📄 ক্রিসমাসে (বড়দিনে) অংশগ্রহণ
বর্তমানে যাদের খ্রিষ্টান বলা হয় তারা ক্রিসমাসের নামে ২৫ ডিসেম্বরে যিশুর জন্মদিবস পালন করে। যা তাদের একটি ধর্মীয় উৎসব। তাদের এ দাবি ঐতিহাসিক, যৌক্তিক ও ধর্মীয় দিক থেকে কতটুকু সঠিক সেটা ভিন্ন বিষয়। যার উদঘাটনে আলেমগণ অনেক কাজ করেছেন। কিন্তু তা সত্ত্বেও যেহেতু এটা তাদের ধর্মীয় উৎসব, তাই এতে যোগদান করা, আনন্দ প্রকাশ করা, মুবারকবাদ দেওয়া, অথবা এর নামে চলমান কোনো কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করা এবং তাদের সাথে কেক কাটা—এ সবই শরিয়তের দৃষ্টিতে নাজায়েজ এবং গুরুতর অপরাধ। এসবে পূর্ণ সতর্ক না থাকলে ব্যক্তির কাফের হয়ে যাওয়ারও আশঙ্কাও রয়েছে। শহিদ আল্লামা ইবনুন নাহহাস দিমাশকি (মৃত্যু: ৮১৪ হি.) অত্যন্ত দুঃখের সাথে লিখেছেন,
واعلم أن أقبح البدع وأشنعها موافقة المسلمين للنصارى في أعيادهم بالتشبه بهم في مأكلهم وأفعالهم والهدية إليهم وقبول ما يهدونه من مأكلهم في أعيادهم. وقد عانى هذه البدعة أهل بلاد مصر، وفي ذلك من الوهن في الدين وتكثير سواد النصارى والتشبه بهم ما لا يخفى.
সবচেয়ে খারাপ এবং নিকৃষ্ট বিদআত হলো, মুসলমানদের পক্ষ থেকে খ্রিস্টানদের ঈদ-উৎসবের সময় তাদের সামঞ্জস্য গ্রহণের মাধ্যমে তাদের ঈদ উৎসবের সাথে একাত্মতা পোষণ করা। যেমন, তাদের মত খাবার খাওয়া, কাজকর্ম করা, তাদের কাছে উপঢৌকন পাঠানো এবং তারা যে খাবার উপহার পাঠায় তা গ্রহণ করা ইত্যাদি। মিশরের জনগণ এই মারাত্মক বিদআতে নিমজ্জিত। এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, এর মাধ্যমে ইসলামধর্মকে দুর্বল হিসাবে প্রদর্শন করা, খ্রিষ্টানদের দল ভারী করা এবং তাদের সাদৃশ্য গ্রহণ করা, এই তিনটি গুরুতর অপরাধ বিদ্যমান। (৩৬)
পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদী শক্তির দখলদারি ও আধিপত্যের কারণে মুসলমানদের জন্য একটি বড় ট্র্যাজেডি হলো, মুসলিম দেশ ও মুসলিম সমাজেও বড়দিনের নামে বিভিন্ন সমাবেশ ও উৎসবের আয়োজন করা হচ্ছে। এতে অংশগ্রহণকারী সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষই মুসলমান! বড় পরিতাপের বিষয় হলো একেই সহনশীলতা ও উদারতা হিসাবে বিবেচনা করা হয়। দুঃখজনক হলো, পত্রিকার রিপোর্টে দেখা গেছে, সম্প্রতি দেশের অনেক কর্ণধার বড়দিনের এই উদযাপনে অত্যন্ত গর্বভরে অংশ নিয়েছে। তার থেকেও বিপজ্জনক বিষয় হলো, যারা এ মারাত্মক অন্যায় থেকে বারণ করেন, তাদের প্রতি বিভিন্ন ধরনের কটূক্তি, নিন্দা ও সমালোচনার ঝড় বইয়ে দেওয়া হয়। যা কখনো বেশ কয়েকটি ধর্মীয় অকাট্য বিধানের পরিপন্থী হয় এবং ধর্মকে অপমান, উপহাস ও অবমাননার দিকে নিয়ে যায়, যার কারণে ব্যক্তি কাফেরে পর্যবসিত হয়।
টিকাঃ
৩৬. তামবিহুল গাফেলিন আন আমালিল জাহেলিন, ইবনুন নাহহাস, ৫০০
📄 কাফেরকে ভাই বলার বিধান
যদি কোনো কাফের বংশ ও আত্মীয়তার দিক থেকে ভাই হয়, তাহলে তাকে এই অর্থে ভাই বলতে কোনো সমস্যা নেই। একইভাবে, মানবজাতির অংশ হওয়ার কারণে বা একই জাতি ও স্বদেশের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কারণে কাউকে ভাই বলা যেতে পারে। কুরআনের বিভিন্ন আয়াতে এই দিকে ইঙ্গিত পাওয়া যায়। আল্লামা আইনি রহিমাহুল্লাহ (মৃত্যু: ৮৫৫ হি.) বলেন,
قوله : (المسلم أخو المسلم)، يعني أخوه في الإسلام، وكل شيئين يكون بينهما اتفاق تطلق عليهما اسم الأخوة. (عمدة القاري كتاب في اللقطة، باب لا يظلم المسلم المسلم ولا يسلمه)
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বাণী, 'মুসলমান মুসলমানের ভাই', এই হাদিসের মর্ম হলো ইসলামে তারা পরস্পর ভাই। প্রত্যেক ওই বস্তু যা পরস্পরের মাঝে ঐক্য হয় তাতে ভ্রাতৃত্বের প্রয়োগ করা যাবে। (৩৭)
তবে ইসলামের শিক্ষা হলো, ভাতৃত্ব বন্ধনের মূলভিত্তি ধর্মের ওপরই হওয়া কাম্য। সুরা হুজুরাতে আল্লাহ তাআলা বলেছেন, إِنَّمَا الْمُؤْمِنُونَ إِخْوَةٌ فَأَصْلِحُوا بَيْنَ أَخَوَيْكُمْ. মুমিনরা পরস্পর ভাই। সুতরাং আপনি তাদের মাঝে সংশোধন করে দিন। (৩৮)
রাসুলের অনেক হাদিসেও এই শিক্ষা দেওয়া হয়েছে। এটাই এমন আদর্শ ভ্রাতৃত্ব যাতে পূর্ব-পশ্চিমের দূরত্ব বাধ সাধতে পারে না; পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তেই একজন মুসলমান বাস করুক, সে সকল মুসলমানেরই ভাই। পৃথিবীতে বসবাসকারী সকল মুসলমান ভাই ভাই; চাই রং, জাতি, চেহারা এবং ভাষা যতই আলাদা হোক না কেন। অতএব আত্মিক সম্পর্ক, অন্তরের মুহাব্বত ও বন্ধুত্বের ভিত্তিতে কোনো কাফের মুসলমানের ভাই হতে পারে না। আর যেহেতু এই ধরনের সম্পর্ক কাফেরদের সাথে রাখা জায়েয নেই, তাই এগুলোর ভিত্তিতে কাউকে ভাই ডাকাও শরিয়তে নিষিদ্ধ। (৩৯)
টিকাঃ
৩৭. উমদাতুল কারি, ১২/২৮৯
৩৮. সুরা হুজুরাত: ১০
৩৯. এ বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য দেখুন, মাকতুবাতে শাইখুল ইসলাম হজরত মাদানি এবং ফাতাওয়ায়ে দারুল উলুম যাকারিয়া, ৮/২১২
📄 কাফেরদের প্রতি ভালোবাসার প্রকার ও বিধান
কাফেরদের সাথে আন্তরিক ভালোবাসা ও বন্ধুত্ব রাখা হারাম। আর যদি এই ভালোবাসার ভিত্তি হয় তাদের ভ্রান্ত ধর্ম ও বিশ্বাসকে ভালো জ্ঞান করা, তবে তা স্পষ্ট কুফর। যদি তা ধর্মবিশ্বাসের কারণে না হয়, বরং পার্থিব কোনো কল্যাণ লাভ বা সৎ গুণগরিমার কারণে হয়, তাহলে সেটি কুফরি নয় বটে, তবে শরিয়তে তা নিষিদ্ধ ও গর্হিত কাজ।
হজরত মাওলানা মুফতি কিফায়াতুল্লাহ সাহেব রহিমাহুল্লাহ একটি প্রশ্নের জবাবে লিখেছেন, মুসলমানদের জন্য কাফেরদের প্রতি ভালোবাসা ও বন্ধুত্ব লালন করা এবং মুসলমানদের বাদ দিয়ে কাফেরদের সাথে মেলামেশার প্রতি মুহাব্বত রাখা নাজায়েজ ও হারাম। (৪০)
টিকাঃ
৪০. কিফায়াতুল মুফতি, ১৩/১৩৮
📄 কাফেরদের সাথে বন্ধুত্ব ও ভালোবাসা : একটি ভুল বোঝাবুঝি
একটি ধারণা অনেকের মাঝে কাজ করে, কাফেরের সাথে সম্পর্ক নিষিদ্ধ হওয়ার বিষয়টি তার কুফরি বিশ্বাসকে সমর্থন করার সাথে শর্তযুক্ত। অর্থাৎ কেউ যদি কুফরি বিশ্বাসকে সমর্থন না করে, তাহলে কাফেরের সাথে বন্ধুত্ব করতে কোনো বাধা নেই। আসলে বিষয়টি এমন নয়। বরং স্বাভাবিকভাবেই কাফেরের সাথে বন্ধুত্ব রাখা অবৈধ। তবে এতটুকু প্রার্থক্য রয়েছে যে, তার কুফরি আকিদা-বিশ্বাসের কারণে মুহাব্বত রাখা কেবল অবৈধ বা গোনাহই নয়, বরং সুস্পষ্ট কুফর। আর পার্থিব বিষয়াদিতে বিশেষ কোনো প্রয়োজন ছাড়া কাফেরদের সাথে মিত্রতা করা কুফরি নয় বটে, তবে তাও নিষিদ্ধ। আর কুফর ও কুফরির কারণ, অনুষঙ্গ ও উপসর্গ ইত্যাদির প্রতি মুহাব্বত নিষিদ্ধ ও নিন্দনীয় হওয়া তো আকল, নৈতিক বিচারবোধ ও শরিয়তের দৃষ্টিতে একদমই স্পষ্ট। তাই সে সম্পর্ক নিয়ে বিস্তর ও জোরালো আলোচনার বিশেষ প্রয়োজন নেই। বাকি নিছক পার্থিব বিষয়ে সম্পর্ক রাখার ক্ষেত্রে বিভিন্ন ব্যাখ্যা, অজুহাত অনুপ্রবেশ করার ছিদ্র ছিল, তাই এই সম্পর্ক নিয়ে জোরালো আলোচনার প্রয়োজন। আর কুরআন-সুন্নাহ ও ফিকহে ইসলামিতে এই অংশ নিয়েই বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
এর একটি বড় কারণ এটিও যে, যদিও ভালোবাসার উৎস ধর্মীয় কোনো বিষয় নাও হয়, বরং পার্থিব উদ্দেশ্যেই হয়, তবুও এই সম্পর্ক ও বন্ধুত্বই ক্রমান্বয়ে কুফর, কুফরের আচার-অনুষ্ঠান, কুফরি ধারণা-বিশ্বাস ও অভ্যাসের প্রতি ব্যক্তিকে কোমল ও নমনীয় বানিয়ে ফেলে। দেখা যায়, ব্যক্তি কার্যত কোনো কুফরি করার পদক্ষেপ না নিলেও কুফর ও তার পাপাচারের প্রতি ব্যক্তির ঘৃণা, বিদ্বেষ ও অনুশোচনাবোধ একেবারেই দুর্বল হয়ে যায়। কারণ কোনো জিনিসের প্রতি ভালোবাসা একজন মানুষকে অন্ধ ও বধির করে ফেলে, যার পরিণাম অত্যন্ত ভয়াবহ।
এ কারনেই ফকিহগণ কাফেরদের সাথে সম্পর্ক ও ভালোবাসার সকল দিককে অবৈধ বলে ঘোষণা করেছেন, যদিও সে সম্পর্ক কুফরের প্রতি সমর্থনের ওপর ভিত্তি করে না হয়।
ইমাম জাসসাস (মৃত্যু: ৩৭০ হি.) এ বিষয়ক বেশ কিছু আয়াত ও হাদিস একত্র করার পর বলেছেন,
فنهى بعد النهي عن مجالستهم وملاطفتهم عن النظر إلى أموالهم، وأحوالهم في الدنيا... فهذه الآي والآثار دالة على أنه ينبغي أن يعامل الكفار بالغلظة والجفوة دون الملاطفة والملاينة، ما لم تكن حال يخاف فيها على تلف نفسه أو تلف بعض أعضائه أو ضررا كبيرا يلحقه في نفسه، فإنه إذا خاف ذلك جاز له إظهار الملاطفة والموالاة من غير صحة اعتقاد.
কাফেরদের সাথে ওঠাবসা ও নমনীয় আচরণ করতে বারণ করার সাথে সাথে তাদের ধনসম্পদ ও দুনিয়াবি প্রাচুর্যের দিকে তাকাতে নিষেধ করা হয়েছে। এই আয়াতসমূহ ও হাদিসগুলো নির্দেশ করে যে, কাফেরদের সাথে কঠোরতা ও অবজ্ঞার আচরণ করা উচিত, কোমল ও নমনীয় হওয়া যাবে। না। তবে যদি তার জীবন ধ্বংস, বা কোনো অঙ্গহানি ঘটার আশঙ্কা থাকে, অথবা বাস্তবই কোনো বড়ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা থাকে তাহলে ভিন্ন কথা। এ জাতীয় আশঙ্কা থাকলে বাহ্যিকভাবে কাফেরের সাথে নম্রতা ও মিত্রতার আচরণ করা যাবে। তবে অন্তরের বিশ্বাস ঠিক থাকতে হবে।(৪১)
ইমাম ফখরুদ্দিন রাজি রহিমাহুল্লাহ (মৃত্যু: ৬০৬ হি.) লিখেছেন,
والقسم الثالث : وهو كالمتوسط بين القسمين الأولين، هو أن موالاة الكفار بمعنى الركون إليهم والمعونة، والمظاهرة، والنصرة إما بسبب القرابة، أو بسبب المحبة مع اعتقاد أن دينه باطل فهذا لا يوجب الكفر إلا أنه منهي عنه، لأن الموالاة بهذا المعنى قد تجره إلى استحسان طريقته والرضا بدينه، وذلك يخرجه عن الإسلام فلا جرم هدد الله تعالى فيه فقال : ومن يفعل ذلك فليس من الله في شيء. (التفسير الكبير ٢٩١/٨، سورة آل عمران (۳) : آية (۸২)
তৃতীয় প্রকার: এটি প্রথম দুপ্রকারের মধ্যবর্তী একটি প্রকার। অর্থাৎ কাফেরদের সাথে মিত্রতার আরেকটি প্রকার হলো তাদের ধর্ম ভ্রান্ত এটা বিশ্বাস থাকা সত্ত্বেও কোনো নিকটাত্মীয় সম্পর্কের কারণে বা ভালোবাসা- মহব্বতের কারণে তাদের দিকে ঝুঁকে যাওয়া, সাহায্য করা এবং তাদের সমর্থন করা। এ প্রকারটি কুফরি না হলেও তা নিষিদ্ধ। এমন মিত্রতা ব্যক্তিকে কাফেরদের রীতিনীতি ও ধর্মের প্রতি অভিভূত ও দুর্বল করে তুলবে। যা তাকে (একসময়) ইসলামের সীমানা থেকে বের করে দেবে। তাই তো আল্লাহ তাআলা এ জাতীয় কাজের প্রতি ভয় প্রদর্শন করে বলেছেন, যে এমন করবে আল্লাহর সাথে তার কোনো সম্পর্ক নেই।(৪২)
এই বক্তব্যে স্পষ্টই রয়েছে, কাফেরদের ধর্মের প্রতি কোনো মুহাব্বত না থাকলেও তাদের সাথে আন্তরিকতা রাখা জায়েয নেই।
আল্লামা আবুস সাউদ রহিমাহুল্লাহ (মৃত্যু: ৯৮২ হি.) লেখেন,
{لَا يَتَّخِذِ المؤمنون الكافرين أَوْلِيَاء نُهوا عن موالاتهم لقرابة أو صداقة جاهلية ونحوهما من أسباب المصادقة والمعاشرة كما في قوله سبحانه {يَا أَيُّهَا الذينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا عَدُوّى وَعَدُوَّكُمْ أَوْلِيَاء} وقوله تعالى {لَا تَتَّخِذُواْ اليهود والنصارى أَوْلِيَاء حتى لا يكون حبهم ولا بغضهم إلا لله تعالى أو عن الاستعانة بهم في الغزو وسائر الأمور الدينية.
'মুমিনরা যেন কাফেরদের বন্ধু না বানায়', এই আয়াতে কাফেরদের সাথে আত্মীয়তার সম্পর্ক বা জাহেলি বন্ধুত্ব ইত্যাদি সামাজিক কোনো কারণে মিত্রতা ও ভালোবাসার সম্পর্ক রাখতে নিষেধ করা হয়েছে।(৪৩)
পূর্বোক্ত বক্তব্য থেকে এখানে আরও স্পষ্ট করা হয়েছে যে, কেবল ধর্মীয় বিষয়াদির বিবেচনায় কাফেরদের সাথে সম্পর্ক স্থাপন ও বন্ধুত্ব করা নিষিদ্ধ বিষয়টি এমন নয়, বরং আত্মীয়তা ও নিছক সোহর্দ-সম্প্রীতি ইত্যাদির ভিত্তিতেও তাদের সাথে মিত্রতা রাখা অবৈধ।
'তাফসিরে মাজহারি'-তে এসেছে,
نهوا عن موالاتهم بقرابة أو صداقة ونحو ذلك أو عن الاستعانة بهم في الغزو وسائر الأمور الدينية من دون المؤمنين فيه اشارة إلى أن ولايتهم لا يجتمع ولاية المؤمنين لأجل منافاة بين ولاية المتعادين، ففي ولاية الكفار قبح بالذات وقبح بالعرض بالحرمان عن ولاية المؤمنين.... (التفسير المظهري ٢٣/٢، مكتبة الرشيدية الباكستان)
কাফেরদের সাথে আত্মীয়তা, বন্ধুত্ব ও অন্য কোনো কারণে মিত্রতা করা; যুদ্ধবিগ্রহ বা অন্যান্য ধর্মীয় কাজে মুসলমানদের পরিবর্তে তাদের কাছে সাহায্য প্রার্থী হওয়া নিষিদ্ধ। এ থেকে এও বোঝা যায়, কাফেরের সাথে মিত্রতা আর মুমিনদের সাথে মিত্রতা একত্র হয় না। কাফেরদের সাথে বন্ধুত্ব তো সত্তাগতভাবেই খারাপ, সাথে আরেকটি অনিষ্ট হলো এতে মুসলিমদের বন্ধুত্ব থেকে ব্যক্তি বঞ্চিত হয়।... (৪৪)
টিকাঃ
৪১. আহকামুল কুরআন, জাসসাস, ২/২৮৯
৪২. আত-তাফসিরুল কাবির, ৮/১৯২
৪৩. তাফসিরে আবিস সাউদ, ২/২৩
৪৪. তাফসিরে মাজহারি, ২/৩২