📄 পার্থক্যের আরেকটি সাধারণ কারণ
পার্থক্যের আরেকটি সাধারণ কারণ
দ্বিতীয় কারণটি হলো ‘প্রভাব ও আনুগত্য’। ব্যক্তির কুফর তার নিজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে, কিন্তু একটি কুফরি শাসনব্যবস্থা পুরো সমাজকে কুফরি বিধান মানতে বাধ্য করে এবং আল্লাহর সার্বভৌমত্বকে অস্বীকার করে নিজের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে। তাই ব্যক্তির ক্ষেত্রে শরীয়ত যতটুকু নমনীয়তা প্রদর্শন করে, আল্লাহর আইনের মোকাবিলায় অন্য আইন প্রতিষ্ঠাকারী শক্তির ব্যাপারে ততটুকুই কঠোরতা অবলম্বন করে।
📄 নিরান্নব্বই কুফর ও মুসলমান
নিরান্নব্বই কুফর ও মুসলমান
ফুকাহায়ে কেরামের একটি মশহুর উক্তি হলো— ‘যদি কোনো ব্যক্তির মাঝে নিরান্নব্বইটি কুফরি দিক থাকে আর একটি ঈমানি দিক থাকে, তবে তাকে কাফের বলা যাবে না’। এই উক্তিটি মূলত ওই ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য যার কথা বা কাজ অস্পষ্ট এবং ব্যাখ্যার অবকাশ রাখে। কিন্তু যখন কোনো সংবিধান বা শাসনব্যবস্থা স্পষ্টভাবে আল্লাহর আইনের পরিবর্তে মানবরচিত আইনকে প্রাধান্য দেয়, তখন সেখানে এই ‘নিরান্নব্বই বনাম এক’ এর যুক্তি খাটে না। কারণ কুফর যখন স্পষ্ট ও ঘোষণামূলক হয়, তখন অস্পষ্ট কোনো ঈমানি দিকের দোহাই দিয়ে তাকে মুসলমান সাব্যস্ত করা শরীয়তসম্মত নয়।