📄 ইবনে হাজার হাইতামি আশশাফেয়ি
ইবনে হাজার হাইতামি আশশাফেয়ি (মৃ-৯৭৪ হি.)
نعم يعذر مدعي الجهل، إن عذر لقرب عهده بالإسلام، أو بعده عن العلماء. (الإعلام بقواطع الإسلام للهيتمي, ص ۲۸۲ , إكفار الملحدين, ص٩١)
“হাঁ! অজ্ঞতার দাবিদার 'ওযর' পেশ করলে তা 'ওযর' হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে, যদি সে নবমুসলিম হয় অথবা উলামায়ে কেরাম থেকে দূরে বসবাসরত হয়।” (আলই'লাম বি কাওয়াতিয়িল ইসলাম, পৃ: ২৮২-আলজামে' ফি আলফাযিল কুফর নামক চার কিতাবের সমষ্টির সঙ্গে-, ইকফারুল মুলহিদিন, পৃ: ৯১)
📄 অজ্ঞতার দাবি করা দ্বীনি বিষয়ে ‘মুদাহানাত’ শিথিলতা
চতুর্থত: তথাকথিত বর্তমান মুসলিম বিশ্বের গণতান্ত্রিক সরকারদের ব্যাপারে অজ্ঞতার দাবি করা কি দ্বীনি বিষয়ে ‘মুদাহানাত' শিথিলতা নয়? যেখানে যুগের পর যুগ ইসলামি দলগুলো -চাই তাদের মানহাজ সহিহ হোক বা না হোক- ইসলামি হুকুমত, শরয়ি কানুন, আল্লাহর সংবিধান-কুরআনের সংবিধানের দাবি করে আসছে এবং তা করে আসছে সংসদে আইন প্রণেতাদের সামনে, রাষ্ট্রের হর্তকর্তাদের সামনে। দ্বীনের ধারক-বাহকগণ ধর্মনিরপেক্ষতা ইসলামের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ার ঘোষণা দিয়ে আসছেন। এবং এটি একবার বা একদিনের ঘটনা নয়; বরং যুগের পর যুগ ধরে চলছে। এরপরও তাদের ব্যাপারে অজ্ঞতার দাবি করা কি অনর্থক নয়? এ দাবিকে কুরআন, সুন্নাহ, ফিকহ কতোটুকু সমর্থন করবে তা কি দেখার কোনো প্রয়োজন নেই?
📄 ‘ইতমামে হুজ্জাত’ দলিল পূর্ণ করা
'ইতমামে হুজ্জাত' দলিল পূর্ণ করা
এক্ষেত্রে কেউ কেউ আবার 'ইতমামে হুজ্জাত'র কথা বলেন। অর্থাৎ সব ঠিক আছে, তবে 'ইতমামে হুজ্জাত' হয়নি। 'ইতমামে হুজ্জাত'র পূর্বে কারো ব্যাপারে চূড়ান্ত ফয়সালা করা মুশকিল।
📄 ‘ইতমামে হুজ্জাত’র কয়েকটি চিত্র
'ইতমামে হুজ্জাত'র কী অর্থ? ফুকাহায়ে কেরাম যে সকল বিষয়ে বা অবস্থায় অজ্ঞতাকে 'ওযর' নয় বলে ফয়সালা দিয়েছেন; তা কি এজন্য নয় যে, তাতে 'ইতমামে হুজ্জাত' হয়ে গেছে? অন্যথায় অজ্ঞতা কেনো 'ওযর' হিসেবে ধর্তব্য হচ্ছে না? তবুও রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদিস, সাহাবায়ে কেরামের আসার ও আইম্মায়ে দ্বীনের বক্তব্য থেকে আরো কিছু 'ইতমামে হুজ্জাত'র চিত্র তুলে ধরছি-