📘 মুসলিম বিশ্ব ও সমকালীন মাসায়েল 📄 চতুর্থ সংশয়: ‘তাকদিমে ই‘তিকাদি’ প্রয়োজন

📄 চতুর্থ সংশয়: ‘তাকদিমে ই‘তিকাদি’ প্রয়োজন


কেউ কেউ বলতে চান, আমাদের সরকার আল্লাহর আইনের উপর মানবরচিত আইনকে প্রাধান্য দিয়েছে; এটি মেনে নিলেও তাদেরকে মুরতাদ বলার জন্য 'তাকদিমে ই'তিকাদি' তথা ই'তিকাদেও তারা সেটিকে প্রাধান্য দিয়েছে তা সাব্যস্ত হতে হবে।

📘 মুসলিম বিশ্ব ও সমকালীন মাসায়েল 📄 পঞ্চম সংশয়: অজ্ঞতার ‘ওযর’

📄 পঞ্চম সংশয়: অজ্ঞতার ‘ওযর’


কেউ কেউ মানবরচিত আইনের শাসনকে কুফরি শাসন মেনে নিলেও শাসকদেরকে সামগ্রিকভাবে কাফের-মুরতাদ আখ্যা দেয়ার ক্ষেত্রে 'তাকফির' প্রতিবন্ধক বিষয়াদি থেকে 'জাহালত'র প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন। অর্থাৎ তারা বলেন, তাদের অজ্ঞতার বিষয়টি যাচাই করতে হবে। অজ্ঞতা দূর করার পূর্বে তাদেরকে মুরতাদ বলা যাবে না। জাহালত-অজ্ঞতাকে শর্তহীনভাবে 'ওযর' নয় বলে দেয়া সহিহ নয়।

📘 মুসলিম বিশ্ব ও সমকালীন মাসায়েল 📄 ষষ্ঠ সংশয়: ‘ইকরাহ’-জবরদস্তির ‘ওযর’

📄 ষষ্ঠ সংশয়: ‘ইকরাহ’-জবরদস্তির ‘ওযর’


‘তাকফির' প্রতিবন্ধক বিষয়াদি থেকে কেউ কেউ আবার 'ইকরাহ'র প্রসঙ্গ এনে বলেন, তাদের কোনো বাধ্যবাধকতা আছে কি না; তাও খতিয়ে দেখতে হবে। বাহিরের কোনো চাপের কারণে যদি এমনটি করে থাকে, তাহলে তো 'ইকরাহ'-জবরদস্তির কারণে তাদের ব্যাপারে কুফরের হুকুম দেয়া যাবে না।

📘 মুসলিম বিশ্ব ও সমকালীন মাসায়েল 📄 সপ্তম সংশয়: ব্যক্তিবিশেষের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য

📄 সপ্তম সংশয়: ব্যক্তিবিশেষের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য


কারো কারো দাবি হচ্ছে, ব্যক্তিবিশেষের ক্ষেত্রে সবকিছু প্রমাণিত হলে তাকে কাফের বলা যাবে। সামগ্রিকভাবে 'তাকফির' করা যাবে না।

ফন্ট সাইজ
15px
17px