📄 মুহাম্মাদুল্লাহ হাফেজ্জী হুজুর
মুহাম্মাদুল্লাহ হাফেজ্জী হুযুর (মৃ-১৪০৭ হি.)
“আমি নাছারাদের রেখে যাওয়া রাজনীতি জায়েয মনে করি না"। (হাফেজ্জী হুজুর রহ. স্মারকগ্রন্থ, ১৪ই ডিসেম্বর ১৯৮৩ ইং সনে অনুষ্ঠিত তিন দিন ব্যাপী জাতীয় মহাসম্মেলনে হাফেজ্জী হুজুর (রহ.) এর উদ্বোধনী ভাষণ, পৃঃ ৯৫৮)।
📄 শাইখুল হাদিস আব্দুল হক
শাইখুল হাদিস আব্দুল হক (মৃ-১৪০৯ হি.) প্রতিষ্ঠাতা মুহতামিম ও শাইখুল হাদিস, দারুল উলুম হক্কানিয়া পাকিস্তান।
سوشلزم، کمیونزم اور مغربی جمہوریت یہ تمام نظامہائے زندگی اسلام کے اصول سے متصادم ہیں، ایسے کسی بھی نظام کے خلاف آواز اٹھانا، جد وجہد کرنا یا کوئی تحریک چلانا یہ سب امور موجب ثواب ہیں، اس لئے کہ یہ سب نظامہائے زندگی منکرات میں داخل ہیں، خاص کر جب ان نظامہائے زندگی میں دینی اقدار متاثر ہوئے بغیر نہیں رہتے ہوں، اس وقت مسلمانوں پر لازم ہو جاتا ہے کہ ان منکرات کا سد باب کریں۔ اور اگر منکرات کو ختم کرنے کے لئے کوئی جماعت مقرر ہو جائے یا کوئی خاص تحریک چلائی جائے تو یہ ایک مستحسن اور قابل فخر عمل ہو گا۔(فتاوی حقانیہ ، کتاب السیاسۃ، غیر اسلامی نظام کے خلاف تحریک چلانا، ۳২৭/২-৩২৮)
“সমাজতন্ত্র, সাম্যবাদ ও পশ্চিমা গণতন্ত্র; এ সকল জীবনব্যবস্থা ইসলামের মূলনীতির সঙ্গে সংঘাতময়। এ ধরনের যে কোনো ব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে কথা বলা, চেষ্টা-প্রচেষ্টা চালানো অথবা কোনো আন্দোলন গড়ে তোলা সওয়াবের কাজ হবে। কেননা এ সকল জীবনব্যবস্থা 'মুনকারাত' অন্যায়ের অন্তর্ভুক্ত। বিশেষকরে যখন এ সকল জীবনব্যবস্থার কারণে দ্বীনি পরিবেশ প্রভাবান্বিত না হয়ে থাকে না, তখন মুসলমানদের জন্য এ সকল অন্যায়ের মূলোৎপাটন করা আবশ্যক হয়ে যায়। যদি অন্যায়ের প্রতিরোধে কোনো শ্রেণি তৈরি হয়ে যায় অথবা কোনো বিশেষ আন্দোলন চালানো হয়, তাহলে এটি প্রশংসনীয় ও গৌরবের বিষয়।” (ফাতাওয়া হক্কানিয়া, ২/৩২৭-৩২৮)
📄 মুফতি মাহমুদ হাসান গাঙ্গুহি
মুফতি মাহমুদ হাসান গাঙ্গুহি (মৃ-১৪১৭ হি.)
হযরত শাহ ওয়ালী আল্লাহ সাহেব মুহাদ্দিসে দেহলবী রহ. গণতন্ত্রকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাতে বিধি-বিধানের ভিত্তি দলিলের উপর নয়, বরং আধিক্যের উপর। অর্থাৎ সংখ্যাগরিষ্ঠের রায়ের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সুতরাং অধিকাংশের রায় যদি কুরআন-হাদিসের বিপরীত হয়, তবুও সে অনুযায়ী ফয়সালা হবে। অথচ কুরআন অধিকাংশের অনুসরণকে ভ্রষ্টতার কারণ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। وإن" تطع أكثر من في الأرض يضلوك عن سبيل الله" (আর যদি তুমি যারা জমিনে আছে তাদের অধিকাংশের আনুগত্য কর, তবে তারা তোমাকে আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত করবে)। জ্ঞানী, দ্বীনদার ও বিবেকী কমই হয়ে থাকে। চার খলিফা রাযিয়াল্লাহু আনহুম রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পদ্ধতির উপর ছিলেন। তাঁরা নববি পদ্ধতির পরিপন্থী কোনো পন্থা অবলম্বন করেননি।” (ফাতাওয়া মাহমুদিয়া, ২০/৪১২)
📄 সাইয়েদ আতাউল মুহসিন শাহ বুখারি
সাইয়েদ আতাউল মুহসিন শাহ বুখারি (মৃ-১৪২০ হি.) সাহেবযাদা, সাইয়েদ আতাউল্লাহ শাহ বুখারি রহ.
اگر کسی ایک قبر کو مشکل کشا ماننا شرک ہے تو کسی اور نظام ریاست ، امپریل ازم، ڈیموکریسی، کمیونزم، کیپٹل ازم اور تمام باطل نظام ہائے ریاست کو مانا کیسے اسلام ہو سکتا ہے ...... قبر کو سجدہ کرنے والا مشرک، پتھر لکڑی اور درخت کو مشکل کشا ماننے والا ، حاجت روا ماننے والا مشرک، اور غیر اللہ کے نظاموں کو مرتب کرنا اور اس کے لئے تگ و دو کرنا اور اس نظام کو قبول کرنا، یہ توحید ہے ؟........ کہاں ہے جمہوریت اسلام میں ؟ (ماہ نامہ سنابل کراچی، بحوالۂ ادیان کی جنگ ،ص৫৬)
“যদি কাউকে কবরে উদ্ধারকারী মনে করা শিরক হয়ে থাকে, তাহলে অন্য কোনো রাষ্ট্রব্যবস্থা; সাম্রাজ্যবাদ, গণতন্ত্র, সাম্যবাদ ও পুঁজিবাদ এবং সকল বাতিল রাষ্ট্রব্যবস্থাকে গ্রহণ করা কীভাবে ইসলাম হতে পারে?..... কবরপূজারি মুশরিক, যে পাথর, লাকড়ি এবং গাছকে উদ্ধারকারী ও প্রয়োজন সম্পন্নকারী মনে করে সে মুশরিক, আর মানবরচিত রাষ্ট্রব্যবস্থাকে চয়ন করা, সেটির জন্য লম্ফঝম্ফ করা এবং সেটিকে গ্রহণ করে নেয়া; এটি তাওহিদ!!!..... ইসলামে কোথায় আছে গণতন্ত্রের স্থান?” (মাহনামা সানাবেল করাচি, সূত্রে আদইয়ان কি জঙ্গ, পৃ: ৫৬)