📘 মুসলিম বিশ্ব ও সমকালীন মাসায়েল 📄 মুফতি মুহাম্মাদ শফি রহ. এর একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা

📄 মুফতি মুহাম্মাদ শফি রহ. এর একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা


মুফতি মুহাম্মাদ শফি রহ. তাঁর ‘জাওয়াহিরুল ফিকহ’ গ্রন্থে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। তিনি সেখানে দেখিয়েছেন যে, কোনো ব্যক্তির কথা বা কাজে যদি নিরানব্বইটি কুফরি সম্ভাবনা থাকে আর একটি মাত্র ইসলামি সম্ভাবনা থাকে, তবে তাকে কাফের বলা যাবে না। কিন্তু যদি বিষয়টি এমন হয় যে, সেখানে কোনো ব্যাখ্যার অবকাশ নেই, তবে তাকে কাফের বলা ঈমানি দায়িত্ব হয়ে দাঁড়ায়।

📘 মুসলিম বিশ্ব ও সমকালীন মাসায়েল 📄 {দুই} ব্যক্তির কুফর ও জামাআতের কুফর এক নয়

📄 {দুই} ব্যক্তির কুফর ও জামাআতের কুফর এক নয়


{দুই} ব্যক্তির কুফর ও জামাআতের কুফর এক নয়

শরয়ী দৃষ্টিভঙ্গিতে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির কুফর এবং একটি জামাআত বা গোষ্ঠীর কুফরের বিধান এক নয়। কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির ওপর কুফরের হুকুম লাগানোর ক্ষেত্রে অনেক যাচাই-বাছাই ও শর্তের প্রয়োজন হয় (যেমন: অজ্ঞতা বা ওযর আছে কি না)। কিন্তু একটি শক্তি বা শাসনব্যবস্থা যদি কুফরি মূলনীতির ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়, তবে তার সামগ্রিক বিধান ভিন্ন হবে।

📘 মুসলিম বিশ্ব ও সমকালীন মাসায়েল 📄 {তিন} ‘তাবিল’ হচ্ছে ‘ইলহাদ’র বারান্দা

📄 {তিন} ‘তাবিল’ হচ্ছে ‘ইলহাদ’র বারান্দা


{তিন} ‘তাবিল’ হচ্ছে ‘ইলহাদ’র বারান্দা

শরয়ী নুসুস বা স্পষ্ট বিধানের ক্ষেত্রে অপ্রাসঙ্গিক ‘তাবিল’ বা অপব্যাখ্যা করা মূলত দ্বীন থেকে বিচ্যুত হওয়ার প্রথম ধাপ। একারণেই বিজ্ঞ উলামায়ে কেরাম বলেছেন, ‘তাবিল’ হচ্ছে ‘ইলহাদ’ বা ধর্মহীনতার বারান্দা। মানুষ যখন নিজের প্রবৃত্তির অনুকূলে শরীয়তের বিধানগুলোকে ব্যাখ্যা করতে শুরু করে, তখন সে ধীরে ধীরে ঈমানের গণ্ডি থেকে বেরিয়ে যায়। বর্তমান যুগে মানবরচিত আইন ও কুফরি মতবাদগুলোকে জায়েজ করার জন্য একদল লোক এই ‘তাবিল’ বা অপব্যাখ্যার আশ্রয় নিচ্ছে।

📘 মুসলিম বিশ্ব ও সমকালীন মাসায়েল 📄 {চার} আমরা বাঁচাতে চাই নাকি বাঁচতে চাই!

📄 {চার} আমরা বাঁচাতে চাই নাকি বাঁচতে চাই!


{চার} আমরা বাঁচাতে চাই নাকি বাঁচতে চাই!

অনেক সময় দেখা যায়, উলামায়ে কেরাম বা মুফতিগণ কোনো মুরতাদ শাসক বা কুফরি ব্যবস্থাকে ‘বাঁচানোর’ জন্য দূরভিসন্ধিমূলক ব্যাখ্যা খোঁজেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো, আমরা কি ওই ব্যক্তিকে দুনিয়াবী বিচারে মুসলমান সাব্যস্ত করে ‘বাঁচাতে’ চাই, নাকি কিয়ামতের দিন আল্লাহর পাকড়াও থেকে নিজেকে ‘বাঁচাতে’ চাই? একজন সত্যনিষ্ঠ আলিমের দায়িত্ব হলো আল্লাহর বিধানকে কোনো প্রকার রাখঢাক ছাড়াই স্পষ্ট করা। কাউকে খুশি করার জন্য শরীয়তের বিধান গোপন করা বা বিকৃত করা চরম খিয়ানত।

ফন্ট সাইজ
15px
17px