📄 {তিন} ‘তাবিল’ হচ্ছে ‘ইলহাদ’র বারান্দা
{তিন} ‘তাবিল’ হচ্ছে ‘ইলহাদ’র বারান্দা
শরয়ী নুসুস বা স্পষ্ট বিধানের ক্ষেত্রে অপ্রাসঙ্গিক ‘তাবিল’ বা অপব্যাখ্যা করা মূলত দ্বীন থেকে বিচ্যুত হওয়ার প্রথম ধাপ। একারণেই বিজ্ঞ উলামায়ে কেরাম বলেছেন, ‘তাবিল’ হচ্ছে ‘ইলহাদ’ বা ধর্মহীনতার বারান্দা। মানুষ যখন নিজের প্রবৃত্তির অনুকূলে শরীয়তের বিধানগুলোকে ব্যাখ্যা করতে শুরু করে, তখন সে ধীরে ধীরে ঈমানের গণ্ডি থেকে বেরিয়ে যায়। বর্তমান যুগে মানবরচিত আইন ও কুফরি মতবাদগুলোকে জায়েজ করার জন্য একদল লোক এই ‘তাবিল’ বা অপব্যাখ্যার আশ্রয় নিচ্ছে।
📄 {চার} আমরা বাঁচাতে চাই নাকি বাঁচতে চাই!
{চার} আমরা বাঁচাতে চাই নাকি বাঁচতে চাই!
অনেক সময় দেখা যায়, উলামায়ে কেরাম বা মুফতিগণ কোনো মুরতাদ শাসক বা কুফরি ব্যবস্থাকে ‘বাঁচানোর’ জন্য দূরভিসন্ধিমূলক ব্যাখ্যা খোঁজেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো, আমরা কি ওই ব্যক্তিকে দুনিয়াবী বিচারে মুসলমান সাব্যস্ত করে ‘বাঁচাতে’ চাই, নাকি কিয়ামতের দিন আল্লাহর পাকড়াও থেকে নিজেকে ‘বাঁচাতে’ চাই? একজন সত্যনিষ্ঠ আলিমের দায়িত্ব হলো আল্লাহর বিধানকে কোনো প্রকার রাখঢাক ছাড়াই স্পষ্ট করা। কাউকে খুশি করার জন্য শরীয়তের বিধান গোপন করা বা বিকৃত করা চরম খিয়ানত।
📄 {পাঁচ} একটি হাদিসের ‘মিসদাক’
{পাঁচ} একটি হাদিসের ‘মিসদাক’
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, ‘ইসলামের হাতলগুলো একে একে ভেঙে যাবে। যখন একটি হাতল ভেঙে যাবে, মানুষ পরবর্তীটিকে আঁকড়ে ধরবে। এর মধ্যে সর্বপ্রথম যেটি ভেঙে যাবে তা হলো শাসনব্যবস্থা (আল-হুকুম) এবং সর্বশেষটি হলো সালাত বা নামাজ’। বর্তমান যুগের মানবরচিত শাসনব্যবস্থা এবং আল্লাহর সার্বভৌমত্বকে অস্বীকার করার এই ধারা মূলত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সেই হাদীসেরই বাস্তব প্রতিফলন বা মিসদাক।
টিকাঃ
১. মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং ২২১৬০; সহীহ ইবনে হিব্বান, হাদীস নং ৬৭১৫