📘 মুসলিম প্যারেন্টিং 📄 ব্যাধির বিরুদ্ধে সংগ্রাম

📄 ব্যাধির বিরুদ্ধে সংগ্রাম


'আল্লাহ্ তা'আলা প্রজ্ঞাময়ী মানুষকে যে মধ্য ও অসৎ উভয় ধরনের প্রকৃতি দিয়ে সৃষ্টি করেছেন।' সূরা শামস : ৮
ন্যায়ভিত্তিক, ভারসাম্যপূর্ণ সমাজে ধর্মকে পৃষ্ঠপোষকতা ও উৎসাহিত করা হয়, যাতে সমাজে সমৃদ্ধি অর্জন ও অন্যকে দমন করা সহজ হয়। ধর্মপরায়ণতার জন্য সমাজ ও পরিবেশ দরকার। এগুলো শুধু ধর্মের বিকাশের জন্যই দরকার নয়; বরং টিকে থাকার জন্যও দরকার। মানবসভ্যতার ইতিহাসজুড়ে দেখা যায়—শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল সৎ মানুষ গড়ার লক্ষ্যেই। কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ধর্মধ্বংসকারী, শিশুকামী, গ্যারাজহীটার, মাদক ব্যবহারকারী কিংবা হত্যাকারীর প্রশিক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। কিন্তু সমাজ যখন তার এই সমস্ত প্রকৃত আশ্রয়স্থল ও নির্দেশনা (ধর্ম) হারালে, তখন অপকর্মগুলো অধিক হারে বাড়তে থাকে।
সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে সংগ্রাম এক বিশাল চ্যালেঞ্জ এবং এটি কেবল মুসলিমদের সমস্যা নয়; বরং সকল সমাজেই এই সমস্যাগুলো খুবই সাধারণ সমস্যা। মুসলিমদের এই সকল ব্যাধির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে করে এর মূলোৎপাটন করতে হবে। মুসলিমদের এমন সব সামাজিক উদ্যোগে অংশগ্রহণ করা উচিত—
যেগুলো মিডিয়া ও অন্যান্য বিনোদনমূলক ইন্ডাস্ট্রিতে প্রদর্শিত বেহায়াপনা, অশ্লীলতা এবং সকল ধরনের সামাজিক ব্যাধির মূলোৎপাটন কিংবা হ্রাস করার ক্ষেত্রে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। আমাদের সমাজে আধ্যাত্মিকতার পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য কার্যকরভাবে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের অংশীদারিত্বমূলক প্রচেষ্টা আরও বাড়াতে হবে। এটি কেবল তখনই সম্ভব হবে, যখন আমরা চারদিকটি কী ঘটছে-এর ব্যাপারে সচেতন থাকব এবং সক্রিয়ভাবে অন্যান্য ধর্মাবলম্বী ও অবিশ্বাসীদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এর বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষেত্রে নেতৃত্ব প্রদান করতে পারব। কোনো ব্যাপারে শুধু বিলাপ করা কিংবা দুঃখ প্রকাশ করা সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে কখনোই সহায়ক ভূমিকা পালন করে না। যত দ্রুত আমরা এই বিষয়টিকে বুঝব, ততই আমাদের জন্য মঙ্গল।
পিতা-মাতার উচিতও পারিবারিক পর্যায়ে বিভিন্ন উপায়ে সন্তানদের চারপাশে সুরক্ষাপ্রাচীর তৈরি করা এবং আরও সক্রিয়ভাবে তাদের লালন-পালন সময় দেওয়া, যাতে করে সন্তানরা অনৈতিকতার কালো গহ্বরে পতিত না হয়।

ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية