📄 মুফতির ফাতওয়া কাউকে কাফের বা মুসলমান বানায় না
মুফতির ফাতওয়া কাউকে কাফের বা মুসলমান বানায় না। মুফতি কেবল শরীয়তের দলিলের আলোকে বর্তমান অবস্থা বর্ণনা করেন যে, অমুক ব্যক্তি বা দলের মধ্যে কুফরি পাওয়া গেছে বা পাওয়া যায় নি। সুতরাং মুফতি বা ফকিহ কাউকে কাফের বানান না, বরং কেউ কাফের হলে তার খবর দেন মাত্র।
📄 কাফের-মুরতাদকে মুসলমান সাব্যস্ত করার ভয়াবহতা
কাফের-মুরতাদকে মুসলমান সাব্যস্ত করার ভয়াবহতা অনেক। অনেক সময় দেখা যায় কোনো সুস্পষ্ট মুরতাদকে কেবল ‘উদারতা’ প্রদর্শনের জন্য বা রাজনৈতিক কারণে মুসলমান বলা হয়। এটি শরীয়তের দৃষ্টিতে অত্যন্ত গর্হিত কাজ। কারণ এর ফলে সাধারণ মুসলমানরা বিভ্রান্ত হয় এবং হকের সাথে বাতিলের সংমিশ্রণ ঘটে।
📄 "وتكفير جدَّد إيمانا"
"وتكفير جدَّد إيمانا"
তাকফির অনেক সময় ঈমানকে নবায়ন করে। যখন বাতিলের অন্ধকার চারদিক ছেয়ে যায়, তখন হক ও বাতিলের পার্থক্যকারী হিসেবে কুফরকে কুফর বলা আবশ্যক হয়ে পড়ে। এটি মুমিনের ঈমানি দায়িত্ব।
📄 মুফতি মুহাম্মাদ শফি রহ. এর একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা
মুফতি মুহাম্মাদ শফি রহ. তাঁর ‘জাওয়াহিরুল ফিকহ’ গ্রন্থে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। তিনি সেখানে দেখিয়েছেন যে, কোনো ব্যক্তির কথা বা কাজে যদি নিরানব্বইটি কুফরি সম্ভাবনা থাকে আর একটি মাত্র ইসলামি সম্ভাবনা থাকে, তবে তাকে কাফের বলা যাবে না। কিন্তু যদি বিষয়টি এমন হয় যে, সেখানে কোনো ব্যাখ্যার অবকাশ নেই, তবে তাকে কাফের বলা ঈমানি দায়িত্ব হয়ে দাঁড়ায়।