📄 সংস্কৃতি ও মাতৃভাষা
ইসলামি পারিবারিক পরিবেশে সংস্কৃতি ও মাতৃভাষার প্রভাব অত্যন্ত ব্যাপক। নিঃসন্দেহে ইসলামি নীতিমালা মুসলিম পরিবার পরিচালনার সঠিক দিক-নির্দেশনা প্রদান করে। সমাজ যতই সেক্যুলার বলুক না কেন, ইসলামে নিষিদ্ধ কোনো কিছুই মুসলিম পরিবারের জন্য সংগত নয়। মানুষের মাঝে পোশাক, ভাষা, খাদ্য ও সামাজিক প্রথার বৈচিত্র্যতাই মুসলিম উম্মাহর সৌন্দর্য। মৌলিক ইসলামি অনুশাসনই আমাদের বন্ধনকে মজবুত করে।
একটি ইসলামি পারিবারিক পরিবেশে পিতা-মাতার নিজস্ব সংস্কৃতি ও ভাষার চর্চায় কোনো সমস্যা নেই। নিজস্ব সামাজিক আচার-অনুষ্ঠান মেনে চলাতে ইসলাম কোনো আপত্তি তোলে না, যতক্ষণ না তা ইসলামি অনুশাসনের বাইরে যায়; বরং এটি বহুমাত্রিক সমাজের অপরিহার্য অঙ্গ। এটি এমন এক বৈচিত্র্যময় পরিবেশ তৈরি করে, যা মানবজাতিকে পূর্ণতা দেয়।
কুরআন বোঝার ক্ষেত্রে আরবি ভাষার জ্ঞান অপরিহার্য। প্রত্যেক শিশুরই পবিত্র কুরআন বোঝার জন্য আরবি ভাষার ওপর প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করা উচিত। সন্তান প্রতিপালনের ক্ষেত্রে মাতৃভাষার অনেক ভূমিকা রয়েছে। আত্মীয়স্বজন এবং বন্ধুদের সঙ্গে মেলামেশার ক্ষেত্রে মাতৃভাষার বিকল্প নেই। মাতৃভাষার মাধ্যমে সুগভীরভাবে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছানো সহজ হয়। মনে রাখতে হবে, মুসলিম সমাজে প্রত্যেকটি ভাষাই সম্মানীয়, ঐতিহাসিকভাবে সমৃদ্ধ। ভাষা মূলত ইসলামি বার্তাই বহন করে।
📄 হালাল ও হারাম
আপনার বাড়িটা কত বড় বা আপনার সম্পত্তির পরিমাণ কত—এটা বড়ো প্রশ্ন নয়; বরং যা কিছু ভোগ করা হচ্ছে, তা হালাল কি না—সেটাই বড়ো প্রশ্ন। যখন একটি পরিবার হালালের ওপর ভিত্তি করে চলবে, তখনই শুধু তারা মহান আল্লাহর রহমতের অধিকারী হবে।
আবু হুরায়রা <binary data, 1 bytes> হতে বর্ণিত, রাসুল <binary data, 1 bytes> এরশাদ করেন— 'আল্লাহ পবিত্র এবং তিনি পবিত্র জিনিসই গ্রহণ করেন।' মুসনাদে আহমাদ
মহান আল্লাহ এরশাদ করেন— 'ওহে আমার বার্তাবাহকরা! তোমরা হালাল রিজিক গ্রহণ করো, যা তোমাদের রব তোমাদের জন্য হালাল করেছেন (হালাল প্রাণীর গোশত, দুধ, তেল, শাকসবজি ও ফলমূল) এবং সৎকর্ম করো। তোমরা যা করো, তার ব্যাপারে আমি জ্ঞাত।' সুরা মুমিনুন : ৫১
অন্য জায়গায় মহান আল্লাহ বলেন— 'ওহে আমার বিশ্বাসীরা! আমি তোমাদের যে হালাল রিজিক দিয়েছি, তা তোমরা খাও এবং পান করো।' সুরা বাকারা : ১৬২