📄 মুফতি নিযামুদ্দিন শামেযি শহিদ
শাইখুল হাদিস, জামিআ বানুরি টাউন, করাচি, পাকিস্তান।
(بنیاد پرستی کیا ہے ؟ ........... اڑتالیس (۴۸) سال علماء نے انتخابی اور جمہوری سیاست میں ضائع کئے ....... میں دعویٰ سے کہتا ہوں ....... کہ اس طرز حکومت سے اڑتالیس (۴۸) ہزار سال میں بھی اسلام نہیں آئے گا۔
جمهوریت ایک طرز حکومت ہے کہ جس میں: بقول اقبال! جمہوریت ایک طرز حکومت ہے کہ جس میں + بندوں کو گنا کرتے ہیں تولا نہیں کرتے۔
لہذا اس طرز عمل پر محنت نہ کریں بلکہ نو جوانوں پر محنت کریں ........ ان کا ذہن بنائیں، امریکہ اور یہودی منصوبے انہیں بتادیں .......... اور پہلے خود اس کو سمجھیں۔ (خুতবাত শামযি, উলামা কেরাম আওর উন কি জিম্মেদারিয়ান, ১/২০৩-২০৪)
“..... নির্বাচন পদ্ধতি ও গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে উলামায়ে কেরাম আটচল্লিশটি বছর নষ্ট করেছে।..... আমি জোরদাবি করে বলছি..... এই ব্যবস্থাপনায় আটচল্লিশ হাজার বছরেও ইসলাম আসবে না।”
কবি ইকবালের কথা অনুযায়ী; গণতন্ত্র এমন একটি শাসনব্যবস্থা, যাতে মানুষদেরকে গণনা করা হয় কিন্তু মাপা হয় না।
সুতরাং এ কর্মপন্থায় শ্রম ব্যয় না করে তরুণদের নিয়ে মেহনত করুন।..... তাদের মানসিকতা তৈরি করুন। মার্কিন ও ইহুদি অভিসন্ধি তাদের বুঝিয়ে দিন।..... প্রথমে নিজেও বিষয়টি বুঝে নিন।” (খুতুবাতে শামেযি, ১/২০৩-২০৪)
دنیا میں اللہ تبارک و تعالیٰ کا دین ووٹ کے ذریعے سے، مغربی جمہوریت کے ذریعے سے غالب نہیں ہو گا، اس لئے کہ اس دنیا کے اندر اللہ کے دشمنوں کی اکثریت ہے، فساق وفجار کی اکثریت ہے، اور جمہوریت جو ہے وہ بندوں کو گننے کا نام ہے تولنے کا نہیں۔ دنیا میں جب بھی اسلام غالب ہو تو اس کا واحد راستہ وہی ہے جو راستہ اللہ کے نبی صلی اللہ علیہ وسلم نے اختیار کیا تھا اور وہ جہاد کا راستہ ہے۔ (ماہ نامہ سنابل کراچی، مئی ۲۰۱۳ء، ۳۴-۳۳/۸، شمارہ نمبر ۱۱، بحوالۂ ادیان کی جنگ،ص৫৮)
“আল্লাহ তাআলার দ্বীন পৃথিবীতে ভোটের মাধ্যমে, পশ্চিমা গণতন্ত্রের মাধ্যমে বিজয় লাভ করতে পারবে না। কেননা পৃথিবীতে ফাসেক-ফাজের দুষ্টমতি ও দুশমনদের আধিক্যতা। আর গণতন্ত্র হচ্ছে মানুষদেরকে গণনা করার নাম, মাপার নাম নয়।.... পৃথিবীতে ইসলামকে বিজয়ী করার একমাত্র রাস্তা হচ্ছে, যেটি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গ্রহণ করেছেন। আর তা হচ্ছে জিহাদ-কিতালের রাস্তা।” (মাহনামা সানাবেল করাচি, মে ২০১৩, ৮/৩৩-৩৪, নং ১১, সূত্রে আদইয়ান কি জঙ্গ, পৃঃ ৫৮)
📄 শাইখুল হাদিস আজিজুল হক
(মৃ-১৪৩৩ হি.)
গোলাপ কুড়ি: আমরা জানি, রাজনৈতিক ময়দানেও আপনি একজন শীর্ষনেতা। বাংলাদেশের বর্তমান প্রচলিত নির্বাচনের মাধ্যমে আপনার রাজনৈতিক দর্শন প্রতিফলিত হবে কি মনে করেন?
শাইখুল হাদীস: প্রচলিত নির্বাচনের মাধ্যমে ইসলামী রাজনীতির নীতি-আদর্শের প্রতিফলন ঘটানো খুবই কঠিন। মানবতার সত্যিকার মুক্তি নিশ্চিত করার একমাত্র গ্যারান্টি হচ্ছে খেলাফত রাষ্ট্রব্যবস্থা। (অন্তরঙ্গ আলোকে শাইখুল হাদীস রহ., পৃ: ১২৮)
📄 মুফতি হামিদুল্লাহ জান
(মৃ-১৪৩৮ হি.) রঈস, দারুল ইফতা, জামিআ আশরাফিয়া লাহোর।
মুফতি হামিদুল্লাহ জান রহ. এর পূর্বোল্লিখিত বক্তবের এ সংক্রান্ত অংশের অনুবাদ উল্লেখ করছি।
তিনি বলেন, আমরা বুযুর্গদের প্রতি সালাম নিবেদন করছি। আমরা বুযুর্গদের সম্মান করি। আমরা বুযুর্গদের ব্যাপারে মন্দ ধারণা পোষণ করি না। কিন্তু বুযুর্গদের এ কাজকে কিছু মৌলিক, কিছু অপারগতা অথবা জরুরত বা ইজতিহাদি ভুল মনে করুন। যে ব্যাখ্যাই করুন না কেনো; কিন্তু অভিজ্ঞতা এটাই প্রমাণ করে দেয় যে, গণতান্ত্রিক পন্থায় এই হযরতদের এই চেষ্টা-প্রচেষ্টা কামিয়াব হতে পারেনি। সুতরাং "لا يلدغ المؤمن من جحر واحد مرتين" মুমিন একই গর্তে দু'বার দংশিত হয় না। পঞ্চাশ বছরের চেয়েও বেশী সময় আমরা লোকদের কাছে ভোট চেয়েছি। লোকেরা আমাদের ভোট দিয়েছে। কখনো এমনও হয়েছে যে, আমাদের পঁচাশি মেম্বার-সংসদ সদস্য অর্জন হয়েছে, জাতীয় এসেম্বলিতে যথেষ্ট আধিক্যতা অর্জন হয়েছে। কিন্তু আপনারা দেখেছেন, কোন ইসলামি বিধানটা এসেছে? তাঁরা বলে, আমরা প্রতিরক্ষা করছি। প্রতিরক্ষা কাকে বলে? নারী অধিকার বিল পাস হয়েছে। কেউ এটাকে প্রতিহত করতে পেরেছে? জবাব দিন! (সংসদে কিছু) বলা তো উদ্দেশ্য নয়। প্রতিরক্ষার অর্থ তো হচ্ছে কাজটাকে রুখে দেয়া। প্রতিরক্ষার উদ্দেশ্য তো আগে বুঝে নিন। প্রতিরক্ষার উদ্দেশ্য তো শুধুমাত্র বলা নয়। প্রতিরক্ষার অর্থ তো হচ্ছে রুখে দেয়া। কে রুখেছে সে বিলকে? পাস হয়েছে কি না বলুন? আমি আরয করবো, আল্লাহর ওয়াস্তে আগে বাস্তবতা বুঝুন! হে মৌলবিরা তাওবা করুন! আমি বলছি, আমি গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে অংশ নিয়েছি। ৭০ সালে আমি মাওলানা সদরুশ শহিদের প্রার্থী ছিলাম। পাসও করেছি। ষাট হাজার ভোটের ব্যবধানে পাস করেছি। কিন্তু আমি পরিষ্কার ভাষায় বলছি, আমি এই গুনাহ থেকে তাওবা করে নিয়েছি। আল্লাহ আমাদের তাওবা কবুল করুন! আপনাদের কাছে দরখাস্ত করছি, আপনারা আজও তাওবা করুন এবং খিলাফত শাসনব্যবস্থার জন্য আন্দোলনের মূল ভিত্তি অনুসারে ময়দানে আসুন! ঘাবড়াচ্ছেন কেনো? আসুন! ময়দানে আসুন! দেখুন! ইসলামি শাসনব্যবস্থা আসে কি না!
(ইউটিউবে লিখে সার্চ করুন 'সংশয় নিরসন, মুফতি তাকি উসমানি (দা. বা.)র আশ্চর্য সংশয়' ২২.০৪ মি. - ২৪.২৪ মি.)।
📄 শাইখুল হাদিস সালিমুল্লাহ খান
(মৃ-১৪৩৮ হি.)
শাইখুল হাদিস মাওলানা সালিমুল্লাহ খান রহ.কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল;
" کیا انتخابی سیاسی نظام یا جمہوری نظم کے تحت اسلامی نظام کا نفاذ ممکن ہے؟"
“নির্বাচন পদ্ধতিতে বা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাপনার অধীনে ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থার বাস্তবায়ন কি সম্ভব?”
তিনি উত্তরে বলেছিলেন-
নয়! ইহা মুমকিন নেহি হে। -না ইন্তেখাবাতকে জরিয়এ ইসলাম লায়া জা সকতাহে, না জমহুরিয়তকে জরিয়এ ইসলাম লায়া জা সকতাহে।
জমহুরিয়ত মে কাসরাত রায়েকা এহতের হোতাহে আওর আকসারিয়াত জুহলা কী হে জু দিন কি আহমিয়ত সে ওয়াকিফ নেহি- উন সে কোয়ী তুওকো নেহি হে। (মাহনামা সানাবিল কারাছি, ময়ী ২০১৩ ই, جلد ৮, শুমারা নাম্বার ১১, সারওয়ারেক, বাহাওয়ালা এদিয়ানকী জঙ্গ, ৫৯০)
“না! এটি সম্ভব নয়। নির্বাচনের মাধ্যমেও ইসলাম আনা যাবে না এবং গণতন্ত্রের মাধ্যমেও ইসলাম আনা যাবে না। গণতন্ত্রে রায়ের আধিক্যতার বিবেচনা করা হয়। আর আধিক্যতা হচ্ছে মূর্খদের, যারা দ্বীনের প্রয়োজনীয়তার ব্যাপারে অবগত নয়। তাদের কাছে কিছু আশা করা যায় না।” (মাহনামা সানাবেল করাচি, মে ২০১৩, খ: ৮, নং ১১, সূত্রে আদইয়ান কি জঙ্গ, পৃঃ ৫৮)