📄 আসুন আমরা গভীরভাবে চিন্তা করি
আমাদের সন্তানের জীবনের লক্ষ্য উদ্দেশ্য কী হবে?
তার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য কী হবে?
কোন ভাবাদর্শে আমরা তাকে গড়ে তুলবো?
কোন মৌলিক উপাদান দিয়ে তার চিন্তা চেতনা গড়ে তুলবো?
📄 এ যুগের ছেলেমেয়েদের মানসিকতা
এখনকার ছেলেমেয়েরা বাবা-মার চেয়ে বন্ধু-বান্ধবদের সিদ্ধান্তকে বেশী গুরুত্ব দিয়ে থাকে।
এখন তারা ইন্টারনেটকেই সকল বিনোদনের উৎস বলে মনে করে।
বলিউড-হলিউডকে সকল বিনোদনের প্রধান উৎস বলে মনে করে।
টিভি চ্যানেলগুলোকে একমাত্র সুস্থ স্বাভাবিক শিক্ষার উৎস বলে মনে করে।
আমেরিকান আইডল আর ইন্ডিয়ান আইডলকে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ ও অবশ্যই দর্শনীয় অনুষ্ঠান বলে মনে করে।
ইউরোপ আমেরিকাকে সভ্যতা আর মানবাধিকারের সর্বশেষ ও চূড়ান্ত তীর্থস্থান বলে মনে করে।
তারা ফ্যাশন শোতে অংশগ্রহণ এবং মডেল হওয়াকে খুব গর্বের কাজ মনে করে।
তারা ইসলামকে টেররিজম ভাবে, এবং ইসলাম পালন করাকে ব্যাকডেটেড বা অপশনাল বলে মনে করে।
তারা ব্যান্ড মিউজিক এবং হ্যাভিমেটাল মিউজিককে ইবাদত বলে মনে করে।
তারা বিভিন্ন স্টারকে ফলো করে এবং তাদেরকে গুরু বলে মনে করে।
তারা উল্টা-পাল্টা কাজ করাকে আধুনিকতা বলে মনে করে।
তারা আল্লাহ, রসূল (সাঃ) এবং ইসলামকে অবমাননা করাটাকে আধুনিকতা বলে মনে করে।
তারা নাস্তিক শিক্ষক-শিক্ষিকা, নেতা-নেত্রী, অভিনেতা-অভিনেত্রী, নাট্যকার, গায়ক-গায়িকা, কবি-সাহিত্যিক, বাউল-সন্ন্যাসীদেরকেই বেশী অনুসরণ করতে পছন্দ করে।
তারা শবে কদর-এর রাত্রির চাইতেও 31st December night-কে বেশী গুরুত্ব দিয়ে থাকে।
তারা Happy New Year, পহেলা বৈশাখ এবং Valentine's Day পালন করা জরুরী বলে মনে করে।
📄 আল কুরআনে ইবলিস শয়তানের ঘোষণা
আল্লাহকে উদ্দেশ্য করে ইবলীস [শয়তান] বলল: আমি এদের (মানব জাতির) সামনে থেকে আসবো, পিছন থেকে আসবো, ডান দিক থেকে আসবো, বাম দিক থেকে আসবো এবং তুমি তাদের অধিকাংশকে কৃতজ্ঞ পাবে না। (সূরা আরাফ ৭: ১৭)
সে [শয়তান] বললঃ হে আমার রব! আপনি যে আমাকে বিপথগামী করলেন তারজন্য আমি পৃথিবীতে মানুষের নিকট পাপকাজকে শোভনীয় করে তুলবো এবং আমি তাদের সকলকেই বিপথগামী করবো। (সূরা হিজর ১৫: ৩৯)
সে [শয়তান] বলল: আপনার ক্ষমতার শপথ! আমি তাদের সবাইকে পথভ্রষ্ট করবো, তবে ওদের মাঝে আপনার একনিষ্ঠ বান্দাদের নয়’। (সূরা সা’দ ৩৮: ৮২-৮৩)
📄 কিন্তু মহান আল্লাহ বলছেন
হে মু'মিনগণ! তোমরা পূর্ণরূপে ইসলামের দিকে আসো এবং শয়তানের পথ অনুসরণ করো না। নিশ্চয়ই সে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু। (সূরা আল বাকারা ২: ২০৮)