📄 মুফতি মাহমুদ হাসান গাঙ্গুহি
মুফতি মাহমুদ হাসান গাঙ্গুহি (মৃ-১৪১৭ হি.)
হযরত শাহ ওয়ালী আল্লাহ সাহেব মুহাদ্দিসে দেহলবী রহ. গণতন্ত্রকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাতে বিধি-বিধানের ভিত্তি দলিলের উপর নয়, বরং আধিক্যের উপর। অর্থাৎ সংখ্যাগরিষ্ঠের রায়ের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সুতরাং অধিকাংশের রায় যদি কুরআন-হাদিসের বিপরীত হয়, তবুও সে অনুযায়ী ফয়সালা হবে। অথচ কুরআন অধিকাংশের অনুসরণকে ভ্রষ্টতার কারণ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। وإن" تطع أكثر من في الأرض يضلوك عن سبيل الله" (আর যদি তুমি যারা জমিনে আছে তাদের অধিকাংশের আনুগত্য কর, তবে তারা তোমাকে আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত করবে)। জ্ঞানী, দ্বীনদার ও বিবেকী কমই হয়ে থাকে। চার খলিফা রাযিয়াল্লাহু আনহুম রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পদ্ধতির উপর ছিলেন। তাঁরা নববি পদ্ধতির পরিপন্থী কোনো পন্থা অবলম্বন করেননি।” (ফাতাওয়া মাহমুদিয়া, ২০/৪১২)
📄 সাইয়েদ আতাউল মুহসিন শাহ বুখারি
সাইয়েদ আতাউল মুহসিন শাহ বুখারি (মৃ-১৪২০ হি.) সাহেবযাদা, সাইয়েদ আতাউল্লাহ শাহ বুখারি রহ.
اگر کسی ایک قبر کو مشکل کشا ماننا شرک ہے تو کسی اور نظام ریاست ، امپریل ازم، ڈیموکریسی، کمیونزم، کیپٹل ازم اور تمام باطل نظام ہائے ریاست کو مانا کیسے اسلام ہو سکتا ہے ...... قبر کو سجدہ کرنے والا مشرک، پتھر لکڑی اور درخت کو مشکل کشا ماننے والا ، حاجت روا ماننے والا مشرک، اور غیر اللہ کے نظاموں کو مرتب کرنا اور اس کے لئے تگ و دو کرنا اور اس نظام کو قبول کرنا، یہ توحید ہے ؟........ کہاں ہے جمہوریت اسلام میں ؟ (ماہ نامہ سنابل کراچی، بحوالۂ ادیان کی جنگ ،ص৫৬)
“যদি কাউকে কবরে উদ্ধারকারী মনে করা শিরক হয়ে থাকে, তাহলে অন্য কোনো রাষ্ট্রব্যবস্থা; সাম্রাজ্যবাদ, গণতন্ত্র, সাম্যবাদ ও পুঁজিবাদ এবং সকল বাতিল রাষ্ট্রব্যবস্থাকে গ্রহণ করা কীভাবে ইসলাম হতে পারে?..... কবরপূজারি মুশরিক, যে পাথর, লাকড়ি এবং গাছকে উদ্ধারকারী ও প্রয়োজন সম্পন্নকারী মনে করে সে মুশরিক, আর মানবরচিত রাষ্ট্রব্যবস্থাকে চয়ন করা, সেটির জন্য লম্ফঝম্ফ করা এবং সেটিকে গ্রহণ করে নেয়া; এটি তাওহিদ!!!..... ইসলামে কোথায় আছে গণতন্ত্রের স্থান?” (মাহনামা সানাবেল করাচি, সূত্রে আদইয়ان কি জঙ্গ, পৃ: ৫৬)
📄 ইউসুফ লুধিয়ানবি শহিদ
ইউসুফ লুধিয়ানবি শহিদ (মৃ-১৪২১ হি.)
(جمہوریت اس دور کا صنم اکبر )..... جمہوریت دور جدید کا وہ صنم اکبر " ہے جس کی پرستش اول اول دانایان مغرب نے شروع کی، چونکہ وہ آسمانی ہدایت سے محروم تھے اس لئے ان کی عقل نارسانے دیگر نظام ہائے حکومت کے مقابلہ میں جمہوریت کا بت تراش لیا اور پھر اس کو مثالی طرز حکومت قرار دے کر اس کا صور اس بلند آہنگی سے پھونکا کہ پوری دنیا میں اس کا غلغلہ بلند ہوا یہاں تک کہ مسلمانوں نے بھی تقلید مغرب میں جمہوریت کی مالا چینی شروع کر دی، کبھی یہ نعرہ بلند کیا گیا کہ "اسلام جمہوریت کا علمبر دار ہے" اور کبھی " اسلامی جمہوریت" کی اصطلاح وضع کی گئی، حالانکه مغرب جمہوریت کے جس بت کا پجاری ہے اس کا نہ صرف یہ کہ اسلام سے کوئی تعلق نہیں بلکہ وہ اسلام کے سیاسی نظریہ کی ضد ہے، اس لئے اسلام کے ساتھ جمہوریت کا پیوند لگانا اور جمہوریت کو مشرف بہ اسلام کرنا صریحاً غلط ہے۔ ) آپ کے مسائل اور ان کا حل ، سیاست ، ٨ / ١٩٠)
“(গণতন্ত্র সাম্প্রতিককালের বড়ো মূর্তি.... গণতন্ত্র সাম্প্রতিককালের ওই 'বড়ো মূর্তি' যার পূজা প্রথম প্রথম পশ্চিমা বৃদ্ধিজীবীরা শুরু করেছিলো। যেহেতু তারা আসমানি হেদায়াত থেকে বঞ্চিত ছিলো, তাই তাদের অকৃতকার্য মেধা অন্যান্য রাষ্ট্রব্যবস্থার মোকাবেলায় গণতন্ত্রের মূর্তির আকৃতি গঠন করলো। অতঃপর সেটিকে আদর্শ রাষ্ট্রব্যবস্থা আখ্যা দিয়ে সেটির শিঙ্গা এতো উঁচু আওয়াজে ফুৎকার দিয়েছে যে, পুরো বিশ্বে তার ধুমধাম পড়ে গেছে। এমনকি মুসলমানরাও পাশ্চাত্যের অনুসরণে গণতন্ত্রের মালা পরতে শুরু করেছে। কখনো 'ইসলাম গণতন্ত্রের ঝাণ্ডাবাহী' শ্লোগান দিয়েছে, আবার কখনো 'ইসলামি গণতন্ত্র' পরিভাষা আবিষ্কার করেছে। অথচ পশ্চিমা বিশ্ব যে গণতন্ত্রের মূর্তিপূজারি তা শুধু এতোটুকু নয় যে ইসলামের সঙ্গে সেটির কোনো সম্পর্ক নেই, বরং তা ইসলামি রাষ্ট্রনীতির বিপরীত। এ জন্য ইসলামের সঙ্গে গণতন্ত্রের জোড়া লাগানো এবং গণতন্ত্রকে মুসলমান বানানো সুস্পষ্ট ভুল।” (আপকে মাসায়েল আওর উনকা হল, ৮/১৯০)
📄 মুফতি রশিদ আহমাদ লুধিয়ানবি
মুফতি রশিদ আহমাদ লুধিয়ানবি (মৃ-১৪২২ হি.)
یه تمام برگ و بار مغربی جمہوریت کے شجرہ خبیثہ کی (اسلام میں مغربی جمہوریت کی کوئی گنجائش نہیں). پیداوار ہیں، اسلام میں اس کا فرانہ نظام کی کوئی گنجائش نہیں۔ (احسن الفتاوی، کتاب الجہاد، ۲৬/৬)
“(ইসলামে পশ্চিমা গণতন্ত্রের কোনো সুযোগ নেই)..... এ সকল ফল-পাতা পশ্চিমা গণতন্ত্রের অপবিত্র গাছের উৎপাদন। ইসলামে এ কুফরি ব্যবস্থার কোনো সুযোগ নেই।” (আহসানুল ফাতাওয়া, ৬/২৬)