📘 মুসলিম প্যারেন্টিং > 📄 মহৎ কিছুর প্রস্তুতি

📄 মহৎ কিছুর প্রস্তুতি


ইসলামের মূল উদ্দেশ্য হলো—এমন একটি পৃথিবী তৈরি করা, যেখানে মানবজাতি হতে সকল ধরণের অজ্ঞতা ও জাহেলিয়াত থেকে মুক্ত। আর এটার জন্য প্রথম পদক্ষেপ হবে সবার অন্তরগুলোকে শিক্ষিত ও মুক্ত করা।
একসময় ইসলাম পালনের অর্থই ছিল জ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় বিচরণ করা। নন্দনতত্ত্ব (Aesthetic) থেকে প্রাণিবিদ্যা (Zoology) সর্বক্ষেত্রেই মুসলিমরা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। ইসলাম এই ব্যাপারে পরিষ্কার নির্দেশনা দিয়েছে, যাতে মুসলিমরা বুদ্ধিবৃত্তিক ও সামাজিক কল্যাণমূলক কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে উৎসাহিত হয়। এককথায়—শুদ্ধু পরোক্ষ নিরীক্ষকের ভূমিকা পালন না করে সমাজের একজন মূল্যবান ও সক্রিয় সদস্য হিসেবে কাজ করতে ইসলাম নির্দেশনা দেয়।
পূর্বে মুসলিমরা সারা বিশ্বে শাসক ও ভূমিকায় ছিল; যদিও তারা সংখ্যালঘু ছিল এবং জনসংখ্যা ছিল খুবই নগণ্য। তারা একদিকে সন্তানদের কাছে, অন্যদিকে পুরো সমাজের কাছে ইসলামের প্রকৃত বাণী পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিল। আসমানি বিধানের ভিত্তিতে তারা এমন একটি সভ্যতার সীমানা বিস্তৃত করেছিল, যেখানে কোনো ধরনের জোর-জবরদস্তি ছিল না।
তত্সময়ের মুসলিমদের চরিত্রের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে অন্যান্য সকল ধর্মের নারী-পুরুষ ও শিশু দলে ইসলাম গ্রহণ করেছে। ইসলাম ও এই মানুষদের অন্তরে প্রশান্তি জুগিয়েছে এবং বিভিন্ন বিশ্বাসে পরিপূর্ণ সমাজব্যবস্থায় পারস্পরিক সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠা করেছে।
পিতা-মাতার উচিত সন্তানদের ইতিবাচক পরিবর্তনে আগ্রহী করে তোলা। সন্তানরা যেন সমাজে আত্মবিশ্বাসের সাথে চলতে পারে, সেজন্য পিতা-মাতার উচিত তাদের জন্য সৃষ্টিশীল ও ভালোবাসায় পূর্ণ পারিবারিক পরিবেশ নিশ্চিত করা। এই ক্ষেত্রে সন্তানদের দ্বীন ও দুনিয়ার জ্ঞান শিক্ষা দেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ। একই সাথে তাদের উচ্চাভিলাষী লক্ষ অর্জনের পথে এগিয়ে যাওয়ার জন্য উৎসাহিত করা আমাদের দায়িত্ব। এটি এমন লক্ষ্য, যা দুনিয়াবি মান-মর্যাদা ও অর্থ-বিত্তের আকাঙ্ক্ষার চেয়ে অগ্রুতে ঠাঁট হতে শেখাবে।
এই বইয়ের পরবর্তী অংশে আমি এমন কতগুলো বিষয় নিয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করব, যা সচেতন অভিভাবকদের চিন্তার খোরাক জোগাবে।

ইসলামের মূল উদ্দেশ্য হলো—এমন একটি পৃথিবী তৈরি করা, যেখানে মানবজাতি হতে সকল ধরণের অজ্ঞতা ও জাহেলিয়াত থেকে মুক্ত। আর এটার জন্য প্রথম পদক্ষেপ হবে সবার অন্তরগুলোকে শিক্ষিত ও মুক্ত করা।
একসময় ইসলাম পালনের অর্থই ছিল জ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় বিচরণ করা। নন্দনতত্ত্ব (Aesthetic) থেকে প্রাণিবিদ্যা (Zoology) সর্বক্ষেত্রেই মুসলিমরা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। ইসলাম এই ব্যাপারে পরিষ্কার নির্দেশনা দিয়েছে, যাতে মুসলিমরা বুদ্ধিবৃত্তিক ও সামাজিক কল্যাণমূলক কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে উৎসাহিত হয়। এককথায়—শুদ্ধু পরোক্ষ নিরীক্ষকের ভূমিকা পালন না করে সমাজের একজন মূল্যবান ও সক্রিয় সদস্য হিসেবে কাজ করতে ইসলাম নির্দেশনা দেয়।
পূর্বে মুসলিমরা সারা বিশ্বে শাসক ও ভূমিকায় ছিল; যদিও তারা সংখ্যালঘু ছিল এবং জনসংখ্যা ছিল খুবই নগণ্য। তারা একদিকে সন্তানদের কাছে, অন্যদিকে পুরো সমাজের কাছে ইসলামের প্রকৃত বাণী পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিল। আসমানি বিধানের ভিত্তিতে তারা এমন একটি সভ্যতার সীমানা বিস্তৃত করেছিল, যেখানে কোনো ধরনের জোর-জবরদস্তি ছিল না।
তত্সময়ের মুসলিমদের চরিত্রের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে অন্যান্য সকল ধর্মের নারী-পুরুষ ও শিশু দলে ইসলাম গ্রহণ করেছে। ইসলাম ও এই মানুষদের অন্তরে প্রশান্তি জুগিয়েছে এবং বিভিন্ন বিশ্বাসে পরিপূর্ণ সমাজব্যবস্থায় পারস্পরিক সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠা করেছে।
পিতা-মাতার উচিত সন্তানদের ইতিবাচক পরিবর্তনে আগ্রহী করে তোলা। সন্তানরা যেন সমাজে আত্মবিশ্বাসের সাথে চলতে পারে, সেজন্য পিতা-মাতার উচিত তাদের জন্য সৃষ্টিশীল ও ভালোবাসায় পূর্ণ পারিবারিক পরিবেশ নিশ্চিত করা। এই ক্ষেত্রে সন্তানদের দ্বীন ও দুনিয়ার জ্ঞান শিক্ষা দেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ। একই সাথে তাদের উচ্চাভিলাষী লক্ষ অর্জনের পথে এগিয়ে যাওয়ার জন্য উৎসাহিত করা আমাদের দায়িত্ব। এটি এমন লক্ষ্য, যা দুনিয়াবি মান-মর্যাদা ও অর্থ-বিত্তের আকাঙ্ক্ষার চেয়ে অগ্রুতে ঠাঁট হতে শেখাবে।
এই বইয়ের পরবর্তী অংশে আমি এমন কতগুলো বিষয় নিয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করব, যা সচেতন অভিভাবকদের চিন্তার খোরাক জোগাবে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00