📘 মুসলিম বিশ্ব ও সমকালীন মাসায়েল 📄 শাইখুল ইসলাম মুস্তফা সাবারি

📄 শাইখুল ইসলাম মুস্তফা সাবারি


(মৃ-১৩৭৩ হি.)

قال الشيخ مصطفى صبري: بسم اللهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ . الباب الرابع في عدم جواز فصل الدين عن السياسة - ... لكن حقيقة الأمر أن هذا الفصل مؤامرة بالدين للقضاء عليه، وقد كان في كل بدعة أحدثها العصريون المتفرنجون في البلاد الإسلامية كيد للدين ومحاولة الخروج عليه، لكن كيدهم في فصله عن السياسة أدهى وأشد من كل كيد في غيره، فهو ثورة حكومية على دين الشعب في حين أن العادة أن تكون الثورات من الشعب على الحكومة وشق عصا الطاعة منها أي الحكومة لأحكام الإسلام، بل ارتداد عنه من الحكومة أولاً ومن الأمة ثانياً، إن لم يكن بارتداد الداخلين في حوزة تلك الحكومة باعتبارهم أفراداً، فباعتبارهم جماعة, وهو أقصر طريق إلى الكفر من ارتداد الأفراد، بل إنه يتضمن ارتداد الأفراد أيضاً لقبولهم الطاعة لتلك الحكومة المرتدة التي ادعت الاستقلال لنفسها بعد أن كانت خاضعة لحكم الإسلام عليها، وماذا الفرق بين أن تتولى الأمر في البلاد الإسلامية حكومة مرتدة عن الإسلام وبين أن تحتلها حكومة أجنبية عن الإسلام، بل المرتد أبعد عن الإسلام من غيره أشد، وتأثيره الضار في دين الأمة أكثر، من حيث إن الحكومة الأجنبية لا تتدخل في شؤون الشعب الدينية وتترك لهم جماعة فيما بينهم تتولى الفصل في تلك الشؤون، ومن حيث إن الأمة لا تزال تعتبر الحكومة المرتدة عن دينها من نفسها فترتد هي أيضاً معها تدريجاً، إن لم نقل بارتدادها معها دفعة باعتبارها مضطرة في طاعة الحكومة، ومن حيث إن موقفها الاضطراري تجاه حكومة تأخذ سلطتها وقوتها من نفس الأمة ليس كموقفها الاضطراري تجاه حكومة أجنبية لها قوة أجنبية مثلها. (موقف العقل والعلم والعالم من رب العالمين وعباده المرسلين، ٢٨١/٤-٢٨٥)

“চতুর্থ অধ্যায় রাষ্ট্রনীতি থেকে দ্বীনকে পৃথককরণ জায়েয না হওয়া সম্পর্কে- কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, এই পৃথককরণ মূলত দ্বীনকে ধ্বংস করার একটি ষড়যন্ত্র। সাম্প্রতিক পশ্চিমাদের আদর্শে বিশ্বাসীরা ইসলামি বিশ্বে নতুন যা কিছুরই প্রবর্তন করেছে, তা দ্বীনের বিরুদ্ধে চক্রান্ত ও ইসলামের সঙ্গে বিদ্রোহের প্রচেষ্টা হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে। কিন্তু রাষ্ট্রনীতি থেকে দ্বীনকে পৃথককরণের ক্ষেত্রে তাদের চক্রান্ত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রের চক্রান্ত থেকে কঠিন ও ভয়ঙ্কর। এটি জনগণের ধর্মের বিপক্ষে একটি রাষ্ট্রীয় বিপ্লব -যদিও বিপ্লব সাধারণত রাষ্ট্রের বিপক্ষে জনগণের পক্ষ থেকে হয়ে থাকে- এবং ইসলামি বিধি-বিধানের সামনে রাষ্ট্রের আত্মসমর্পণের বিষয়টি বিনষ্টকরণ।

বরং তা প্রথমত রাষ্ট্রের এবং দ্বিতীয়ত জনগোষ্ঠীর ইসলাম থেকে 'ইরতিদাদ' নিবৃত্ত হওয়া। যদি ওই রাষ্ট্রের ভূখণ্ডের অন্তর্ভুক্ত প্রতিটি ব্যক্তি ব্যক্তির 'ইরতিদাদ' নাও হয়, তবে সামগ্রিকভাবে তো অবশ্যই। এটি ব্যক্তি ব্যক্তির 'ইরতিদাদ'র চেয়ে কুফরের দিকে আরো সংক্ষিপ্ত পথ। বরং তা ব্যক্তি ব্যক্তির 'ইরতিদাদ'কেও আবশ্যক করে। কেননা তারা ওই মুরতাদ রাষ্ট্রের বশ্যতা স্বীকার করে নেয়, যে রাষ্ট্র ইসলামি বিধি-বিধানের অনুগত থাকার পর এখন নিজকে স্বতন্ত্র দাবি করছে। ইসলাম থেকে মুরতাদ হওয়া কোনো শাসনব্যবস্থা ইসলামি বিশ্বের উপর ক্ষমতাসীন হওয়া এবং ইসলামবিবর্জিত ভিনদেশি কোনো রাষ্ট্র ইসলামি বিশ্ব দখল করে নেয়া; দু'য়ের মধ্যে কী পার্থক্য? বরং মুরতাদ অন্যের তুলনায় ইসলাম থেকে বেশি দূরে এবং উম্মতের দ্বীনের জন্য তার ক্ষতিকর প্রভাব আরো প্রবল। কেননা ভিনদেশি রাষ্ট্র সাধারণত ধর্মীয় জাতি-গোষ্ঠীর বিষয়াদিতে হস্তক্ষেপ করে না এবং তাদের থেকে একটি শ্রেণিকে নির্ধারণ করে দেয় যারা ওই সকল বিষয়াদিতে ফয়সালা প্রদানের দায়িত্ব গ্রহণ করে। অপরদিকে নিজের দ্বীন থেকে মুরতাদ হওয়া রাষ্ট্রকে উম্মত নিজেদের অন্তর্ভুক্ত মনে করে চলছে। ফলে রাষ্ট্রের সঙ্গে তারাও ধীরে ধীরে মুরতাদ হয়ে যাচ্ছে। যদিও রাষ্ট্রের বশ্যতা স্বীকারের ক্ষেত্রে নিরুপায় হওয়ার বিষয়টি রয়েছে বলে রাষ্ট্রের সঙ্গে সবাই একসাথে মুরতাদ হয়ে যায়; এ কথা আমরা বলি না। এছাড়াও নিজ জাতির শক্তি ও ক্ষমতায় ক্ষমতাবান রাষ্ট্রের বিপরীতে বাধ্যতামূলক অবস্থান কখনো ভিনদেশি রাষ্ট্রের বিপরীতে বাধ্যতামূলক অবস্থানের মতো নয়, যার শক্তিও অনুরূপ ভিনদেশি।” (মাওকিফুল আকলি ওয়ালইলমি ওয়ালআলাম, ৪/২৮১-২৮৫)

والحق أن ترويج فصل الدين عن الدولة سواء كان هذا الترويج من رجال الحكومة أو الكتاب المفكرين في مصلحة الدولة والأمة، لا يتفق مع الإيمان، بأن الدين منزل من عند الله وأن أحكامه المذكورة في الكتاب والسنة أحكام الله المبلغة بواسطة رسوله، وكل من أشار بمبدأ الفصل إلى المجتمع فهو إما مستبطن للإلحاد... وإما بليد جاهل بمعنى فصل الدين عن الدولة ومغزاه، مع ظهور كونه عبارة عن عزل الإسلام عن حكومته على حكومة الدولة ومنعه من التدخل في شؤونها، ولأجل ذلك يمنع العلماء الذين في العادة مع قبول مبدأ الفصل، عن الاشتغال بالسياسة، فإذا خرج عن الإسلام من لا يقبل سلطة الدين عليه بالأمر والنهي وتدخله في أعماله حال كونه فرداً من أفراد المسلمين، فكيف لا يخرج من لا يقبل هذه السلطة وهذا التدخل بصفة أنه داخل في هيئة الحكومة? (موقف العقل والعلم والعالم من رب العالمين وعباده المرسلين، ٢٩٤/٤)

“সহিহ কথা হচ্ছে, রাষ্ট্র থেকে দ্বীনকে পৃথককরণের বিষয়টি তরান্বিত করা, চাই তা রাষ্ট্র ও জনগণের কল্যাণে রাষ্ট্রীয় হর্তকর্তাদের পক্ষ থেকে হোক বা বুদ্ধিজীবী লেখকদের পক্ষ থেকে হোক; ইমানের সঙ্গে মিলতে পারে না। কেননা দ্বীন আল্লাহ তাআলার পক্ষ হতে অবতারিত এবং কুরআন ও সুন্নাহর বিধি-বিধান আল্লাহ তাআলার বিধি-বিধান, যা তাঁর রাসুলের মাধ্যমে পৌঁছানো হয়েছে। যে ব্যক্তি সমাজকে পৃথককরণের নীতির নির্দেশনা দেয়, সে হয়তো 'ইলহাদ' নাস্তিকতা গোপনকারী...... অথবা এমন নির্বোধ যে রাষ্ট্র থেকে দ্বীনকে পৃথক করার অর্থ ও উদ্দেশ্যের ব্যাপারে অজ্ঞ। অথচ এটা স্পষ্ট যে, এ দাবির অর্থই হচ্ছে, রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থার উপর ইসলামের কর্তৃত্ব থেকে ইসলামকে সরিয়ে দেয়া এবং রাষ্ট্রের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইসলামের অনুপ্রবেশকে বাধাগ্রস্ত করা। এজন্যই তো সাধারণতঃ যে সকল আলেম পৃথককরণের নীতির পক্ষে; তারাও রাষ্ট্রীয় কাজে জড়াতে নিষেধ করেন। তো যে ব্যক্তি মুসলমানদের একজন হওয়া সত্ত্বেও তার উপর দ্বীনের আদেশ-নিষেধের কর্তৃত্ব এবং তার প্রতিটি ক্ষেত্রে ইসলামের অনুপ্রবেশ গ্রহণ করে না সে ইসলাম থেকে বের হয়ে যায়, তাহলে ওই ব্যক্তি কেনো ইসলাম থেকে বের হবে না; যে রাষ্ট্রের কমিশনের সদস্য হিসেবে এই কর্তৃত্ব ও এই অনুপ্রবেশকে গ্রহণ করে না? (মাওকিফুল আকলি ওয়ালইলমি ওয়ালআলাম, ৪/২৯৪)

টিকাঃ
২৫. মাওকিফুল আকলি ওয়ালইলমি ওয়ালআলাম থেকে একটি আলোচনা উদ্ধৃত করতে গিয়ে শাইখ আব্দুল ফাত্তাহ আবু গুদ্দাহ রহ. কিতাব ও কিতাবের রচয়িতা সম্পর্কে যে স্তুতিবাক্য ব্যবহার করেছেন তা হচ্ছে,
"قال أستاذنا المحقق الإمام، خاتمة شيوخ الإسلام في الدولة العثمانية، شيخ الإسلام مصطفى صبري التوقادي رحمه الله تعالى، في كتابه الفذ العجاب، الذي وصف حين صدوره بأنه (كتاب القرن الرابع عشر): "موقف العقل والعلم والعالم من رب العالمين وعباده المرسلين". (الإسناد من الدين وصفحة مشرقة من تاريخ سماع الحديث عند المحدثين، ص٨٦)

📘 মুসলিম বিশ্ব ও সমকালীন মাসায়েল 📄 আলমাউসুআতুল আরাবিয়্যাতুল আলামিয়্যাহ

📄 আলমাউসুআতুল আরাবিয়্যাতুল আলামিয়্যাহ


وقد انتشرت هذه الظاهرة (ظاهرة الإلحاد) انتشاراً واسعاً في الدول الأوروبية بصفة خاصة، وأصبحت له في بعض البلاد حكومات تحرسه ودول تحميه، وهو يتسلح ببعض النظريات العلمية المادية لتؤيده. ويمكن اعتبار ظاهرة "العلمانية" جزءاً من التيار الإلحادي بمفهومه العام. فعلى الرغم من ارتباط العلمانية بفصل الدين عن الدولة أو السياسة في الاستعمال الشائع، فإن لتلك الظاهرة دلالتها الأخرى المتصلة بذلك الفصل، والتي لا تقل أهمية في الاستعمال الغربي المعاصر. فهي تدل لدى كثير من المفكرين ومؤرخي الفكر على "نزع القداسة عن العالم بتحويل الاهتمام من الدين بما يتضمنه من إيمان بإله وبروح وبعالم أخروي أو مغاير خفي إلى انشغال بهذا العالم المرئي أو المحسوس وغير المقدس". ويمكن اعتبار العلمانية بمفهومها الشائع أي فصل الدين عن الدولة مرحلة مبكرة في هذا التوجه العام نحو ربط الحياة الإنسانية بعالم الحس، لأنها تمنح الأولوية لذلك العالم في التشريع لحياة الإنسان وسياستها وفي الآية القرآنية الكريمة إشارة إلى هذا المعنى العام والأساسي للعلمانية، حيث يقول الله تعالى على لسان الذين كفروا: "إن هي إلا حياتنا الدنيا وما نحن بمبعوثين" (الأنعام: ۲۹). والدنيا هي العالم الوحيد بالنسبة للعلمانية. ومن هنا استخدم مفهوم "الدنيوية" كمرادف للعلمانية. ومن العلمانية اشتق فعل "العلمنة" ليدل على عملية التحول نحو هذا العالم. (الموسوعة العربية العالمية، المادة: الإلحاد، (٥٢٨/٢)

“এই নাস্তিকতা বিশেষভাবে ইউরোপে ব্যাপক হয়ে আছে। কোনো কোনো অঞ্চলে সেটিকে পাহারা দেয়ার মতো শাসনব্যবস্থা এবং পৃষ্ঠপোষকতা করার মতো রাষ্ট্র তৈরি হয়ে গেছে। তা আবার নাস্তিকতার সমর্থনে কিছু বস্তুবাদী বৈজ্ঞানিক মতবাদের সজ্জা গ্রহণ করছে। ধর্মনিরপেক্ষতাকে ব্যাপক অর্থের নাস্তিক্য প্রবাহের একটি অংশ হিসেবে ধরা যায়। সাধারণ ব্যবহারে রাষ্ট্র বা রাষ্ট্রনীতি থেকে দ্বীনকে পৃথক করার সঙ্গে ধর্মনিরপেক্ষতার সম্পৃক্ততা তো রয়েছেই। কেননা এ পৃথককরণের সঙ্গে সম্পৃক্ত অন্যান্য প্রমাণাদি সেক্ষেত্রে রয়েছে এবং সাম্প্রতিক পাশ্চাত্য ব্যবহারে এটির গুরুত্ব কম নয়। এটিই অনেক চিন্তাবিদ ও গবেষকের দৃষ্টিতে দ্বীন তথা আল্লাহ, রূহ, আখেরাত বা অদৃশ্যের উপর ইমান থেকে গুরুত্ব সরিয়ে এই দৃশ্যত বা ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য ও অপবিত্র পৃথিবীতে লিপ্ত করে পৃথিবী থেকে পবিত্রতাকে অপসারণ করার প্রমাণ বহন করে। অনুভূত পৃথিবীর সঙ্গে মানবজীবনকে সম্পৃক্তকরণের দিকে অভিমুখী হওয়ার ক্ষেত্রে ধর্মনিরপেক্ষতাকে তার প্রসিদ্ধ অর্থে-রাষ্ট্র থেকে দ্বীনকে পৃথককরণ- প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা যায়। কেননা ধর্মনিরপেক্ষতা মানবজীবনের আইন প্রণয়ন ও রাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে ওই পৃথিবীকেই প্রাধান্য দিয়ে থাকে। ধর্মনিরপেক্ষতার এই ব্যাপক ও মৌলিক অর্থের প্রতি কুরআনে কারিমে ইঙ্গিত রয়েছে। আল্লাহ তাআলা কাফেরদের ভাষ্যে বলছেন, 'আমাদের এ দুনিয়ার জীবন ছাড়া কিছু নেই এবং আমরা পুনরুজ্জীবিত হবো না।' (সুরা আনআম ২৯)। 'আলমানিয়্যাহ' ধর্মনিরপেক্ষতার দৃষ্টিতে দুনিয়াটাই একমাত্র 'আলাম' জগৎ। এটির ভিত্তিতেই 'দুনয়াবিয়্যাহ' পার্থিবতার অর্থকে ‘আলমানিয়্যাহ' ধর্মনিরপেক্ষতার সমার্থক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। রূপান্তরের সকল কার্যকলাপ এই পৃথিবী কেন্দ্রিক হওয়ার উপর প্রমাণ বহন করাতে 'আলমানিয়্যাহ' থেকে 'আলমানাহ' নির্গত করা হয়েছে।” (আলমাউসুআতুল আরাবিয়্যাতুল আলামিয়্যাহ, ২/৫২৮)

📘 মুসলিম বিশ্ব ও সমকালীন মাসায়েল 📄 মাজাল্লাতুল বুহুসিল ইসলামিয়্যাহ

📄 মাজাল্লাতুল বুহুসিল ইসলামিয়্যাহ


ওমান য'আমা ফাসলাদ্দিনে আনিল দাউলা, অআন্নাদ্দিনা মহল্লাল মাসাজিদ ওয়াল বুইউত, অ আন্না লিদ্দৌলাতা আং তাফ'আলা মা ইয়াশাউ অ তাহকুমু বিমা তাশাউ ফাকাদ আজমা আলাল্লাহিল ফিরিয়া, অকাযাবা আলাল্লাহি অ রাসুলাহু, অ গলাত আবিহুল গলাত, বাল হাযা কুফরুন অদোয়ালুন বাঈদ, ইয়াযাল্লা বিল্লাহি মিন যালিক। (মাজাল্লাতুল বুহুসিল ইসলামিয়া, আদাদুল খামিস ওয়াল আরবায়ুন, আশশুক্কুছ ছানি জারুরাতুল বাশার ইলাশ শরিয়াতিল ইসলামিয়া, ৪৭/৩৫)

“যে মনে করবে রাষ্ট্র থেকে দ্বীন আলাদা, দ্বীনের ক্ষেত্র শুধু মসজিদ ও আবাসস্থল এবং রাষ্ট্রের যে কোনো কিছু করা ও যে কোনোভাবে ফয়সালা দেয়ার অধিকার আছে, সে মূলত আল্লাহর ব্যাপারে কঠিন অপবাদ দিলো, আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের উপর মিথ্যারোপ করলো এবং ভয়ঙ্কর প্রকারের ভুলে লিপ্ত হলো। বরং এটি কুফর ও বিদূরিত ভ্রষ্টতা। আল্লাহ তাআলার নিকট এর থেকে আশ্রয় চাই।” (মাজাল্লাতুল বুহুসিল ইসলামিয়্যাহ, ৩৫/৪৭)

📘 মুসলিম বিশ্ব ও সমকালীন মাসায়েল 📄 শাইখুল হাদিস আজিজুল হক

📄 শাইখুল হাদিস আজিজুল হক


(মৃ-১৪৩৩ হি.)

দৈনিক সংগ্রাম: কেউ যদি ইসলাম থেকে রাজনীতি বা রাষ্ট্র পরিচালনা ব্যবস্থা সজ্ঞানভাবে আলাদা করে তাহলে তার ঈমান ক্ষতিগ্রস্ত হবে কিনা?

শাইখুল হাদীস: যদি কেউ বিশ্বাস করে যে, ইসলামে রাষ্ট্র পরিচালনার ব্যবস্থা বা রাজনীতির বিধান নেই, কিংবা ইসলামী ব্যবস্থার বিকল্প বা তার চেয়ে শ্রেষ্ঠ কোন ব্যবস্থা আছে অথবা মুসলমানদের রাজনীতি ও ধর্ম ভিন্ন ভিন্ন তাহলে কুরআন, সুন্নাহ ও ফেকাহ শাস্ত্রে তাকে জিন্দীক বা ধর্মদ্রোহী আখ্যায়িত করা হয়েছে। (অন্তরঙ্গ আলোকে শাইখুল হাদীস রহ., পৃ: ১৪৭-১৪৮)

ফন্ট সাইজ
15px
17px