📄 মুফতি হামিদুল্লাহ জান
(মৃ-১৪৩৮ হি.) রঈস, দারুল ইফতা, জামিআ আশরাফিয়া লাহোর।
مشاہدہ اور تجربے سے ثابت ہے کہ موجودہ مغربی جمہوری نظام ہی بے دینی، بے حیائی اور تمام فسادات کی جڑ ہے اور خصوصاً اس میں اسمبلیوں کو حق تشریع ( آئین سازی، قانون سازی کا حق ) دینا سراسر کتاب و سنت اور اجماع امت کے خلاف ہے۔ (ماہ نامہ سنابل کراچی ، مئی ۲۰۱۳ء، ۸ / ۳۲، شمارہ نمبر ۱۱، بحوالۂ ادیان کی جنگ،ص৫৬)
“প্রত্যক্ষদর্শন ও অভিজ্ঞতায় প্রমাণিত হয়েছে যে, বর্তমানের পশ্চিমা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাই দ্বীনহীনতা, নির্লজ্জতা ও সকল নষ্টের মূল। বিশেষকরে এ ব্যবস্থাপনায় এ্যাসেম্বলি-সংসদকে আইন প্রণয়নের অধিকার দেয়া সম্পূর্ণরূপে কুরআন, সুন্নাহ ও ইজমায়ে উম্মতের বিপরীত।” (মাহনামা সানাবেল করাচি, মে ২০১৩, ৮/৩২, নং ১১, সূত্রে আদইয়ান কি জঙ্গ, পৃ: ৫৬)
মুফতি হামিদুল্লাহ জান রহ. এর একটি বক্তব্যের ভিডিও আমার সংরক্ষণে আছে। বক্তব্যটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমি বক্তব্যের প্রথমদিকের কিছু অংশের অনুবাদ উল্লেখ করছি।
তিনি বলেন, 'যতোদিন এই দুর্গন্ধযুক্ত গণতন্ত্র, ইংরেজ প্রদত্ত শাসনব্যবস্থা এই দেশে থাকবে, ততোদিন কুপ পাক হতে পারে না। সর্বপ্রথম মৃত কুকুরকে কুপ থেকে বের করতে হবে, তবেই এই পানি পাক হবে। যতোক্ষণ মরা কুকুর পানিতে পড়ে থাকবে, হাজার বালতি পানি বের করুন; আলেমগণ বসা আছেন! সেই কূপ কি পাক হতে পারে? হতে পারে না। নারাজ হবেন না। আমি একটি মৌলিক কথা বলছি, সংক্ষেপে বলছি। اتخذوا أحبارهم ورهبانهم أرباباً "من دون الله কুরআনে কারিমের এই আয়াতের ব্যাপারে হযরত আদি ইবনে হাতেম রাযি. জিজ্ঞাসা করেছেন; তাফসিরে রুহুল মাআনি খুলে দেখুন, তাফসিরে মাযহারি খুলে দেখুন, অন্যান্য তাফসির খুলে দেখুন, আরবি না বুঝলে উর্দুতে মাওলানা ইদরিস কান্ধলবির মাআরিফুল কুরআন খুলে দেখুন! যাই হোক, হযরত আদি ইবনে হাতেম রাযি. জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমরা আহলে কিতাবরা তো কখনো উলামাদের সামনে ইবাদত করতাম না, সিজদা দিতাম না, আমরা তো কখনো আমাদের পীরদের ইবাদত করতাম না। তাহলে আল্লাহ তাআলা কীভাবে বললেন যে, তারা তাদের পীর, মৌলবিদেরকে রব হিসেবে গ্রহণ করতো? তো তারা কীভাবে রব বানালো, আমরা তো তাদের ইবাদত করিনি? তখন হুযুরে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জবাব দিলেন-হাদিসে আছে- হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তারা শরিআত প্রণয়নের অধিকার, হালালকে হারাম ও হারামকে হালাল করার অধিকার পীর-মৌলবিদেরকে দিয়েছিলো। অর্থাৎ আইন প্রণয়নের অধিকার পীর-মৌলবিদেরকে দিয়েছিলো। হারামকে হালাল সাব্যস্ত করা এবং হালালকে হারাম সাব্যস্ত করা, শরিআত প্রণয়নের অধিকার, আইন প্রণয়ন, আইন তৈরির অধিকার দিয়েছিলো। অথচ আইন প্রণয়ন ও আইন তৈরির অধিকার শুধু আল্লাহ তাআলা। " إن الحكم إلا الله " বিধানদাতা একমাত্র আল্লাহ তাআলাই।' (ইউটিউবে লিখে সার্চ করুন 'সংশয় নিরসন, মুফতি তাকি উসমানি (দা. বা.)র আশ্চর্য সংশয়' ১৮.১৭ মি. - ২০.৪২ মি.)
📄 মুফতি তাকি উসমানি
হাফিযাহুল্লাহ
إن الحكم إلا لله: إن المبدأ الأول من مبادئ الأحكام السياسية للإسلام هو أن الحكم الحقيقي في هذا الكون إنما هو الله سبحانه وتعالى وهو أحكم الحاكمين. وبناء على هذا الأساس، فلا يجوز إصدار قانون يصادم أحكام الله سبحانه وتعالى المشروحة في القرآن الكريم والسنة النبوية المطهرة، ولا إصدار حكم أو أمر إلا بما يوافق شرع الله الذي شرع لعباده.
وإن هذا المبدأ هو الذي يميز النظام السياسي الإسلامي من كل من الديموقراطية والدكتاتورية، فإن الديموقراطية تفوض الحكم إلى الشعب دون أي قيد، والدكتاتورية تفوضه إلى الحاكم الذي لا يخضع في أفعاله إلى سلطة أخرى. (تكملة فتح الملهم، كتاب الإمارة، ١٥٥/٣)
" إن الحكم إلا لله " )বিধানদাতা একমাত্র আল্লাহ তাআলাই): ইসলামি রাষ্ট্রনীতির ধারাসমূহের প্রথম ধারাই হচ্ছে, এই পৃথিবীতে প্রকৃত হুকুমের অধিকারী একমাত্র আল্লাহ তাআলা। তিনি সবচেয়ে উত্তম বিধানদাতা। এই মৌলিক ধারার ভিত্তিতেই কুরআনে কারিম ও সুন্নাতে নববিতে বিশ্লেষিত আল্লাহ তাআলার বিধি-বিধানের পরিপন্থী কোনো আইন ইস্যুকরণ জায়েয নয়। এবং আল্লাহ তাআলা বান্দার জন্য যে শরিআত দিয়েছেন সে শরিআত অনুযায়ী নয়; এমন কোনো বিধান বা বিষয় ইস্যু করা যাবে না।
এই ধারাতেই ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থা গণতান্ত্রিক ও একনায়কতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা থেকে পৃথক হয়ে যায়। কেননা গণতন্ত্র কোনো শর্ত ছাড়াই বিচারের দায়িত্ব জনগণের হাতে ন্যস্ত করে। আর একনায়কতন্ত্র অর্পণ করে শাসকের হাতে, যে তার কার্যকলাপে অন্য কোনো কর্তৃত্বের বশ্যতা স্বীকার করে না।” (তাকমিলাতু ফাতহিল মুলহিম, ৩/১৫৫)
(২- اسلام کا نظام حکومت)......... خلاصہ یہ کہ جمہوریت نے کثرت رائے کو (معاذ اللہ ) خدائی مقام دیا ہوا ہے کہ اس کا کوئی فیصلہ رد نہیں کیا جا سکتا। چنانچہ اسی بنیاد پر مغربی ممالک میں بد سے بدتر قوانین کثرت رائے کے زور پر مسلسل نافذ کئے جاتے رہے ہیں، اور آج تک کئے جارہے ہیں۔ زنا جیسی بد کاری سے لے کر ہم جنسی جیسے گھناؤنے عمل تک کو اسی بنیاد پر سند جواز عطاء کی گئی ہے ، اور اس طرز فکر نے دنیا کو اخلاقی تباہی کے آخری سرے تک پہنچا دیا ہے۔ (احسن الفتاوی، کتاب الجہاد، حکیم الامت رحمہ اللہ تعالی کے سیاسی افکار - تحریر مولانا محمد تقی عثمانی،৯৫/৬)
“(ইসলামের শাসনব্যবস্থা)..... মোটকথা, গণতন্ত্র সংখ্যাগরিষ্ঠের রায়কে (আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই) প্রভুত্বের স্থান দিয়ে দিয়েছে যে, সেটির কোনো সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করা যাবে না। এর ভিত্তিতেই পশ্চিমা বিশ্বে সংখ্যাগরিষ্ঠের রায়ের প্রভাবে নিকৃষ্ট থেকে নিকৃষ্টতর আইনের প্রচলন করা হয়েছে এবং এখন পর্যন্ত করে চলছে। এর ভিত্তিতেই যিনা-ব্যভিচারের মতো অন্যায় কাজ থেকে নিয়ে সমকামিতার মতো ঘৃণিত কাজের পর্যন্ত বৈধতা দেয়া হয়েছে। আর এই দৃষ্টিভঙ্গি বিশ্বকে চারিত্রিক অধঃপতনের শেষ সীমা পর্যন্ত পৌঁছে দিয়েছে।” (আহসানুল ফাতওয়া, ৬/৯৫)
📄 মুফতি আবুল হাসান মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ
হাফিযাহুল্লাহ
প্রচলিত গণতন্ত্র ও ইসলামের খেলাফত পদ্ধতি মৌলিক নীতিমালা ও আদর্শ- উদ্দেশ্যের দিক থেকে সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী দু'টি ব্যবস্থা। ইসলামী শাসনব্যবস্থায় ক্ষমতা কখনও মুখ্য উদ্দেশ্য নয়, আর ক্ষমতাশীলদের যাচ্ছেতাই করার কোনোই সুযোগ নেই। সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে মনগড়া যে কোনো আইন তৈরি করা, বিরোধীদের দমন-পীড়ন, জনগণকে নিজেদের গোলামের মতো ভেবে যে কোনো আইন বা করের বোঝা তাদের ঘাড়ের উপর চাপিয়ে দেওয়ার সুযোগ ইসলামে নেই। (মাসিক আলকাউসার, ডিসেম্বর ২০০৮, পৃঃ ০৭)।
গণতন্ত্র একটি কুফরি ও ভয়ঙ্কর মতবাদ হওয়ার ব্যাপারে আকাবিরে আসলাফের অবস্থান সুস্পষ্ট। এরপরও উপদেশ, অনুযোগ ও অভিমানের মাধ্যমে এমন একটি কুফরি ও ভয়ঙ্কর মতবাদকে শুদ্ধ করার পেছনে যে আমরা আমাদের জীবনের সিংহভাগ ব্যয় করে চলছি, তা কি কূপে মৃত কুকুর রেখেই কূপ পরিষ্কার করার ব্যর্থ চেষ্টা নয়?