📘 মুসলিম বিশ্ব ও সমকালীন মাসায়েল 📄 ইবনে আব্বাস রাযি. এর বক্তব্যের প্রেক্ষাপট

📄 ইবনে আব্বাস রাযি. এর বক্তব্যের প্রেক্ষাপট


"كفر دون کفر" তথা 'কুফরে আসগর' দ্বারা আয়াতের তাফসির ইবনে আব্বাস রাযি. কোন প্রেক্ষাপটে করেছেন এবং কাদের মোকাবেলায় বলেছেন? তা আমরা দেখতে পারি।

قال ابن أبي حاتم: حدثنا محمد بن عبد الله بن يزيد المقرئ، ثنا سفيان عن هشام بن جحير عن طاووس عن ابن عباس في قوله : "ومن لم يحكم بما أنزل الله فأولئك هم الكافرون" قال: ليس هو بالكفر الذي يذهبون إليه. (تفسير ابن أبي حاتم ١١٤٣/٤، رقم الحديث: ٦٤٣٤، المستدرك للحاكم، كتاب التفسير، تفسير سورة المائدة، ٤٢٧/٢، رقم الحديث: ٣٢٦٩)

"ومن لم يحكم بما أنزل الله فأولئك هم الكافرون" এ আয়াতের ব্যাখ্যায় ইবনে আব্বাস রাযি. বলেন, এটি ওই কুফর নয় যা তারা ব্যক্ত করে।” (তাফসিরে ইবনে আবি হাতেম ৪/১১৪৩, হাদিস নং: ৬৪৩৪, মুসতাদরাকে হাকেম, ২/৪২৭, হাদিস নং: ৩২৬৯)

ইবনে আব্বাস রাযি. يذهبون বলে একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের প্রতি ইঙ্গিত করেছেন এবং তাদের অবস্থানকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। উমাবি খিলাফতকালে সর্বত্র যখন আল্লাহর আইনই প্রতিষ্ঠিত, শরিআত কর্তৃক নির্ধারিত হুদুদ- কিসাসই যখন কার্যকর হচ্ছিলো, তখন কোনো কোনো গভর্নর বা কাযি নিজেদের নফসের বা শয়তানের ধোঁকায় পড়ে আল্লাহর আইন অনুযায়ী হুকুম দেয়া তার জন্য আবশ্যকীয় জেনেই কখনো খেলাফে শরিআত ফয়সালা করে বসতো। এতেই খাওয়ারেজ সম্প্রদায় উল্লিখিত আয়াতটির অপব্যাখ্যার আশ্রয় নিয়ে তাদেরকে কাফের আখ্যা দিতে লাগলো। তাদের এই অবস্থানকে প্রত্যাখ্যান করতে গিয়েই ইবনে আব্বাস রাযি. আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেছেন- এটি কুফরে আসগর তথা ওই গভর্নর বা কাযি ফাসেক হবে কাফের নয়।(২৩)

টিকাঃ
২৩. এক্ষেত্রে আরেকটি বিষয় মনে রাখা উচিত; সামনে উদ্ধৃত শাইখ মুহাম্মাদ ইবনে সায়িদ আলকাহতানির আলোচনা থেকেও বিষয়টি স্পষ্ট হবে। তা হচ্ছে, ইবনে আব্বাস রাযি.সহ যাঁরা ‘কুফরে আসগর' দ্বারা আয়াতের তাফসির করেছেন, তাঁদের সামনে শুধু কোনো কোনো মুসলিম শাসক বা কাযির ঘুষ, স্বজনপ্রীতি বা সুপারিশ ইত্যাদির কারণে শরিআত পরিপন্থী ফয়সালা করার চিত্র ছিলো। তাঁদের কল্পনাতেও ছিলো না যে, একসময় নামধারী মুসলিম শাসক ও বিচারকদের অবস্থা ইহুদিদের অবস্থানকেও অতিক্রম করে যাবে। অর্থাৎ কুরআন-সুন্নাহ পরিপন্থী সংবিধান অনুযায়ী শাসনব্যবস্থা কায়েম হবে; শুধু তাই নয় বরং কুরআন-সুন্নাহ অনুযায়ী শাসন করার উপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে এবং তা অপরাধ হিসেবে পরিগণিত হবে। সুতরাং পরবর্তী অবস্থা যেটির ধারণা পূর্ববর্তীদের ছিলো না; সে অবস্থাকে তাঁদের তাফসিরের অন্তর্ভুক্ত করে দেয়া খুবই দুঃখজনক। ফিকহ ও ইফতা যাদের ‘মাশগালা', তাদের একটি 'উসুল' জানা আছে। 'উসুল'টি হচ্ছে,
عبارات الفقهاء في كتبهم مبنية على ما أمكن تصوره في زمانهم، فقد يذكرون ألفاظاً عامة تشتمل بظاهرها أحوالاً استجدت بعدهم، ولم تكن متصورة في عهدهم، فلا يمكن أن نقول: إنهم حكموا على هذا الوضع الجديد بالألفاظ العامة التي استخدموها عند بيان الحكم، فإن عبارات الفقهاء محدودة في إمكانياتهم مقتضى استقصاءهم واستقراءهم في عهدهم، فمن الممكن أن يكون الفقهاء قد استعملوا كلمة حسب استقراءهم أحوال زمانهم، ولم يتخيلوا ما سيحدث في الأزمنة الآتية، بحيث لم تستوعب عباراتهم هذه الحوادث المستقبلة، فربما يتوهم من عموم ألفاظهم حكم للحوادث المستقبلة، ولكنهم لم يقصدوها لكونها غير متصورة في عهدهم. (أصول الإفتاء للمفتي تقي العثماني، ص ৩০৮)
উল্লিখিত 'উসুল' ও উদাহরণসহ 'উসুল'র ব্যাখ্যা আমরা মুফতি তাকি উসমানি -হাফিযাহুল্লাহ- এর কিতাব 'উসুলুল ইফতা' (পৃ: ৩০৮-৩১০) থেকে দেখে নিতে পারি।

📘 মুসলিম বিশ্ব ও সমকালীন মাসায়েল 📄 কুফরে আকবর ও কুফরে আসগরের ক্ষেত্র

📄 কুফরে আকবর ও কুফরে আসগরের ক্ষেত্র


বুঝা গেলো, যে কারো ক্ষেত্রে ইবনে আব্বাস রাযি. এর তাফসির পেশ করে দেয়া সহিহ নয়। সহিহ কথা হচ্ছে, আয়াতটি মৌলিকভাবে ‘কুফরে আকবর'র জন্য অবতীর্ণ হলেও সেটির একটি আনুষঙ্গিক ক্ষেত্র 'কুফরে আসগর'ও। অর্থাৎ আয়াতটি উভয় কুফরকে শামিল করে। সেটি বিবেচনা হবে রাষ্ট্রীয় আইনের ব্যবস্থাপনা ও বিচারকের অবস্থানুযায়ী। পূর্বোল্লিখিত আকাবিরে আসলাফের 'নুসুস' থেকেও তা স্পষ্ট। ইবনে আবিল ইয্য আলহানাফি তা ব্যাখ্যা করেই বলেছেন। হাফেয ইবনুল কাইয়িম (মৃ-৭৫১ হি.) এ মতটিকেই প্রাধান্য দিয়েছেন।

والصحيح أن الحكم بغير ما أنزل الله يتناول الكفرين، الأصغر والأكبر بحسب حال الحاكم، فإنه إن اعتقد وجوب الحكم بما أنزل الله في هذه الواقعة، وعدل عنه عصياناً، مع اعترافه بأنه مستحق للعقوبة، فهذا كفر أصغر، وإن اعتقد أنه غير واجب، وأنه مخير فيه، مع تيقنه أنه حكم الله، فهذا كفر أكبر. (مدارج السالكين لابن القيم، الكفر الأكبر، ٢٥٩/١)

“সহিহ কথা হচ্ছে, আল্লাহ প্রদত্ত বিধান পরিপন্থী ফয়সালা করা বিচারকের অবস্থাভেদে 'কুফরে আকবর' ও 'কুফরে আসগর' উভয়টিকে অন্তর্ভুক্ত করে। বিচারক যদি কোনো ক্ষেত্রে আল্লাহ প্রদত্ত বিধান অনুযায়ী বিচার করার অপরিহার্যতার বিশ্বাস রেখেই অবাধ্যতা করে তা থেকে সরে যায়, অথচ সে স্বীকার করে যে সে এ কারণে শাস্তিপ্রাপ্ত হবে, এটি হবে কুফরে আসগর। আর যদি সে মনে করে যে, এটি তার জন্য আবশ্যকীয় নয় এবং তার ইচ্ছার অধিকার আছে, অথচ সে নিশ্চিত যে তা আল্লাহর বিধান, তাহলে এটি হবে কুফরে আকবর।” (মাদারিজুস সালেকিন, ১/২৫৯)

📘 মুসলিম বিশ্ব ও সমকালীন মাসায়েল 📄 ইতিহাসের সাক্ষ্য

📄 ইতিহাসের সাক্ষ্য


আমরা একটু পেছনে ফিরে যাই। ১৯২৪ খৃস্টাব্দে উসমানি খিলাফত পতনের আগ পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে হাজারো যুলুম-অত্যাচার, অন্যায়-অবিচার হওয়া এবং শেষদিকে এসে খিলাফতের ব্যবস্থাপনা ভঙ্গুর হয়ে পড়া সত্ত্বেও খিলাফতের পক্ষ হতে হুদুদ-কিসাস ইত্যাদির ক্ষেত্রে শরয়ি আইন বলবৎ ছিলো, জিহাদি কাফেলা ছিলো, ছিলো 'রিবাত'র ব্যবস্থাও। শরয়ি আইনের বিপরীত কোনো মানবরচিত আইন বিধিবদ্ধ হয়নি। সে সময়ে কোনো কাযি নিজে গোনাহে লিপ্ত হচ্ছে জেনেই ধোঁকায় পড়ে কখনো শরিআতের বিপরীত ফয়সালা করলে উলামায়ে কেরাম তাকে ফাসেক হওয়ার ফাতওয়া দিয়েছেন। এর বিপরীতে শাসক কর্তৃক 'ইয়াসাক'র মতো যখনই কোনো মানবরচিত সংবিধান তৈরি হয়েছে, তখনই উলামায়ে কেরাম তাদেরকে কাফের আখ্যায়িত করে তাদের বিরুদ্ধে কিতাল করা ওয়াজিব হওয়ার ফাতওয়া দিয়েছেন। যেমনটি ইতোপূর্বে ইবনে কাসিরের উদ্ধৃতিতে উল্লেখ হয়েছে।

এখন একটু বিবেচনা করি; আমাদের দেশসহ কথিত মুসলিম বিশ্বের সরকার ও বিচার ব্যবস্থাপনা কোন প্রকারে পড়বে! যেখানে কুরআন-সুন্নাহর বিপরীতে মানবরচিত আইন গ্রহণ বা প্রণয়ন করা হয়েছে, আল্লাহর দেয়া শরিআতের সঙ্গে বিদ্রোহ করে তাগুতের আইনে সংবিধান তৈরি করা হয়েছে, শরয়ি বিধান মতে ফয়সালা দেয়ার কোনো সুযোগ রাখা হয়নি, আল্লাহর আইন অনুযায়ী বিচার করা আবশ্যকীয় মনে করা তো দূরের কথা; বরং তার বিপরীতে মানবরচিত আইনে ফয়সালা করাকে বিচারকরা নিজেদের দায়িত্ব ও কর্তব্য মনে করছে, তখন এটি কোন প্রকারে পড়বে? কথিত মুসলিম বিশ্বের সংবিধান ও তাতারিদের 'ইয়াসাক'র মাঝে পার্থক্য কোথায়?

📘 মুসলিম বিশ্ব ও সমকালীন মাসায়েল 📄 শাইখ মুহাম্মাদ ইবনে সায়িদ আলকাহুতানির একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা

📄 শাইখ মুহাম্মাদ ইবনে সায়িদ আলকাহুতানির একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা


এ সংক্রান্ত মক্কা মুকাররমার প্রসিদ্ধ শাইখ মুহাম্মাদ ইবনে সাঈদ আলকাহতানির আলোচনাটি যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ-

قال محمد بن سعيد القحطاني: (تعليق لا بد منه في النص المتقدم بعض العبارات التي قد توهم بعض الناس في قضية الحاكمية) حيث ذكر ابن القيم أن الحكم بغير ما أنزل الله كفر دون كفر. وهنا لا بد من إيضاح هذه القضية حتى يزول ما قد يحصل من إشكال.

إن المجتمع الإسلامي منذ قيامه على يد رسول الله ﷺ قد قام على الحكم بشريعة الله، ومضى على ذلك خلفاؤه الراشدون، ثم الخلفاء الأمويون مضوا على ذلك وإن كان بدر منهم بعض الانحرافات، إلا أن الحكم الذي يتحاكمون إليه الناس هو شرع الله، يظلهم برايته ويرعاهم بحكمته وعدالته. ثم جاءت الدولة العباسية وكان الشرع أيضاً هو نظام الحكم مع وجود ثغرات قوية بعض الشيء. ثم جاء التتار، وأتى (هولاكو) بـ (الياسق) - وسيرد كلام العلماء بخصوصه في مكانه المناسب إن شاء الله

ولما كان الأمر كذلك فإن كلام السلف ومنهم ابن القيم كلام لا غبار عليه، فإذا حكم الحاكم برشوة أو لقرابة، أو شفاعة أو ما أشبه ذلك فلا شك أن ذلك كفر دون كفر .

وأما ما جد في حياة المسلمين ولأول مرة في تاريخهم وهو تنحية شريعة الله عن الحكم ورميها بالرجعية والتخلف وأنها لم تعد تواكب التقدم الحضاري والعصر المتطور. فهذه ردة جديدة في حياة المسلمين। إذ الأمر لم يقتصر على تلك الدعاوى التافهة، بل تعداه إلى إقصائها فعلاً عن واقع الحياة واستبدال الذي هو أدنى بها، فحل محلها القانون الفرنسي أو الإنجليزي أو الأمريكي أو الاشتراكية الإلحادية وما أشبه ذلك من تلك النظم الجاهلية الكافرة. (الولاء والبراء في الإسلام لمحمد بن سعيد القحطاني، ص٦٨)

“(অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি পর্যালোচনা) উপর্যুক্ত বক্তব্যের কিছু বাক্য 'হাকেমিয়্যাত' বিষয়ে কারো মনে সংশয় সৃষ্টি করতে পারে। কেননা হাফেয ইবনুল কাইয়িম বলেছেন যে, আল্লাহ প্রদত্ত বিধান পরিপন্থী ফয়সালা করা কুফরে আসগার। এখানে এ বিষয়টি স্পষ্ট করা প্রয়োজন, যেনো সৃষ্ট সন্দেহ দূর হয়ে যায়।

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাতে ইসলামি সমাজ প্রতিষ্ঠালাভের পর থেকে তা আল্লাহর শরিআতের উপরই অবিচল ছিলো। এ অবস্থার উপরই খুলাফায়ে রাশেদিনের যুগ অতিবাহিত হয়েছে। অতঃপর উমাবি খুলাফারাও এভাবে চলেছে, যদিও তাদের থেকে বিভিন্ন বিচ্যুতি প্রকাশ পেয়েছে। কিন্তু যে সংবিধানের কাছে তারা বিচারপ্রার্থী হতো তা আল্লাহর বিধি-বিধানই ছিলো। আল্লাহর শরিআতের পতাকাতলে তাদেরকে আশ্রয় দিতো এবং শরিআতের হিকমত ও ইনসাফের মাধ্যমে তাদেরকে পরিচর্যা করতো। অতঃপর আব্বাসি খিলাফতের সূচনা হলো। তখনো কোনো কোনো ক্ষেত্রে বড়ো ধরনের ফাঁক- ফোকরের উপস্থিতি সত্ত্বেও বিচারব্যবস্থা শরিআতে ইসলামিই ছিলো।

অতঃপর তাতারিদের উত্থান হলো এবং হালাকু খান 'ইয়াসাক' নামক সংবিধান নিয়ে আসলো। 'ইয়াসাক' সম্পর্কে উলামায়ে কেরামর মন্তব্য বিশেষভাবে তার সঙ্গত স্থানে উল্লেখ করা হবে, ইনশাআল্লাহ।

বিষয়টি যখন এমনই, তাহলে ইবনুল কাইয়িমসহ অন্যান্য সালাফের বক্তব্যে কোনো অস্পষ্টতা নেই। কেননা বিচারক যদি ঘুষ, স্বজনপ্রীতি, সুপারিশ বা এ জাতীয় কোনো কারণে বিপরীত ফয়সালা করে, তাহলে নিঃসন্দেহে তা কুফরে আসগর।

কিন্তু মুসলমানদের জীবনে যা নতুনভাবে এসে পড়েছে -বরং তাদের ইতিহাসে সর্বপ্রথম- আর তা হচ্ছে, বিচারকার্য থেকে আল্লাহর শরিআতকে দূরে সরিয়ে দেয়া, সেটিকে পশ্চাদমুখী ও সেকেলে এবং সভ্যতার উন্নতি ও বিবর্তিত কালের সহযাত্রী হতে পারছে না বলে আখ্যা দেয়া। এটি মুসলিম জীবনে 'ইরতিদাদ'র নতুনরূপ। কেননা তা শুধু এ সকল অসার দাবিতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং শরিআতকে কার্যকরীভাবে বাস্তব জীবন থেকে দূরে সরিয়ে দেয়া এবং শরিআতের পরিবর্তে নিকৃষ্টতর ব্যবস্থা গ্রহণ করা পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। ইসলামি আইনের পরিবর্তে সেখানে স্থান করে নিয়েছে ফরাসি, ইংরেজি, মার্কিন, কমিউনিস্ট সমাজতন্ত্র এবং এ জাতীয় বিভিন্ন জাহেলি কুফরি ব্যবস্থার আইন-কানুন।” (আলওয়ালা ওয়ালবারা ফিল ইসলাম, পৃ: ৬৮)

অতঃপর তিনি তাঁর দাবির পক্ষে দলিল-প্রমাণ উল্লেখ করেছেন। সচেতন পাঠক মূল কিতাব থেকে পুরো আলোচনাটি দেখে নিতে পারেন। বরং পুরো কিতাবটি বুঝে-শুনে অধ্যয়ন করলে গ্রহণ করার মতো বহু উপাদান পাওয়া যাবে।

ফন্ট সাইজ
15px
17px