📘 মুসলিম বিশ্ব ও সমকালীন মাসায়েল 📄 মুফতি হামিদুল্লাহ জান

📄 মুফতি হামিদুল্লাহ জান


(মৃ-১৪৩৮ হি.) রঈস, দারুল ইফতা, জামিআ আশরাফিয়া লাহোর।

মুফতি হামিদুল্লাহ জান রহ. এর পূর্বোল্লিখিত বক্তবের এ সংক্রান্ত অংশের অনুবাদ উল্লেখ করছি।

তিনি বলেন, আমরা বুযুর্গদের প্রতি সালাম নিবেদন করছি। আমরা বুযুর্গদের সম্মান করি। আমরা বুযুর্গদের ব্যাপারে মন্দ ধারণা পোষণ করি না। কিন্তু বুযুর্গদের এ কাজকে কিছু মৌলিক, কিছু অপারগতা অথবা জরুরত বা ইজতিহাদি ভুল মনে করুন। যে ব্যাখ্যাই করুন না কেনো; কিন্তু অভিজ্ঞতা এটাই প্রমাণ করে দেয় যে, গণতান্ত্রিক পন্থায় এই হযরতদের এই চেষ্টা-প্রচেষ্টা কামিয়াব হতে পারেনি। সুতরাং "لا يلدغ المؤمن من جحر واحد مرتين" মুমিন একই গর্তে দু'বার দংশিত হয় না। পঞ্চাশ বছরের চেয়েও বেশী সময় আমরা লোকদের কাছে ভোট চেয়েছি। লোকেরা আমাদের ভোট দিয়েছে। কখনো এমনও হয়েছে যে, আমাদের পঁচাশি মেম্বার-সংসদ সদস্য অর্জন হয়েছে, জাতীয় এসেম্বলিতে যথেষ্ট আধিক্যতা অর্জন হয়েছে। কিন্তু আপনারা দেখেছেন, কোন ইসলামি বিধানটা এসেছে? তাঁরা বলে, আমরা প্রতিরক্ষা করছি। প্রতিরক্ষা কাকে বলে? নারী অধিকার বিল পাস হয়েছে। কেউ এটাকে প্রতিহত করতে পেরেছে? জবাব দিন! (সংসদে কিছু) বলা তো উদ্দেশ্য নয়। প্রতিরক্ষার অর্থ তো হচ্ছে কাজটাকে রুখে দেয়া। প্রতিরক্ষার উদ্দেশ্য তো আগে বুঝে নিন। প্রতিরক্ষার উদ্দেশ্য তো শুধুমাত্র বলা নয়। প্রতিরক্ষার অর্থ তো হচ্ছে রুখে দেয়া। কে রুখেছে সে বিলকে? পাস হয়েছে কি না বলুন? আমি আরয করবো, আল্লাহর ওয়াস্তে আগে বাস্তবতা বুঝুন! হে মৌলবিরা তাওবা করুন! আমি বলছি, আমি গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে অংশ নিয়েছি। ৭০ সালে আমি মাওলানা সদরুশ শহিদের প্রার্থী ছিলাম। পাসও করেছি। ষাট হাজার ভোটের ব্যবধানে পাস করেছি। কিন্তু আমি পরিষ্কার ভাষায় বলছি, আমি এই গুনাহ থেকে তাওবা করে নিয়েছি। আল্লাহ আমাদের তাওবা কবুল করুন! আপনাদের কাছে দরখাস্ত করছি, আপনারা আজও তাওবা করুন এবং খিলাফত শাসনব্যবস্থার জন্য আন্দোলনের মূল ভিত্তি অনুসারে ময়দানে আসুন! ঘাবড়াচ্ছেন কেনো? আসুন! ময়দানে আসুন! দেখুন! ইসলামি শাসনব্যবস্থা আসে কি না!

(ইউটিউবে লিখে সার্চ করুন 'সংশয় নিরসন, মুফতি তাকি উসমানি (দা. বা.)র আশ্চর্য সংশয়' ২২.০৪ মি. - ২৪.২৪ মি.)।

📘 মুসলিম বিশ্ব ও সমকালীন মাসায়েল 📄 শাইখুল হাদিস সালিমুল্লাহ খান

📄 শাইখুল হাদিস সালিমুল্লাহ খান


(মৃ-১৪৩৮ হি.)

শাইখুল হাদিস মাওলানা সালিমুল্লাহ খান রহ.কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল;

" کیا انتخابی سیاسی نظام یا جمہوری نظم کے تحت اسلامی نظام کا نفاذ ممکن ہے؟"

“নির্বাচন পদ্ধতিতে বা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাপনার অধীনে ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থার বাস্তবায়ন কি সম্ভব?”

তিনি উত্তরে বলেছিলেন-

নয়! ইহা মুমকিন নেহি হে। -না ইন্তেখাবাতকে জরিয়এ ইসলাম লায়া জা সকতাহে, না জমহুরিয়তকে জরিয়এ ইসলাম লায়া জা সকতাহে।

জমহুরিয়ত মে কাসরাত রায়েকা এহতের হোতাহে আওর আকসারিয়াত জুহলা কী হে জু দিন কি আহমিয়ত সে ওয়াকিফ নেহি- উন সে কোয়ী তুওকো নেহি হে। (মাহনামা সানাবিল কারাছি, ময়ী ২০১৩ ই, جلد ৮, শুমারা নাম্বার ১১, সারওয়ারেক, বাহাওয়ালা এদিয়ানকী জঙ্গ, ৫৯০)

“না! এটি সম্ভব নয়। নির্বাচনের মাধ্যমেও ইসলাম আনা যাবে না এবং গণতন্ত্রের মাধ্যমেও ইসলাম আনা যাবে না। গণতন্ত্রে রায়ের আধিক্যতার বিবেচনা করা হয়। আর আধিক্যতা হচ্ছে মূর্খদের, যারা দ্বীনের প্রয়োজনীয়তার ব্যাপারে অবগত নয়। তাদের কাছে কিছু আশা করা যায় না।” (মাহনামা সানাবেল করাচি, মে ২০১৩, খ: ৮, নং ১১, সূত্রে আদইয়ান কি জঙ্গ, পৃঃ ৫৮)

📘 মুসলিম বিশ্ব ও সমকালীন মাসায়েল 📄 মুফতি আবুল হাসান মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ

📄 মুফতি আবুল হাসান মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ


হাফিযাহুল্লাহ

সুতরাং এ ব্যবস্থায় যে শান্তি বা কল্যাণের আশা করা যায় না এবং এ পদ্ধতিতে সৎ, যোগ্য, নিষ্ঠাবান লোকজনের সরকার গঠিত হওয়া যে অনেকটা অসম্ভব তা বুঝিয়ে বলার দরকার আছে বলে মনে হয় না। (মাসিক আলকাউসার, ডিসেম্বর ২০০৮, পৃঃ ০৭)

ফন্ট সাইজ
15px
17px