📄 শাহ ওলিউল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলবি
শাহ ওলিউল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলবি (মৃ-১১৭৬ হি.)
ولما كانت المدينة ذات اجتماع عظيم لا يمكن أن يتفق رأيهم جميعاً على حفظ السنة العادلة، ولا أن ينكر بعضهم على بعض من غير أن يمتاز بمنصب، إذ يفضي ذلك إلى مقاتلات عريضة، لم ينتظم أمرها إلا برجل اصطلح على طاعته جمهور أهل الحل والعقد، له أعوان وشوكة، وكل من كان أشح وأحد وأجرأ على القتل والغصب، فهو أشد حاجة إلى السياسة. (حجة الله البالغة للشاه ولي الله الدهلوي، المبحث الثالث، باب سياسة المدينة، ١٦١/١)
“কোনো শহরে যখন ব্যাপক আকারে জনগণের বসবাস হবে, তখন 'সুন্নাতে আদেলা' শরিআত কর্তৃক অনুমোদিত পন্থা সংরক্ষণের ব্যাপারে সকলের রায় এক হওয়া এবং বিশেষ অবস্থান ব্যতীত একে অপরের কর্মের বিরোধিতা করা অসম্ভব। কেননা এটি ব্যাপক হানাহানি পর্যন্ত পৌঁছে দেবে। তাদের বিষয়াদির কোনো শৃঙ্খলা থাকবে না, যদি অধিকাংশ 'আহলুল হল্লে ওয়ালআকদ' শুরা সদস্য কোনো এক ব্যক্তির আনুগত্যের ব্যাপারে সম্মত না হয়, যার অনেক সহযোগী ও দাপট রয়েছে। আর হত্যা ও জবরদস্তির ব্যাপারে যে যতো বেশি লোভী, তেজী ও দুঃসাহসী হবে, তাকে পরিচালনা করা ততো বেশি প্রয়োজন।” (হুজ্জাতুল্লাহিল বালেগা, ১/১৬১)
📄 হাকিমুল উম্মাহ আশরাফ আলি থানবি
হাকিমুল উম্মাহ আশরাফ আলি থানবি (মৃ-১৩৬২ হি.) গণতন্ত্র ইসলামের বিপক্ষ মতবাদ হওয়া এবং গণতন্ত্রের ভয়ঙ্কর দিক ও অসারতার কথা থানবি রহ. এর রচনা, মালফুযাত ও মাকতুবাতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। সচেতন পাঠক আহসানুল ফাতাওয়ার জিহাদ অধ্যায় (৬/৮৫- ১৪০) থেকে মুফতি তাকি উসমানি হাফিযাহুল্লাহ কর্তৃক লিখিত حکیم الامت رحمہ " اللہ تعالیٰ کے سیاسی افکار শিরোনামের প্রবন্ধটি পড়ে নিতে পারেন। আমি থানবি রহ. এর দু’য়েকটি মন্তব্য উল্লেখ করছি-
( شخصی حکومت) غرض اسلام میں جمہوری سلطنت کوئی چیز نہیں، اسلام میں محض شخصی حکومت کی تعلیم ہے، اور جن مفاسد کی وجہ سے جمہوری سلطنت قائم کی گئی ہے ، وہ سلطنت شخصی میں تو محتمل ہی ہیں اور جمہوری میں متیقن ہیں۔ (اشرف الجواب، ۳۱۹/৩)
"(ব্যক্তি রাজত্ব) মোটকথা, ইসলামে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার কোনো স্থান নেই। ইসলামে শুধুমাত্র ব্যক্তি কর্তৃক শাসনের শিক্ষা রয়েছে। আর যে সকল ক্ষতির কথা চিন্তা করে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার প্রবর্তন করা হয়েছে, তা ব্যক্তি রাজত্বে তো সম্ভাব্য কিন্তু গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় নিশ্চিত।” (আশরাফুল জওয়াব, ৩/৩১৯)
(شخصی سلطنت). بعض لوگوں کو یہ حماقت سو تھی کہ وہ جمہوری سلطنت کو اسلام میں ٹھونسنا چاہتے ہیں اور دعویٰ کرتے ہیں کہ اسلام میں جمہوریت ہی کی تعلیم ہے ، اور استدلال کرتے ہیں: "وشاورهم في الأمر" (اور تم معاملات میں ان سے مشورہ کرو)، مگر یہ بالکل غلط ہے، لوگوں نے مشورہ کی دفعات ہی کو دفع کر دیا ہے، اسلام میں مشورہ کا جو درجہ ہے اس کو بالکل نہیں سمجھا۔ (اشرف الجواب، ৩২১/৩)
“(ব্যক্তি রাজত্ব)...... কতিপয় লোক ইসলামে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার অনুপ্রবেশ ঘটাতে চাওয়ার মতো নির্বুদ্ধিতায় পড়েছে। তারা দাবি করে, ইসলামে গণতন্ত্রেরই শিক্ষা রয়েছে এবং "وشاورهم في الأمر" (আর কাজে-কর্মে তাদের সাথে পরার্মশ করো) কে দলিল হিসেবে পেশ করে। কিন্তু এটি সম্পূর্ণ ভুল। লোকেরা মশওয়ারা-পরামর্শের ধারাকেই বিলুপ্ত করে দিয়েছে। ইসলামে মশওয়ারার যে অবস্থান রয়েছে তা তারা বুঝেইনি।” (আশরাফুল জওয়াব, ৩/৩২১)
📄 সাইয়েদ সুলাইমান নাদাবি
সাইয়েদ সুলাইমান নাদাবি (মৃ-১৩৭৩ হি.)
جمهوریت اور جمہوری عمل کا اسلام سے کیا تعلق ؟ اور خلافت اسلامی سے کیا تعلق؟ موجودہ جمهوریت تو ستر ہویں صدی کے بعد پید ا ہوئی ہے۔ یونان کی جمہوریت بھی موجودہ جمہوریت سے الگ تھی، لہذا اسلامی جمہوریت ایک بے معنی اصطلاح ہے. ہمیں تو اسلام میں کہیں بھی مغربی جمہوریت نظر نہیں آئی اور اسلامی جمہوریت تو کوئی چیز ہے ہی نہیں. جمہوریت ایک خاص تہذیب و تاریخ کا ثمرہ، اسے اسلامی تاریخ میں ڈھونڈنا معذرت خواہی ہے۔ (امالی علامہ سلیمان ندوی، ماہ نامہ سنابل کراچی، مئی ۲۰۱۳ء، ۲৭/৮-২৮، شمارہ نمبر ۱১ ، ماه نامه ساحل کراچی، جون ۲۰۰৬ء، بحوالۂ ادیان کی جنگ , ص ৫৪)
“গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে ইসলামের কী সম্পর্ক? এবং ইসলামি খিলাফতেরই বা কী সম্পর্ক? বর্তমান গণতন্ত্রের আবিষ্কার তো হচ্ছে সপ্তদশ শতাব্দীর পর। গ্রিক গণতন্ত্রও বর্তমানের গণতন্ত্রের থেকে পৃথক ছিলো। সুতরাং 'ইসলামি গণতন্ত্র' একটি অর্থহীন পরিভাষা।..... আমরা তো ইসলামের কোথাও পশ্চিমা গণতন্ত্র দেখছি না, আর 'ইসলামি গণতন্ত্র' বলতে কোনো কিছুই নেই।..... গণতন্ত্র এক বিশেষ কালচার ও ইতিহাসের ফসল, ইসলামি ইতিহাসে সেটিকে অন্বেষণ করা বাহানা তালাশ করা ছাড়া আর কিছুই নয়।” (আমালিয়ে আল্লামা সুলাইমান নাদাবি, মাহনামা সানাবেল করাচি, মে ২০১৩, ৮/২৭-২৮, নং ১১, সূত্রে আদইয়ান কি জঙ্গ, পৃ: ৫৪)
📄 সাইয়েদ হুসাইন আহমাদ মাদানি
সাইয়েদ হুসাইন আহমাদ মাদানি (মৃ-১৩৭৭ হি.)
(مکتوب نمبر ۸۵)........ وہاں (پاکستان) کی حکومت ایک یورپین طرز کی جمہوری حکومت ہے، جس میں حسب آبادی مسلم اور غیر مسلم سب حصہ دار ہیں، اس کو اسلامی حکومت کہنا غلطی ہے۔ (مکتوبات شیخ الاسلام، ۲৪২/২)
“(মাকতুব নং ৮৫)..... পাকিস্তানের শাসনব্যবস্থা একটি ইউরোপীয় পদ্ধতির গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা। যাতে অধিবাসী হিসেবে মুসলিম ও অমুসলিম সকলেই অংশীদার। সেটিকে ইসলামি রাষ্ট্র বলা ভুল। (মাকতুবাতে শাইখুল ইসলাম, ২/২৪২)