানি ঘটনা। শতশত লোক ধবংসস্তুপের নিচে চাপা পরে রয়েছে এবং আর্মিরা খুবই আন্তরিকতার সহিত উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে অনেকেই ধ্বংসস্তুপের নিচে চাপা পরে মারাও গেছে। আমরা টিভিতে দেখেছি যে, মৃতদের আত্মার মাগফিরাতের জন্য ধবংসস্তুপের পাশেই আর্মিরা প্যান্ডেল করে দিয়েছেন এবং হুজুর ভাড়া করে এনে মাইকে কুরআন তিলাওয়াতের ব্যবস্থা করেছেন। হুজুররা সুর করে কুরআন তিলাওয়াত করে ডেডবডিদেরকে শুনাচ্ছেন! অথচ কুরআনে একটি আয়াতও নেই ডেডবডির জন্য।
চিন্তা করার বিষয় যে, আমরা জানি আর্মি অফিসাররা হচ্ছেন একটি ভাল লেভেলের মেধাবি শিক্ষিত শ্রেণী। যারা পৃথিবীর যেকোন দুযোর্গ মোকাবেলা করার জন্য ক্ষমতা রাখেন, এমনকি একেকজন আর্মি অফিসার দেশের প্রধান হওয়ার মতোও যোগ্যতা রাখেন। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো এখানেও তাদের ইসলামিক নলেজের দুর্বলতা, তারা এতো যোগ্যতা সম্পন্ন হওয়া সত্বেও হয়তো এই বিষয়ে কোন হুজুরের স্বরণাপন্ন হয়েছেন যে মৃতদের জন্য কী করা যেতে পারে। তাই তারা যা ইসলামে নেই তা মৃতদের মাগফিরাতের জন্য করছেন।
২০১৩ সালের এপ্রিল মাসে যখন সাভারের রানা প্লাজা (কয়েকটি গার্মেন্স) ধবসে পরলো, আমরা সবাই জানি ঘটনা। শতশত লোক ধবংসস্তুপের নিচে চাপা পরে রয়েছে এবং আর্মিরা খুবই আন্তরিকতার সহিত উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে অনেকেই ধ্বংসস্তুপের নিচে চাপা পরে মারাও গেছে। আমরা টিভিতে দেখেছি যে, মৃতদের আত্মার মাগফিরাতের জন্য ধবংসস্তুপের পাশেই আর্মিরা প্যান্ডেল করে দিয়েছেন এবং হুজুর ভাড়া করে এনে মাইকে কুরআন তিলাওয়াতের ব্যবস্থা করেছেন। হুজুররা সুর করে কুরআন তিলাওয়াত করে ডেডবডিদেরকে শুনাচ্ছেন! অথচ কুরআনে একটি আয়াতও নেই ডেডবডির জন্য।
চিন্তা করার বিষয় যে, আমরা জানি আর্মি অফিসাররা হচ্ছেন একটি ভাল লেভেলের মেধাবি শিক্ষিত শ্রেণী। যারা পৃথিবীর যেকোন দুযোর্গ মোকাবেলা করার জন্য ক্ষমতা রাখেন, এমনকি একেকজন আর্মি অফিসার দেশের প্রধান হওয়ার মতোও যোগ্যতা রাখেন। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো এখানেও তাদের ইসলামিক নলেজের দুর্বলতা, তারা এতো যোগ্যতা সম্পন্ন হওয়া সত্বেও হয়তো এই বিষয়ে কোন হুজুরের স্বরণাপন্ন হয়েছেন যে মৃতদের জন্য কী করা যেতে পারে। তাই তারা যা ইসলামে নেই তা মৃতদের মাগফিরাতের জন্য করছেন।
২০১৩ সালের এপ্রিল মাসে যখন সাভারের রানা প্লাজা (কয়েকটি গার্মেন্স) ধবসে পরলো, আমরা সবাই জানি ঘটনা। শতশত লোক ধবংসস্তুপের নিচে চাপা পরে রয়েছে এবং আর্মিরা খুবই আন্তরিকতার সহিত উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে অনেকেই ধ্বংসস্তুপের নিচে চাপা পরে মারাও গেছে। আমরা টিভিতে দেখেছি যে, মৃতদের আত্মার মাগফিরাতের জন্য ধবংসস্তুপের পাশেই আর্মিরা প্যান্ডেল করে দিয়েছেন এবং হুজুর ভাড়া করে এনে মাইকে কুরআন তিলাওয়াতের ব্যবস্থা করেছেন। হুজুররা সুর করে কুরআন তিলাওয়াত করে ডেডবডিদেরকে শুনাচ্ছেন! অথচ কুরআনে একটি আয়াতও নেই ডেডবডির জন্য।
চিন্তা করার বিষয় যে, আমরা জানি আর্মি অফিসাররা হচ্ছেন একটি ভাল লেভেলের মেধাবি শিক্ষিত শ্রেণী। যারা পৃথিবীর যেকোন দুযোর্গ মোকাবেলা করার জন্য ক্ষমতা রাখেন, এমনকি একেকজন আর্মি অফিসার দেশের প্রধান হওয়ার মতোও যোগ্যতা রাখেন। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো এখানেও তাদের ইসলামিক নলেজের দুর্বলতা, তারা এতো যোগ্যতা সম্পন্ন হওয়া সত্বেও হয়তো এই বিষয়ে কোন হুজুরের স্বরণাপন্ন হয়েছেন যে মৃতদের জন্য কী করা যেতে পারে। তাই তারা যা ইসলামে নেই তা মৃতদের মাগফিরাতের জন্য করছেন।
২০১৩ সালের এপ্রিল মাসে যখন সাভারের রানা প্লাজা (কয়েকটি গার্মেন্স) ধবসে পরলো, আমরা সবাই জানি ঘটনা। শতশত লোক ধবংসস্তুপের নিচে চাপা পরে রয়েছে এবং আর্মিরা খুবই আন্তরিকতার সহিত উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে অনেকেই ধ্বংসস্তুপের নিচে চাপা পরে মারাও গেছে। আমরা টিভিতে দেখেছি যে, মৃতদের আত্মার মাগফিরাতের জন্য ধবংসস্তুপের পাশেই আর্মিরা প্যান্ডেল করে দিয়েছেন এবং হুজুর ভাড়া করে এনে মাইকে কুরআন তিলাওয়াতের ব্যবস্থা করেছেন। হুজুররা সুর করে কুরআন তিলাওয়াত করে ডেডবডিদেরকে শুনাচ্ছেন! অথচ কুরআনে একটি আয়াতও নেই ডেডবডির জন্য।
চিন্তা করার বিষয় যে, আমরা জানি আর্মি অফিসাররা হচ্ছেন একটি ভাল লেভেলের মেধাবি শিক্ষিত শ্রেণী। যারা পৃথিবীর যেকোন দুযোর্গ মোকাবেলা করার জন্য ক্ষমতা রাখেন, এমনকি একেকজন আর্মি অফিসার দেশের প্রধান হওয়ার মতোও যোগ্যতা রাখেন। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো এখানেও তাদের ইসলামিক নলেজের দুর্বলতা, তারা এতো যোগ্যতা সম্পন্ন হওয়া সত্বেও হয়তো এই বিষয়ে কোন হুজুরের স্বরণাপন্ন হয়েছেন যে মৃতদের জন্য কী করা যেতে পারে। তাই তারা যা ইসলামে নেই তা মৃতদের মাগফিরাতের জন্য করছেন।