📄 দলিল
গণতন্ত্র একটি কুফরি মতবাদ হওয়ার ব্যাপারে পূর্বসূরিদের কোনো দ্বিমত আছে বলে আমাদের জানা নেই। এ বিষয়ে লেখালেখি কম হয়নি। গণতন্ত্র কুফরি মতবাদ হিসেবে প্রমাণিত হওয়ার জন্য সেটির মৌলিক শ্লোগান অর্থাৎ সার্বভৌমত্বের অধিকারী একমাত্র জনগণ এবং জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস এবং এর বিপরীতে "إن الحكم إلا الله" এর মতো আল্লাহ তাআলার 'সরিহ'-সুস্পষ্ট ঘোষণাই যথেষ্ট। যদিও এর সমর্থনে আরো বহু আয়াত ও হাদিস বিদ্যমান আছে। উসুলে ফিকহের পরিভাষায় যেগুলো "قطعي الثبوت" হওয়ার পাশাপাশি "قطعي الدلالة" -ও বটে। তাই অর্থ ও ব্যাখ্যা করে ‘ওযহে ইসতেদলাল' বুঝানোর প্রয়োজন নেই। তবে কোনো কোনো মুলহিদ যেহেতু ইতোমধ্যে উমর রাযি.কে গণতন্ত্রের প্রবর্তক বানিয়ে দিয়েছে, এছাড়াও 'ইসলামি গণতন্ত্র'র শ্লোগান খুব ব্যাপক হয়ে গেছে, তাই গণতন্ত্রের ব্যাপারে ভারতবর্ষের কয়েকজন আকাবিরের মন্তব্য উল্লেখ করা জরুরি মনে করছি।
📄 গণতন্ত্রের ব্যাপারে ভারতবর্ষের কয়েকজন আকাবিরের মন্তব্য
এই অধ্যায়ে কোনো কন্টেন্ট এখনো যোগ করা হয়নি।
📄 গণতন্ত্রের ব্যাপারে একটি পরামর্শ
একটি ইসলামি মাসিক পত্রিকায় গণতন্ত্রের ব্যাপারে একটি পরামর্শ দেয়া হয়েছে যে, 'ইসলামের পাশাপাশি গণতন্ত্র চলতে পারে বলে সাধারণ জনগণের যে মত উক্ত জরিপে প্রকাশিত হয়েছে এর অর্থ- গণতন্ত্রের অতটুকুই নেয়া যাবে, যতটুকু শরীয়া অনুমোদন করে। এ বিষয়েও মুসলিম জনগণের সঠিক রাহনুমায়ী দাঈগণের কর্তব্য।'
📄 গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ইসলামি আইনের বাস্তবায়ন সম্ভব নয়
এক. আকাবিরের অনেকেই গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ইসলামি আইনের বাস্তবায়ন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন। আমি এখানে কয়েকজন আকাবিরের মন্তব্য উল্লেখ করছি, যাদের অধিকাংশাই পাকিস্তানের; যে পাকিস্তানের জন্মই হয়েছিলো ইসলামের শিরোনামে। সে পাকিস্তানের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের আলোকে বলা তাঁদের অভিজ্ঞতার কথা থেকে গ্রহণ করার মতো শিক্ষণীয় বহু উপাদান রয়েছে। তবে শিক্ষা তো তারাই গ্রহণ করবে যাদের শিক্ষা গ্রহণ করার মতো মানসিকতা আছে।