📄 সাইয়েদ আতাউল মুহসিন শাহ বুখারি
(মৃ-১৪২০ হি.) সাহেবযাদা, সাইয়েদ আতাউল্লাহ শাহ বুখারি রহ।
نہ ووٹ ہے، نہ مفاہمت ہے، نہ ان کا وجود برداشت ہے ، نہ ان کی تہذیب برداشت ہے ...... اسلام آپ سے اطاعت مانگتا ہے۔ آپ سے ووٹ نہیں مانگتا، آپ کی رائے نہیں مانگتا۔ من يطع الرسول فقد أطاع الله. (ماہ نامہ سنابل کراچی، بحوالۂ ادیان کی جنگ ،ص৫৭)
“ভোটও নয়, বোঝাপড়াও নয়। তাদের অস্তিত্বও অসহ্যকর, তাদের কালচারও অসহ্যকর।..... ইসলাম আপনার আনুগত্য কামনা করে, আপনার কাছে ভোটও চায় না এবং আপনার রায়ও কামনা করে না। 'যে রাসুলের অনুসরণ করলো সে যেনো আল্লাহর অনুসরণ করলো'।” (মাহনামা সানাবেল করাচি, সূত্রে আদইয়ান কি জঙ্গ, পৃ: ৫৭)
📄 ইউসুফ লুধিয়ানবি শহিদ
(মৃ-১৪২১ হি.)
(مروجہ طریق انتخاب اور اسلامی تعلیمات) .......... هفتم: موجودہ طریق انتخاب تجربہ کی کسوٹی پر بھی کھوٹا ثابت ہوا ہے ،اس طریق انتخاب سے جو لوگ مسند اقتدار تک پہنچے وہ ملک کی شکست وریخت کے سوا ملک و قوم کی کوئی خدمت نہ کر سکے، اور جو چیز تجربہ سے مصر ثابت ہوئی ہو اور قوم اس کا خمیازہ بگھت چکی ہو ، اس تجربہ کو دوبارہ دہرانانہ تو شرعاًجائز ہے اور نہ عقلاً ہی اسے صحیح اور درست کہا جا سکتا۔ ( آپ کے مسائل اور ان کا حل ، سیاست، ২০২/৮)
“(প্রচলিত নির্বাচন পদ্ধতি ও ইসলামি শিক্ষা)..... সাত. প্রচলিত নির্বাচন পদ্ধতি অভিজ্ঞতার কষ্টিপাথরে নকল প্রমাণিত হয়েছে। এই নির্বাচন পদ্ধতিতে যারা ক্ষমতার সিংহাসন দখল করেছে, তারা রাষ্ট্রের পতন ও বিপর্যয়সাধন ব্যতীত দেশ ও জাতির কোনো সেবাই করতে পারেনি। আর যা অভিজ্ঞতায় ক্ষতিকর প্রমাণিত হয়েছে এবং জাতি তার কষ্ট ভোগ করেছে, সেই অভিজ্ঞতার পুনরাবৃত্তি শরিআতের দৃষ্টিতেও জায়েয নেই এবং বিবেকও তার অনুমতি দেয় না।” (আপকে মাসায়েল আওর উনকা হল, ৮/২০২)
📄 শাহ হাকিম মুহাম্মাদ আখতার
(মৃ-১৪৩৪ হি.)
(اسلام میں جمہوریت کی حقیقت .......... جب حضور صلی اللہ علیہ وسلم نے صفا کی پہاڑی پر نبوت کا اعلان کیا تھا تو الیکشن اور ووٹوں کے اعتبار سے کوئی بھی نبی کے ساتھ نہ تھا۔ نبی کے پاس صرف ایک اپنا دوٹ تھا، لیکن کیا حضور صلی اللہ علیہ وسلم اللہ کے پیغام کے اعلان سے باز آگئے ؟ کہ جمہوریت کیوں کہ میرے خلاف ہے، اکثریت کی ووٹنگ میرے خلاف ہے اس لئے میں اعلان نبوت سے باز رہتا ہوں۔ (خزائن معرفت و محبت ،ص ১৮৩)
“(ইসলামে গণতন্ত্র-সংখ্যাগরিষ্ঠতার মূল্যায়ন)..... রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন 'সফা' পাহাড়ের উপরে দাঁড়িয়ে নবুওয়াতের ঘোষণা দিয়েছিলেন, তখন নির্বাচন ও ভোটের বিবেচনায় কেউই তাঁর সঙ্গে ছিলো না। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট শুধু নিজের ভোটই ছিলো। তো রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি রিসালতের ঘোষণা থেকে বিরত ছিলেন? সংখ্যাগরিষ্ঠ যেহেতু আমার বিরুদ্ধে, অধিকাংশের ভোট যেহেতু আমার বিপরীতে, তাই আমি নবুওয়াতের ঘোষণা থেকে বিরত থাকছি।” (খাযায়েনে মা'রেফাত ওয়ামুহাব্বাত, পৃ: ১৮৩)
📄 মুফতি হামিদুল্লাহ জান
(মৃ-১৪৩৮ হি.) রঈস, দারুল ইফতা, জামিআ আশরাফিয়া লাহোর।
اور ووٹ کا استعمال مغربی جمہوری نظام کو عملاً تسلیم کرنا اور اس کی تمام خرابیوں میں حصہ دار بننا ہے ، اس لئے موجودہ مغربی جمہوری نظام کے تحت ووٹ کا استعمال شرعاً نا جائز ہے۔ (ماہ نامہ سنابل کراچی، مئی ۲۰۱۳ء، ۳২/۸، شمارہ نمبر ۱۱، بحوالۂ ادیان کی جنگ،ص৫৬)
“ভোটের ব্যবহার মূলত পশ্চিমা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থাকে কার্যত মেনে নেয়া এবং সেটির সকল অন্যায়ের অংশীদার হওয়াকে সাব্যস্ত করে। এজন্য প্রচলিত পশ্চিমা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাপনার অধীনে ভোটের ব্যবহার শরিআতের দৃষ্টিতে জায়েয নয়।” (মাহনামা সানাবেল করাচি, মে ২০১৩, ৮/৩২, নং ১১, সূত্রে আদইয়ান কি জঙ্গ, পৃঃ ৫৬)
মুফতি হামিদুল্লাহ জান রহ. এর পূর্বোল্লিখিত বক্তবের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশের অনুবাদ উল্লেখ করছি।
তিনি বলেন, কেউ বলবে ভোট আমানত, কেউ বলবে ভোট ওকালত বা প্রতিনিধিত্ব, কেউ বলবে ভোট হচ্ছে সাক্ষ্য। ভোট যাই হোক না কেনো; আমি একটি কথা জিজ্ঞাসা করছি। সাক্ষ্য সর্বদা হকের ব্যাপারে দেয়া হবে। যে বাতিল শাসনব্যবস্থা রয়েছে, তার সমর্থনে ভোট দেয়া সেই বাতিল নেযামকে মেনে নেয়া যে, এই বাতিল শাসনব্যবস্থা সঠিক। আপনি শাহাদত-সাক্ষ্য বলছেন তো আমি শাহাদত মেনে নিচ্ছি, আপনি ওকালত-প্রতিনিধিত্ব বলছেন তো আমি ওকালত মেনে নিচ্ছি, আপনি আমানত বলছেন তো আমি আমানত মেনে নিচ্ছি। আপনি যাই বলতে চান বলুন, কিন্তু আপনি বলুন তো, গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা, এই নাপাক শাসনব্যবস্থা, ইংরেজদের দেয়া শাসনব্যবস্থা; এটাকে কার্যকরভাবে মেনে নেয়া নয় কি? উত্তর দিন, আপনারা ফাতওয়া দিন, এটাকে কার্যকরভাবে মেনে নেয়া নয় কি? (ইউটিউবে লিখে সার্চ করুন 'সংশয় নিরসন, মুফতি তাকি উসমানি (দা. বা.)র আশ্চর্য সংশয়' ২০.৪২ মি. - ২১.৩৯ মি.)