📘 মুসলিম বিশ্ব ও সমকালীন মাসায়েল 📄 মুফতি নিযামুদ্দিন শামেযি শহিদ

📄 মুফতি নিযামুদ্দিন শামেযি শহিদ


মুফতি নিযামুদ্দিন শামেযি শহিদ (মৃ-১৪২৫ হি.) শাইখুল হাদিস, জামিআ বানুরি টাউন, করাচি, পাকিস্তান।

(دنیا کے اندر تین نظام .......... اسلامی نظام کا عملی نمونہ اب صرف امارت اسلامی افغانستان میں ہے، لیکن دنیا کے کسی اور اسلامی ملک میں اسکا نمونہ نہیں۔ عجیب تعجب کی بات یہ ہے کہ دنیا کے اکثر ممالک میں جو سیاسی نظام چل رہے ہیں یہ دونوں سیاسی نظام بھی یہودیوں کے ہیں، جمہوری نظام ہے یہ بھی یہودیوں کا ہے ، یہودی ہی اس کے خالق اور یہو دی ہی اس کو دنیا کے سامنے پیش کرنے والے ہیں، اور اس طریقے سے یہ جو کیمونسٹ نظام تھا اس کو بھی دنیا کے سامنے پیش کرنے والے یہودی تھے۔ (খুতবাত শামেযি, ১/১৭২-১৭৩)

“(বিশ্বের তিন রাষ্ট্রব্যবস্থা)..... ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থার কার্যত নমুনা এখন (তালেবানদের ক্ষমতাকালে) শুধু ‘ইমারতে ইসলামি’ আফগানিস্তানে রয়েছে। কিন্তু বিশ্বের অন্য কোনো মুসলিম রাষ্ট্রে সেটির নমুনা নেই। আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে, বিশ্বের অধিকাংশ দেশে যে রাষ্ট্রব্যবস্থা চলছে; এ দু'টি রাষ্ট্রব্যবস্থাই ইহুদিদের তৈরি। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা এটিও ইহুদিদের আবিষ্কার, ইহুদিরাই তার স্রষ্টা এবং ইহুদিরাই সেটিকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরেছে। তেমনিভাবে এই যে সাম্যবাদী রাষ্ট্রব্যবস্থা ছিলো, সেটিকেও বিশ্বের সামনে ইহুদিরাই পেশ করেছে।” (খুতবাতে শামেযি, ১/১৭২-১৭৩)

📘 মুসলিম বিশ্ব ও সমকালীন মাসায়েল 📄 শাহ হাকিম মুহাম্মাদ আখতার

📄 শাহ হাকিম মুহাম্মাদ আখতার


(মৃ-১৪৩৪ হি.)

(اسلام میں جمہوریت کی حقیقت) ارشاد فرمایا کہ اسلام میں جمہوریت کوئی چیز نہیں ہے کہ جدھر زیادہ ووٹ ہو جائیں ادھر ہی ہو جاؤ، بلکہ اسلام کا کمال یہ ہے کہ ساری دنیا ایک طرف ہو جائے لیکن مسلمان اللہ ہی کا رہتا ہے۔(خزائن معرفت و محبت ، ص ۱৮৩)

“(ইসলামে গণতন্ত্র-সংখ্যাগরিষ্ঠতার মূল্যায়ন) তিনি বলেছেন, ইসলামে গণতন্ত্র-সংখ্যাগরিষ্ঠতার কোনো স্থান নেই যে, যেদিকে ভোট বেশি হবে সেদিকে হয়ে যাও। বরং ইসলামের উৎকর্ষতা হচ্ছে, পুরো বিশ্বও যদি একদিকে হয়ে যায় কিন্তু মুসলমান আল্লাহর জন্যই থাকে।” (খাযায়েনে মা'রেফাত ওয়ামুহাব্বাত, পৃঃ ১৮৩)

📘 মুসলিম বিশ্ব ও সমকালীন মাসায়েল 📄 মুফতি ফজলুল হক আমিনী

📄 মুফতি ফজলুল হক আমিনী


(মৃ-১৪৩৪ হি.)

আমাদের আকিদা হলো, নবীজী ও খোলাফায়ে রাশেদিনের পদ্ধতির রাষ্ট্রব্যবস্থাই একমাত্র খিলাফতভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা। খিলাফত ছাড়া সব রাষ্ট্রব্যবস্থাই হয়ত কুফরি অথবা পথভ্রষ্ট। বর্তমান সময়ে বিশ্বব্যাপী প্রধান রাষ্ট্রব্যবস্থা হচ্ছে গণতন্ত্র (Democracy) ও সমাজতন্ত্র (Socialism)- উভয়টাই কুফরি রাষ্ট্রব্যবস্থা। (মুফতি ফজলুল হক আমিনী রহ. জীবন ও সংগ্রাম, পৃ: ২১)

📘 মুসলিম বিশ্ব ও সমকালীন মাসায়েল 📄 মুফতি হামিদুল্লাহ জান

📄 মুফতি হামিদুল্লাহ জান


(মৃ-১৪৩৮ হি.) রঈস, দারুল ইফতা, জামিআ আশরাফিয়া লাহোর।

مشاہدہ اور تجربے سے ثابت ہے کہ موجودہ مغربی جمہوری نظام ہی بے دینی، بے حیائی اور تمام فسادات کی جڑ ہے اور خصوصاً اس میں اسمبلیوں کو حق تشریع ( آئین سازی، قانون سازی کا حق ) دینا سراسر کتاب و سنت اور اجماع امت کے خلاف ہے۔ (ماہ نامہ سنابل کراچی ، مئی ۲۰۱۳ء، ۸ / ۳۲، شمارہ نمبر ۱۱، بحوالۂ ادیان کی جنگ،ص৫৬)

“প্রত্যক্ষদর্শন ও অভিজ্ঞতায় প্রমাণিত হয়েছে যে, বর্তমানের পশ্চিমা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাই দ্বীনহীনতা, নির্লজ্জতা ও সকল নষ্টের মূল। বিশেষকরে এ ব্যবস্থাপনায় এ্যাসেম্বলি-সংসদকে আইন প্রণয়নের অধিকার দেয়া সম্পূর্ণরূপে কুরআন, সুন্নাহ ও ইজমায়ে উম্মতের বিপরীত।” (মাহনামা সানাবেল করাচি, মে ২০১৩, ৮/৩২, নং ১১, সূত্রে আদইয়ান কি জঙ্গ, পৃ: ৫৬)

মুফতি হামিদুল্লাহ জান রহ. এর একটি বক্তব্যের ভিডিও আমার সংরক্ষণে আছে। বক্তব্যটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমি বক্তব্যের প্রথমদিকের কিছু অংশের অনুবাদ উল্লেখ করছি।

তিনি বলেন, 'যতোদিন এই দুর্গন্ধযুক্ত গণতন্ত্র, ইংরেজ প্রদত্ত শাসনব্যবস্থা এই দেশে থাকবে, ততোদিন কুপ পাক হতে পারে না। সর্বপ্রথম মৃত কুকুরকে কুপ থেকে বের করতে হবে, তবেই এই পানি পাক হবে। যতোক্ষণ মরা কুকুর পানিতে পড়ে থাকবে, হাজার বালতি পানি বের করুন; আলেমগণ বসা আছেন! সেই কূপ কি পাক হতে পারে? হতে পারে না। নারাজ হবেন না। আমি একটি মৌলিক কথা বলছি, সংক্ষেপে বলছি। اتخذوا أحبارهم ورهبانهم أرباباً "من دون الله কুরআনে কারিমের এই আয়াতের ব্যাপারে হযরত আদি ইবনে হাতেম রাযি. জিজ্ঞাসা করেছেন; তাফসিরে রুহুল মাআনি খুলে দেখুন, তাফসিরে মাযহারি খুলে দেখুন, অন্যান্য তাফসির খুলে দেখুন, আরবি না বুঝলে উর্দুতে মাওলানা ইদরিস কান্ধলবির মাআরিফুল কুরআন খুলে দেখুন! যাই হোক, হযরত আদি ইবনে হাতেম রাযি. জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমরা আহলে কিতাবরা তো কখনো উলামাদের সামনে ইবাদত করতাম না, সিজদা দিতাম না, আমরা তো কখনো আমাদের পীরদের ইবাদত করতাম না। তাহলে আল্লাহ তাআলা কীভাবে বললেন যে, তারা তাদের পীর, মৌলবিদেরকে রব হিসেবে গ্রহণ করতো? তো তারা কীভাবে রব বানালো, আমরা তো তাদের ইবাদত করিনি? তখন হুযুরে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জবাব দিলেন-হাদিসে আছে- হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তারা শরিআত প্রণয়নের অধিকার, হালালকে হারাম ও হারামকে হালাল করার অধিকার পীর-মৌলবিদেরকে দিয়েছিলো। অর্থাৎ আইন প্রণয়নের অধিকার পীর-মৌলবিদেরকে দিয়েছিলো। হারামকে হালাল সাব্যস্ত করা এবং হালালকে হারাম সাব্যস্ত করা, শরিআত প্রণয়নের অধিকার, আইন প্রণয়ন, আইন তৈরির অধিকার দিয়েছিলো। অথচ আইন প্রণয়ন ও আইন তৈরির অধিকার শুধু আল্লাহ তাআলা। " إن الحكم إلا الله " বিধানদাতা একমাত্র আল্লাহ তাআলাই।' (ইউটিউবে লিখে সার্চ করুন 'সংশয় নিরসন, মুফতি তাকি উসমানি (দা. বা.)র আশ্চর্য সংশয়' ১৮.১৭ মি. - ২০.৪২ মি.)

ফন্ট সাইজ
15px
17px