📄 সাইয়েদ সুলাইমান নাদাবি
সাইয়েদ সুলাইমান নাদাবি (মৃ-১৩৭৩ হি.)
جمهوریت اور جمہوری عمل کا اسلام سے کیا تعلق ؟ اور خلافت اسلامی سے کیا تعلق؟ موجودہ جمهوریت تو ستر ہویں صدی کے بعد پید ا ہوئی ہے۔ یونان کی جمہوریت بھی موجودہ جمہوریت سے الگ تھی، لہذا اسلامی جمہوریت ایک بے معنی اصطلاح ہے. ہمیں تو اسلام میں کہیں بھی مغربی جمہوریت نظر نہیں آئی اور اسلامی جمہوریت تو کوئی چیز ہے ہی نہیں. جمہوریت ایک خاص تہذیب و تاریخ کا ثمرہ، اسے اسلامی تاریخ میں ڈھونڈنا معذرت خواہی ہے۔ (امالی علامہ سلیمان ندوی، ماہ نامہ سنابل کراچی، مئی ۲۰۱۳ء، ۲৭/৮-২৮، شمارہ نمبر ۱১ ، ماه نامه ساحل کراچی، جون ۲۰۰৬ء، بحوالۂ ادیان کی جنگ , ص ৫৪)
“গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে ইসলামের কী সম্পর্ক? এবং ইসলামি খিলাফতেরই বা কী সম্পর্ক? বর্তমান গণতন্ত্রের আবিষ্কার তো হচ্ছে সপ্তদশ শতাব্দীর পর। গ্রিক গণতন্ত্রও বর্তমানের গণতন্ত্রের থেকে পৃথক ছিলো। সুতরাং 'ইসলামি গণতন্ত্র' একটি অর্থহীন পরিভাষা।..... আমরা তো ইসলামের কোথাও পশ্চিমা গণতন্ত্র দেখছি না, আর 'ইসলামি গণতন্ত্র' বলতে কোনো কিছুই নেই।..... গণতন্ত্র এক বিশেষ কালচার ও ইতিহাসের ফসল, ইসলামি ইতিহাসে সেটিকে অন্বেষণ করা বাহানা তালাশ করা ছাড়া আর কিছুই নয়।” (আমালিয়ে আল্লামা সুলাইমান নাদাবি, মাহনামা সানাবেল করাচি, মে ২০১৩, ৮/২৭-২৮, নং ১১, সূত্রে আদইয়ান কি জঙ্গ, পৃ: ৫৪)
📄 সাইয়েদ হুসাইন আহমাদ মাদানি
সাইয়েদ হুসাইন আহমাদ মাদানি (মৃ-১৩৭৭ হি.)
(مکتوب نمبر ۸۵)........ وہاں (پاکستان) کی حکومت ایک یورپین طرز کی جمہوری حکومت ہے، جس میں حسب آبادی مسلم اور غیر مسلم سب حصہ دار ہیں، اس کو اسلامی حکومت کہنا غلطی ہے۔ (مکتوبات شیخ الاسلام، ۲৪২/২)
“(মাকতুব নং ৮৫)..... পাকিস্তানের শাসনব্যবস্থা একটি ইউরোপীয় পদ্ধতির গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা। যাতে অধিবাসী হিসেবে মুসলিম ও অমুসলিম সকলেই অংশীদার। সেটিকে ইসলামি রাষ্ট্র বলা ভুল। (মাকতুবাতে শাইখুল ইসলাম, ২/২৪২)
📄 ইদরিস কান্ধলবি
ইদরিস কান্ধলবি (মৃ-১৩৯৪ হি.)
(خلافت راشدہ کی تعریف ......... جو حکومت اللہ کی حاکمیت اور قانون شریعت کی برتری اور بالا دستی کونہ مانتی ہو بلکہ یہ کہتی ہو کہ حکومت عوام کی اور مزدوروں کی ہے اور ملک کا قانون وہ ہے جو عوام اور مز دور مل کر بنالیں، سو ایسی حکومت بلا شبہ حکومت کا فرہ ہے۔ (عقائد الاسلام، ۱ / ۱۹৫)
“(খিলাফতে রাশেদার পরিচয়)..... যে রাষ্ট্র আল্লাহ তাআলার কর্তৃত্ব এবং শরিআতের বিধি-বিধানের শ্রেষ্ঠত্ব ও ক্ষমতাকে গ্রহণ করে না, বরং এ কথা বলে যে, রাষ্ট্র হলো জনসাধারণ ও শ্রমিকদের এবং রাষ্ট্রের আইন তাই হবে যা জনসাধারণ ও শ্রমিকরা মিলে তৈরি করবে। তো এ ধরনের রাষ্ট্র নিঃসন্দেহে কাফের রাষ্ট্র।” (আকায়েদুল ইসলাম, ১/১৯৫)
📄 কারি মুহাম্মাদ তায়্যিব
কারি মুহাম্মাদ তায়্যিব (মৃ-১৪০৩ হি.)
(قانون سازی غیر اللہ کا حق نہیں ......... پس وہ سلطنت کبھی بھی اسلامی سلطنت نہیں کہی جاسکتی جس میں قانون سازی انسان کا حق تسلیم کی گئی ہو اور اس طرح حکمرانی کا منصب انسانوں کو دیا جار ہا ہو کہ یہ خدا کی صفت ملکیت میں بھی شرکت ہے اور صفت علم میں بھی اشتراک ہے جو روح عبدیت کے منافی ہے جس کے لئے انسان دنیا میں بھیجا گیا ہے۔(فطری حکومت، ۶০/২)
“(আইন প্রণয়ন আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো অধিকার নয়)..... সুতরাং ওই রাষ্ট্র কখনই ইসলামি রাষ্ট্র হতে পারে না, যে রাষ্ট্র আইন প্রণয়ন মানুষের অধিকার হিসেবে মেনে নিয়েছে এবং স্বতন্ত্র নীতিতে রাজ্য পরিচালনার পদ মানুষদেরকে দিয়ে দিয়েছে। এটি আল্লাহ তাআলার মালিকানায়ও অংশীদারিত্ব এবং ইলমেও অংশীদারিত্ব, যা বান্দার বাস্তবতার বিপরীত, যে উদ্দেশ্যে মানুষকে দুনিয়াতে প্রেরণ করা হয়েছে।” (ফিতরি হুকুমত, ২/৬০)